রবিবারের মধ্যে হতে পারে তেহরান-ওয়াশিংটন চুক্তি

রবিবারের মধ্যে হতে পারে তেহরান-ওয়াশিংটন চুক্তি
সিটিজেন ডেস্ক

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ অবসানে রবিবারের (১৪ জুন) মধ্যেই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হতে পারে বলে জানা গেছে। একটি পশ্চিমা সূত্রের বরাত দিয়ে বার্তা সংস্থা রয়টার্স এ তথ্য জানিয়েছে। সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় ঐতিহাসিক চুক্তিটি সম্পন্ন হওয়ার প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে। মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স এবং ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ যাতে শনিবারের (১৩ জুন) মধ্যেই খসড়াটি চূড়ান্ত করে স্বাক্ষর করতে পারেন, সে লক্ষ্যে কূটনৈতিক তৎপরতা চলছে। তবে তেহরান তার অবস্থানে অনড় রয়েছে, এ চুক্তির আওতায় লেবাননে হিজবুল্লাহর বিরুদ্ধে চলমান ইসরায়েলি সামরিক অভিযানও পুরোপুরি বন্ধ করতে হবে।
এদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, ইরানের সঙ্গে যুদ্ধের একটি চমৎকার নিষ্পত্তি হয়েছে এবং চুক্তি প্রস্তুত থাকায় তেহরানের ওপর নতুন কোনো হামলা চালানো হচ্ছে না। তিনি আরও ইঙ্গিত দিয়েছেন, ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ মোজতবা খামেনিও এই চুক্তির অনুমোদন দিয়েছেন। তবে খসড়া চুক্তির শর্তগুলো পর্যবেক্ষণ করলে দেখা যায়, এতে মার্কিন স্বার্থের চেয়ে তেহরানের দীর্ঘদিনের প্রায় সব দাবিই প্রাধান্য পেয়েছে। ফেব্রুয়ারিতে মার্কিন হামলার প্রতিক্রিয়ায় ইরান হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দেওয়ার পর ট্রাম্প যা চেয়েছিলেন, তার খুব সামান্যই এ চুক্তি থেকে অর্জিত হচ্ছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
ইরানি সূত্র ও দেশটির মেহর সংবাদ সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, এ চুক্তির ফলে ইরানের তেলের ওপর থেকে সমস্ত নিষেধাজ্ঞা উঠে যাবে। দেশটির শত শত কোটি ডলারের অবরুদ্ধ তহবিল মুক্ত হবে এবং লেবাননসহ সব রণাঙ্গনে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হবে। এছাড়া, মার্কিন ও তার মিত্রদের ইরানের চারপাশ থেকে সেনা প্রত্যাহার করতে হবে এবং যুদ্ধবিধ্বস্ত ইরানি অর্থনীতি পুনর্গঠনে অন্তত ৩০০ বিলিয়ন ডলারের একটি পরিকল্পনা জমা দিতে হবে। এর বিপরীতে ইরান ওয়াশিংটনকে কী ছাড় দিচ্ছে তা এখনও স্পষ্ট নয়। তবে পারমাণবিক অস্ত্র সংক্রান্ত জটিল বিষয়টি পরবর্তী আলোচনার জন্য স্থগিত রাখা হয়েছে।
ট্রাম্পের এ আকস্মিক চুক্তি ঘোষণার পর বিশ্ববাজারে বড় ধরনের স্বস্তি ফিরে এসেছে। শেয়ারের দাম বাড়ার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক বাজারে ব্রেন্ট অপরিশোধিত তেলের দাম দুই শতাংশের বেশি কমে গেছে। মূলত যুদ্ধটি মার্কিন প্রশাসনের জন্য একটি বড় রাজনৈতিক মাথাব্যথা হয়ে দাঁড়িয়েছিল। জ্বালানি তেলের চড়া মূল্যের কারণে ট্রাম্পের জনপ্রিয়তা কমছিল এবং আগামী নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচনে রিপাবলিকানরা কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ হারানোর ঝুঁকিতে ছিল। তবে চুক্তিটি কার্যকর হওয়া মাত্রই হরমুজ প্রণালি আনুষ্ঠানিকভাবে খুলে দেওয়া হবে বলে ট্রাম্প আশ্বস্ত করেছেন। অন্যদিকে, এ শান্তি প্রক্রিয়ায় ইসরায়েলকে অন্তর্ভুক্ত না করায় তেল আবিবের জন্য লেবাননে যুদ্ধবিরতি মেনে নেওয়া কঠিন হতে পারে এবং প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর কার্যালয় জানিয়ে দিয়েছে তারা এ সমঝোতা স্মারকের কোনো পক্ষ নয়।
সূত্র: রয়টার্স

