যে গ্রামে বিনামূল্যে কম্পিউটার শেখানো হয়

যে গ্রামে বিনামূল্যে কম্পিউটার শেখানো হয়
চট্টগ্রাম সংবাদদাতা

‘চুনতি লাইটহাউস’ নামের প্রতিষ্ঠানটি যাত্রা শুরু করে ২০২২ সালের মে মাসে। ৮ শতাংশ জমির ওপর নির্মিত ‘চুনতি লাইটহাউসে’ রয়েছে ১৭টি কম্পিউটার।
সরজমিনে দেখা যায়, দেড় হাজারের বেশি বই নিয়ে একটি গ্রন্থাগারও রয়েছে চুনতি লাইটহাউসে। দেয়ালে শোভা পাচ্ছে স্থানীয় শিল্পীদের আঁকা চুনতির প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের ছবি।
প্রতিষ্ঠানটির প্রশিক্ষক ফরিদ উদ্দিন বলেন, বর্তমানে প্রায় ৬০ জন শিক্ষার্থী প্রশিক্ষণ নিচ্ছেন। প্রতিষ্ঠার পর থেকে দুই শতাধিক শিক্ষার্থীকে বিনা মূল্যে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। তাদের অনেকেই এখন বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে কাজ করছেন।

‘চুনতি লাইটহাউস’ নামের প্রতিষ্ঠানটি যাত্রা শুরু করে ২০২২ সালের মে মাসে। ৮ শতাংশ জমির ওপর নির্মিত ‘চুনতি লাইটহাউসে’ রয়েছে ১৭টি কম্পিউটার।
সরজমিনে দেখা যায়, দেড় হাজারের বেশি বই নিয়ে একটি গ্রন্থাগারও রয়েছে চুনতি লাইটহাউসে। দেয়ালে শোভা পাচ্ছে স্থানীয় শিল্পীদের আঁকা চুনতির প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের ছবি।
প্রতিষ্ঠানটির প্রশিক্ষক ফরিদ উদ্দিন বলেন, বর্তমানে প্রায় ৬০ জন শিক্ষার্থী প্রশিক্ষণ নিচ্ছেন। প্রতিষ্ঠার পর থেকে দুই শতাধিক শিক্ষার্থীকে বিনা মূল্যে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। তাদের অনেকেই এখন বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে কাজ করছেন।

যে গ্রামে বিনামূল্যে কম্পিউটার শেখানো হয়
চট্টগ্রাম সংবাদদাতা

‘চুনতি লাইটহাউস’ নামের প্রতিষ্ঠানটি যাত্রা শুরু করে ২০২২ সালের মে মাসে। ৮ শতাংশ জমির ওপর নির্মিত ‘চুনতি লাইটহাউসে’ রয়েছে ১৭টি কম্পিউটার।
সরজমিনে দেখা যায়, দেড় হাজারের বেশি বই নিয়ে একটি গ্রন্থাগারও রয়েছে চুনতি লাইটহাউসে। দেয়ালে শোভা পাচ্ছে স্থানীয় শিল্পীদের আঁকা চুনতির প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের ছবি।
প্রতিষ্ঠানটির প্রশিক্ষক ফরিদ উদ্দিন বলেন, বর্তমানে প্রায় ৬০ জন শিক্ষার্থী প্রশিক্ষণ নিচ্ছেন। প্রতিষ্ঠার পর থেকে দুই শতাধিক শিক্ষার্থীকে বিনা মূল্যে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। তাদের অনেকেই এখন বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে কাজ করছেন।




