প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরে আগুনের ঘটনা ‘পরিকল্পিত নাশকতা’: পুলিশ

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরে আগুনের ঘটনা ‘পরিকল্পিত নাশকতা’: পুলিশ
নিজস্ব প্রতিবেদক

রাজধানীর মিরপুরে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের (ডিপিই) স্টোররুমে আগুনের ঘটনা নিয়ে পুলিশি তদন্তে চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠেছে। পুলিশ জানিয়েছে, এই ঘটনা সাধারণ কোনো দুর্ঘটনা নয়, বরং এটি ছিল একটি ‘পরিকল্পিত নাশকতা’। মাত্র ৫ লাখ টাকার চুক্তিতে বোরখা পরে সেখানে আগুন দেন আসমাউল ইসলাম নামের এক পরিচ্ছন্নতাকর্মী।
শনিবার (২ মে) রাতে এসব তথ্য জানায় ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) মিরপুর বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) মো. মোস্তাক সরকার। ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি জানান, ঘটনায় জড়িত সন্দেহে এখন পর্যন্ত তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
ডিসি মো. মোস্তাক সরকার জানান, শুক্রবার (১ মে) ভোরে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের দ্বিতীয় তলার স্টোররুমে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। স্টোররুমে মাঠপর্যায়ে বিতরণের জন্য মোট ৭৩৫টি ল্যাপটপ রাখা ছিল। আগুনে ৩৩টা ল্যাপটপ আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত, ২৯টি বেশি পুড়ে যায়, ১৪০টি ল্যাপটপ পুরোপুরি পুড়ে যায় আর ৪৫০টি ল্যাপটপ অক্ষত ছিল।
তিনি আরও জানান, আমরা সিসিটিভি ফুটেজ চেক করেছি। সেখানে কোনো কিছু সরানোর প্রমাণ পাওয়া যায়নি, তবে ৮৩টি ল্যাপটপের কোনো হদিস মিলছে না। আগুনে প্রায় ২ থেকে ৩ কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে জানতে পেরেছি।
ডিসি বলেন, অগ্নিকাণ্ডের পরপরই তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় জড়িত একজনকে চিহ্নিত করে পুলিশ। তার নাম আসমাউল ইসলাম। সে অধিদপ্তরের মাস্টাররোলে কর্মরত একজন পরিচ্ছন্নতাকর্মী। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সে আরও তিনজনের সংশ্লিষ্টতার কথা জানায়। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে স্টোর ইনচার্জ জিনাত আলী বিশ্বাস, মাস্টাররোলে কর্মরত স্টোরকিপার হুমায়ুন কবীর খানকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
পুলিশ কর্মকর্তা মোস্তাক সরকার আরও বলেন, হৃদয় নামের আরেক অভিযুক্তকে শনাক্ত করা হয়েছে। তাকে গ্রেপ্তারে অভিযান চালাচ্ছে পুলিশ। আমরা বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে তদন্ত করছি। মূল পরিকল্পনাকারীদের খুঁজে বের করতে তদন্ত চলছে। গ্রেপ্তারকৃতদের নিবিড়ভাবে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আদালতে আবেদন করবো। আশা করি, দ্রুতই মূল মোটিভ উদ্ধার করতে সক্ষম হবো।
ডিসি মোস্তাক সরকার বলেন, ৫ লাখ টাকার চুক্তি অনুযায়ী, প্রথম ধাপে পরিচ্ছন্নতাকর্মী আসমাউলকে নগদ ৮০ হাজার দেওয়া হয়। সে এই টাকা দিয়ে বিভিন্ন জিনিসপত্রও কিনেছে বলে জানিয়েছে।’

