আজই শান্তিচুক্তি স্বাক্ষরের আশা ট্রাম্পের, ভিন্ন অবস্থানে ইরান

আজই শান্তিচুক্তি স্বাক্ষরের আশা ট্রাম্পের, ভিন্ন অবস্থানে ইরান
সিজেডএন ডেস্ক

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে একটি ঐতিহাসিক শান্তি চুক্তি রবিবার (১৪ জুন) স্বাক্ষরিত হতে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে এ চুক্তির চূড়ান্ত সময়সীমা নিয়ে কিছুটা সংশয় প্রকাশ করেছে তেহরান। অপরদিকে অন্যতম প্রধান মধ্যস্থতাকারী দেশ পাকিস্তান অত্যন্ত ইতিবাচক বার্তা দিয়ে জানিয়েছে, ২৪ ঘণ্টার মধ্যে চুক্তিটি চূড়ান্ত করার লক্ষ্যে তারা ইতোমধ্যেই ইলেকট্রনিক স্বাক্ষরের সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করছে।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেন, এ চুক্তি সম্পন্ন হওয়ার পরপরই বিশ্ব বাণিজ্যের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ ‘হরমুজ প্রণালি’ সবার জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হবে। ট্রাম্প ইরানের সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের মজুদের দিকে ইঙ্গিত করে বলেন, পরিস্থিতি শান্ত হলে উপযুক্ত সময়ে মার্কিন প্রশাসন সেখানে গিয়ে সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম সংগ্রহ করবে এবং পরে তা ধ্বংস করে দেওয়া হবে। এর পাশাপাশি তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, এ সমস্যার সমাধান যদি দ্রুত ও মসৃণভাবে না হয়, তবে ওয়াশিংটনের কাছে ‘চূড়ান্ত বিকল্প’ প্রস্তুত রয়েছে।
এদিকে চুক্তির অগ্রগতি নিয়ে প্রবল আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরীফ। এক বার্তায় তিনি বলেন, দুই পক্ষ শান্তি চুক্তির ইতিহাসের সবচেয়ে কাছাকাছি অবস্থানে রয়েছে এবং আগামী সপ্তাহের কারিগরি আলোচনার আগেই চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হতে পারে। এর আগে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচিও ওয়াশিংটনের সঙ্গে চুক্তি প্রায় চূড়ান্ত হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছিলেন। ইরানি রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনকে তিনি জানান, প্রস্তাবিত এ চুক্তির আওতায় লেবাননে ইসরায়েল ও হিজবুল্লাহর মধ্যকার সংঘাতের অবসান, হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেওয়া এবং ইরানের বন্দরগুলোর ওপর থেকে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। তবে পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে মূল আলোচনাটি পরবর্তী সময়ের জন্য তোলা থাকবে বলে তিনি স্পষ্ট করেন।
মার্কিন প্রশাসনের কর্মকর্তারাও চুক্তির বেশ কিছু বিবরণ নিশ্চিত করেছেন, তবে তারা শর্ত জুড়ে দিয়েছেন, তেহরান তাদের প্রতিশ্রুতি কতটা রক্ষা করছে তার ওপরই ইরানের অর্থনৈতিক সুবিধা পাওয়ার বিষয়টি নির্ভর করবে। যদিও পূর্ববর্তী মার্কিন প্রতিবেদনগুলোতে ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছিল, ইরানের জোরাজুরির কারণে লেবানন হয়তো এ চুক্তির অংশ হচ্ছে না। গত কয়েক মাসে এ চুক্তির একাধিক খসড়া তৈরি হলেও প্রতিবারই শেষ মুহূর্তে তা ভেস্তে যায়। মূলত চলতি বছরের ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানজুড়ে মার্কিন ও ইসরায়েলি হামলার মাধ্যমে এ যুদ্ধের সূত্রপাত হয়। জবাবে ইরানও ইসরায়েল এবং উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন মিত্র দেশগুলোর ওপর পাল্টা হামলা চালায়, যার ফলে বিশ্বের জ্বালানি পরিবহনের প্রধান রুট হরমুজ প্রণালি অবরুদ্ধ হয়ে পড়ে। এপ্রিলে উভয় পক্ষ যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হলেও চলতি সপ্তাহেও তাদের মধ্যে দুই দফা পাল্টা হামলার মতো থেমে থেমে সংঘাতের ঘটনা ঘটেছে।
সূত্র: বিবিসি

