পটুয়াখালীতে নজর কাড়ছে ‘ভয়ংকর’ ও ‘বাদশা বাবু’

পটুয়াখালীতে নজর কাড়ছে ‘ভয়ংকর’ ও ‘বাদশা বাবু’
পটুয়াখালী সংবাদদাতা

আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহাকে ঘিরে পটুয়াখালীর মহিপুরে বিশাল আকৃতির দুটি গরু দেখতে প্রতিদিনই খামারে ভিড় করছেন কৌতূহলী মানুষ। আকার ও গড়নে সুন্দর এই গরু দুটির নাম রাখা হয়েছে ‘ভয়ংকর’ ও ‘বাদশা বাবু’।
মহিপুর থানা সদর ইউনিয়নের নিজ শিববাড়িয়া গ্রামের মো. ইব্রাহিম হাওলাদারের খামারে অনেক যত্নে গরুগুলো লালনপালন করা হয়েছে। এগুলোর দাম হাঁকাা হচ্ছে ১৬ লাখ টাকা।
খামার সূত্রে জানা গেছে, ‘ভয়ংকর’ নামের ফ্রিজিয়ান জাতের গরুটির ওজন প্রায় ১৮ মণ। বিশাল ও শক্তিশালী গড়নের কারণে গরুটির নাম রাখা হয়েছে ‘ভয়ংকর’। এই গরুর দাম চাওয়া হচ্ছে ৯ লাখ টাকা। অন্যদিকে ‘বাদশা বাবু’ নামের শাহীওয়াল জাতের গরুটির ওজন প্রায় ১৭ মণ। শান্ত স্বভাব ও আকর্ষণীয় গড়নের এই গরুর মূল্য হাঁকা হয়েছে ৭ লাখ টাকা।
খামারি মো. ইব্রাহিম হাওলাদার বলেন, ‘গরু দুটি আমাদের পরিবারের সদস্য হয়ে গেছে। ছোটবেলা থেকে অত্যন্ত যত্ন ও ভালোবাসা দিয়ে লালনপালন করেছি। নিয়মিত কাঁচা ঘাস, ভুট্টা, খড়, ভুসি ও পুষ্টিকর খাবার খাওয়ানো হচ্ছে। গত চার বছরে গরু দুটি লালনপালনে আমাদের প্রায় ১২ লাখ টাকার মতো ব্যয় হয়েছে।’

খামারের কর্মচারী সোলায়মান খান বলেন, প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময়ে গোসল করানো, ঘর পরিষ্কার রাখা ও সঠিকভাবে খাবার দেওয়ার কারণেই গরু দুটি সুন্দর ও স্বাস্থ্যবান হয়ে উঠেছে।
স্থানীয় পশু চিকিৎসক আহসান হাবিব বলেন, গরু দুটিকে নিয়মিত চিকিৎসাসেবা ও পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক উপায়ে ও সুষম খাদ্যে লালনপালন করায় এগুলো বেশ সুস্থ রয়েছে।
প্রতিবেশী হাবিব সরদার জানান, বড় ও আকর্ষণীয় গরু এই এলাকায় সচরাচর দেখা যায় না। তাই প্রতিদিন দূর-দূরান্ত থেকে মানুষ খামারে এসে গরু দুটি দেখতে ভিড় করছেন।
খামারি ইব্রাহিম হাওলাদার জানান, আগ্রহী ক্রেতারা চাইলে সরাসরি খামারে এসে গরু দুটি দেখে দরদাম করে কিনে নিয়ে যেতে পারবেন।

আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহাকে ঘিরে পটুয়াখালীর মহিপুরে বিশাল আকৃতির দুটি গরু দেখতে প্রতিদিনই খামারে ভিড় করছেন কৌতূহলী মানুষ। আকার ও গড়নে সুন্দর এই গরু দুটির নাম রাখা হয়েছে ‘ভয়ংকর’ ও ‘বাদশা বাবু’।
মহিপুর থানা সদর ইউনিয়নের নিজ শিববাড়িয়া গ্রামের মো. ইব্রাহিম হাওলাদারের খামারে অনেক যত্নে গরুগুলো লালনপালন করা হয়েছে। এগুলোর দাম হাঁকাা হচ্ছে ১৬ লাখ টাকা।
খামার সূত্রে জানা গেছে, ‘ভয়ংকর’ নামের ফ্রিজিয়ান জাতের গরুটির ওজন প্রায় ১৮ মণ। বিশাল ও শক্তিশালী গড়নের কারণে গরুটির নাম রাখা হয়েছে ‘ভয়ংকর’। এই গরুর দাম চাওয়া হচ্ছে ৯ লাখ টাকা। অন্যদিকে ‘বাদশা বাবু’ নামের শাহীওয়াল জাতের গরুটির ওজন প্রায় ১৭ মণ। শান্ত স্বভাব ও আকর্ষণীয় গড়নের এই গরুর মূল্য হাঁকা হয়েছে ৭ লাখ টাকা।
খামারি মো. ইব্রাহিম হাওলাদার বলেন, ‘গরু দুটি আমাদের পরিবারের সদস্য হয়ে গেছে। ছোটবেলা থেকে অত্যন্ত যত্ন ও ভালোবাসা দিয়ে লালনপালন করেছি। নিয়মিত কাঁচা ঘাস, ভুট্টা, খড়, ভুসি ও পুষ্টিকর খাবার খাওয়ানো হচ্ছে। গত চার বছরে গরু দুটি লালনপালনে আমাদের প্রায় ১২ লাখ টাকার মতো ব্যয় হয়েছে।’

