গৃহকর্তীকে খুন করে টাকা-স্বর্ণ নিয়ে পালালো ধান কাটার শ্রমিকরা

গৃহকর্তীকে খুন করে টাকা-স্বর্ণ নিয়ে পালালো ধান কাটার শ্রমিকরা
কুমিল্লা সংবাদদাতা

কুমিল্লার চান্দিনা উপজেলায় সমিরণ বেগম নামে এক গৃহকর্ত্রীকে হত্যা করে ঘরে থাকা নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার লুট করে পালিয়েছেন ধান কাটার চার শ্রমিক। রবিবার (৩ মে) ভোরে উপজেলার সুহিলপুর ইউনিয়নের ওলিপুর গ্রামের মোল্লা বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। নিহত সমিরণ বেগম কৃষক আবদুল বাতেন মোল্লার স্ত্রী।
নিহতের পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, অতিবৃষ্টির কারণে এলাকায় ধান কাটার শ্রমিকের সংকট দেখা দিলে গত ২৭ এপ্রিল কুমিল্লা ক্যান্টনমেন্ট এলাকার শ্রমিক হাট থেকে ৪ জন শ্রমিক নিয়ে আসেন আবদুল বাতেন মোল্লা। শ্রমিকদের তিনি বসতঘরে থাকার ব্যবস্থা করেন। পাশের পৃথক দুটি রুমে তারা স্বামী ও স্ত্রী ঘুমাতেন। ঘটনার আগের দিন সন্ধ্যায় এক শ্রমিক মোবাইল চুরি করে পালিয়ে গেলে রাতে আরও একজনকে ভাড়া করে আনা হয়।
নিহতের ছেলে বশির জানান, প্রতিদিনের মতো ভোরে মা নামাজ পড়তে উঠলেও আজ কোনো শব্দ পাওয়া যাচ্ছিল না। সকালে শ্রমিকদের রুমে গিয়ে দেখা যায় তারা কেউ নেই। পরে পাশের কক্ষে গিয়ে দেখেন, তার মায়ের হাত-পা বাঁধা এবং গলায় কাপড় পেঁচানো অবস্থায় পড়ে আছেন। শ্রমিকরা ঘর থেকে নগদ ৭০ হাজার টাকা, স্বর্ণালংকার ও মূল্যবান কাগজপত্র লুট করে নিয়ে গেছেন। পালিয়ে যাওয়া শ্রমিকদের বাড়ি রংপুর, চাঁদপুর ও ঢাকা বলে জানিয়েছিল।
চান্দিনা থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মিজানুর রহমান ও এসআই আবদুল লতিফ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। তারা বলেন, নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। প্রাথমিক তদন্তে ধারণা করা হচ্ছে, টাকা ও স্বর্ণালংকারের লোভেই শ্রমিকরা এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে। অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারে অভিযান শুরু হয়েছে।

