মিডিয়ার সঙ্গে সংঘাতে যেতে চায় না সরকার: ডা. জাহেদ উর রহমান

মিডিয়ার সঙ্গে সংঘাতে যেতে চায় না সরকার: ডা. জাহেদ উর রহমান
নিজস্ব প্রতিবেদক

মিডিয়ার সঙ্গে কোনো ধরনের শত্রুতা বা সংঘাতে যেতে চায় না সরকার। বরং দেশে একটি শক্তিশালী, স্বাধীন ও ভাইব্রেন্ট গণমাধ্যম ব্যবস্থা আবার গড়ে তুলতে সরকার কাজ করছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান।
রবিবার (৩ মে) সকালে রাজধানীর ধানমন্ডিতে বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় এ কথা বলেন তিনি।
ডা. জাহেদ উর রহমান বলেন, আপনারা প্রত্যেকে শক্তিশালী ভাবে সরকারের যেকোন ধরনের যৌক্তিক সমালোচনা চালু রাখবেন। আগে যে জায়গায় মিডিয়া চলে গিয়েছিলো সেই জায়গা থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। এ সরকার গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত হয়েছে। যে সরকার গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত হতে চায় তার তো মিডিয়ার সাথে কনফ্লিক্টে যাওয়া স্টুপিডিটি। আগামী বছরে বাংলাদেশ মিডিয়া ও প্রেস ফ্রিডম পরিস্থিতিতে আরও ভালো করবে। আমি এই দেশে থাকতে চাই এবং একটি দুর্দান্ত ভাইব্রেন্ট মিডিয়া আবার তৈরি হতে দেখতে চাই।
তিনি বলেন, সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর মাত্র দুই মাস পার হয়েছে। তাই মিডিয়া সংশ্লিষ্ট সংস্কার ও কাঙ্ক্ষিত পরিবর্তন আনতে আরও কিছুটা সময় প্রয়োজন। আমরা আশা করি একটি ভিন্ন বিটিভি হবে। বাংলাদেশ টেলিভিশন (বিটিভি) নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গেও কথা হয়েছে এবং তিনিও একই ধরনের মতামত দিয়েছেন।
তথ্য উপদেষ্টা বলেন, সোশ্যাল মিডিয়ায় কোনো এডিটোরিয়াল নীতি না থাকলেও এখন মূলধারার গণমাধ্যমেও ফটোকার্ডের মাধ্যমে মিসইনফরমেশন, ডিসইনফরমেশন ও ম্যাল ইনফরমেশন ছড়ানোর প্রবণতা তৈরি হয়েছে। আমি নিজেও এটার শিকার হচ্ছি। আমাকে নিয়ে ফটোকার্ড বানিয়ে ভুল তথ্য ছড়ানো হচ্ছে। এ বিষয়গুলো আমাদের খেয়াল রাখা দরকার।
তিনি বলেন, সরকার সাংবাদিকদের যোগ্যতা নির্ধারণ নিয়ে একটি নীতিমালা করতে পারে। তবে সেটি ইম্পোজ করার মতো কিছু হবে না। কারণ সাংবাদিকতা বিষয়ে পড়াশোনা ছাড়াও দেশে অনেক গুণী সম্পাদক ও সিনিয়র সাংবাদিক রয়েছেন।
মিডিয়া রিফর্মস কমিশনের সঙ্গে দ্রুত বৈঠক হবে জানিয়ে ডা. জাহেদ উর রহমান বলেন, মিডিয়া রিফর্মস কমিশনের সঙ্গে সরকার দ্রুত বসবে এবং যেসব পদক্ষেপ দ্রুত বাস্তবায়নযোগ্য, সেগুলো বাস্তবায়নের চেষ্টা করা হবে। এ বিষয়ে মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীরও সদিচ্ছার অভাব নেই বলে জানান তিনি।