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে একটি ঐতিহাসিক শান্তি চুক্তি রবিবার (১৪ জুন) স্বাক্ষরিত হতে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে এ চুক্তির চূড়ান্ত সময়সীমা নিয়ে কিছুটা সংশয় প্রকাশ করেছে তেহরান। অপরদিকে অন্যতম প্রধান মধ্যস্থতাকারী দেশ পাকিস্তান অত্যন্ত ইতিবাচক বার্তা দিয়ে জানিয়েছে, ২৪ ঘণ্টার মধ্যে চুক্তিটি চূড়ান্ত করার লক্ষ্যে তারা ইতোমধ্যেই ইলেকট্রনিক স্বাক্ষরের সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করছে।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেন, এ চুক্তি সম্পন্ন হওয়ার পরপরই বিশ্ব বাণিজ্যের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ ‘হরমুজ প্রণালি’ সবার জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হবে। ট্রাম্প ইরানের সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের মজুদের দিকে ইঙ্গিত করে বলেন, পরিস্থিতি শান্ত হলে উপযুক্ত সময়ে মার্কিন প্রশাসন সেখানে গিয়ে সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম সংগ্রহ করবে এবং পরে তা ধ্বংস করে দেওয়া হবে। এর পাশাপাশি তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, এ সমস্যার সমাধান যদি দ্রুত ও মসৃণভাবে না হয়, তবে ওয়াশিংটনের কাছে ‘চূড়ান্ত বিকল্প’ প্রস্তুত রয়েছে।
এদিকে চুক্তির অগ্রগতি নিয়ে প্রবল আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরীফ। এক বার্তায় তিনি বলেন, দুই পক্ষ শান্তি চুক্তির ইতিহাসের সবচেয়ে কাছাকাছি অবস্থানে রয়েছে এবং আগামী সপ্তাহের কারিগরি আলোচনার আগেই চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হতে পারে। এর আগে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচিও ওয়াশিংটনের সঙ্গে চুক্তি প্রায় চূড়ান্ত হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছিলেন। ইরানি রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনকে তিনি জানান, প্রস্তাবিত এ চুক্তির আওতায় লেবাননে ইসরায়েল ও হিজবুল্লাহর মধ্যকার সংঘাতের অবসান, হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেওয়া এবং ইরানের বন্দরগুলোর ওপর থেকে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। তবে পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে মূল আলোচনাটি পরবর্তী সময়ের জন্য তোলা থাকবে বলে তিনি স্পষ্ট করেন।
মার্কিন প্রশাসনের কর্মকর্তারাও চুক্তির বেশ কিছু বিবরণ নিশ্চিত করেছেন, তবে তারা শর্ত জুড়ে দিয়েছেন, তেহরান তাদের প্রতিশ্রুতি কতটা রক্ষা করছে তার ওপরই ইরানের অর্থনৈতিক সুবিধা পাওয়ার বিষয়টি নির্ভর করবে। যদিও পূর্ববর্তী মার্কিন প্রতিবেদনগুলোতে ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছিল, ইরানের জোরাজুরির কারণে লেবানন হয়তো এ চুক্তির অংশ হচ্ছে না। গত কয়েক মাসে এ চুক্তির একাধিক খসড়া তৈরি হলেও প্রতিবারই শেষ মুহূর্তে তা ভেস্তে যায়। মূলত চলতি বছরের ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানজুড়ে মার্কিন ও ইসরায়েলি হামলার মাধ্যমে এ যুদ্ধের সূত্রপাত হয়। জবাবে ইরানও ইসরায়েল এবং উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন মিত্র দেশগুলোর ওপর পাল্টা হামলা চালায়, যার ফলে বিশ্বের জ্বালানি পরিবহনের প্রধান রুট হরমুজ প্রণালি অবরুদ্ধ হয়ে পড়ে। এপ্রিলে উভয় পক্ষ যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হলেও চলতি সপ্তাহেও তাদের মধ্যে দুই দফা পাল্টা হামলার মতো থেমে থেমে সংঘাতের ঘটনা ঘটেছে।
সূত্র: বিবিসি

