আমার জানাজা পড়াতে জামায়াতের প্রয়োজন নেই: ফজলুর রহমান

আমার জানাজা পড়াতে জামায়াতের প্রয়োজন নেই: ফজলুর রহমান
কিশোরগঞ্জ সংবাদদাতা

আমার জানাজা পড়ানোর জন্য জামায়াতের প্রয়োজন নেই। আমার বহু পীর, আউলিয়া ও দরবেশ আছেন। আমি বিশ্বাস করি, আমার দেহ যখন তাদের সামনে রাখা হবে, জানাজা পড়ার মানুষের অভাব হবে না বলে মন্তব্য করেছেন কিশোরগঞ্জ-৪ (ইটনা-মিঠামইন-অষ্টগ্রাম) আসনের সংসদ সদস্য ফজলুর রহমান।
শনিবার (২ মে) কিশোরগঞ্জের ইটনা উপজেলার বিভিন্ন হাওরে আকস্মিক বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত বোরো ফসল পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এ মন্তব্য করেন তিনি।
ফজলুর রহমান বলেন, আমার জানাজা পড়ানোর বিষয়টি কি তারা নির্দিষ্ট করে ফেলেছে? নির্বাচনের আগে যেমন তারা বেহেশতের টিকিট দিয়ে দিয়েছিল, তেমনি কি তারা ঠিক করে ফেলেছে আজ বা কবে আমার মৃত্যু হবে? যিনি আমার জানাজা পড়াবেন না বলছেন, তাকে তো আমার আগেও আল্লাহ নিয়ে যেতে পারেন। মানুষের মৃত্যু এবং জানাজার মালিক একমাত্র সৃষ্টিকর্তা।
তিনি বলেন, আমি বংশানুক্রমিকভাবে আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাতের অনুসারী এবং সুফিবাদী ধারার মানুষ। এ দেশে যতদিন ওলি-আউলিয়া ও দরবেশদের ধারা থাকবে, ততদিন আমি সেই পথেই চলব। আমি আল্লাহর রাসূলে (সা.) ও পবিত্র কুরআনে বিশ্বাসী মানুষ। আমার জানাজা পড়ানোর জন্য ওয়াহাবি বা জামায়াতের প্রয়োজন নেই। আমার বহু পীর, আউলিয়া ও দরবেশ আছেন। আমি বিশ্বাস করি, আমার দেহ যখন তাদের সামনে রাখা হবে, জানাজা পড়ার মানুষের অভাব হবে না।
এই সংসদ সদস্য বলেন, একটি নির্দিষ্ট বয়সের পর আমি রাজনীতি থেকে অবসর নেব এবং আর নির্বাচনে অংশগ্রহণ করব না। রাজনীতি ছাড়ার পর আমি পূর্ণাঙ্গভাবে আধ্যাত্মিক পথে জীবন অতিবাহিত করব। জীবনের এই সন্ধিক্ষণকে আমি স্রষ্টাকে পাওয়ার এক পবিত্র ও আশাব্যঞ্জক সূচনা হিসেবে দেখছি।
তিনি স্পষ্ট করে বলেন, রাজনীতি ছাড়ার পর থেকে তিনি পুরোপুরি আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাতের পথে চলবেন।

