শিরোনাম

হরমুজ অভিযানে অত্যাধুনিক নজরদারি বিমান পাঠাবে অস্ট্রেলিয়া

সিটিজেন ডেস্ক
হরমুজ অভিযানে অত্যাধুনিক নজরদারি বিমান পাঠাবে অস্ট্রেলিয়া
অস্ট্রেলিয়ার ওয়েজটেইল ই-৭-এ নজরদারি বিমান। ছবি: সংগৃহীত

মধ্যপ্রাচ্যের কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ হরমুজ প্রণালি পুনরায় সচল করতে এবং আন্তর্জাতিক নৌচলাচলের স্বাধীনতা নিশ্চিতে একটি অত্যাধুনিক নজরদারি বিমান পাঠানোর ঘোষণা দিয়েছে অস্ট্রেলিয়া। দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী রিচার্ড মার্লেস এ বহুজাতিক মিশনে যোগ দেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে জানিয়েছেন, বৈশ্বিক সমুদ্রপথের নিরাপত্তা রক্ষায় ক্যানবেরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং প্রয়োজনে ওই অঞ্চলে অতিরিক্ত সামরিক সরঞ্জাম পাঠানোর সম্ভাবনাও নাকচ করা হচ্ছে না।

সম্প্রতি ৪০টি দেশের প্রতিরক্ষামন্ত্রীদের এক বিশেষ বৈঠকে অংশ নিয়ে মার্লেস জানান, ফেব্রুয়ারি মাসে মার্কিন-ইসরায়েল হামলার পর থেকে সংকুচিত হয়ে পড়া এ গুরুত্বপূর্ণ নৌপথটি উন্মুক্ত করতে সম্মিলিত কূটনৈতিক ও সামরিক সক্ষমতা কাজে লাগানো হবে। যুক্তরাজ্য ও ফ্রান্সের নেতৃত্বে গঠিত হতে যাওয়া এ কঠোর প্রতিরক্ষামূলক মিশনে অস্ট্রেলিয়া তাদের বিশ্বসেরা ই-৭এ ওয়েজটেইল বিমান পাঠাবে।

বর্তমানে প্রায় ৮৫ জন প্রতিরক্ষা সদস্যসহ সংযুক্ত আরব আমিরাতে মোতায়েন থাকা এ নজরদারি বিমানটিকে সম্ভবত হরমুজ প্রণালিতে পুনরায় মোতায়েন করা হতে পারে। যদিও প্রতিরক্ষা কর্মকর্তাদের দাবি, এ সক্ষমতা কেবল গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহের মাধ্যমে প্রতিরক্ষামূলক কাজে ব্যবহার করা হবে এবং এটি কোনো আক্রমণাত্মক অভিযানে সহায়তা করছে না। এর পাশাপাশি মঙ্গলবার (১২ মে) ঘোষিত ফেডারেল বাজেটে সংযুক্ত আরব আমিরাতকে অ্যামরাম ক্ষেপণাস্ত্র সরবরাহের জন্য ৬৬ লাখ ডলার বরাদ্দ দিয়েছে সরকার।

রিচার্ড মার্লেস পার্লামেন্টে বলেন, সমুদ্রপথে যোগাযোগ ব্যবস্থা বিঘ্নিত হওয়া অস্ট্রেলিয়ার জাতীয় নিরাপত্তার জন্য একটি বড় ঝুঁকি, যা দেশের অর্থনীতিতেও নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা রক্ষা এবং বৈশ্বিক নিয়ম-ভিত্তিক ব্যবস্থা বজায় রাখতেই সরকার আগামী দশকে প্রতিরক্ষা খাতে ৫৩ বিলিয়ন ডলার অতিরিক্ত ব্যয়ের পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। সংঘাতের অবসান ঘটিয়ে এ গুরুত্বপূর্ণ নৌপথটি দ্রুত উন্মুক্ত করাই এখন অস্ট্রেলিয়ার প্রধান লক্ষ্য।

সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান

/এমএকে/