মিডিয়ার সঙ্গে কোনো ধরনের শত্রুতা বা সংঘাতে যেতে চায় না সরকার। বরং দেশে একটি শক্তিশালী, স্বাধীন ও ভাইব্রেন্ট গণমাধ্যম ব্যবস্থা আবার গড়ে তুলতে সরকার কাজ করছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান।
রবিবার (৩ মে) সকালে রাজধানীর ধানমন্ডিতে বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় এ কথা বলেন তিনি।
ডা. জাহেদ উর রহমান বলেন, আপনারা প্রত্যেকে শক্তিশালী ভাবে সরকারের যেকোন ধরনের যৌক্তিক সমালোচনা চালু রাখবেন। আগে যে জায়গায় মিডিয়া চলে গিয়েছিলো সেই জায়গা থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। এ সরকার গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত হয়েছে। যে সরকার গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত হতে চায় তার তো মিডিয়ার সাথে কনফ্লিক্টে যাওয়া স্টুপিডিটি। আগামী বছরে বাংলাদেশ মিডিয়া ও প্রেস ফ্রিডম পরিস্থিতিতে আরও ভালো করবে। আমি এই দেশে থাকতে চাই এবং একটি দুর্দান্ত ভাইব্রেন্ট মিডিয়া আবার তৈরি হতে দেখতে চাই।
তিনি বলেন, সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর মাত্র দুই মাস পার হয়েছে। তাই মিডিয়া সংশ্লিষ্ট সংস্কার ও কাঙ্ক্ষিত পরিবর্তন আনতে আরও কিছুটা সময় প্রয়োজন। আমরা আশা করি একটি ভিন্ন বিটিভি হবে। বাংলাদেশ টেলিভিশন (বিটিভি) নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গেও কথা হয়েছে এবং তিনিও একই ধরনের মতামত দিয়েছেন।
তথ্য উপদেষ্টা বলেন, সোশ্যাল মিডিয়ায় কোনো এডিটোরিয়াল নীতি না থাকলেও এখন মূলধারার গণমাধ্যমেও ফটোকার্ডের মাধ্যমে মিসইনফরমেশন, ডিসইনফরমেশন ও ম্যাল ইনফরমেশন ছড়ানোর প্রবণতা তৈরি হয়েছে। আমি নিজেও এটার শিকার হচ্ছি। আমাকে নিয়ে ফটোকার্ড বানিয়ে ভুল তথ্য ছড়ানো হচ্ছে। এ বিষয়গুলো আমাদের খেয়াল রাখা দরকার।
তিনি বলেন, সরকার সাংবাদিকদের যোগ্যতা নির্ধারণ নিয়ে একটি নীতিমালা করতে পারে। তবে সেটি ইম্পোজ করার মতো কিছু হবে না। কারণ সাংবাদিকতা বিষয়ে পড়াশোনা ছাড়াও দেশে অনেক গুণী সম্পাদক ও সিনিয়র সাংবাদিক রয়েছেন।
মিডিয়া রিফর্মস কমিশনের সঙ্গে দ্রুত বৈঠক হবে জানিয়ে ডা. জাহেদ উর রহমান বলেন, মিডিয়া রিফর্মস কমিশনের সঙ্গে সরকার দ্রুত বসবে এবং যেসব পদক্ষেপ দ্রুত বাস্তবায়নযোগ্য, সেগুলো বাস্তবায়নের চেষ্টা করা হবে। এ বিষয়ে মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীরও সদিচ্ছার অভাব নেই বলে জানান তিনি।

মিডিয়ার সঙ্গে সংঘাতে যেতে চায় না সরকার: ডা. জাহেদ উর রহমান
নিজস্ব প্রতিবেদক

মিডিয়ার সঙ্গে কোনো ধরনের শত্রুতা বা সংঘাতে যেতে চায় না সরকার। বরং দেশে একটি শক্তিশালী, স্বাধীন ও ভাইব্রেন্ট গণমাধ্যম ব্যবস্থা আবার গড়ে তুলতে সরকার কাজ করছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান।
রবিবার (৩ মে) সকালে রাজধানীর ধানমন্ডিতে বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় এ কথা বলেন তিনি।
ডা. জাহেদ উর রহমান বলেন, আপনারা প্রত্যেকে শক্তিশালী ভাবে সরকারের যেকোন ধরনের যৌক্তিক সমালোচনা চালু রাখবেন। আগে যে জায়গায় মিডিয়া চলে গিয়েছিলো সেই জায়গা থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। এ সরকার গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত হয়েছে। যে সরকার গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত হতে চায় তার তো মিডিয়ার সাথে কনফ্লিক্টে যাওয়া স্টুপিডিটি। আগামী বছরে বাংলাদেশ মিডিয়া ও প্রেস ফ্রিডম পরিস্থিতিতে আরও ভালো করবে। আমি এই দেশে থাকতে চাই এবং একটি দুর্দান্ত ভাইব্রেন্ট মিডিয়া আবার তৈরি হতে দেখতে চাই।
তিনি বলেন, সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর মাত্র দুই মাস পার হয়েছে। তাই মিডিয়া সংশ্লিষ্ট সংস্কার ও কাঙ্ক্ষিত পরিবর্তন আনতে আরও কিছুটা সময় প্রয়োজন। আমরা আশা করি একটি ভিন্ন বিটিভি হবে। বাংলাদেশ টেলিভিশন (বিটিভি) নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গেও কথা হয়েছে এবং তিনিও একই ধরনের মতামত দিয়েছেন।
তথ্য উপদেষ্টা বলেন, সোশ্যাল মিডিয়ায় কোনো এডিটোরিয়াল নীতি না থাকলেও এখন মূলধারার গণমাধ্যমেও ফটোকার্ডের মাধ্যমে মিসইনফরমেশন, ডিসইনফরমেশন ও ম্যাল ইনফরমেশন ছড়ানোর প্রবণতা তৈরি হয়েছে। আমি নিজেও এটার শিকার হচ্ছি। আমাকে নিয়ে ফটোকার্ড বানিয়ে ভুল তথ্য ছড়ানো হচ্ছে। এ বিষয়গুলো আমাদের খেয়াল রাখা দরকার।
তিনি বলেন, সরকার সাংবাদিকদের যোগ্যতা নির্ধারণ নিয়ে একটি নীতিমালা করতে পারে। তবে সেটি ইম্পোজ করার মতো কিছু হবে না। কারণ সাংবাদিকতা বিষয়ে পড়াশোনা ছাড়াও দেশে অনেক গুণী সম্পাদক ও সিনিয়র সাংবাদিক রয়েছেন।
মিডিয়া রিফর্মস কমিশনের সঙ্গে দ্রুত বৈঠক হবে জানিয়ে ডা. জাহেদ উর রহমান বলেন, মিডিয়া রিফর্মস কমিশনের সঙ্গে সরকার দ্রুত বসবে এবং যেসব পদক্ষেপ দ্রুত বাস্তবায়নযোগ্য, সেগুলো বাস্তবায়নের চেষ্টা করা হবে। এ বিষয়ে মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীরও সদিচ্ছার অভাব নেই বলে জানান তিনি।

সিন্ডিকেট নিয়ন্ত্রণে ডিসিদের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর


