ঢাকার জলাবদ্ধতা: সমন্বিত পরিকল্পনা না থাকায় খরচেও মিলছে না মুক্তি

ঢাকার জলাবদ্ধতা: সমন্বিত পরিকল্পনা না থাকায় খরচেও মিলছে না মুক্তি
নিজস্ব প্রতিবেদক

ডক্টর আদিল মুহাম্মদ খান
ঢাকার প্রাকৃতিক যে ড্রেনেজ সিস্টেম, সেটা পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে গেছে। অথবা ধ্বংস করে ফেলা হয়েছে। এখন এ শহরে কোনো জলাধার নেই, খাল নেই, নালা নেই। অল্প যে কয়েকটা নালা বা খাল আছে, সেগুলোর পথ রুদ্ধ করে দেওয়া হয়েছে। ফলে বৃষ্টির পানি সরে যাওয়ার জন্য আমাদের শুধুই কৃত্রিম ড্রেনেজ সিস্টেমের ওপর নির্ভর করতে হয়। কিন্তু এই কৃত্রিম ড্রেনেজ ব্যবস্থা যথেষ্ট নয়। সেটাও আবার সুপরিকল্পিত নয়। ওয়াসা বলুন বা সিটি কর্পোরেশন, বছরের পর বছর যে টাকা খরচ করছে জলাবদ্ধতা নিরসনে, সেটা আসলে জলে যাচ্ছে। পরিকল্পনা অনুযায়ী তারা কিছু করতে পারছে না বলে কোনো কাজ হচ্ছে না। আসলে ঢাকা শহরে ড্রেনেজ মাস্টার প্ল্যান বলতে কিছু নেই।
অধ্যাপক ডক্টর আকতার মাহমুদ
আমাদের এখন যে ড্রেনেজ ব্যবস্থা আছে, তাতে করে ৫০ থেকে ৫৫ মিলিমিটার বৃষ্টি হলেও এমন জলাবদ্ধতা হবে। এর কারণ নালা, খালগুলো দিয়ে নানা কারণে পানি দ্রুত নামতে পারে না। কোনো খাল সরু হয়ে গেছে, কোনোটার গভীরতা কমে গেছে। অবশ্যই এর জন্য আমরা সিটি কর্পোরেশনকে দায়ী করব। তবে শুধু তাদের দায়ী করলেই হবে না, আমরা আসলে সুনাগরিক নই। নিজেদের খেয়ালখুশি মতো যেখানে সেখানে ময়লা ফেলি, এর কারণে নালা ও খালের গভীরতা কমে যাচ্ছে। রাস্তার পাশের ড্রেনগুলোর পানির প্রবাহও এ কারণে ব্যাহত হচ্ছে। এটাও ঢাকার জলাবদ্ধতার অন্যতম কারণ। এমন জলাবদ্ধতা থেকে মুক্তি পেতে হলে দুটি করণীয় বিষয় আছে আমাদের জন্য। এক নম্বর– আমাদের সুনাগরিক হতে হবে এবং দুই নম্বর–ঢাকা শহরের ড্রেনেজ ব্যবস্থার যে মাস্টার প্ল্যান আছে, তার সবকিছু সফলভাবে বাস্তবায়ন করতে হবে। বছরের পর বছর অর্থ ব্যয় করে যে কাজগুলো করে হচ্ছে, সেটা আরও ভালো পরিকল্পনা করে সুন্দরভাবে করতে হবে।
প্রকৌশলী এটিএম আজিজুল আকিল
