মুজিববর্ষ উদযাপনে খরচ ৯৮২ কোটি ৯১ লাখ টাকা: সংসদে অর্থমন্ত্রী

মুজিববর্ষ উদযাপনে খরচ ৯৮২ কোটি ৯১ লাখ টাকা: সংসদে অর্থমন্ত্রী
নিজস্ব প্রতিবেদক

অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী জানিয়েছেন, পূর্ববর্তী ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে মুজিববর্ষ উদযাপন উপলক্ষে দেশব্যাপী গৃহীত বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করতে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগ মিলিয়ে মোট ৯৮২ কোটি ৯১ লাখ ৭৪ হাজার টাকা ব্যয় করা হয়েছিল।
রবিবার (১২ জুলাই) জাতীয় সংসদে রংপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য মো. মাহবুবুর রহমানের (বেলাল) তারকাচিহ্নিত প্রশ্নের জবাবে এ তথ্য জানান তিনি।
অর্থমন্ত্রী বলেন, বিপুল এই ব্যয়ের মধ্যে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন, বিভিন্ন সরকারি দপ্তরে প্রতিকৃতি ও স্মৃতিফলক স্থাপন, ব্রোঞ্জ, তামা ও মার্বেলের ভাস্কর্য নির্মাণ এবং রাষ্ট্রীয় উদ্যোগে ডিজিটাল কাউন্টডাউন বোর্ড স্থাপনের ব্যয় অন্তর্ভুক্ত ছিল।
একই সদস্যের সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এ ব্যয় নিয়ে নিরীক্ষা, তদন্ত বা অন্য কোনো ব্যবস্থা গ্রহণের বিষয়ে এখনো সরকার কোনো সিদ্ধান্ত নেয়নি।
তবে মন্ত্রী বলেন, ‘এটি শুধু মুজিববর্ষ নয়, আরও অনেক বিষয় রয়েছে। আমরা সবকিছু পর্যালোচনা করছি।’
তিনি আরও বলেন, সরকার সরকারি ব্যয়ের বিভিন্ন খাত মূল্যায়ন করছে এবং মূল্যায়ন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পর যথাসময়ে প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, ‘আমরা সব বিষয় পর্যালোচনা করছি। আমি বিশ্বাস করি, ভবিষ্যতে এ বিষয়ে যথাযথ সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।’
এর আগে সম্পূরক প্রশ্নে জানতে চাওয়া হয়, মুজিববর্ষের ব্যয় নিয়ে সরকার কোনো নিরীক্ষা বা তদন্ত শুরু করেছে কি না এবং সরকারি অর্থের অপব্যবহার বা অনিয়মের সঙ্গে জড়িতদের বিচারের আওতায় আনা হবে কি না। এছাড়া ভবিষ্যতে কোনো ব্যক্তিকে প্রচারের উদ্দেশ্যে অপ্রয়োজনীয় সরকারি ব্যয় রোধে সরকার কী ধরনের পদক্ষেপ নেবে, সে বিষয়েও জানতে চান সংসদ সদস্য মো. মাহবুবুর রহমান।
জবাবে অর্থমন্ত্রী পুনর্ব্যক্ত করেন, এসব বিষয়ে এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। তবে সরকার সার্বিক বিষয়টি পর্যালোচনা করছে এবং মূল্যায়ন শেষে পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।

অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী জানিয়েছেন, পূর্ববর্তী ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে মুজিববর্ষ উদযাপন উপলক্ষে দেশব্যাপী গৃহীত বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করতে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগ মিলিয়ে মোট ৯৮২ কোটি ৯১ লাখ ৭৪ হাজার টাকা ব্যয় করা হয়েছিল।
রবিবার (১২ জুলাই) জাতীয় সংসদে রংপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য মো. মাহবুবুর রহমানের (বেলাল) তারকাচিহ্নিত প্রশ্নের জবাবে এ তথ্য জানান তিনি।
অর্থমন্ত্রী বলেন, বিপুল এই ব্যয়ের মধ্যে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন, বিভিন্ন সরকারি দপ্তরে প্রতিকৃতি ও স্মৃতিফলক স্থাপন, ব্রোঞ্জ, তামা ও মার্বেলের ভাস্কর্য নির্মাণ এবং রাষ্ট্রীয় উদ্যোগে ডিজিটাল কাউন্টডাউন বোর্ড স্থাপনের ব্যয় অন্তর্ভুক্ত ছিল।
একই সদস্যের সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এ ব্যয় নিয়ে নিরীক্ষা, তদন্ত বা অন্য কোনো ব্যবস্থা গ্রহণের বিষয়ে এখনো সরকার কোনো সিদ্ধান্ত নেয়নি।
তবে মন্ত্রী বলেন, ‘এটি শুধু মুজিববর্ষ নয়, আরও অনেক বিষয় রয়েছে। আমরা সবকিছু পর্যালোচনা করছি।’
তিনি আরও বলেন, সরকার সরকারি ব্যয়ের বিভিন্ন খাত মূল্যায়ন করছে এবং মূল্যায়ন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পর যথাসময়ে প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, ‘আমরা সব বিষয় পর্যালোচনা করছি। আমি বিশ্বাস করি, ভবিষ্যতে এ বিষয়ে যথাযথ সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।’
এর আগে সম্পূরক প্রশ্নে জানতে চাওয়া হয়, মুজিববর্ষের ব্যয় নিয়ে সরকার কোনো নিরীক্ষা বা তদন্ত শুরু করেছে কি না এবং সরকারি অর্থের অপব্যবহার বা অনিয়মের সঙ্গে জড়িতদের বিচারের আওতায় আনা হবে কি না। এছাড়া ভবিষ্যতে কোনো ব্যক্তিকে প্রচারের উদ্দেশ্যে অপ্রয়োজনীয় সরকারি ব্যয় রোধে সরকার কী ধরনের পদক্ষেপ নেবে, সে বিষয়েও জানতে চান সংসদ সদস্য মো. মাহবুবুর রহমান।
জবাবে অর্থমন্ত্রী পুনর্ব্যক্ত করেন, এসব বিষয়ে এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। তবে সরকার সার্বিক বিষয়টি পর্যালোচনা করছে এবং মূল্যায়ন শেষে পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।

মুজিববর্ষ উদযাপনে খরচ ৯৮২ কোটি ৯১ লাখ টাকা: সংসদে অর্থমন্ত্রী
নিজস্ব প্রতিবেদক

অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী জানিয়েছেন, পূর্ববর্তী ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে মুজিববর্ষ উদযাপন উপলক্ষে দেশব্যাপী গৃহীত বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করতে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগ মিলিয়ে মোট ৯৮২ কোটি ৯১ লাখ ৭৪ হাজার টাকা ব্যয় করা হয়েছিল।
রবিবার (১২ জুলাই) জাতীয় সংসদে রংপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য মো. মাহবুবুর রহমানের (বেলাল) তারকাচিহ্নিত প্রশ্নের জবাবে এ তথ্য জানান তিনি।
অর্থমন্ত্রী বলেন, বিপুল এই ব্যয়ের মধ্যে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন, বিভিন্ন সরকারি দপ্তরে প্রতিকৃতি ও স্মৃতিফলক স্থাপন, ব্রোঞ্জ, তামা ও মার্বেলের ভাস্কর্য নির্মাণ এবং রাষ্ট্রীয় উদ্যোগে ডিজিটাল কাউন্টডাউন বোর্ড স্থাপনের ব্যয় অন্তর্ভুক্ত ছিল।
একই সদস্যের সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এ ব্যয় নিয়ে নিরীক্ষা, তদন্ত বা অন্য কোনো ব্যবস্থা গ্রহণের বিষয়ে এখনো সরকার কোনো সিদ্ধান্ত নেয়নি।
তবে মন্ত্রী বলেন, ‘এটি শুধু মুজিববর্ষ নয়, আরও অনেক বিষয় রয়েছে। আমরা সবকিছু পর্যালোচনা করছি।’
তিনি আরও বলেন, সরকার সরকারি ব্যয়ের বিভিন্ন খাত মূল্যায়ন করছে এবং মূল্যায়ন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পর যথাসময়ে প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, ‘আমরা সব বিষয় পর্যালোচনা করছি। আমি বিশ্বাস করি, ভবিষ্যতে এ বিষয়ে যথাযথ সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।’
এর আগে সম্পূরক প্রশ্নে জানতে চাওয়া হয়, মুজিববর্ষের ব্যয় নিয়ে সরকার কোনো নিরীক্ষা বা তদন্ত শুরু করেছে কি না এবং সরকারি অর্থের অপব্যবহার বা অনিয়মের সঙ্গে জড়িতদের বিচারের আওতায় আনা হবে কি না। এছাড়া ভবিষ্যতে কোনো ব্যক্তিকে প্রচারের উদ্দেশ্যে অপ্রয়োজনীয় সরকারি ব্যয় রোধে সরকার কী ধরনের পদক্ষেপ নেবে, সে বিষয়েও জানতে চান সংসদ সদস্য মো. মাহবুবুর রহমান।
জবাবে অর্থমন্ত্রী পুনর্ব্যক্ত করেন, এসব বিষয়ে এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। তবে সরকার সার্বিক বিষয়টি পর্যালোচনা করছে এবং মূল্যায়ন শেষে পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।

আইএমএফের সঙ্গে আগের ঋণচুক্তি ছিল জনস্বার্থবিরোধী: অর্থমন্ত্রী

