ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সমঝোতা চুক্তির সম্ভাব্য খসড়ায় যা থাকছে

ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সমঝোতা চুক্তির সম্ভাব্য খসড়ায় যা থাকছে
সিটিজেন ডেস্ক

যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল ও ইরানের মধ্যকার চলমান যুদ্ধ অবসানের লক্ষ্যে একটি ‘সমঝোতা স্মারক’ চূড়ান্তকরণের কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে রয়েছে বলে জানিয়েছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। এ চুক্তির আনুষ্ঠানিক ও বিস্তারিত রূপরেখা এখনও দাপ্তরিকভাবে প্রকাশ করা হয়নি। তবে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন কূটনৈতিক সূত্র থেকে সম্ভাব্য এ ঐতিহাসিক চুক্তির মূল শর্তাবলি এবং এর বাইরে থাকা সংবেদনশীল বিষয়গুলো সামনে এসেছে।
মার্কিন প্রশাসন ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন গণমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, এ চুক্তির আওতায় প্রাথমিকভাবে ৬০ দিনের জন্য একটি যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করা হবে। এ অন্তর্বর্তীকালীন সময়ে কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি পুনরায় উন্মুক্ত করার সিদ্ধান্ত হয়েছে। চুক্তির শর্ত মেনে ইরান এ প্রণালিতে পেতে রাখা সমস্ত মাইন অপসারণ করতে এবং বাণিজ্যিক জাহাজের ওপর কোনো ধরনের শুল্ক আরোপ না করতে সম্মত হয়েছে। এর বিনিময়ে ১৩ এপ্রিল থেকে কার্যকর থাকা ইরানি বন্দরগুলোর ওপর থেকে সব ধরনের মার্কিন অবরোধ তুলে নেওয়া হবে।
এ চুক্তি সফল হলে হরমুজ প্রণালি সম্পূর্ণ উন্মুক্ত ও টোলবিহীন হওয়ার বার্তা দিয়েছেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও। ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম বলেছে, প্রণালিটির সার্বিক নিয়ন্ত্রণ তেহরানের হাতেই থাকবে। একই সঙ্গে চুক্তির সুবাদে বিদেশের ব্যাংকে আটকে থাকা ইরানের বিপুল পরিমাণ অবরুদ্ধ সম্পদ মুক্ত করা হবে এবং ইসরায়েল ও লেবাননসহ মধ্যপ্রাচ্যের সবকটি ফ্রন্টে সব ধরনের সামরিক সংঘাতের অবসান ঘটবে।
তবে দীর্ঘমেয়াদি শান্তির পথ সুগম করার কথা বলা হলেও এ চুক্তিতে ইরানের পারমাণবিক ও আঞ্চলিক প্রভাবের মতো বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু এখনই অন্তর্ভুক্ত করা হচ্ছে না। ইরানের একটি শীর্ষস্থানীয় সূত্র রয়টার্সকে নিশ্চিত করেছে, তেহরান তাদের উচ্চ-সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের (এইচইইউ) মজুদ এখনই হস্তান্তর করতে রাজি হয়নি এবং প্রাথমিক চুক্তিতে পারমাণবিক বিষয়টি রাখা হয়নি, যা মার্কিন সংবাদমাধ্যম নিউইয়র্ক টাইমসের কিছু দাবির সম্পূর্ণ বিপরীত। এর পাশাপাশি, ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি নিয়ন্ত্রণ কিংবা লেবাননের হিজবুল্লাহ ও ইয়েমেনের হুথিদের মতো আঞ্চলিক প্রতিরোধ গোষ্ঠীগুলোর প্রতি তেহরানের সামরিক ও আর্থিক সমর্থন হ্রাসের বিষয়েও সমঝোতা স্মারকে কোনো সুস্পষ্ট দিকনির্দেশনা রাখা হয়নি।
সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান

যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল ও ইরানের মধ্যকার চলমান যুদ্ধ অবসানের লক্ষ্যে একটি ‘সমঝোতা স্মারক’ চূড়ান্তকরণের কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে রয়েছে বলে জানিয়েছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। এ চুক্তির আনুষ্ঠানিক ও বিস্তারিত রূপরেখা এখনও দাপ্তরিকভাবে প্রকাশ করা হয়নি। তবে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন কূটনৈতিক সূত্র থেকে সম্ভাব্য এ ঐতিহাসিক চুক্তির মূল শর্তাবলি এবং এর বাইরে থাকা সংবেদনশীল বিষয়গুলো সামনে এসেছে।
মার্কিন প্রশাসন ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন গণমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, এ চুক্তির আওতায় প্রাথমিকভাবে ৬০ দিনের জন্য একটি যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করা হবে। এ অন্তর্বর্তীকালীন সময়ে কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি পুনরায় উন্মুক্ত করার সিদ্ধান্ত হয়েছে। চুক্তির শর্ত মেনে ইরান এ প্রণালিতে পেতে রাখা সমস্ত মাইন অপসারণ করতে এবং বাণিজ্যিক জাহাজের ওপর কোনো ধরনের শুল্ক আরোপ না করতে সম্মত হয়েছে। এর বিনিময়ে ১৩ এপ্রিল থেকে কার্যকর থাকা ইরানি বন্দরগুলোর ওপর থেকে সব ধরনের মার্কিন অবরোধ তুলে নেওয়া হবে।
এ চুক্তি সফল হলে হরমুজ প্রণালি সম্পূর্ণ উন্মুক্ত ও টোলবিহীন হওয়ার বার্তা দিয়েছেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও। ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম বলেছে, প্রণালিটির সার্বিক নিয়ন্ত্রণ তেহরানের হাতেই থাকবে। একই সঙ্গে চুক্তির সুবাদে বিদেশের ব্যাংকে আটকে থাকা ইরানের বিপুল পরিমাণ অবরুদ্ধ সম্পদ মুক্ত করা হবে এবং ইসরায়েল ও লেবাননসহ মধ্যপ্রাচ্যের সবকটি ফ্রন্টে সব ধরনের সামরিক সংঘাতের অবসান ঘটবে।
তবে দীর্ঘমেয়াদি শান্তির পথ সুগম করার কথা বলা হলেও এ চুক্তিতে ইরানের পারমাণবিক ও আঞ্চলিক প্রভাবের মতো বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু এখনই অন্তর্ভুক্ত করা হচ্ছে না। ইরানের একটি শীর্ষস্থানীয় সূত্র রয়টার্সকে নিশ্চিত করেছে, তেহরান তাদের উচ্চ-সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের (এইচইইউ) মজুদ এখনই হস্তান্তর করতে রাজি হয়নি এবং প্রাথমিক চুক্তিতে পারমাণবিক বিষয়টি রাখা হয়নি, যা মার্কিন সংবাদমাধ্যম নিউইয়র্ক টাইমসের কিছু দাবির সম্পূর্ণ বিপরীত। এর পাশাপাশি, ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি নিয়ন্ত্রণ কিংবা লেবাননের হিজবুল্লাহ ও ইয়েমেনের হুথিদের মতো আঞ্চলিক প্রতিরোধ গোষ্ঠীগুলোর প্রতি তেহরানের সামরিক ও আর্থিক সমর্থন হ্রাসের বিষয়েও সমঝোতা স্মারকে কোনো সুস্পষ্ট দিকনির্দেশনা রাখা হয়নি।
সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান

ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সমঝোতা চুক্তির সম্ভাব্য খসড়ায় যা থাকছে
সিটিজেন ডেস্ক

যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল ও ইরানের মধ্যকার চলমান যুদ্ধ অবসানের লক্ষ্যে একটি ‘সমঝোতা স্মারক’ চূড়ান্তকরণের কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে রয়েছে বলে জানিয়েছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। এ চুক্তির আনুষ্ঠানিক ও বিস্তারিত রূপরেখা এখনও দাপ্তরিকভাবে প্রকাশ করা হয়নি। তবে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন কূটনৈতিক সূত্র থেকে সম্ভাব্য এ ঐতিহাসিক চুক্তির মূল শর্তাবলি এবং এর বাইরে থাকা সংবেদনশীল বিষয়গুলো সামনে এসেছে।
মার্কিন প্রশাসন ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন গণমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, এ চুক্তির আওতায় প্রাথমিকভাবে ৬০ দিনের জন্য একটি যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করা হবে। এ অন্তর্বর্তীকালীন সময়ে কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি পুনরায় উন্মুক্ত করার সিদ্ধান্ত হয়েছে। চুক্তির শর্ত মেনে ইরান এ প্রণালিতে পেতে রাখা সমস্ত মাইন অপসারণ করতে এবং বাণিজ্যিক জাহাজের ওপর কোনো ধরনের শুল্ক আরোপ না করতে সম্মত হয়েছে। এর বিনিময়ে ১৩ এপ্রিল থেকে কার্যকর থাকা ইরানি বন্দরগুলোর ওপর থেকে সব ধরনের মার্কিন অবরোধ তুলে নেওয়া হবে।
এ চুক্তি সফল হলে হরমুজ প্রণালি সম্পূর্ণ উন্মুক্ত ও টোলবিহীন হওয়ার বার্তা দিয়েছেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও। ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম বলেছে, প্রণালিটির সার্বিক নিয়ন্ত্রণ তেহরানের হাতেই থাকবে। একই সঙ্গে চুক্তির সুবাদে বিদেশের ব্যাংকে আটকে থাকা ইরানের বিপুল পরিমাণ অবরুদ্ধ সম্পদ মুক্ত করা হবে এবং ইসরায়েল ও লেবাননসহ মধ্যপ্রাচ্যের সবকটি ফ্রন্টে সব ধরনের সামরিক সংঘাতের অবসান ঘটবে।
তবে দীর্ঘমেয়াদি শান্তির পথ সুগম করার কথা বলা হলেও এ চুক্তিতে ইরানের পারমাণবিক ও আঞ্চলিক প্রভাবের মতো বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু এখনই অন্তর্ভুক্ত করা হচ্ছে না। ইরানের একটি শীর্ষস্থানীয় সূত্র রয়টার্সকে নিশ্চিত করেছে, তেহরান তাদের উচ্চ-সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের (এইচইইউ) মজুদ এখনই হস্তান্তর করতে রাজি হয়নি এবং প্রাথমিক চুক্তিতে পারমাণবিক বিষয়টি রাখা হয়নি, যা মার্কিন সংবাদমাধ্যম নিউইয়র্ক টাইমসের কিছু দাবির সম্পূর্ণ বিপরীত। এর পাশাপাশি, ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি নিয়ন্ত্রণ কিংবা লেবাননের হিজবুল্লাহ ও ইয়েমেনের হুথিদের মতো আঞ্চলিক প্রতিরোধ গোষ্ঠীগুলোর প্রতি তেহরানের সামরিক ও আর্থিক সমর্থন হ্রাসের বিষয়েও সমঝোতা স্মারকে কোনো সুস্পষ্ট দিকনির্দেশনা রাখা হয়নি।
সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান

ইসরায়েলি নজরদারি ড্রোন ভূপাতিত করার দাবি ইরানের
নতুন আগ্রাসনের বিধ্বংসী জবাব দিতে প্রস্তুত ইরান: আইআরজিসি


