ইরান যুদ্ধে হজযাত্রা নিয়ে শঙ্কা

ইরান যুদ্ধে হজযাত্রা নিয়ে শঙ্কা
আয়নাল হোসেন

ইরান যুদ্ধের কারণে মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে চলমান সংকটে এবারের হজ আয়োজন অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে। গত বছর প্রায় ১৭ লাখ মানুষ হজ পালন করেছেন। এ বছর নিবন্ধন করলেও যুদ্ধের কারণে হজযাত্রীর সংখ্যা অনেক কম হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। তবে এয়ারলাইন্স এবং হজ এজেন্সিগুলো বলছে, বর্তমানে যে অবস্থা– তাতে যুদ্ধের প্রভাবে হজযাত্রীদের কোনো সমস্যা হবে না।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, গত বছর বাংলাদেশ থেকে হজ পালন করতে সৌদি আরবে যান ৮৭ হাজার ১০০ জন। সৌদি আরবের ১ লাখ ৬৬ হাজার ৬৫৪ জন হজ করেছেন। এছাড়া ইরানের ৮৭ হাজার ৫০০ জন, তুরস্কের ৮০ হাজার, ইরাকের ৪০ হাজার, ইয়েমেনের ২০ হাজার, সংযুক্ত আরব আমিরাতের ৬ হাজার, কাতারের ৪ হাজার, কুয়েতের ৮-১০ হাজার এবং ওমান থেকে ১২ হাজার যাত্রী হজে গিয়েছিলেন।
বাংলাদেশ থেকে এ বছর ৭৪ হাজার হজযাত্রীর ভিসা সম্পন্ন হয়েছে। আগামী ১৮ এপ্রিল থেকে শুরু হচ্ছে হজ ফ্লাইট, তা চলবে ১৮ মে পর্যন্ত। সৌদি আরবে ফ্লাইট চলাচলে এই মুহূর্তে কোনো সমস্যা না হলেও ভবিষ্যৎ নিয়ে অনেকেই দুশ্চিন্তা করছেন। এছাড়া বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে সৌদি আরবে যাতায়াতেও সমস্যা তৈরি হতে পারে বলে অনেকেই মনে করছে। তবে এয়ারলাইন্সগুলো বলছে, মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ চললেও হজযাত্রীদের যাতায়াতে কোনো সমস্যা হবে না।
ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, এ বছর হজে যেতে নিবন্ধন করেছেন ৭৬ হাজার ৫৮০ জন। তাদের মধ্যে ৭২ হাজার ৩৪৪ জন বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় এবং ৪ হাজার ২৬০ জন সরকারি ব্যবস্থাপনায় হজ পালন করতে চান। গত রবিবার (২৯ মার্চ) পর্যন্ত ৭৩ হাজার ৯৩৫ জনের ভিসা ইস্যু হয়েছে। ২৭৬ জনের ভিসা প্রক্রিয়াধীন এবং নতুন আবেদন করেছেন ৩২৬ জন।
সৌদি এয়ারলাইন্সের মহাব্যবস্থাপক (বিপণন) রফিকুল ইসলাম সিটিজেন জার্নালকে বলেন, মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ চলমান থাকলেও ওমরা পালনসহ বিভিন্ন ফ্লাইট চলমান রয়েছে। জেদ্দা ও রিয়াদে নিয়মিত ফ্লাইট পরিচালনা হচ্ছে। কাজেই হজযাত্রীদের চলাচলে কোনো ধরনের সমস্যা হবে না।
হজ অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (হাব) মহাসচিব ফরিদ আহমেদ মজুমদার সিটিজেন জার্নালকে বলেন, বর্তমানে যে পরিস্থিতি রয়েছে এতে হজযাত্রীদের কোনো সমস্যা হবে না। তবে পরিস্থিতি জটিল হলে তখন সমস্যা তৈরি হতে পারে। সবাই আল্লাহর ওপর ভরসা রাখছেন যেন সবকিছু ঠিক থাকে।
ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের হজ অনুবিভাগ জানায়, বাংলাদেশের নিবন্ধিত হজযাত্রীদের শতভাগ ভিসা কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে সৌদি আরব কর্তৃপক্ষের কাছে অনুরোধ জানানো হয়েছে। সৌদি সরকারের নুসুক মাসার সিস্টেম আগামী ১০ মে পর্যন্ত চালু রাখতে অনুরোধ জানানো হয়েছে। একইসঙ্গে নিবন্ধন ও ভিসা হওয়ার পরও মৃত্যু ও অসুস্থসহ নানা জটিলতায় যেসব যাত্রী যেতে পারবেন না, সেখানে নতুন করে হজযাত্রী অন্তর্ভুক্তির জন্য সৌদি সরকারকে অনুরোধ জানানো হয়েছে।
ধর্ম মন্ত্রণালয় জানায়, বাংলাদেশের প্রায় শতভাগ হজযাত্রীর পাসপোর্ট এনরোলমেন্ট এবং ভিসা প্রক্রিয়াকরণের কার্যক্রম এরইমধ্যেই সম্পন্ন হয়েছে। শিডিউল অনুযায়ী বর্তমানে প্রি-অ্যারাইভাল তথ্য অন্তর্ভুক্তির কাজ চলছে। সঠিক প্রি-অ্যারাইভাল তথ্য অন্তর্ভুক্তির জন্য হজযাত্রীর প্রকৃত সংখ্যা, নাম, বিবরণ প্রয়োজন। নিবন্ধনের কার্যক্রম শুরু হওয়ার পর থেকে এ পর্যন্ত কিছু হজযাত্রী স্বাস্থ্যগত কারণে অযোগ্য ঘোষিত, মৃত্যুবরণ, দুর্ঘটনা ও অন্যান্য কারণে হাসপাতালে ভর্তি থাকায় হজে যেতে পারছেন না।
ধর্ম মন্ত্রণালয় আরও জানায়, হজযাত্রীরা আগামী ১৮ মে পর্যন্ত বিভিন্ন ফ্লাইটে সৌদি আরব যেতে পারবেন। এই দীর্ঘ সময়ে মৃত্যু ও অন্যান্য কারণে আরও কিছু হজযাত্রী প্রতিস্থাপনের প্রয়োজন হতে পারে। যে কোনো কারণে হজে যেতে ইচ্ছুক নতুন ব্যক্তিকে অন্তর্ভুক্ত করার জন্য আগামী ১০ মে পর্যন্ত হজযাত্রী প্রতিস্থাপন ও ভিসা প্রক্রিয়াকরণ কার্যক্রম খোলা রাখার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।

ইরান যুদ্ধের কারণে মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে চলমান সংকটে এবারের হজ আয়োজন অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে। গত বছর প্রায় ১৭ লাখ মানুষ হজ পালন করেছেন। এ বছর নিবন্ধন করলেও যুদ্ধের কারণে হজযাত্রীর সংখ্যা অনেক কম হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। তবে এয়ারলাইন্স এবং হজ এজেন্সিগুলো বলছে, বর্তমানে যে অবস্থা– তাতে যুদ্ধের প্রভাবে হজযাত্রীদের কোনো সমস্যা হবে না।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, গত বছর বাংলাদেশ থেকে হজ পালন করতে সৌদি আরবে যান ৮৭ হাজার ১০০ জন। সৌদি আরবের ১ লাখ ৬৬ হাজার ৬৫৪ জন হজ করেছেন। এছাড়া ইরানের ৮৭ হাজার ৫০০ জন, তুরস্কের ৮০ হাজার, ইরাকের ৪০ হাজার, ইয়েমেনের ২০ হাজার, সংযুক্ত আরব আমিরাতের ৬ হাজার, কাতারের ৪ হাজার, কুয়েতের ৮-১০ হাজার এবং ওমান থেকে ১২ হাজার যাত্রী হজে গিয়েছিলেন।