রাজধানীর মিরপুরে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের (ডিপিই) স্টোররুমে আগুনের ঘটনা নিয়ে পুলিশি তদন্তে চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠেছে। পুলিশ জানিয়েছে, এই ঘটনা সাধারণ কোনো দুর্ঘটনা নয়, বরং এটি ছিল একটি ‘পরিকল্পিত নাশকতা’। মাত্র ৫ লাখ টাকার চুক্তিতে বোরখা পরে সেখানে আগুন দেন আসমাউল ইসলাম নামের এক পরিচ্ছন্নতাকর্মী।
শনিবার (২ মে) রাতে এসব তথ্য জানায় ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) মিরপুর বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) মো. মোস্তাক সরকার। ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি জানান, ঘটনায় জড়িত সন্দেহে এখন পর্যন্ত তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
ডিসি মো. মোস্তাক সরকার জানান, শুক্রবার (১ মে) ভোরে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের দ্বিতীয় তলার স্টোররুমে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। স্টোররুমে মাঠপর্যায়ে বিতরণের জন্য মোট ৭৩৫টি ল্যাপটপ রাখা ছিল। আগুনে ৩৩টা ল্যাপটপ আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত, ২৯টি বেশি পুড়ে যায়, ১৪০টি ল্যাপটপ পুরোপুরি পুড়ে যায় আর ৪৫০টি ল্যাপটপ অক্ষত ছিল।
তিনি আরও জানান, আমরা সিসিটিভি ফুটেজ চেক করেছি। সেখানে কোনো কিছু সরানোর প্রমাণ পাওয়া যায়নি, তবে ৮৩টি ল্যাপটপের কোনো হদিস মিলছে না। আগুনে প্রায় ২ থেকে ৩ কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে জানতে পেরেছি।
ডিসি বলেন, অগ্নিকাণ্ডের পরপরই তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় জড়িত একজনকে চিহ্নিত করে পুলিশ। তার নাম আসমাউল ইসলাম। সে অধিদপ্তরের মাস্টাররোলে কর্মরত একজন পরিচ্ছন্নতাকর্মী। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সে আরও তিনজনের সংশ্লিষ্টতার কথা জানায়। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে স্টোর ইনচার্জ জিনাত আলী বিশ্বাস, মাস্টাররোলে কর্মরত স্টোরকিপার হুমায়ুন কবীর খানকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
পুলিশ কর্মকর্তা মোস্তাক সরকার আরও বলেন, হৃদয় নামের আরেক অভিযুক্তকে শনাক্ত করা হয়েছে। তাকে গ্রেপ্তারে অভিযান চালাচ্ছে পুলিশ। আমরা বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে তদন্ত করছি। মূল পরিকল্পনাকারীদের খুঁজে বের করতে তদন্ত চলছে। গ্রেপ্তারকৃতদের নিবিড়ভাবে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আদালতে আবেদন করবো। আশা করি, দ্রুতই মূল মোটিভ উদ্ধার করতে সক্ষম হবো।
ডিসি মোস্তাক সরকার বলেন, ৫ লাখ টাকার চুক্তি অনুযায়ী, প্রথম ধাপে পরিচ্ছন্নতাকর্মী আসমাউলকে নগদ ৮০ হাজার দেওয়া হয়। সে এই টাকা দিয়ে বিভিন্ন জিনিসপত্রও কিনেছে বলে জানিয়েছে।’

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরে আগুনের ঘটনা ‘পরিকল্পিত নাশকতা’: পুলিশ
নিজস্ব প্রতিবেদক

রাজধানীর মিরপুরে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের (ডিপিই) স্টোররুমে আগুনের ঘটনা নিয়ে পুলিশি তদন্তে চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠেছে। পুলিশ জানিয়েছে, এই ঘটনা সাধারণ কোনো দুর্ঘটনা নয়, বরং এটি ছিল একটি ‘পরিকল্পিত নাশকতা’। মাত্র ৫ লাখ টাকার চুক্তিতে বোরখা পরে সেখানে আগুন দেন আসমাউল ইসলাম নামের এক পরিচ্ছন্নতাকর্মী।
শনিবার (২ মে) রাতে এসব তথ্য জানায় ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) মিরপুর বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) মো. মোস্তাক সরকার। ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি জানান, ঘটনায় জড়িত সন্দেহে এখন পর্যন্ত তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
ডিসি মো. মোস্তাক সরকার জানান, শুক্রবার (১ মে) ভোরে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের দ্বিতীয় তলার স্টোররুমে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। স্টোররুমে মাঠপর্যায়ে বিতরণের জন্য মোট ৭৩৫টি ল্যাপটপ রাখা ছিল। আগুনে ৩৩টা ল্যাপটপ আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত, ২৯টি বেশি পুড়ে যায়, ১৪০টি ল্যাপটপ পুরোপুরি পুড়ে যায় আর ৪৫০টি ল্যাপটপ অক্ষত ছিল।
তিনি আরও জানান, আমরা সিসিটিভি ফুটেজ চেক করেছি। সেখানে কোনো কিছু সরানোর প্রমাণ পাওয়া যায়নি, তবে ৮৩টি ল্যাপটপের কোনো হদিস মিলছে না। আগুনে প্রায় ২ থেকে ৩ কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে জানতে পেরেছি।
ডিসি বলেন, অগ্নিকাণ্ডের পরপরই তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় জড়িত একজনকে চিহ্নিত করে পুলিশ। তার নাম আসমাউল ইসলাম। সে অধিদপ্তরের মাস্টাররোলে কর্মরত একজন পরিচ্ছন্নতাকর্মী। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সে আরও তিনজনের সংশ্লিষ্টতার কথা জানায়। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে স্টোর ইনচার্জ জিনাত আলী বিশ্বাস, মাস্টাররোলে কর্মরত স্টোরকিপার হুমায়ুন কবীর খানকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
পুলিশ কর্মকর্তা মোস্তাক সরকার আরও বলেন, হৃদয় নামের আরেক অভিযুক্তকে শনাক্ত করা হয়েছে। তাকে গ্রেপ্তারে অভিযান চালাচ্ছে পুলিশ। আমরা বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে তদন্ত করছি। মূল পরিকল্পনাকারীদের খুঁজে বের করতে তদন্ত চলছে। গ্রেপ্তারকৃতদের নিবিড়ভাবে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আদালতে আবেদন করবো। আশা করি, দ্রুতই মূল মোটিভ উদ্ধার করতে সক্ষম হবো।
ডিসি মোস্তাক সরকার বলেন, ৫ লাখ টাকার চুক্তি অনুযায়ী, প্রথম ধাপে পরিচ্ছন্নতাকর্মী আসমাউলকে নগদ ৮০ হাজার দেওয়া হয়। সে এই টাকা দিয়ে বিভিন্ন জিনিসপত্রও কিনেছে বলে জানিয়েছে।’

সংসদে সেই ভাইরাল ডায়লগ দিলেন শিক্ষামন্ত্রী


