নতুন আগ্রাসনের বিধ্বংসী জবাব দিতে প্রস্তুত ইরান: আইআরজিসি

নতুন আগ্রাসনের বিধ্বংসী জবাব দিতে প্রস্তুত ইরান: আইআরজিসি
সিটিজেন ডেস্ক

শত্রুপক্ষের যেকোনো নতুন সামরিক আগ্রাসনের বিরুদ্ধে ‘বিধ্বংসী ও ভয়াবহ’ পাল্টা আঘাত হানতে ইরানের সশস্ত্র বাহিনী সম্পূর্ণ প্রস্তুত রয়েছে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইসলামিক রেভোলিউশন গার্ডস কোর (আইআরজিসি)। ঐতিহাসিক খোররামশাহর নগরী শত্রুমুক্ত হওয়ার ৪৪তম বার্ষিকী উপলক্ষে রবিবার (২৪ মে) আইআরজিসি জেনারেল কমান্ড থেকে জারি করা এক বিশেষ বার্তায় এ হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়।
বার্তায় বলা হয়, খোররামশাহরের ঐতিহাসিক মহাকাব্যের ৪৪ বছর পর, সাম্প্রতিক তৃতীয় চাপিয়ে দেওয়া যুদ্ধে ৪০ দিনের তীব্র প্রতিরোধ ও পাল্টা আক্রমণের মুখে ইরানি জাতি আবারও গৌরবময় বিজয় অর্জন করেছে। ক্ষেপণাস্ত্র, আকাশ, নৌ, স্থল, মহাকাশ এবং সাইবার প্রতিরক্ষার প্রতিটি ক্ষেত্রে দেশটির সশস্ত্র বাহিনী এখন সর্বোচ্চ স্তরের প্রস্তুতি এবং সক্রিয় প্রতিরোধ ব্যবস্থায় রয়েছে। ফলে নতুন করে কোনো ধৃষ্টতা দেখালে তার পরিণতি অত্যন্ত ভয়াবহ হবে।
বিগত বছরগুলোতে ইরান তিনটি বড় ধরনের যুদ্ধ ও আগ্রাসনের মুখোমুখি হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ১৯৮০-এর দশকে ৮ আট বছরের ইরাক যুদ্ধ এবং পরবর্তী সময়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের দুটি অবৈধ সামরিক হামলা। যার একটি ছিল ২০২৫ সালের জুন মাসে ১২ দিনব্যাপী আগ্রাসন এবং সর্বশেষটি ছিল চলতি বছরের ২৮ ফেব্রুয়ারি শুরু হওয়া ৪০ দিনব্যাপী যুদ্ধ। পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় ৮ই এপ্রিল একটি আনুষ্ঠানিক যুদ্ধবিরতির মাধ্যমে এই সর্বশেষ সংঘাতের অবসান ঘটে।
আইআরজিসি জেনারেল কমান্ড জোর দিয়ে বলেছে, ২৮ ফেব্রুয়ারির চাপিয়ে দেওয়া যুদ্ধে রণক্ষেত্রে জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতি এবং সশস্ত্র বাহিনীর কঠোর জবাব শত্রুর অশুভ চক্রান্ত ও স্বপ্নকে সম্পূর্ণ চূর্ণ করে দিয়েছে। খোররামশাহর স্বাধীনতা যুদ্ধ থেকে প্রাপ্ত শিক্ষাকে কাজে লাগিয়ে ইরান অভ্যন্তরীণ শক্তি এবং সক্রিয় প্রতিরোধের ওপর দাঁড়িয়েছে। পারমাণবিক, ক্ষেপণাস্ত্রসহ প্রতিরক্ষামূলক ও আক্রমণাত্মক ক্ষেত্রে ইরানের অভূতপূর্ব অগ্রগতিই শত্রুকে তাদের রণকৌশল পুনর্বিবেচনা করতে বাধ্য করেছে।
বর্তমানে যুদ্ধ অবসানের লক্ষ্যে বিভিন্ন স্তরে আলোচনা চলমান রয়েছে। এ পরিস্থিতিতে আইআরজিসি মনে করে, ইরানি জাতি তাদের জাতীয় ঐক্য ও দূরদর্শিতা বজায় রাখার মাধ্যমে শত্রুপক্ষের প্রতিটি পদক্ষেপ ও আচরণের ওপর কড়া নজর রাখছে। একই সঙ্গে যেকোনো ধরনের নতুন ষড়যন্ত্র নস্যাৎ করতে জনগণ ও সামরিক বাহিনী একযোগে কাজ করে যাবে।
সূত্র: প্রেস টিভি