বাংলাদেশ থেকে এ বছর ৭৪ হাজার হজযাত্রীর ভিসা সম্পন্ন হয়েছে। আগামী ১৮ এপ্রিল থেকে শুরু হচ্ছে হজ ফ্লাইট, তা চলবে ১৮ মে পর্যন্ত। সৌদি আরবে ফ্লাইট চলাচলে এই মুহূর্তে কোনো সমস্যা না হলেও ভবিষ্যৎ নিয়ে অনেকেই দুশ্চিন্তা করছেন। এছাড়া বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে সৌদি আরবে যাতায়াতেও সমস্যা তৈরি হতে পারে বলে অনেকেই মনে করছে। তবে এয়ারলাইন্সগুলো বলছে, মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ চললেও হজযাত্রীদের যাতায়াতে কোনো সমস্যা হবে না।
ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, এ বছর হজে যেতে নিবন্ধন করেছেন ৭৬ হাজার ৫৮০ জন। তাদের মধ্যে ৭২ হাজার ৩৪৪ জন বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় এবং ৪ হাজার ২৬০ জন সরকারি ব্যবস্থাপনায় হজ পালন করতে চান। গত রবিবার (২৯ মার্চ) পর্যন্ত ৭৩ হাজার ৯৩৫ জনের ভিসা ইস্যু হয়েছে। ২৭৬ জনের ভিসা প্রক্রিয়াধীন এবং নতুন আবেদন করেছেন ৩২৬ জন।
সৌদি এয়ারলাইন্সের মহাব্যবস্থাপক (বিপণন) রফিকুল ইসলাম সিটিজেন জার্নালকে বলেন, মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ চলমান থাকলেও ওমরা পালনসহ বিভিন্ন ফ্লাইট চলমান রয়েছে। জেদ্দা ও রিয়াদে নিয়মিত ফ্লাইট পরিচালনা হচ্ছে। কাজেই হজযাত্রীদের চলাচলে কোনো ধরনের সমস্যা হবে না।
হজ অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (হাব) মহাসচিব ফরিদ আহমেদ মজুমদার সিটিজেন জার্নালকে বলেন, বর্তমানে যে পরিস্থিতি রয়েছে এতে হজযাত্রীদের কোনো সমস্যা হবে না। তবে পরিস্থিতি জটিল হলে তখন সমস্যা তৈরি হতে পারে। সবাই আল্লাহর ওপর ভরসা রাখছেন যেন সবকিছু ঠিক থাকে।
ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের হজ অনুবিভাগ জানায়, বাংলাদেশের নিবন্ধিত হজযাত্রীদের শতভাগ ভিসা কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে সৌদি আরব কর্তৃপক্ষের কাছে অনুরোধ জানানো হয়েছে। সৌদি সরকারের নুসুক মাসার সিস্টেম আগামী ১০ মে পর্যন্ত চালু রাখতে অনুরোধ জানানো হয়েছে। একইসঙ্গে নিবন্ধন ও ভিসা হওয়ার পরও মৃত্যু ও অসুস্থসহ নানা জটিলতায় যেসব যাত্রী যেতে পারবেন না, সেখানে নতুন করে হজযাত্রী অন্তর্ভুক্তির জন্য সৌদি সরকারকে অনুরোধ জানানো হয়েছে।
