শিরোনাম

ইলিশের মৌসুম শুরু, তবে প্রত্যাশা পূরণ হচ্ছে না জেলেদের

নিজস্ব প্রতিবেদক
ইলিশের মৌসুম শুরু, তবে প্রত্যাশা পূরণ হচ্ছে না জেলেদের
মাছ ধরছেন জেলেরা। ছবি: সংগৃহীত

দুই মাসের নিষেধাজ্ঞা শেষে চাঁদপুরের পদ্মা-মেঘনা নদীতে আবারও ইলিশ শিকারে নেমেছেন জেলেরা। তবে প্রত্যাশা অনুযায়ী মাছ ধরা না পড়ায় তাদের মাঝে হতাশা বিরাজ করছে।

জাটকা সংরক্ষণ কর্মসূচির নিষেধাজ্ঞা শেষে গত ২৯ এপ্রিল রাত ১২টার পর থেকেই জাল ও নৌকা নিয়ে নদীতে নামেন চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলার জেলেরা। তবে পরদিন অনেককেই খালি হাতে ঘাটে ফিরতে হয়েছে। শুধু তা-ই নয়, গত তিনদিন খুব স্বল্প পরিমাণে ইলিশ ধরা পড়েছে জালে।

এদিকে, জালে কম ইলিশ ধরা পড়ার প্রভাব পড়েছে বাজারে। রবিবার (৩ মে) সকাল থেকে মতলব উত্তরের আমিরাবাদ, ষাটনল ও এখলাসপুর মৎস্য আড়তে পাইকারি ইলিশ বেচাকেনা শুরু হলেও সরবরাহ কম থাকায় বেচাকেনা পুরোপুরি জমে ওঠেনি। চাঁদপুর বড়স্টেশন মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রেও প্রায় একই চিত্র দেখা গেছে।

মাছ ব্যবসায়ীরা জানান, নিষেধাজ্ঞার সময় অনেকেই গোপনে জাটকা ধরেছেন। নদীতে অভিযান থাকলেও সড়কপথে তেমন নজরদারি ছিল না। এসব কারণে নিষেধাজ্ঞা শেষে জেলেরা মাছ পাচ্ছেন না, আড়তও জমে উঠছে না।

তবে ব্যবসায়ীরা আশাবাদী, কয়েকদিনের মধ্যে নদীতে মাছ বাড়লে আড়তগুলো আবার জমে উঠবে।

সরবরাহের ঘাটতি থাকায় ইলিশের দামেও ব্যাপক প্রভাব পড়েছে। ব্যবসায়ীরা জানান, বর্তমানে এক কেজি ওজনের ইলিশ ৩ হাজার থেকে সাড়ে ৩ হাজার টাকা এবং ছোট আকারের ইলিশ ২ হাজার ৫০০ থেকে তিন হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে। বাজারে মাছের সরবরাহ বাড়লে দাম কিছুটা কমবে বলে জানান তারা।