কাশ্মিরে ভয়াবহ সংঘর্ষ, নিহত ১১

কাশ্মিরে ভয়াবহ সংঘর্ষ, নিহত ১১
সিটিজেন ডেস্ক

পাকিস্তান-শাসিত কাশ্মিরের রাওয়ালকোটে এক বিক্ষোভ সমাবেশকে কেন্দ্র করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও আন্দোলনকারীদের মধ্যে ভয়াবহ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে ১১ জন নিহত এবং ৭০ জনেরও বেশি আহত হয়েছেন।
নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন জয়েন্ট আওয়ামি অ্যাকশন কমিটির (জেএএসি) বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে গিয়ে এ সংঘর্ষ বাধে।
পুলিশের অভিযোগ, জেএএসি সমর্থকরা রাওয়ালাকোট শহরে নিরাপত্তা বাহিনীর ওপর গুলি চালায় এবং পরে একটি সামরিক হাসপাতাল ঘিরে ফেলে। এর ফলে চিকিৎসা সেবা ব্যাহত হয়। এছাড়া বিক্ষোভকারীরা সরকারি ও বেসরকারি সম্পত্তিতে অগ্নিসংযোগ ও ভাঙচুর করেছে বলেও অভিযোগ করা হয়েছে।
কাশ্মিরের পুঞ্চ অঞ্চলের কমিশনার সরদার ওয়াহিদ খান বলেন, ‘দুষ্কৃতকারীদের গুলিতে চারজন পুলিশ কর্মকর্তা ও একজন পথচারী নিহত হয়েছেন।’ আইন প্রয়োগকারী সংস্থার হাতে ছয়জন বিক্ষোভকারী নিহত হয়েছেন বলেও জানান তিনি।
পুলিশ প্রধান লিয়াকত মালিক বলেছেন, রবিবারের ঘটনায় আহতদের মধ্যে ২৩ জন নিরাপত্তা কর্মকর্তা ও ৫০ জন বিক্ষোভকারী ছিলেন। প্রতিবেশী ভারতের সঙ্গে সংঘাতপূর্ণ পাহাড়ি অঞ্চল থেকে ৩০ জন অপরাধীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।
অন্যদিকে জেএএসি নেতা শওকত নওয়াজ মীর এক্সে দেওয়া এক ভিডিও বার্তায় বলেন, ‘রাওয়ালকোটে রাষ্ট্র আমাদের জনগণের ওপর গণহত্যা শুরু করেছে।’
জবাবে ওয়াহিদ খান বলেন, ‘জেএএসি নেতৃত্ব এটিকে গণহত্যা আখ্যা দিয়ে জনগণকে বিভ্রান্ত করছে। রাষ্ট্রের এই পদক্ষেপের উদ্দেশ্য ছিল আইন-শৃঙ্খলা পুনরুদ্ধার করা।’
তিনি আরও বলেন, নিরাপত্তা বাহিনী বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করার চেষ্টা করলে গোষ্ঠীটির কর্মীরা তাদের লক্ষ্য করে স্বয়ংক্রিয় রাইফেল, পেট্রোল বোমা ও অন্যান্য অস্ত্র ব্যবহার করে।
আগামী ২ জুলাই আঞ্চলিক আইনসভা নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচনে ৪৫টি আসনের মধ্যে শরণার্থীদের জন্য ১২টি আসন সংরক্ষণের প্রতিবাদে জেএএসি ৯ জুন ধর্মঘটের ডাক দিয়েছে।
জোটটি আজাদ জম্মু ও কাশ্মীর বিধানসভার সংরক্ষিত আসনগুলো বিলুপ্ত করার দাবি জানিয়েছে। তাদের অভিযোগ, এই আইনের মাধ্যমে এমন প্রার্থীরা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন যারা কাশ্মীরের নয়, বরং পাকিস্তানের অন্য কোথাও বাস করেন।
এর আগে শুক্রবার আঞ্চলিক সরকার একটি সন্ত্রাসবিরোধী আইনের অধীনে জেএএসিকে নিষিদ্ধ গোষ্ঠী হিসেবে ঘোষণা করে এবং দেশি ও বিদেশি পর্যটকদের ৯ জুনের আগে অঞ্চলটি ছেড়ে যাওয়ার পরামর্শ দেয়।
সূত্র: রয়টার্স, আল জাজিরা