ড্রেনেজ হলো একটি সমন্বিত নেটওয়ার্ক সিস্টেম। এখানে খন্ড খন্ড ভাবে কাজ করে খুব বেশি সুফল পাওয়ার সুযোগ নেই। হাতিরঝিল একটি বড় রিটেনশন পন্ড। হাতিরঝিল প্রকল্প বাস্তবায়ন হওয়ার পর ঢাকার মধ্য অংশের ড্রেনেজে একটি ধাক্কা লেগেছে। সেখানে যে মৌলিক পরিবর্তন হয়েছে, তা চিহিৃত করে পরবর্তীতে আর কোন কাজ করা হয়নি। হাতিরঝিল পরবর্তী ড্রেনেজ মাস্টার প্লান করা দরকার। তড়িৎ সমাধানের জন্য হাতিরঝিলের স্পেশাল স্যুয়ারেজ ডাইভারশন স্ট্রাকচার (এসএসডিএস) খুলে দেয়া উচিৎ। এতে পানি কিছুটা ময়লা হবে। সেটি ভিন্ন উপায়ে সমাধান করা যেতে পারে। বেইলী রোড-শান্তিনগর জলাবদ্ধতা নিরসনে যে টাকা খরচ হয়েছে, এতে খুব একটা কাজ হয়নি। কারণ, টাকা খরচ হয়েছে রাস্তা উচুকরণ ও কিছু ড্রেন পরিষ্কারে। মূলত স্টর্ম ওয়াটার নিষ্কাশনের বক্স কালভার্ট পরিস্কার করা এবং ড্রেনেজ লাইনগুলোর ইনভার্ট লেভেল পরীক্ষা করা দরকার। লাইনগুলো ইনভার্ট ঠিক না করে এভাবে অবৈজ্ঞানিক উপায়ে অর্থ খরচ করে সুফল পাওয়া যাবে না। সকগুলো ড্রেনের লাইন ঠিক রেখে সংযোগ সচল রাখা জরুরি। বিশ্বের বড় শহরগুলোতে স্মার্ট টানেল সিস্টেম রয়েছে। আমাদেরও এটি ভেবে দেখা দরকার। স্মার্ট টালেন সিস্টেমের মাধ্যমে পানি শোধনেরও সুযোগ রয়েছে। আপাত দৃস্টিতে এ পদ্ধতিতে খরচ একটু বেশি মনে হলেও স্থায়ী সমাধানে এর কোন বিকল্প নেই।

ডিএসসিসির সাবেক প্রধান প্রকৌশলী মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান
আমাদের ড্রেনেজ সিস্টেম দুই প্রকার– ন্যাচারাল ও আর্টিফিশিয়াল। মূল শহরে ব্যবহার করা হয় আর্টিফিশিয়াল ড্রেনেজ ব্যবস্থা। যেটাতে বর্ষা মৌসুমে বেশি বৃষ্টি হলে পানি পাম্প করে সরাতে হয়। আমি তো এখন আর দায়িত্বে নেই। আমি যখন ডিএসসিসিতে ছিলাম, তখন এই দায়িত্ব ছিল ওয়াসার ওপর। তাদের পর্যাপ্ত পাম্প ছিল না বলেই জলাবদ্ধতা হতো। এখন কী অবস্থা, সেটা আমার জানা নেই।

ডক্টর আদিল মুহাম্মদ খান
ঢাকার প্রাকৃতিক যে ড্রেনেজ সিস্টেম, সেটা পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে গেছে। অথবা ধ্বংস করে ফেলা হয়েছে। এখন এ শহরে কোনো জলাধার নেই, খাল নেই, নালা নেই। অল্প যে কয়েকটা নালা বা খাল আছে, সেগুলোর পথ রুদ্ধ করে দেওয়া হয়েছে। ফলে বৃষ্টির পানি সরে যাওয়ার জন্য আমাদের শুধুই কৃত্রিম ড্রেনেজ সিস্টেমের ওপর নির্ভর করতে হয়। কিন্তু এই কৃত্রিম ড্রেনেজ ব্যবস্থা যথেষ্ট নয়। সেটাও আবার সুপরিকল্পিত নয়। ওয়াসা বলুন বা সিটি কর্পোরেশন, বছরের পর বছর যে টাকা খরচ করছে জলাবদ্ধতা নিরসনে, সেটা আসলে জলে যাচ্ছে। পরিকল্পনা অনুযায়ী তারা কিছু করতে পারছে না বলে কোনো কাজ হচ্ছে না। আসলে ঢাকা শহরে ড্রেনেজ মাস্টার প্ল্যান বলতে কিছু নেই।