শত্রুপক্ষের যেকোনো নতুন সামরিক আগ্রাসনের বিরুদ্ধে ‘বিধ্বংসী ও ভয়াবহ’ পাল্টা আঘাত হানতে ইরানের সশস্ত্র বাহিনী সম্পূর্ণ প্রস্তুত রয়েছে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইসলামিক রেভোলিউশন গার্ডস কোর (আইআরজিসি)। ঐতিহাসিক খোররামশাহর নগরী শত্রুমুক্ত হওয়ার ৪৪তম বার্ষিকী উপলক্ষে রবিবার (২৪ মে) আইআরজিসি জেনারেল কমান্ড থেকে জারি করা এক বিশেষ বার্তায় এ হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়।
বার্তায় বলা হয়, খোররামশাহরের ঐতিহাসিক মহাকাব্যের ৪৪ বছর পর, সাম্প্রতিক তৃতীয় চাপিয়ে দেওয়া যুদ্ধে ৪০ দিনের তীব্র প্রতিরোধ ও পাল্টা আক্রমণের মুখে ইরানি জাতি আবারও গৌরবময় বিজয় অর্জন করেছে। ক্ষেপণাস্ত্র, আকাশ, নৌ, স্থল, মহাকাশ এবং সাইবার প্রতিরক্ষার প্রতিটি ক্ষেত্রে দেশটির সশস্ত্র বাহিনী এখন সর্বোচ্চ স্তরের প্রস্তুতি এবং সক্রিয় প্রতিরোধ ব্যবস্থায় রয়েছে। ফলে নতুন করে কোনো ধৃষ্টতা দেখালে তার পরিণতি অত্যন্ত ভয়াবহ হবে।
বিগত বছরগুলোতে ইরান তিনটি বড় ধরনের যুদ্ধ ও আগ্রাসনের মুখোমুখি হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ১৯৮০-এর দশকে ৮ আট বছরের ইরাক যুদ্ধ এবং পরবর্তী সময়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের দুটি অবৈধ সামরিক হামলা। যার একটি ছিল ২০২৫ সালের জুন মাসে ১২ দিনব্যাপী আগ্রাসন এবং সর্বশেষটি ছিল চলতি বছরের ২৮ ফেব্রুয়ারি শুরু হওয়া ৪০ দিনব্যাপী যুদ্ধ। পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় ৮ই এপ্রিল একটি আনুষ্ঠানিক যুদ্ধবিরতির মাধ্যমে এই সর্বশেষ সংঘাতের অবসান ঘটে।
আইআরজিসি জেনারেল কমান্ড জোর দিয়ে বলেছে, ২৮ ফেব্রুয়ারির চাপিয়ে দেওয়া যুদ্ধে রণক্ষেত্রে জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতি এবং সশস্ত্র বাহিনীর কঠোর জবাব শত্রুর অশুভ চক্রান্ত ও স্বপ্নকে সম্পূর্ণ চূর্ণ করে দিয়েছে। খোররামশাহর স্বাধীনতা যুদ্ধ থেকে প্রাপ্ত শিক্ষাকে কাজে লাগিয়ে ইরান অভ্যন্তরীণ শক্তি এবং সক্রিয় প্রতিরোধের ওপর দাঁড়িয়েছে। পারমাণবিক, ক্ষেপণাস্ত্রসহ প্রতিরক্ষামূলক ও আক্রমণাত্মক ক্ষেত্রে ইরানের অভূতপূর্ব অগ্রগতিই শত্রুকে তাদের রণকৌশল পুনর্বিবেচনা করতে বাধ্য করেছে।
বর্তমানে যুদ্ধ অবসানের লক্ষ্যে বিভিন্ন স্তরে আলোচনা চলমান রয়েছে। এ পরিস্থিতিতে আইআরজিসি মনে করে, ইরানি জাতি তাদের জাতীয় ঐক্য ও দূরদর্শিতা বজায় রাখার মাধ্যমে শত্রুপক্ষের প্রতিটি পদক্ষেপ ও আচরণের ওপর কড়া নজর রাখছে। একই সঙ্গে যেকোনো ধরনের নতুন ষড়যন্ত্র নস্যাৎ করতে জনগণ ও সামরিক বাহিনী একযোগে কাজ করে যাবে।
সূত্র: প্রেস টিভি