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ অবসানে রবিবারের (১৪ জুন) মধ্যেই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হতে পারে বলে জানা গেছে। একটি পশ্চিমা সূত্রের বরাত দিয়ে বার্তা সংস্থা রয়টার্স এ তথ্য জানিয়েছে। সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় ঐতিহাসিক চুক্তিটি সম্পন্ন হওয়ার প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে। মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স এবং ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ যাতে শনিবারের (১৩ জুন) মধ্যেই খসড়াটি চূড়ান্ত করে স্বাক্ষর করতে পারেন, সে লক্ষ্যে কূটনৈতিক তৎপরতা চলছে। তবে তেহরান তার অবস্থানে অনড় রয়েছে, এ চুক্তির আওতায় লেবাননে হিজবুল্লাহর বিরুদ্ধে চলমান ইসরায়েলি সামরিক অভিযানও পুরোপুরি বন্ধ করতে হবে।
এদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, ইরানের সঙ্গে যুদ্ধের একটি চমৎকার নিষ্পত্তি হয়েছে এবং চুক্তি প্রস্তুত থাকায় তেহরানের ওপর নতুন কোনো হামলা চালানো হচ্ছে না। তিনি আরও ইঙ্গিত দিয়েছেন, ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ মোজতবা খামেনিও এই চুক্তির অনুমোদন দিয়েছেন। তবে খসড়া চুক্তির শর্তগুলো পর্যবেক্ষণ করলে দেখা যায়, এতে মার্কিন স্বার্থের চেয়ে তেহরানের দীর্ঘদিনের প্রায় সব দাবিই প্রাধান্য পেয়েছে। ফেব্রুয়ারিতে মার্কিন হামলার প্রতিক্রিয়ায় ইরান হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দেওয়ার পর ট্রাম্প যা চেয়েছিলেন, তার খুব সামান্যই এ চুক্তি থেকে অর্জিত হচ্ছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
ইরানি সূত্র ও দেশটির মেহর সংবাদ সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, এ চুক্তির ফলে ইরানের তেলের ওপর থেকে সমস্ত নিষেধাজ্ঞা উঠে যাবে। দেশটির শত শত কোটি ডলারের অবরুদ্ধ তহবিল মুক্ত হবে এবং লেবাননসহ সব রণাঙ্গনে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হবে। এছাড়া, মার্কিন ও তার মিত্রদের ইরানের চারপাশ থেকে সেনা প্রত্যাহার করতে হবে এবং যুদ্ধবিধ্বস্ত ইরানি অর্থনীতি পুনর্গঠনে অন্তত ৩০০ বিলিয়ন ডলারের একটি পরিকল্পনা জমা দিতে হবে। এর বিপরীতে ইরান ওয়াশিংটনকে কী ছাড় দিচ্ছে তা এখনও স্পষ্ট নয়। তবে পারমাণবিক অস্ত্র সংক্রান্ত জটিল বিষয়টি পরবর্তী আলোচনার জন্য স্থগিত রাখা হয়েছে।
ট্রাম্পের এ আকস্মিক চুক্তি ঘোষণার পর বিশ্ববাজারে বড় ধরনের স্বস্তি ফিরে এসেছে। শেয়ারের দাম বাড়ার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক বাজারে ব্রেন্ট অপরিশোধিত তেলের দাম দুই শতাংশের বেশি কমে গেছে। মূলত যুদ্ধটি মার্কিন প্রশাসনের জন্য একটি বড় রাজনৈতিক মাথাব্যথা হয়ে দাঁড়িয়েছিল। জ্বালানি তেলের চড়া মূল্যের কারণে ট্রাম্পের জনপ্রিয়তা কমছিল এবং আগামী নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচনে রিপাবলিকানরা কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ হারানোর ঝুঁকিতে ছিল। তবে চুক্তিটি কার্যকর হওয়া মাত্রই হরমুজ প্রণালি আনুষ্ঠানিকভাবে খুলে দেওয়া হবে বলে ট্রাম্প আশ্বস্ত করেছেন। অন্যদিকে, এ শান্তি প্রক্রিয়ায় ইসরায়েলকে অন্তর্ভুক্ত না করায় তেল আবিবের জন্য লেবাননে যুদ্ধবিরতি মেনে নেওয়া কঠিন হতে পারে এবং প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর কার্যালয় জানিয়ে দিয়েছে তারা এ সমঝোতা স্মারকের কোনো পক্ষ নয়।
সূত্র: রয়টার্স