আমার জানাজা পড়ানোর জন্য জামায়াতের প্রয়োজন নেই। আমার বহু পীর, আউলিয়া ও দরবেশ আছেন। আমি বিশ্বাস করি, আমার দেহ যখন তাদের সামনে রাখা হবে, জানাজা পড়ার মানুষের অভাব হবে না বলে মন্তব্য করেছেন কিশোরগঞ্জ-৪ (ইটনা-মিঠামইন-অষ্টগ্রাম) আসনের সংসদ সদস্য ফজলুর রহমান।
শনিবার (২ মে) কিশোরগঞ্জের ইটনা উপজেলার বিভিন্ন হাওরে আকস্মিক বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত বোরো ফসল পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এ মন্তব্য করেন তিনি।
ফজলুর রহমান বলেন, আমার জানাজা পড়ানোর বিষয়টি কি তারা নির্দিষ্ট করে ফেলেছে? নির্বাচনের আগে যেমন তারা বেহেশতের টিকিট দিয়ে দিয়েছিল, তেমনি কি তারা ঠিক করে ফেলেছে আজ বা কবে আমার মৃত্যু হবে? যিনি আমার জানাজা পড়াবেন না বলছেন, তাকে তো আমার আগেও আল্লাহ নিয়ে যেতে পারেন। মানুষের মৃত্যু এবং জানাজার মালিক একমাত্র সৃষ্টিকর্তা।
তিনি বলেন, আমি বংশানুক্রমিকভাবে আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাতের অনুসারী এবং সুফিবাদী ধারার মানুষ। এ দেশে যতদিন ওলি-আউলিয়া ও দরবেশদের ধারা থাকবে, ততদিন আমি সেই পথেই চলব। আমি আল্লাহর রাসূলে (সা.) ও পবিত্র কুরআনে বিশ্বাসী মানুষ। আমার জানাজা পড়ানোর জন্য ওয়াহাবি বা জামায়াতের প্রয়োজন নেই। আমার বহু পীর, আউলিয়া ও দরবেশ আছেন। আমি বিশ্বাস করি, আমার দেহ যখন তাদের সামনে রাখা হবে, জানাজা পড়ার মানুষের অভাব হবে না।
এই সংসদ সদস্য বলেন, একটি নির্দিষ্ট বয়সের পর আমি রাজনীতি থেকে অবসর নেব এবং আর নির্বাচনে অংশগ্রহণ করব না। রাজনীতি ছাড়ার পর আমি পূর্ণাঙ্গভাবে আধ্যাত্মিক পথে জীবন অতিবাহিত করব। জীবনের এই সন্ধিক্ষণকে আমি স্রষ্টাকে পাওয়ার এক পবিত্র ও আশাব্যঞ্জক সূচনা হিসেবে দেখছি।
তিনি স্পষ্ট করে বলেন, রাজনীতি ছাড়ার পর থেকে তিনি পুরোপুরি আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাতের পথে চলবেন।

আমার জানাজা পড়াতে জামায়াতের প্রয়োজন নেই: ফজলুর রহমান
কিশোরগঞ্জ সংবাদদাতা

আমার জানাজা পড়ানোর জন্য জামায়াতের প্রয়োজন নেই। আমার বহু পীর, আউলিয়া ও দরবেশ আছেন। আমি বিশ্বাস করি, আমার দেহ যখন তাদের সামনে রাখা হবে, জানাজা পড়ার মানুষের অভাব হবে না বলে মন্তব্য করেছেন কিশোরগঞ্জ-৪ (ইটনা-মিঠামইন-অষ্টগ্রাম) আসনের সংসদ সদস্য ফজলুর রহমান।
শনিবার (২ মে) কিশোরগঞ্জের ইটনা উপজেলার বিভিন্ন হাওরে আকস্মিক বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত বোরো ফসল পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এ মন্তব্য করেন তিনি।
ফজলুর রহমান বলেন, আমার জানাজা পড়ানোর বিষয়টি কি তারা নির্দিষ্ট করে ফেলেছে? নির্বাচনের আগে যেমন তারা বেহেশতের টিকিট দিয়ে দিয়েছিল, তেমনি কি তারা ঠিক করে ফেলেছে আজ বা কবে আমার মৃত্যু হবে? যিনি আমার জানাজা পড়াবেন না বলছেন, তাকে তো আমার আগেও আল্লাহ নিয়ে যেতে পারেন। মানুষের মৃত্যু এবং জানাজার মালিক একমাত্র সৃষ্টিকর্তা।
তিনি বলেন, আমি বংশানুক্রমিকভাবে আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাতের অনুসারী এবং সুফিবাদী ধারার মানুষ। এ দেশে যতদিন ওলি-আউলিয়া ও দরবেশদের ধারা থাকবে, ততদিন আমি সেই পথেই চলব। আমি আল্লাহর রাসূলে (সা.) ও পবিত্র কুরআনে বিশ্বাসী মানুষ। আমার জানাজা পড়ানোর জন্য ওয়াহাবি বা জামায়াতের প্রয়োজন নেই। আমার বহু পীর, আউলিয়া ও দরবেশ আছেন। আমি বিশ্বাস করি, আমার দেহ যখন তাদের সামনে রাখা হবে, জানাজা পড়ার মানুষের অভাব হবে না।
এই সংসদ সদস্য বলেন, একটি নির্দিষ্ট বয়সের পর আমি রাজনীতি থেকে অবসর নেব এবং আর নির্বাচনে অংশগ্রহণ করব না। রাজনীতি ছাড়ার পর আমি পূর্ণাঙ্গভাবে আধ্যাত্মিক পথে জীবন অতিবাহিত করব। জীবনের এই সন্ধিক্ষণকে আমি স্রষ্টাকে পাওয়ার এক পবিত্র ও আশাব্যঞ্জক সূচনা হিসেবে দেখছি।
তিনি স্পষ্ট করে বলেন, রাজনীতি ছাড়ার পর থেকে তিনি পুরোপুরি আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাতের পথে চলবেন।

‘মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের কেউ জামায়াত করতে পারে না’