আজই শান্তিচুক্তি স্বাক্ষরের আশা ট্রাম্পের, ভিন্ন অবস্থানে ইরান
সিজেডএন ডেস্ক

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে একটি ঐতিহাসিক শান্তি চুক্তি রবিবার (১৪ জুন) স্বাক্ষরিত হতে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে এ চুক্তির চূড়ান্ত সময়সীমা নিয়ে কিছুটা সংশয় প্রকাশ করেছে তেহরান। অপরদিকে অন্যতম প্রধান মধ্যস্থতাকারী দেশ পাকিস্তান অত্যন্ত ইতিবাচক বার্তা দিয়ে জানিয়েছে, ২৪ ঘণ্টার মধ্যে চুক্তিটি চূড়ান্ত করার লক্ষ্যে তারা ইতোমধ্যেই ইলেকট্রনিক স্বাক্ষরের সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করছে।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেন, এ চুক্তি সম্পন্ন হওয়ার পরপরই বিশ্ব বাণিজ্যের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ ‘হরমুজ প্রণালি’ সবার জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হবে। ট্রাম্প ইরানের সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের মজুদের দিকে ইঙ্গিত করে বলেন, পরিস্থিতি শান্ত হলে উপযুক্ত সময়ে মার্কিন প্রশাসন সেখানে গিয়ে সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম সংগ্রহ করবে এবং পরে তা ধ্বংস করে দেওয়া হবে। এর পাশাপাশি তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, এ সমস্যার সমাধান যদি দ্রুত ও মসৃণভাবে না হয়, তবে ওয়াশিংটনের কাছে ‘চূড়ান্ত বিকল্প’ প্রস্তুত রয়েছে।
এদিকে চুক্তির অগ্রগতি নিয়ে প্রবল আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরীফ। এক বার্তায় তিনি বলেন, দুই পক্ষ শান্তি চুক্তির ইতিহাসের সবচেয়ে কাছাকাছি অবস্থানে রয়েছে এবং আগামী সপ্তাহের কারিগরি আলোচনার আগেই চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হতে পারে। এর আগে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচিও ওয়াশিংটনের সঙ্গে চুক্তি প্রায় চূড়ান্ত হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছিলেন। ইরানি রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনকে তিনি জানান, প্রস্তাবিত এ চুক্তির আওতায় লেবাননে ইসরায়েল ও হিজবুল্লাহর মধ্যকার সংঘাতের অবসান, হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেওয়া এবং ইরানের বন্দরগুলোর ওপর থেকে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। তবে পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে মূল আলোচনাটি পরবর্তী সময়ের জন্য তোলা থাকবে বলে তিনি স্পষ্ট করেন।
মার্কিন প্রশাসনের কর্মকর্তারাও চুক্তির বেশ কিছু বিবরণ নিশ্চিত করেছেন, তবে তারা শর্ত জুড়ে দিয়েছেন, তেহরান তাদের প্রতিশ্রুতি কতটা রক্ষা করছে তার ওপরই ইরানের অর্থনৈতিক সুবিধা পাওয়ার বিষয়টি নির্ভর করবে। যদিও পূর্ববর্তী মার্কিন প্রতিবেদনগুলোতে ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছিল, ইরানের জোরাজুরির কারণে লেবানন হয়তো এ চুক্তির অংশ হচ্ছে না। গত কয়েক মাসে এ চুক্তির একাধিক খসড়া তৈরি হলেও প্রতিবারই শেষ মুহূর্তে তা ভেস্তে যায়। মূলত চলতি বছরের ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানজুড়ে মার্কিন ও ইসরায়েলি হামলার মাধ্যমে এ যুদ্ধের সূত্রপাত হয়। জবাবে ইরানও ইসরায়েল এবং উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন মিত্র দেশগুলোর ওপর পাল্টা হামলা চালায়, যার ফলে বিশ্বের জ্বালানি পরিবহনের প্রধান রুট হরমুজ প্রণালি অবরুদ্ধ হয়ে পড়ে। এপ্রিলে উভয় পক্ষ যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হলেও চলতি সপ্তাহেও তাদের মধ্যে দুই দফা পাল্টা হামলার মতো থেমে থেমে সংঘাতের ঘটনা ঘটেছে।
সূত্র: বিবিসি

রবিবারের মধ্যে হতে পারে তেহরান-ওয়াশিংটন চুক্তি