পাকিস্তান-শাসিত কাশ্মিরের রাওয়ালকোটে এক বিক্ষোভ সমাবেশকে কেন্দ্র করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও আন্দোলনকারীদের মধ্যে ভয়াবহ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে ১১ জন নিহত এবং ৭০ জনেরও বেশি আহত হয়েছেন।
নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন জয়েন্ট আওয়ামি অ্যাকশন কমিটির (জেএএসি) বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে গিয়ে এ সংঘর্ষ বাধে।
পুলিশের অভিযোগ, জেএএসি সমর্থকরা রাওয়ালাকোট শহরে নিরাপত্তা বাহিনীর ওপর গুলি চালায় এবং পরে একটি সামরিক হাসপাতাল ঘিরে ফেলে। এর ফলে চিকিৎসা সেবা ব্যাহত হয়। এছাড়া বিক্ষোভকারীরা সরকারি ও বেসরকারি সম্পত্তিতে অগ্নিসংযোগ ও ভাঙচুর করেছে বলেও অভিযোগ করা হয়েছে।
কাশ্মিরের পুঞ্চ অঞ্চলের কমিশনার সরদার ওয়াহিদ খান বলেন, ‘দুষ্কৃতকারীদের গুলিতে চারজন পুলিশ কর্মকর্তা ও একজন পথচারী নিহত হয়েছেন।’ আইন প্রয়োগকারী সংস্থার হাতে ছয়জন বিক্ষোভকারী নিহত হয়েছেন বলেও জানান তিনি।
পুলিশ প্রধান লিয়াকত মালিক বলেছেন, রবিবারের ঘটনায় আহতদের মধ্যে ২৩ জন নিরাপত্তা কর্মকর্তা ও ৫০ জন বিক্ষোভকারী ছিলেন। প্রতিবেশী ভারতের সঙ্গে সংঘাতপূর্ণ পাহাড়ি অঞ্চল থেকে ৩০ জন অপরাধীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।
অন্যদিকে জেএএসি নেতা শওকত নওয়াজ মীর এক্সে দেওয়া এক ভিডিও বার্তায় বলেন, ‘রাওয়ালকোটে রাষ্ট্র আমাদের জনগণের ওপর গণহত্যা শুরু করেছে।’
জবাবে ওয়াহিদ খান বলেন, ‘জেএএসি নেতৃত্ব এটিকে গণহত্যা আখ্যা দিয়ে জনগণকে বিভ্রান্ত করছে। রাষ্ট্রের এই পদক্ষেপের উদ্দেশ্য ছিল আইন-শৃঙ্খলা পুনরুদ্ধার করা।’
তিনি আরও বলেন, নিরাপত্তা বাহিনী বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করার চেষ্টা করলে গোষ্ঠীটির কর্মীরা তাদের লক্ষ্য করে স্বয়ংক্রিয় রাইফেল, পেট্রোল বোমা ও অন্যান্য অস্ত্র ব্যবহার করে।
আগামী ২ জুলাই আঞ্চলিক আইনসভা নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচনে ৪৫টি আসনের মধ্যে শরণার্থীদের জন্য ১২টি আসন সংরক্ষণের প্রতিবাদে জেএএসি ৯ জুন ধর্মঘটের ডাক দিয়েছে।
জোটটি আজাদ জম্মু ও কাশ্মীর বিধানসভার সংরক্ষিত আসনগুলো বিলুপ্ত করার দাবি জানিয়েছে। তাদের অভিযোগ, এই আইনের মাধ্যমে এমন প্রার্থীরা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন যারা কাশ্মীরের নয়, বরং পাকিস্তানের অন্য কোথাও বাস করেন।
এর আগে শুক্রবার আঞ্চলিক সরকার একটি সন্ত্রাসবিরোধী আইনের অধীনে জেএএসিকে নিষিদ্ধ গোষ্ঠী হিসেবে ঘোষণা করে এবং দেশি ও বিদেশি পর্যটকদের ৯ জুনের আগে অঞ্চলটি ছেড়ে যাওয়ার পরামর্শ দেয়।
সূত্র: রয়টার্স, আল জাজিরা