অধ্যাপক ডক্টর আকতার মাহমুদ
আমাদের এখন যে ড্রেনেজ ব্যবস্থা আছে, তাতে করে ৫০ থেকে ৫৫ মিলিমিটার বৃষ্টি হলেও এমন জলাবদ্ধতা হবে। এর কারণ নালা, খালগুলো দিয়ে নানা কারণে পানি দ্রুত নামতে পারে না। কোনো খাল সরু হয়ে গেছে, কোনোটার গভীরতা কমে গেছে। অবশ্যই এর জন্য আমরা সিটি কর্পোরেশনকে দায়ী করব। তবে শুধু তাদের দায়ী করলেই হবে না, আমরা আসলে সুনাগরিক নই। নিজেদের খেয়ালখুশি মতো যেখানে সেখানে ময়লা ফেলি, এর কারণে নালা ও খালের গভীরতা কমে যাচ্ছে। রাস্তার পাশের ড্রেনগুলোর পানির প্রবাহও এ কারণে ব্যাহত হচ্ছে। এটাও ঢাকার জলাবদ্ধতার অন্যতম কারণ। এমন জলাবদ্ধতা থেকে মুক্তি পেতে হলে দুটি করণীয় বিষয় আছে আমাদের জন্য। এক নম্বর– আমাদের সুনাগরিক হতে হবে এবং দুই নম্বর–ঢাকা শহরের ড্রেনেজ ব্যবস্থার যে মাস্টার প্ল্যান আছে, তার সবকিছু সফলভাবে বাস্তবায়ন করতে হবে। বছরের পর বছর অর্থ ব্যয় করে যে কাজগুলো করে হচ্ছে, সেটা আরও ভালো পরিকল্পনা করে সুন্দরভাবে করতে হবে।
প্রকৌশলী এটিএম আজিজুল আকিল
ড্রেনেজ হলো একটি সমন্বিত নেটওয়ার্ক সিস্টেম। এখানে খন্ড খন্ড ভাবে কাজ করে খুব বেশি সুফল পাওয়ার সুযোগ নেই। হাতিরঝিল একটি বড় রিটেনশন পন্ড। হাতিরঝিল প্রকল্প বাস্তবায়ন হওয়ার পর ঢাকার মধ্য অংশের ড্রেনেজে একটি ধাক্কা লেগেছে। সেখানে যে মৌলিক পরিবর্তন হয়েছে, তা চিহিৃত করে পরবর্তীতে আর কোন কাজ করা হয়নি। হাতিরঝিল পরবর্তী ড্রেনেজ মাস্টার প্লান করা দরকার। তড়িৎ সমাধানের জন্য হাতিরঝিলের স্পেশাল স্যুয়ারেজ ডাইভারশন স্ট্রাকচার (এসএসডিএস) খুলে দেয়া উচিৎ। এতে পানি কিছুটা ময়লা হবে। সেটি ভিন্ন উপায়ে সমাধান করা যেতে পারে। বেইলী রোড-শান্তিনগর জলাবদ্ধতা নিরসনে যে টাকা খরচ হয়েছে, এতে খুব একটা কাজ হয়নি। কারণ, টাকা খরচ হয়েছে রাস্তা উচুকরণ ও কিছু ড্রেন পরিষ্কারে। মূলত স্টর্ম ওয়াটার নিষ্কাশনের বক্স কালভার্ট পরিস্কার করা এবং ড্রেনেজ লাইনগুলোর ইনভার্ট লেভেল পরীক্ষা করা দরকার। লাইনগুলো ইনভার্ট ঠিক না করে এভাবে অবৈজ্ঞানিক উপায়ে অর্থ খরচ করে সুফল পাওয়া যাবে না। সকগুলো ড্রেনের লাইন ঠিক রেখে সংযোগ সচল রাখা জরুরি। বিশ্বের বড় শহরগুলোতে স্মার্ট টানেল সিস্টেম রয়েছে। আমাদেরও এটি ভেবে দেখা দরকার। স্মার্ট টালেন সিস্টেমের মাধ্যমে পানি শোধনেরও সুযোগ রয়েছে। আপাত দৃস্টিতে এ পদ্ধতিতে খরচ একটু বেশি মনে হলেও স্থায়ী সমাধানে এর কোন বিকল্প নেই।

