ইরানের জব্দ করা সম্পদ অবমুক্ত না করতে ওয়াশিংটনকে ইসরায়েলের চাপ

ইরানের জব্দ করা সম্পদ অবমুক্ত না করতে ওয়াশিংটনকে ইসরায়েলের চাপ
সিজেডএন ডেস্ক

যুক্তরাষ্ট্র-ইরানের মধ্যে সম্ভাব্য চুক্তির আওতায় তেহরানের জব্দ করা কোনো সম্পদ বা অর্থ যেন কোনোভাবেই অবমুক্ত করা না হয়, সে জন্য ওয়াশিংটনের ওপর তীব্র চাপ সৃষ্টি করছে তেল আবিব। এ আলোচনা প্রক্রিয়ার সঙ্গে সরাসরি যুক্ত ইসরায়েলের একটি নির্ভরযোগ্য সূত্র মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএনকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।
কূটনৈতিক তৎপরতার মধ্যেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ বজায় রাখছেন ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু। বৃহস্পতিবার (১১ জুন) রাতেও দুই নেতার মধ্যে ফোনালাপ অনুষ্ঠিত হয়, যার পরপরই ট্রাম্প দাবি করেন এই সম্ভাব্য চুক্তিটিকে ইসরায়েলসহ মধ্যপ্রাচ্যের বেশ কয়েকটি দেশ ইতিবাচকভাবে গ্রহণ করেছে। তবে পরবর্তীতে নেতানিয়াহুর কার্যালয় থেকে জারি করা এক বিবৃতিতে জানানো হয়, ট্রাম্প চূড়ান্ত চুক্তির অংশ হিসেবে ইরান থেকে সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম অপসারণ, দেশটির পারমাণবিক কর্মসূচি বন্ধ, ক্ষেপণাস্ত্রের পরিধি সীমিতকরণ এবং আঞ্চলিক প্রক্সি গোষ্ঠীগুলোর প্রতি তেহরানের সমর্থন বন্ধ করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। যদিও ট্রাম্পের সাম্প্রতিক জনসমক্ষে দেওয়া বক্তব্যগুলোতে কেবল সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম অপসারণের বিষয়টিই বেশি গুরুত্ব পাচ্ছে এবং গত কয়েক সপ্তাহে তিনি ক্ষেপণাস্ত্র বা প্রক্সি গোষ্ঠী নিয়ে কোনো বিশেষ মন্তব্য করেননি।
এর আগে সিএনএন তাদের এক প্রতিবেদনে জানিয়েছিল, ইরানের সঙ্গে একটি আসন্ন চুক্তির বিষয়ে ট্রাম্পের আকস্মিক ঘোষণা নেতানিয়াহুকে বেশ অবাক করেছিল। কারণ ট্রাম্প যখন ঘোষণা দিচ্ছিলেন, তখন নেতানিয়াহু ইরানের নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে দেশের শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে একটি উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে ব্যস্ত ছিলেন। শুক্রবার (১২ জুন) এক বিবৃতিতে নেতানিয়াহু আবারও তার কঠোর অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করে বলেন, যত দিন তিনি ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী পদে আছেন, তত দিন ইরানকে কোনোভাবেই পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করতে দেওয়া হবে না। মূলত দীর্ঘদিন ধরেই ইরানের সঙ্গে যেকোনো আলোচনা বা সমঝোতার বিষয়ে চরম সন্দেহ পোষণ করে আসছে ইসরায়েল। তেল আবিব বিশ্বাস করে, তেহরান কখনোই সরল বিশ্বাসে বা আন্তরিকতার সঙ্গে আলোচনা করে না। ইসরায়েলি সূত্রটি সিএনএনকে স্পষ্ট করেছে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হলেও, তা শেষ পর্যন্ত কোনো চূড়ান্ত ও স্থায়ী চুক্তির দিকে যাবে না বলেই মনে করে ইসরায়েল।
সূত্র: সিএনএন

