পাকিস্তান-শাসিত কাশ্মিরে ব্যাপক বিক্ষোভ, নিহত অন্তত ১৬

পাকিস্তান-শাসিত কাশ্মিরে ব্যাপক বিক্ষোভ, নিহত অন্তত ১৬
সিটিজেন ডেস্ক

পাকিস্তান-নিয়ন্ত্রিত কাশ্মিরে বিক্ষোভ সমাবেশে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর গুলিতে অন্তত ১৬ জন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন অন্তত ৩৭ জন।
বৃহস্পতিবার (১১ জুন) রাওয়ালাকোটের ঈদগাহ ময়দানে এ বিক্ষোভ সমাবেশের ডাক দেয় ‘জয়েন্ট আওয়ামী অ্যাকশন কমিটি’ (জেএএসি)। সমাবেশে প্রায় ৭০ হাজার বিক্ষোভকারী অংশ নেয়। বিক্ষোভ দমনে নিরাপত্তা বাহিনীর বল প্রয়োগ করলে সংঘর্ষে এক ব্যবসায়ী নিহতের ঘটনায় পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।
গত ৫ জুন জেএএসিকে নিষিদ্ধ করার পাশাপাশি এর নেতাদের গ্রেপ্তারের জন্য পুরস্কারও ঘোষণা করা হয়েছে। তবে এ পদক্ষেপ হাজার হাজার মানুষকে আঞ্চলিক রাজধানী মোজাফফরাবাদ অভিমুখে পদযাত্রা করা থেকে আটকাতে পারেনি।
স্থানীয় কর্মকর্তাদের মতে, বিক্ষোভকারীদের একটি বিশাল বহর রাওয়ালকোট শহরের ৪ কিলোমিটার দূরে অবস্থান করছে। বহরে ১০ হাজারেরও বেশি মানুষ রয়েছে।
পুঞ্চ জেলার প্রশাসক সরদার ওয়াহিদ খান জানিয়েছেন, আইনশৃঙ্খলা নিশ্চিত করতে নিরাপত্তা কর্মকর্তারা ওই এলাকায় টহল দিচ্ছেন। পাশাপাশি বাসিন্দাদের ঘর থেকে বের না হতে বলা হয়েছে। তিনি আরও জানান, বিক্ষোভকারীদের এ বহরকে রাওয়ালকোটের ভেতর দিয়ে মোজাফফরাবাদে যাওয়ার অনুমতি দেওয়া হবে না।
গত রবিবার (৭ জুন) বিক্ষোভ দমনে সেনা ও আধা সামরিক রেঞ্জার্স বাহিনীর গুলিতে ৩০ জন নিহত হয়েছিলেন।
যে কারণে বিক্ষোভ
কয়েক দশক আগে ভারত-নিয়ন্ত্রিত কাশ্মির থেকে পাকিস্তানে চলে আসে বেশ কিছ শরণার্থী। তারা কাশ্মিরের দীর্ঘদিনের বিরোধ মীমাংসা হলে একদিন নিজেদের ঘরে ফিরে যাবে– আশা নিয়ে এখানে বসবাস করছেন।
আগামী ২৭ জুলাই অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া স্থানীয় আইনসভা নির্বাচনে শরণার্থীদের জন্য ১২টি আসন সংরক্ষিত রাখা হয়েছে। বেশ কয়েকটি অধিকারকর্মী সংগঠনের জোট ‘জয়েন্ট আওয়ামী অ্যাকশন কমিটি’ (জেএএসি) এ সংরক্ষিত আসন বাতিলের দাবি জানিয়েছে। তাদের যুক্তি, এ ব্যবস্থা স্থানীয় জনগণের প্রতিনিধিত্বকে দুর্বল করছে। তাই আইনসভার সব আসনে শুধু এই অঞ্চলে প্রকৃতভাবে বসবাসকারীদেরই প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার সুযোগ থাকা উচিত। তবে কর্তৃপক্ষ বলছে, এ আসনগুলোর সংরক্ষণ অত্যন্ত জরুরি।
পাকিস্তান-নিয়ন্ত্রিত কাশ্মির নিজস্ব আঞ্চলিক সরকার চালিত একটি আধা-স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল। ব্রিটিশ ভারত ভাগের পর থেকে দীর্ঘ ৭০ বছরের বেশি সময় ধরেই গোটা কাশ্মির অঞ্চল ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে বিরোধের মূল উৎস হয়ে রয়েছে।
নয়াদিল্লি ও ইসলামাবাদ– উভয় পক্ষই হিমালয় অঞ্চলের এ কাশ্মিরকে নিজেদের একক ভূখণ্ড বলে দাবি করে। কাশ্মির ইস্যু নিয়ে প্রতিবেশী দেশ দুটি পূর্ণাঙ্গ দুটি যুদ্ধ এবং একটি সীমিত পরিসরের যুদ্ধে জড়িয়েছে। বর্তমানে দুই প্রতিবেশীর কেউই পুরো কাশ্মির নিয়ন্ত্রণ করে না, বরং তারা এর একেকটি অংশ নিয়ন্ত্রণ করছে।
সূত্র: বিবিসি, আনন্দবাজার