ডিএসসিসির সাবেক প্রধান প্রকৌশলী মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান
আমাদের ড্রেনেজ সিস্টেম দুই প্রকার– ন্যাচারাল ও আর্টিফিশিয়াল। মূল শহরে ব্যবহার করা হয় আর্টিফিশিয়াল ড্রেনেজ ব্যবস্থা। যেটাতে বর্ষা মৌসুমে বেশি বৃষ্টি হলে পানি পাম্প করে সরাতে হয়। আমি তো এখন আর দায়িত্বে নেই। আমি যখন ডিএসসিসিতে ছিলাম, তখন এই দায়িত্ব ছিল ওয়াসার ওপর। তাদের পর্যাপ্ত পাম্প ছিল না বলেই জলাবদ্ধতা হতো। এখন কী অবস্থা, সেটা আমার জানা নেই।

ঢাকার জলাবদ্ধতা: সমন্বিত পরিকল্পনা না থাকায় খরচেও মিলছে না মুক্তি
নিজস্ব প্রতিবেদক

ডক্টর আদিল মুহাম্মদ খান
ঢাকার প্রাকৃতিক যে ড্রেনেজ সিস্টেম, সেটা পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে গেছে। অথবা ধ্বংস করে ফেলা হয়েছে। এখন এ শহরে কোনো জলাধার নেই, খাল নেই, নালা নেই। অল্প যে কয়েকটা নালা বা খাল আছে, সেগুলোর পথ রুদ্ধ করে দেওয়া হয়েছে। ফলে বৃষ্টির পানি সরে যাওয়ার জন্য আমাদের শুধুই কৃত্রিম ড্রেনেজ সিস্টেমের ওপর নির্ভর করতে হয়। কিন্তু এই কৃত্রিম ড্রেনেজ ব্যবস্থা যথেষ্ট নয়। সেটাও আবার সুপরিকল্পিত নয়। ওয়াসা বলুন বা সিটি কর্পোরেশন, বছরের পর বছর যে টাকা খরচ করছে জলাবদ্ধতা নিরসনে, সেটা আসলে জলে যাচ্ছে। পরিকল্পনা অনুযায়ী তারা কিছু করতে পারছে না বলে কোনো কাজ হচ্ছে না। আসলে ঢাকা শহরে ড্রেনেজ মাস্টার প্ল্যান বলতে কিছু নেই।
অধ্যাপক ডক্টর আকতার মাহমুদ
আমাদের এখন যে ড্রেনেজ ব্যবস্থা আছে, তাতে করে ৫০ থেকে ৫৫ মিলিমিটার বৃষ্টি হলেও এমন জলাবদ্ধতা হবে। এর কারণ নালা, খালগুলো দিয়ে নানা কারণে পানি দ্রুত নামতে পারে না। কোনো খাল সরু হয়ে গেছে, কোনোটার গভীরতা কমে গেছে। অবশ্যই এর জন্য আমরা সিটি কর্পোরেশনকে দায়ী করব। তবে শুধু তাদের দায়ী করলেই হবে না, আমরা আসলে সুনাগরিক নই। নিজেদের খেয়ালখুশি মতো যেখানে সেখানে ময়লা ফেলি, এর কারণে নালা ও খালের গভীরতা কমে যাচ্ছে। রাস্তার পাশের ড্রেনগুলোর পানির প্রবাহও এ কারণে ব্যাহত হচ্ছে। এটাও ঢাকার জলাবদ্ধতার অন্যতম কারণ। এমন