যুক্তরাষ্ট্র-ইরানের মধ্যে সম্ভাব্য চুক্তির আওতায় তেহরানের জব্দ করা কোনো সম্পদ বা অর্থ যেন কোনোভাবেই অবমুক্ত করা না হয়, সে জন্য ওয়াশিংটনের ওপর তীব্র চাপ সৃষ্টি করছে তেল আবিব। এ আলোচনা প্রক্রিয়ার সঙ্গে সরাসরি যুক্ত ইসরায়েলের একটি নির্ভরযোগ্য সূত্র মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএনকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।
কূটনৈতিক তৎপরতার মধ্যেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ বজায় রাখছেন ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু। বৃহস্পতিবার (১১ জুন) রাতেও দুই নেতার মধ্যে ফোনালাপ অনুষ্ঠিত হয়, যার পরপরই ট্রাম্প দাবি করেন এই সম্ভাব্য চুক্তিটিকে ইসরায়েলসহ মধ্যপ্রাচ্যের বেশ কয়েকটি দেশ ইতিবাচকভাবে গ্রহণ করেছে। তবে পরবর্তীতে নেতানিয়াহুর কার্যালয় থেকে জারি করা এক বিবৃতিতে জানানো হয়, ট্রাম্প চূড়ান্ত চুক্তির অংশ হিসেবে ইরান থেকে সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম অপসারণ, দেশটির পারমাণবিক কর্মসূচি বন্ধ, ক্ষেপণাস্ত্রের পরিধি সীমিতকরণ এবং আঞ্চলিক প্রক্সি গোষ্ঠীগুলোর প্রতি তেহরানের সমর্থন বন্ধ করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। যদিও ট্রাম্পের সাম্প্রতিক জনসমক্ষে দেওয়া বক্তব্যগুলোতে কেবল সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম অপসারণের বিষয়টিই বেশি গুরুত্ব পাচ্ছে এবং গত কয়েক সপ্তাহে তিনি ক্ষেপণাস্ত্র বা প্রক্সি গোষ্ঠী নিয়ে কোনো বিশেষ মন্তব্য করেননি।
এর আগে সিএনএন তাদের এক প্রতিবেদনে জানিয়েছিল, ইরানের সঙ্গে একটি আসন্ন চুক্তির বিষয়ে ট্রাম্পের আকস্মিক ঘোষণা নেতানিয়াহুকে বেশ অবাক করেছিল। কারণ ট্রাম্প যখন ঘোষণা দিচ্ছিলেন, তখন নেতানিয়াহু ইরানের নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে দেশের শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে একটি উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে ব্যস্ত ছিলেন। শুক্রবার (১২ জুন) এক বিবৃতিতে নেতানিয়াহু আবারও তার কঠোর অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করে বলেন, যত দিন তিনি ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী পদে আছেন, তত দিন ইরানকে কোনোভাবেই পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করতে দেওয়া হবে না। মূলত দীর্ঘদিন ধরেই ইরানের সঙ্গে যেকোনো আলোচনা বা সমঝোতার বিষয়ে চরম সন্দেহ পোষণ করে আসছে ইসরায়েল। তেল আবিব বিশ্বাস করে, তেহরান কখনোই সরল বিশ্বাসে বা আন্তরিকতার সঙ্গে আলোচনা করে না। ইসরায়েলি সূত্রটি সিএনএনকে স্পষ্ট করেছে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হলেও, তা শেষ পর্যন্ত কোনো চূড়ান্ত ও স্থায়ী চুক্তির দিকে যাবে না বলেই মনে করে ইসরায়েল।
সূত্র: সিএনএন

ইরানের জব্দ করা সম্পদ অবমুক্ত না করতে ওয়াশিংটনকে ইসরায়েলের চাপ
সিজেডএন ডেস্ক

যুক্তরাষ্ট্র-ইরানের মধ্যে সম্ভাব্য চুক্তির আওতায় তেহরানের জব্দ করা কোনো সম্পদ বা অর্থ যেন কোনোভাবেই অবমুক্ত করা না হয়, সে জন্য ওয়াশিংটনের ওপর তীব্র চাপ সৃষ্টি করছে তেল আবিব। এ আলোচনা প্রক্রিয়ার সঙ্গে সরাসরি যুক্ত ইসরায়েলের একটি নির্ভরযোগ্য সূত্র মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএনকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।
কূটনৈতিক তৎপরতার মধ্যেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ বজায় রাখছেন ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু। বৃহস্পতিবার (১১ জুন) রাতেও দুই নেতার মধ্যে ফোনালাপ অনুষ্ঠিত হয়, যার পরপরই ট্রাম্প দাবি করেন এই সম্ভাব্য চুক্তিটিকে ইসরায়েলসহ মধ্যপ্রাচ্যের বেশ কয়েকটি দেশ ইতিবাচকভাবে গ্রহণ করেছে। তবে পরবর্তীতে নেতানিয়াহুর কার্যালয় থেকে জারি করা এক বিবৃতিতে জানানো হয়, ট্রাম্প চূড়ান্ত চুক্তির অংশ হিসেবে ইরান থেকে সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম অপসারণ, দেশটির পারমাণবিক কর্মসূচি বন্ধ, ক্ষেপণাস্ত্রের পরিধি সীমিতকরণ এবং আঞ্চলিক প্রক্সি গোষ্ঠীগুলোর প্রতি তেহরানের সমর্থন বন্ধ করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। যদিও ট্রাম্পের সাম্প্রতিক জনসমক্ষে দেওয়া বক্তব্যগুলোতে কেবল সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম অপসারণের বিষয়টিই বেশি গুরুত্ব পাচ্ছে এবং গত কয়েক সপ্তাহে তিনি ক্ষেপণাস্ত্র বা প্রক্সি গোষ্ঠী নিয়ে কোনো বিশেষ মন্তব্য করেননি।
এর আগে সিএনএন তাদের এক প্রতিবেদনে জানিয়েছিল, ইরানের সঙ্গে একটি আসন্ন চুক্তির বিষয়ে ট্রাম্পের আকস্মিক ঘোষণা নেতানিয়াহুকে বেশ অবাক করেছিল। কারণ ট্রাম্প যখন ঘোষণা দিচ্ছিলেন, তখন নেতানিয়াহু ইরানের নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে দেশের শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে একটি উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে ব্যস্ত ছিলেন। শুক্রবার (১২ জুন) এক বিবৃতিতে নেতানিয়াহু আবারও তার কঠোর অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করে বলেন, যত দিন তিনি ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী পদে আছেন, তত দিন ইরানকে কোনোভাবেই পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করতে দেওয়া হবে না। মূলত দীর্ঘদিন ধরেই ইরানের সঙ্গে যেকোনো আলোচনা বা সমঝোতার বিষয়ে চরম সন্দেহ পোষণ করে আসছে ইসরায়েল। তেল আবিব বিশ্বাস করে, তেহরান কখনোই সরল বিশ্বাসে বা আন্তরিকতার সঙ্গে আলোচনা করে না। ইসরায়েলি সূত্রটি সিএনএনকে স্পষ্ট করেছে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হলেও, তা শেষ পর্যন্ত কোনো চূড়ান্ত ও স্থায়ী চুক্তির দিকে যাবে না বলেই মনে করে ইসরায়েল।
সূত্র: সিএনএন

শান্তি চুক্তির ধোঁয়াশার মাঝেই ইউরোপে ৪ মার্কিন সামরিক বিমান