কুমিল্লার চান্দিনা উপজেলায় সমিরণ বেগম নামে এক গৃহকর্ত্রীকে হত্যা করে ঘরে থাকা নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার লুট করে পালিয়েছেন ধান কাটার চার শ্রমিক। রবিবার (৩ মে) ভোরে উপজেলার সুহিলপুর ইউনিয়নের ওলিপুর গ্রামের মোল্লা বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। নিহত সমিরণ বেগম কৃষক আবদুল বাতেন মোল্লার স্ত্রী।
নিহতের পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, অতিবৃষ্টির কারণে এলাকায় ধান কাটার শ্রমিকের সংকট দেখা দিলে গত ২৭ এপ্রিল কুমিল্লা ক্যান্টনমেন্ট এলাকার শ্রমিক হাট থেকে ৪ জন শ্রমিক নিয়ে আসেন আবদুল বাতেন মোল্লা। শ্রমিকদের তিনি বসতঘরে থাকার ব্যবস্থা করেন। পাশের পৃথক দুটি রুমে তারা স্বামী ও স্ত্রী ঘুমাতেন। ঘটনার আগের দিন সন্ধ্যায় এক শ্রমিক মোবাইল চুরি করে পালিয়ে গেলে রাতে আরও একজনকে ভাড়া করে আনা হয়।
নিহতের ছেলে বশির জানান, প্রতিদিনের মতো ভোরে মা নামাজ পড়তে উঠলেও আজ কোনো শব্দ পাওয়া যাচ্ছিল না। সকালে শ্রমিকদের রুমে গিয়ে দেখা যায় তারা কেউ নেই। পরে পাশের কক্ষে গিয়ে দেখেন, তার মায়ের হাত-পা বাঁধা এবং গলায় কাপড় পেঁচানো অবস্থায় পড়ে আছেন। শ্রমিকরা ঘর থেকে নগদ ৭০ হাজার টাকা, স্বর্ণালংকার ও মূল্যবান কাগজপত্র লুট করে নিয়ে গেছেন। পালিয়ে যাওয়া শ্রমিকদের বাড়ি রংপুর, চাঁদপুর ও ঢাকা বলে জানিয়েছিল।
চান্দিনা থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মিজানুর রহমান ও এসআই আবদুল লতিফ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। তারা বলেন, নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। প্রাথমিক তদন্তে ধারণা করা হচ্ছে, টাকা ও স্বর্ণালংকারের লোভেই শ্রমিকরা এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে। অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারে অভিযান শুরু হয়েছে।

গৃহকর্তীকে খুন করে টাকা-স্বর্ণ নিয়ে পালালো ধান কাটার শ্রমিকরা
কুমিল্লা সংবাদদাতা

কুমিল্লার চান্দিনা উপজেলায় সমিরণ বেগম নামে এক গৃহকর্ত্রীকে হত্যা করে ঘরে থাকা নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার লুট করে পালিয়েছেন ধান কাটার চার শ্রমিক। রবিবার (৩ মে) ভোরে উপজেলার সুহিলপুর ইউনিয়নের ওলিপুর গ্রামের মোল্লা বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। নিহত সমিরণ বেগম কৃষক আবদুল বাতেন মোল্লার স্ত্রী।
নিহতের পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, অতিবৃষ্টির কারণে এলাকায় ধান কাটার শ্রমিকের সংকট দেখা দিলে গত ২৭ এপ্রিল কুমিল্লা ক্যান্টনমেন্ট এলাকার শ্রমিক হাট থেকে ৪ জন শ্রমিক নিয়ে আসেন আবদুল বাতেন মোল্লা। শ্রমিকদের তিনি বসতঘরে থাকার ব্যবস্থা করেন। পাশের পৃথক দুটি রুমে তারা স্বামী ও স্ত্রী ঘুমাতেন। ঘটনার আগের দিন সন্ধ্যায় এক শ্রমিক মোবাইল চুরি করে পালিয়ে গেলে রাতে আরও একজনকে ভাড়া করে আনা হয়।
নিহতের ছেলে বশির জানান, প্রতিদিনের মতো ভোরে মা নামাজ পড়তে উঠলেও আজ কোনো শব্দ পাওয়া যাচ্ছিল না। সকালে শ্রমিকদের রুমে গিয়ে দেখা যায় তারা কেউ নেই। পরে পাশের কক্ষে গিয়ে দেখেন, তার মায়ের হাত-পা বাঁধা এবং গলায় কাপড় পেঁচানো অবস্থায় পড়ে আছেন। শ্রমিকরা ঘর থেকে নগদ ৭০ হাজার টাকা, স্বর্ণালংকার ও মূল্যবান কাগজপত্র লুট করে নিয়ে গেছেন। পালিয়ে যাওয়া শ্রমিকদের বাড়ি রংপুর, চাঁদপুর ও ঢাকা বলে জানিয়েছিল।
চান্দিনা থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মিজানুর রহমান ও এসআই আবদুল লতিফ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। তারা বলেন, নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। প্রাথমিক তদন্তে ধারণা করা হচ্ছে, টাকা ও স্বর্ণালংকারের লোভেই শ্রমিকরা এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে। অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারে অভিযান শুরু হয়েছে।