জলাবদ্ধতা থেকে মুক্তি পেতে হলে দুটি করণীয় বিষয় আছে আমাদের জন্য। এক নম্বর– আমাদের সুনাগরিক হতে হবে এবং দুই নম্বর–ঢাকা শহরের ড্রেনেজ ব্যবস্থার যে মাস্টার প্ল্যান আছে, তার সবকিছু সফলভাবে বাস্তবায়ন করতে হবে। বছরের পর বছর অর্থ ব্যয় করে যে কাজগুলো করে হচ্ছে, সেটা আরও ভালো পরিকল্পনা করে সুন্দরভাবে করতে হবে।
প্রকৌশলী এটিএম আজিজুল আকিল
ড্রেনেজ হলো একটি সমন্বিত নেটওয়ার্ক সিস্টেম। এখানে খন্ড খন্ড ভাবে কাজ করে খুব বেশি সুফল পাওয়ার সুযোগ নেই। হাতিরঝিল একটি বড় রিটেনশন পন্ড। হাতিরঝিল প্রকল্প বাস্তবায়ন হওয়ার পর ঢাকার মধ্য অংশের ড্রেনেজে একটি ধাক্কা লেগেছে। সেখানে যে মৌলিক পরিবর্তন হয়েছে, তা চিহিৃত করে পরবর্তীতে আর কোন কাজ করা হয়নি। হাতিরঝিল পরবর্তী ড্রেনেজ মাস্টার প্লান করা দরকার। তড়িৎ সমাধানের জন্য হাতিরঝিলের স্পেশাল স্যুয়ারেজ ডাইভারশন স্ট্রাকচার (এসএসডিএস) খুলে দেয়া উচিৎ। এতে পানি কিছুটা ময়লা হবে। সেটি ভিন্ন উপায়ে সমাধান করা যেতে পারে। বেইলী রোড-শান্তিনগর জলাবদ্ধতা নিরসনে যে টাকা খরচ হয়েছে, এতে খুব একটা কাজ হয়নি। কারণ, টাকা খরচ হয়েছে রাস্তা উচুকরণ ও কিছু ড্রেন পরিষ্কারে। মূলত স্টর্ম ওয়াটার নিষ্কাশনের বক্স কালভার্ট পরিস্কার করা এবং ড্রেনেজ লাইনগুলোর ইনভার্ট লেভেল পরীক্ষা করা দরকার। লাইনগুলো ইনভার্ট ঠিক না করে এভাবে অবৈজ্ঞানিক উপায়ে অর্থ খরচ করে সুফল পাওয়া যাবে না। সকগুলো ড্রেনের লাইন ঠিক রেখে সংযোগ সচল রাখা জরুরি। বিশ্বের বড় শহরগুলোতে স্মার্ট টানেল সিস্টেম রয়েছে। আমাদেরও এটি ভেবে দেখা দরকার। স্মার্ট টালেন সিস্টেমের মাধ্যমে পানি শোধনেরও সুযোগ রয়েছে। আপাত দৃস্টিতে এ পদ্ধতিতে খরচ একটু বেশি মনে হলেও স্থায়ী সমাধানে এর কোন বিকল্প নেই।

ডিএসসিসির সাবেক প্রধান প্রকৌশলী মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান
আমাদের ড্রেনেজ সিস্টেম দুই প্রকার– ন্যাচারাল ও আর্টিফিশিয়াল। মূল শহরে ব্যবহার করা হয় আর্টিফিশিয়াল ড্রেনেজ ব্যবস্থা। যেটাতে বর্ষা মৌসুমে বেশি বৃষ্টি হলে পানি পাম্প করে সরাতে হয়। আমি তো এখন আর দায়িত্বে নেই। আমি যখন ডিএসসিসিতে ছিলাম, তখন এই দায়িত্ব ছিল ওয়াসার ওপর। তাদের পর্যাপ্ত পাম্প ছিল না বলেই জলাবদ্ধতা হতো। এখন কী অবস্থা, সেটা আমার জানা নেই।