পাকিস্তান-নিয়ন্ত্রিত কাশ্মিরে বিক্ষোভ সমাবেশে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর গুলিতে অন্তত ১৬ জন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন অন্তত ৩৭ জন।
বৃহস্পতিবার (১১ জুন) রাওয়ালাকোটের ঈদগাহ ময়দানে এ বিক্ষোভ সমাবেশের ডাক দেয় ‘জয়েন্ট আওয়ামী অ্যাকশন কমিটি’ (জেএএসি)। সমাবেশে প্রায় ৭০ হাজার বিক্ষোভকারী অংশ নেয়। বিক্ষোভ দমনে নিরাপত্তা বাহিনীর বল প্রয়োগ করলে সংঘর্ষে এক ব্যবসায়ী নিহতের ঘটনায় পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।
গত ৫ জুন জেএএসিকে নিষিদ্ধ করার পাশাপাশি এর নেতাদের গ্রেপ্তারের জন্য পুরস্কারও ঘোষণা করা হয়েছে। তবে এ পদক্ষেপ হাজার হাজার মানুষকে আঞ্চলিক রাজধানী মোজাফফরাবাদ অভিমুখে পদযাত্রা করা থেকে আটকাতে পারেনি।
স্থানীয় কর্মকর্তাদের মতে, বিক্ষোভকারীদের একটি বিশাল বহর রাওয়ালকোট শহরের ৪ কিলোমিটার দূরে অবস্থান করছে। বহরে ১০ হাজারেরও বেশি মানুষ রয়েছে।
পুঞ্চ জেলার প্রশাসক সরদার ওয়াহিদ খান জানিয়েছেন, আইনশৃঙ্খলা নিশ্চিত করতে নিরাপত্তা কর্মকর্তারা ওই এলাকায় টহল দিচ্ছেন। পাশাপাশি বাসিন্দাদের ঘর থেকে বের না হতে বলা হয়েছে। তিনি আরও জানান, বিক্ষোভকারীদের এ বহরকে রাওয়ালকোটের ভেতর দিয়ে মোজাফফরাবাদে যাওয়ার অনুমতি দেওয়া হবে না।
গত রবিবার (৭ জুন) বিক্ষোভ দমনে সেনা ও আধা সামরিক রেঞ্জার্স বাহিনীর গুলিতে ৩০ জন নিহত হয়েছিলেন।
যে কারণে বিক্ষোভ
কয়েক দশক আগে ভারত-নিয়ন্ত্রিত কাশ্মির থেকে পাকিস্তানে চলে আসে বেশ কিছ শরণার্থী। তারা কাশ্মিরের দীর্ঘদিনের বিরোধ মীমাংসা হলে একদিন নিজেদের ঘরে ফিরে যাবে– আশা নিয়ে এখানে বসবাস করছেন।
আগামী ২৭ জুলাই অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া স্থানীয় আইনসভা নির্বাচনে শরণার্থীদের জন্য ১২টি আসন সংরক্ষিত রাখা হয়েছে। বেশ কয়েকটি অধিকারকর্মী সংগঠনের জোট ‘জয়েন্ট আওয়ামী অ্যাকশন কমিটি’ (জেএএসি) এ সংরক্ষিত আসন বাতিলের দাবি জানিয়েছে। তাদের যুক্তি, এ ব্যবস্থা স্থানীয় জনগণের প্রতিনিধিত্বকে দুর্বল করছে। তাই আইনসভার সব আসনে শুধু এই অঞ্চলে প্রকৃতভাবে বসবাসকারীদেরই প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার সুযোগ থাকা উচিত। তবে কর্তৃপক্ষ বলছে, এ আসনগুলোর সংরক্ষণ অত্যন্ত জরুরি।
পাকিস্তান-নিয়ন্ত্রিত কাশ্মির নিজস্ব আঞ্চলিক সরকার চালিত একটি আধা-স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল। ব্রিটিশ ভারত ভাগের পর থেকে দীর্ঘ ৭০ বছরের বেশি সময় ধরেই গোটা কাশ্মির অঞ্চল ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে বিরোধের মূল উৎস হয়ে রয়েছে।
নয়াদিল্লি ও ইসলামাবাদ– উভয় পক্ষই হিমালয় অঞ্চলের এ কাশ্মিরকে নিজেদের একক ভূখণ্ড বলে দাবি করে। কাশ্মির ইস্যু নিয়ে প্রতিবেশী দেশ দুটি পূর্ণাঙ্গ দুটি যুদ্ধ এবং একটি সীমিত পরিসরের যুদ্ধে জড়িয়েছে। বর্তমানে দুই প্রতিবেশীর কেউই পুরো কাশ্মির নিয়ন্ত্রণ করে না, বরং তারা এর একেকটি অংশ নিয়ন্ত্রণ করছে।
সূত্র: বিবিসি, আনন্দবাজার