ধর্ম মন্ত্রণালয় জানায়, বাংলাদেশের প্রায় শতভাগ হজযাত্রীর পাসপোর্ট এনরোলমেন্ট এবং ভিসা প্রক্রিয়াকরণের কার্যক্রম এরইমধ্যেই সম্পন্ন হয়েছে। শিডিউল অনুযায়ী বর্তমানে প্রি-অ্যারাইভাল তথ্য অন্তর্ভুক্তির কাজ চলছে। সঠিক প্রি-অ্যারাইভাল তথ্য অন্তর্ভুক্তির জন্য হজযাত্রীর প্রকৃত সংখ্যা, নাম, বিবরণ প্রয়োজন। নিবন্ধনের কার্যক্রম শুরু হওয়ার পর থেকে এ পর্যন্ত কিছু হজযাত্রী স্বাস্থ্যগত কারণে অযোগ্য ঘোষিত, মৃত্যুবরণ, দুর্ঘটনা ও অন্যান্য কারণে হাসপাতালে ভর্তি থাকায় হজে যেতে পারছেন না।
ধর্ম মন্ত্রণালয় আরও জানায়, হজযাত্রীরা আগামী ১৮ মে পর্যন্ত বিভিন্ন ফ্লাইটে সৌদি আরব যেতে পারবেন। এই দীর্ঘ সময়ে মৃত্যু ও অন্যান্য কারণে আরও কিছু হজযাত্রী প্রতিস্থাপনের প্রয়োজন হতে পারে। যে কোনো কারণে হজে যেতে ইচ্ছুক নতুন ব্যক্তিকে অন্তর্ভুক্ত করার জন্য আগামী ১০ মে পর্যন্ত হজযাত্রী প্রতিস্থাপন ও ভিসা প্রক্রিয়াকরণ কার্যক্রম খোলা রাখার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।

ইরান যুদ্ধে হজযাত্রা নিয়ে শঙ্কা
আয়নাল হোসেন

ইরান যুদ্ধের কারণে মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে চলমান সংকটে এবারের হজ আয়োজন অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে। গত বছর প্রায় ১৭ লাখ মানুষ হজ পালন করেছেন। এ বছর নিবন্ধন করলেও যুদ্ধের কারণে হজযাত্রীর সংখ্যা অনেক কম হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। তবে এয়ারলাইন্স এবং হজ এজেন্সিগুলো বলছে, বর্তমানে যে অবস্থা– তাতে যুদ্ধের প্রভাবে হজযাত্রীদের কোনো সমস্যা হবে না।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, গত বছর বাংলাদেশ থেকে হজ পালন করতে সৌদি আরবে যান ৮৭ হাজার ১০০ জন। সৌদি আরবের ১ লাখ ৬৬ হাজার ৬৫৪ জন হজ করেছেন। এছাড়া ইরানের ৮৭ হাজার ৫০০ জন, তুরস্কের ৮০ হাজার, ইরাকের ৪০ হাজার, ইয়েমেনের ২০ হাজার, সংযুক্ত আরব আমিরাতের ৬ হাজার, কাতারের ৪ হাজার, কুয়েতের ৮-১০ হাজার এবং ওমান থেকে ১২ হাজার যাত্রী হজে গিয়েছিলেন।
বাংলাদেশ থেকে এ বছর ৭৪ হাজার হজযাত্রীর ভিসা সম্পন্ন হয়েছে। আগামী ১৮ এপ্রিল থেকে শুরু হচ্ছে হজ ফ্লাইট, তা চলবে ১৮ মে পর্যন্ত। সৌদি আরবে ফ্লাইট চলাচলে এই মুহূর্তে কোনো সমস্যা না হলেও ভবিষ্যৎ নিয়ে অনেকেই দুশ্চিন্তা করছেন। এছাড়া বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে সৌদি আরবে যাতায়াতেও সমস্যা তৈরি হতে পারে বলে অনেকেই মনে করছে। তবে এয়ারলাইন্সগুলো বলছে, মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ চললেও হজযাত্রীদের যাতায়াতে কোনো সমস্যা হবে না।
ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, এ বছর হজে যেতে নিবন্ধন করেছেন ৭৬ হাজার ৫৮০ জন। তাদের মধ্যে ৭২ হাজার ৩৪৪ জন বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় এবং ৪ হাজার ২৬০ জন সরকারি ব্যবস্থাপনায় হজ পালন করতে চান। গত রবিবার (২৯ মার্চ) পর্যন্ত ৭৩ হাজার ৯৩৫ জনের ভিসা ইস্যু হয়েছে। ২৭৬ জনের ভিসা প্রক্রিয়াধীন এবং নতুন আবেদন করেছেন ৩২৬ জন।
সৌদি এয়ারলাইন্সের মহাব্যবস্থাপক (বিপণন) রফিকুল ইসলাম সিটিজেন জার্নালকে বলেন, মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ চলমান থাকলেও ওমরা পালনসহ বিভিন্ন ফ্লাইট চলমান রয়েছে। জেদ্দা ও রিয়াদে নিয়মিত ফ্লাইট পরিচালনা হচ্ছে। কাজেই হজযাত্রীদের চলাচলে কোনো ধরনের সমস্যা হবে না।
হজ অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (হাব) মহাসচিব ফরিদ আহমেদ মজুমদার সিটিজেন জার্নালকে বলেন, বর্তমানে যে পরিস্থিতি রয়েছে এতে হজযাত্রীদের কোনো সমস্যা হবে না। তবে পরিস্থিতি জটিল হলে তখন সমস্যা তৈরি হতে পারে। সবাই আল্লাহর ওপর ভরসা রাখছেন যেন সবকিছু ঠিক থাকে।
ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের হজ অনুবিভাগ জানায়, বাংলাদেশের নিবন্ধিত হজযাত্রীদের শতভাগ ভিসা কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে সৌদি আরব কর্তৃপক্ষের কাছে অনুরোধ জানানো হয়েছে। সৌদি সরকারের নুসুক মাসার সিস্টেম আগামী ১০ মে পর্যন্ত চালু রাখতে অনুরোধ জানানো হয়েছে। একইসঙ্গে নিবন্ধন ও ভিসা হওয়ার পরও মৃত্যু ও অসুস্থসহ নানা জটিলতায় যেসব যাত্রী যেতে পারবেন না, সেখানে নতুন করে হজযাত্রী অন্তর্ভুক্তির জন্য সৌদি সরকারকে অনুরোধ জানানো হয়েছে।
ধর্ম মন্ত্রণালয় জানায়, বাংলাদেশের প্রায় শতভাগ হজযাত্রীর পাসপোর্ট এনরোলমেন্ট এবং ভিসা প্রক্রিয়াকরণের কার্যক্রম এরইমধ্যেই সম্পন্ন হয়েছে। শিডিউল অনুযায়ী বর্তমানে প্রি-অ্যারাইভাল তথ্য অন্তর্ভুক্তির কাজ চলছে। সঠিক প্রি-অ্যারাইভাল তথ্য অন্তর্ভুক্তির জন্য হজযাত্রীর প্রকৃত সংখ্যা, নাম, বিবরণ প্রয়োজন। নিবন্ধনের কার্যক্রম শুরু হওয়ার পর থেকে এ পর্যন্ত কিছু হজযাত্রী স্বাস্থ্যগত কারণে অযোগ্য ঘোষিত, মৃত্যুবরণ, দুর্ঘটনা ও অন্যান্য কারণে হাসপাতালে ভর্তি থাকায় হজে যেতে পারছেন না।
ধর্ম মন্ত্রণালয় আরও জানায়, হজযাত্রীরা আগামী ১৮ মে পর্যন্ত বিভিন্ন ফ্লাইটে সৌদি আরব যেতে পারবেন। এই দীর্ঘ সময়ে মৃত্যু ও অন্যান্য কারণে আরও কিছু হজযাত্রী প্রতিস্থাপনের প্রয়োজন হতে পারে। যে কোনো কারণে হজে যেতে ইচ্ছুক নতুন ব্যক্তিকে অন্তর্ভুক্ত করার জন্য আগামী ১০ মে পর্যন্ত হজযাত্রী প্রতিস্থাপন ও ভিসা প্রক্রিয়াকরণ কার্যক্রম খোলা রাখার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।