কাশ্মিরে ভয়াবহ সংঘর্ষ, নিহত ১১
সিটিজেন ডেস্ক

পাকিস্তান-শাসিত কাশ্মিরের রাওয়ালকোটে এক বিক্ষোভ সমাবেশকে কেন্দ্র করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও আন্দোলনকারীদের মধ্যে ভয়াবহ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে ১১ জন নিহত এবং ৭০ জনেরও বেশি আহত হয়েছেন।
নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন জয়েন্ট আওয়ামি অ্যাকশন কমিটির (জেএএসি) বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে গিয়ে এ সংঘর্ষ বাধে।
পুলিশের অভিযোগ, জেএএসি সমর্থকরা রাওয়ালাকোট শহরে নিরাপত্তা বাহিনীর ওপর গুলি চালায় এবং পরে একটি সামরিক হাসপাতাল ঘিরে ফেলে। এর ফলে চিকিৎসা সেবা ব্যাহত হয়। এছাড়া বিক্ষোভকারীরা সরকারি ও বেসরকারি সম্পত্তিতে অগ্নিসংযোগ ও ভাঙচুর করেছে বলেও অভিযোগ করা হয়েছে।
কাশ্মিরের পুঞ্চ অঞ্চলের কমিশনার সরদার ওয়াহিদ খান বলেন, ‘দুষ্কৃতকারীদের গুলিতে চারজন পুলিশ কর্মকর্তা ও একজন পথচারী নিহত হয়েছেন।’ আইন প্রয়োগকারী সংস্থার হাতে ছয়জন বিক্ষোভকারী নিহত হয়েছেন বলেও জানান তিনি।
পুলিশ প্রধান লিয়াকত মালিক বলেছেন, রবিবারের ঘটনায় আহতদের মধ্যে ২৩ জন নিরাপত্তা কর্মকর্তা ও ৫০ জন বিক্ষোভকারী ছিলেন। প্রতিবেশী ভারতের সঙ্গে সংঘাতপূর্ণ পাহাড়ি অঞ্চল থেকে ৩০ জন অপরাধীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।
অন্যদিকে জেএএসি নেতা শওকত নওয়াজ মীর এক্সে দেওয়া এক ভিডিও বার্তায় বলেন, ‘রাওয়ালকোটে রাষ্ট্র আমাদের জনগণের ওপর গণহত্যা শুরু করেছে।’
জবাবে ওয়াহিদ খান বলেন, ‘জেএএসি নেতৃত্ব এটিকে গণহত্যা আখ্যা দিয়ে জনগণকে বিভ্রান্ত করছে। রাষ্ট্রের এই পদক্ষেপের উদ্দেশ্য ছিল আইন-শৃঙ্খলা পুনরুদ্ধার করা।’
তিনি আরও বলেন, নিরাপত্তা বাহিনী বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করার চেষ্টা করলে গোষ্ঠীটির কর্মীরা তাদের লক্ষ্য করে স্বয়ংক্রিয় রাইফেল, পেট্রোল বোমা ও অন্যান্য অস্ত্র ব্যবহার করে।
আগামী ২ জুলাই আঞ্চলিক আইনসভা নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচনে ৪৫টি আসনের মধ্যে শরণার্থীদের জন্য ১২টি আসন সংরক্ষণের প্রতিবাদে জেএএসি ৯ জুন ধর্মঘটের ডাক দিয়েছে।
জোটটি আজাদ জম্মু ও কাশ্মীর বিধানসভার সংরক্ষিত আসনগুলো বিলুপ্ত করার দাবি জানিয়েছে। তাদের অভিযোগ, এই আইনের মাধ্যমে এমন প্রার্থীরা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন যারা কাশ্মীরের নয়, বরং পাকিস্তানের অন্য কোথাও বাস করেন।
এর আগে শুক্রবার আঞ্চলিক সরকার একটি সন্ত্রাসবিরোধী আইনের অধীনে জেএএসিকে নিষিদ্ধ গোষ্ঠী হিসেবে ঘোষণা করে এবং দেশি ও বিদেশি পর্যটকদের ৯ জুনের আগে অঞ্চলটি ছেড়ে যাওয়ার পরামর্শ দেয়।
সূত্র: রয়টার্স, আল জাজিরা

কাশ্মিরে ভয়াবহ তুষারধস, নিহত ৭
কাশ্মিরে পর্যটকদের ওপর হামলা; নিহত ২০