পাকিস্তান-শাসিত কাশ্মিরে ব্যাপক বিক্ষোভ, নিহত অন্তত ১৬
সিটিজেন ডেস্ক

পাকিস্তান-নিয়ন্ত্রিত কাশ্মিরে বিক্ষোভ সমাবেশে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর গুলিতে অন্তত ১৬ জন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন অন্তত ৩৭ জন।
বৃহস্পতিবার (১১ জুন) রাওয়ালাকোটের ঈদগাহ ময়দানে এ বিক্ষোভ সমাবেশের ডাক দেয় ‘জয়েন্ট আওয়ামী অ্যাকশন কমিটি’ (জেএএসি)। সমাবেশে প্রায় ৭০ হাজার বিক্ষোভকারী অংশ নেয়। বিক্ষোভ দমনে নিরাপত্তা বাহিনীর বল প্রয়োগ করলে সংঘর্ষে এক ব্যবসায়ী নিহতের ঘটনায় পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।
গত ৫ জুন জেএএসিকে নিষিদ্ধ করার পাশাপাশি এর নেতাদের গ্রেপ্তারের জন্য পুরস্কারও ঘোষণা করা হয়েছে। তবে এ পদক্ষেপ হাজার হাজার মানুষকে আঞ্চলিক রাজধানী মোজাফফরাবাদ অভিমুখে পদযাত্রা করা থেকে আটকাতে পারেনি।
স্থানীয় কর্মকর্তাদের মতে, বিক্ষোভকারীদের একটি বিশাল বহর রাওয়ালকোট শহরের ৪ কিলোমিটার দূরে অবস্থান করছে। বহরে ১০ হাজারেরও বেশি মানুষ রয়েছে।
পুঞ্চ জেলার প্রশাসক সরদার ওয়াহিদ খান জানিয়েছেন, আইনশৃঙ্খলা নিশ্চিত করতে নিরাপত্তা কর্মকর্তারা ওই এলাকায় টহল দিচ্ছেন। পাশাপাশি বাসিন্দাদের ঘর থেকে বের না হতে বলা হয়েছে। তিনি আরও জানান, বিক্ষোভকারীদের এ বহরকে রাওয়ালকোটের ভেতর দিয়ে মোজাফফরাবাদে যাওয়ার অনুমতি দেওয়া হবে না।
গত রবিবার (৭ জুন) বিক্ষোভ দমনে সেনা ও আধা সামরিক রেঞ্জার্স বাহিনীর গুলিতে ৩০ জন নিহত হয়েছিলেন।
যে কারণে বিক্ষোভ
কয়েক দশক আগে ভারত-নিয়ন্ত্রিত কাশ্মির থেকে পাকিস্তানে চলে আসে বেশ কিছ শরণার্থী। তারা কাশ্মিরের দীর্ঘদিনের বিরোধ মীমাংসা হলে একদিন নিজেদের ঘরে ফিরে যাবে– আশা নিয়ে এখানে বসবাস করছেন।
আগামী ২৭ জুলাই অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া স্থানীয় আইনসভা নির্বাচনে শরণার্থীদের জন্য ১২টি আসন সংরক্ষিত রাখা হয়েছে। বেশ কয়েকটি অধিকারকর্মী সংগঠনের জোট ‘জয়েন্ট আওয়ামী অ্যাকশন কমিটি’ (জেএএসি) এ সংরক্ষিত আসন বাতিলের দাবি জানিয়েছে। তাদের যুক্তি, এ ব্যবস্থা স্থানীয় জনগণের প্রতিনিধিত্বকে দুর্বল করছে। তাই আইনসভার সব আসনে শুধু এই অঞ্চলে প্রকৃতভাবে বসবাসকারীদেরই প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার সুযোগ থাকা উচিত। তবে কর্তৃপক্ষ বলছে, এ আসনগুলোর সংরক্ষণ অত্যন্ত জরুরি।
পাকিস্তান-নিয়ন্ত্রিত কাশ্মির নিজস্ব আঞ্চলিক সরকার চালিত একটি আধা-স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল। ব্রিটিশ ভারত ভাগের পর থেকে দীর্ঘ ৭০ বছরের বেশি সময় ধরেই গোটা কাশ্মির অঞ্চল ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে বিরোধের মূল উৎস হয়ে রয়েছে।
নয়াদিল্লি ও ইসলামাবাদ– উভয় পক্ষই হিমালয় অঞ্চলের এ কাশ্মিরকে নিজেদের একক ভূখণ্ড বলে দাবি করে। কাশ্মির ইস্যু নিয়ে প্রতিবেশী দেশ দুটি পূর্ণাঙ্গ দুটি যুদ্ধ এবং একটি সীমিত পরিসরের যুদ্ধে জড়িয়েছে। বর্তমানে দুই প্রতিবেশীর কেউই পুরো কাশ্মির নিয়ন্ত্রণ করে না, বরং তারা এর একেকটি অংশ নিয়ন্ত্রণ করছে।
সূত্র: বিবিসি, আনন্দবাজার

পাকিস্তান-শাসিত কাশ্মিরে ভয়াবহ সংঘর্ষ, নিহত ৩০