রবিবারের মধ্যে হতে পারে তেহরান-ওয়াশিংটন চুক্তি
সিটিজেন ডেস্ক

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ অবসানে রবিবারের (১৪ জুন) মধ্যেই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হতে পারে বলে জানা গেছে। একটি পশ্চিমা সূত্রের বরাত দিয়ে বার্তা সংস্থা রয়টার্স এ তথ্য জানিয়েছে। সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় ঐতিহাসিক চুক্তিটি সম্পন্ন হওয়ার প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে। মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স এবং ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ যাতে শনিবারের (১৩ জুন) মধ্যেই খসড়াটি চূড়ান্ত করে স্বাক্ষর করতে পারেন, সে লক্ষ্যে কূটনৈতিক তৎপরতা চলছে। তবে তেহরান তার অবস্থানে অনড় রয়েছে, এ চুক্তির আওতায় লেবাননে হিজবুল্লাহর বিরুদ্ধে চলমান ইসরায়েলি সামরিক অভিযানও পুরোপুরি বন্ধ করতে হবে।
এদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, ইরানের সঙ্গে যুদ্ধের একটি চমৎকার নিষ্পত্তি হয়েছে এবং চুক্তি প্রস্তুত থাকায় তেহরানের ওপর নতুন কোনো হামলা চালানো হচ্ছে না। তিনি আরও ইঙ্গিত দিয়েছেন, ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ মোজতবা খামেনিও এই চুক্তির অনুমোদন দিয়েছেন। তবে খসড়া চুক্তির শর্তগুলো পর্যবেক্ষণ করলে দেখা যায়, এতে মার্কিন স্বার্থের চেয়ে তেহরানের দীর্ঘদিনের প্রায় সব দাবিই প্রাধান্য পেয়েছে। ফেব্রুয়ারিতে মার্কিন হামলার প্রতিক্রিয়ায় ইরান হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দেওয়ার পর ট্রাম্প যা চেয়েছিলেন, তার খুব সামান্যই এ চুক্তি থেকে অর্জিত হচ্ছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
ইরানি সূত্র ও দেশটির মেহর সংবাদ সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, এ চুক্তির ফলে ইরানের তেলের ওপর থেকে সমস্ত নিষেধাজ্ঞা উঠে যাবে। দেশটির শত শত কোটি ডলারের অবরুদ্ধ তহবিল মুক্ত হবে এবং লেবাননসহ সব রণাঙ্গনে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হবে। এছাড়া, মার্কিন ও তার মিত্রদের ইরানের চারপাশ থেকে সেনা প্রত্যাহার করতে হবে এবং যুদ্ধবিধ্বস্ত ইরানি অর্থনীতি পুনর্গঠনে অন্তত ৩০০ বিলিয়ন ডলারের একটি পরিকল্পনা জমা দিতে হবে। এর বিপরীতে ইরান ওয়াশিংটনকে কী ছাড় দিচ্ছে তা এখনও স্পষ্ট নয়। তবে পারমাণবিক অস্ত্র সংক্রান্ত জটিল বিষয়টি পরবর্তী আলোচনার জন্য স্থগিত রাখা হয়েছে।
ট্রাম্পের এ আকস্মিক চুক্তি ঘোষণার পর বিশ্ববাজারে বড় ধরনের স্বস্তি ফিরে এসেছে। শেয়ারের দাম বাড়ার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক বাজারে ব্রেন্ট অপরিশোধিত তেলের দাম দুই শতাংশের বেশি কমে গেছে। মূলত যুদ্ধটি মার্কিন প্রশাসনের জন্য একটি বড় রাজনৈতিক মাথাব্যথা হয়ে দাঁড়িয়েছিল। জ্বালানি তেলের চড়া মূল্যের কারণে ট্রাম্পের জনপ্রিয়তা কমছিল এবং আগামী নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচনে রিপাবলিকানরা কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ হারানোর ঝুঁকিতে ছিল। তবে চুক্তিটি কার্যকর হওয়া মাত্রই হরমুজ প্রণালি আনুষ্ঠানিকভাবে খুলে দেওয়া হবে বলে ট্রাম্প আশ্বস্ত করেছেন। অন্যদিকে, এ শান্তি প্রক্রিয়ায় ইসরায়েলকে অন্তর্ভুক্ত না করায় তেল আবিবের জন্য লেবাননে যুদ্ধবিরতি মেনে নেওয়া কঠিন হতে পারে এবং প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর কার্যালয় জানিয়ে দিয়েছে তারা এ সমঝোতা স্মারকের কোনো পক্ষ নয়।
সূত্র: রয়টার্স

খামেনির রাষ্ট্রীয় শোক অনুষ্ঠান স্থগিত ইরানের