নতুন আগ্রাসনের বিধ্বংসী জবাব দিতে প্রস্তুত ইরান: আইআরজিসি
সিটিজেন ডেস্ক

শত্রুপক্ষের যেকোনো নতুন সামরিক আগ্রাসনের বিরুদ্ধে ‘বিধ্বংসী ও ভয়াবহ’ পাল্টা আঘাত হানতে ইরানের সশস্ত্র বাহিনী সম্পূর্ণ প্রস্তুত রয়েছে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইসলামিক রেভোলিউশন গার্ডস কোর (আইআরজিসি)। ঐতিহাসিক খোররামশাহর নগরী শত্রুমুক্ত হওয়ার ৪৪তম বার্ষিকী উপলক্ষে রবিবার (২৪ মে) আইআরজিসি জেনারেল কমান্ড থেকে জারি করা এক বিশেষ বার্তায় এ হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়।
বার্তায় বলা হয়, খোররামশাহরের ঐতিহাসিক মহাকাব্যের ৪৪ বছর পর, সাম্প্রতিক তৃতীয় চাপিয়ে দেওয়া যুদ্ধে ৪০ দিনের তীব্র প্রতিরোধ ও পাল্টা আক্রমণের মুখে ইরানি জাতি আবারও গৌরবময় বিজয় অর্জন করেছে। ক্ষেপণাস্ত্র, আকাশ, নৌ, স্থল, মহাকাশ এবং সাইবার প্রতিরক্ষার প্রতিটি ক্ষেত্রে দেশটির সশস্ত্র বাহিনী এখন সর্বোচ্চ স্তরের প্রস্তুতি এবং সক্রিয় প্রতিরোধ ব্যবস্থায় রয়েছে। ফলে নতুন করে কোনো ধৃষ্টতা দেখালে তার পরিণতি অত্যন্ত ভয়াবহ হবে।
বিগত বছরগুলোতে ইরান তিনটি বড় ধরনের যুদ্ধ ও আগ্রাসনের মুখোমুখি হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ১৯৮০-এর দশকে ৮ আট বছরের ইরাক যুদ্ধ এবং পরবর্তী সময়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের দুটি অবৈধ সামরিক হামলা। যার একটি ছিল ২০২৫ সালের জুন মাসে ১২ দিনব্যাপী আগ্রাসন এবং সর্বশেষটি ছিল চলতি বছরের ২৮ ফেব্রুয়ারি শুরু হওয়া ৪০ দিনব্যাপী যুদ্ধ। পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় ৮ই এপ্রিল একটি আনুষ্ঠানিক যুদ্ধবিরতির মাধ্যমে এই সর্বশেষ সংঘাতের অবসান ঘটে।
আইআরজিসি জেনারেল কমান্ড জোর দিয়ে বলেছে, ২৮ ফেব্রুয়ারির চাপিয়ে দেওয়া যুদ্ধে রণক্ষেত্রে জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতি এবং সশস্ত্র বাহিনীর কঠোর জবাব শত্রুর অশুভ চক্রান্ত ও স্বপ্নকে সম্পূর্ণ চূর্ণ করে দিয়েছে। খোররামশাহর স্বাধীনতা যুদ্ধ থেকে প্রাপ্ত শিক্ষাকে কাজে লাগিয়ে ইরান অভ্যন্তরীণ শক্তি এবং সক্রিয় প্রতিরোধের ওপর দাঁড়িয়েছে। পারমাণবিক, ক্ষেপণাস্ত্রসহ প্রতিরক্ষামূলক ও আক্রমণাত্মক ক্ষেত্রে ইরানের অভূতপূর্ব অগ্রগতিই শত্রুকে তাদের রণকৌশল পুনর্বিবেচনা করতে বাধ্য করেছে।
বর্তমানে যুদ্ধ অবসানের লক্ষ্যে বিভিন্ন স্তরে আলোচনা চলমান রয়েছে। এ পরিস্থিতিতে আইআরজিসি মনে করে, ইরানি জাতি তাদের জাতীয় ঐক্য ও দূরদর্শিতা বজায় রাখার মাধ্যমে শত্রুপক্ষের প্রতিটি পদক্ষেপ ও আচরণের ওপর কড়া নজর রাখছে। একই সঙ্গে যেকোনো ধরনের নতুন ষড়যন্ত্র নস্যাৎ করতে জনগণ ও সামরিক বাহিনী একযোগে কাজ করে যাবে।
সূত্র: প্রেস টিভি

সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম হস্তান্তরে রাজি নয় ইরান
বাড়ছে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধবিরতির মেয়াদ