খামারের কর্মচারী সোলায়মান খান বলেন, প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময়ে গোসল করানো, ঘর পরিষ্কার রাখা ও সঠিকভাবে খাবার দেওয়ার কারণেই গরু দুটি সুন্দর ও স্বাস্থ্যবান হয়ে উঠেছে।
স্থানীয় পশু চিকিৎসক আহসান হাবিব বলেন, গরু দুটিকে নিয়মিত চিকিৎসাসেবা ও পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক উপায়ে ও সুষম খাদ্যে লালনপালন করায় এগুলো বেশ সুস্থ রয়েছে।
প্রতিবেশী হাবিব সরদার জানান, বড় ও আকর্ষণীয় গরু এই এলাকায় সচরাচর দেখা যায় না। তাই প্রতিদিন দূর-দূরান্ত থেকে মানুষ খামারে এসে গরু দুটি দেখতে ভিড় করছেন।
খামারি ইব্রাহিম হাওলাদার জানান, আগ্রহী ক্রেতারা চাইলে সরাসরি খামারে এসে গরু দুটি দেখে দরদাম করে কিনে নিয়ে যেতে পারবেন।

পটুয়াখালীতে নজর কাড়ছে ‘ভয়ংকর’ ও ‘বাদশা বাবু’
পটুয়াখালী সংবাদদাতা

আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহাকে ঘিরে পটুয়াখালীর মহিপুরে বিশাল আকৃতির দুটি গরু দেখতে প্রতিদিনই খামারে ভিড় করছেন কৌতূহলী মানুষ। আকার ও গড়নে সুন্দর এই গরু দুটির নাম রাখা হয়েছে ‘ভয়ংকর’ ও ‘বাদশা বাবু’।
মহিপুর থানা সদর ইউনিয়নের নিজ শিববাড়িয়া গ্রামের মো. ইব্রাহিম হাওলাদারের খামারে অনেক যত্নে গরুগুলো লালনপালন করা হয়েছে। এগুলোর দাম হাঁকাা হচ্ছে ১৬ লাখ টাকা।
খামার সূত্রে জানা গেছে, ‘ভয়ংকর’ নামের ফ্রিজিয়ান জাতের গরুটির ওজন প্রায় ১৮ মণ। বিশাল ও শক্তিশালী গড়নের কারণে গরুটির নাম রাখা হয়েছে ‘ভয়ংকর’। এই গরুর দাম চাওয়া হচ্ছে ৯ লাখ টাকা। অন্যদিকে ‘বাদশা বাবু’ নামের শাহীওয়াল জাতের গরুটির ওজন প্রায় ১৭ মণ। শান্ত স্বভাব ও আকর্ষণীয় গড়নের এই গরুর মূল্য হাঁকা হয়েছে ৭ লাখ টাকা।
খামারি মো. ইব্রাহিম হাওলাদার বলেন, ‘গরু দুটি আমাদের পরিবারের সদস্য হয়ে গেছে। ছোটবেলা থেকে অত্যন্ত যত্ন ও ভালোবাসা দিয়ে লালনপালন করেছি। নিয়মিত কাঁচা ঘাস, ভুট্টা, খড়, ভুসি ও পুষ্টিকর খাবার খাওয়ানো হচ্ছে। গত চার বছরে গরু দুটি লালনপালনে আমাদের প্রায় ১২ লাখ টাকার মতো ব্যয় হয়েছে।’

খামারের কর্মচারী সোলায়মান খান বলেন, প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময়ে গোসল করানো, ঘর পরিষ্কার রাখা ও সঠিকভাবে খাবার দেওয়ার কারণেই গরু দুটি সুন্দর ও স্বাস্থ্যবান হয়ে উঠেছে।
স্থানীয় পশু চিকিৎসক আহসান হাবিব বলেন, গরু দুটিকে নিয়মিত চিকিৎসাসেবা ও পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক উপায়ে ও সুষম খাদ্যে লালনপালন করায় এগুলো বেশ সুস্থ রয়েছে।
প্রতিবেশী হাবিব সরদার জানান, বড় ও আকর্ষণীয় গরু এই এলাকায় সচরাচর দেখা যায় না। তাই প্রতিদিন দূর-দূরান্ত থেকে মানুষ খামারে এসে গরু দুটি দেখতে ভিড় করছেন।
খামারি ইব্রাহিম হাওলাদার জানান, আগ্রহী ক্রেতারা চাইলে সরাসরি খামারে এসে গরু দুটি দেখে দরদাম করে কিনে নিয়ে যেতে পারবেন।




