মালয়েশিয়া প্রবাসীদের ই-পাসপোর্ট ফি কমালো সরকার
মালয়েশিয়া প্রবাসীদের ই-পাসপোর্ট ফি কমালো সরকার
হাইকমিশনের পক্ষ থেকে প্রবাসীদের নির্ধারিত তারিখের পর নতুন হারে ফি পরিশোধ করে ই-পাসপোর্ট সেবা গ্রহণের অনুরোধ জানানো হয়েছে।


বার্সেলোনা, মাদ্রিদ ও ভালেন্সিয়ার মতো শহরে বসবাসরত হাজার হাজার বাংলাদেশি, ভারতীয় ও পাকিস্তানি পরিবারের জন্য এই ডিক্রি বড় স্বস্তি নিয়ে এসেছে।

নতুন এ উদ্যোগের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের বিস্তৃত নেটওয়ার্ক কাজে লাগিয়ে দেশে নতুন বিনিয়োগ আকর্ষণের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

বন্দিদের কুয়ালালামপুর আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ও রানতাউ পাঞ্জাং আইসিকিউএস কমপ্লেক্সের মাধ্যমে ফেরত পাঠানো হয়েছে।

শনিবার (২৪ জানুয়ারি) সকাল ইসির জনসংযোগ পরিচালক রুহুল আমিন মল্লিক জানান, ‘পোস্টাল ভোট বিডি’ মোবাইল অ্যাপে নিবন্ধিত
হাইকমিশনের পক্ষ থেকে প্রবাসীদের নির্ধারিত তারিখের পর নতুন হারে ফি পরিশোধ করে ই-পাসপোর্ট সেবা গ্রহণের অনুরোধ জানানো হয়েছে।

মার্কিন প্রশাসনের এই কঠোর অবস্থানের মূল কারণ হলো ‘পাবলিক চার্জ’ নীতি। তাদের মতে, অনেক অভিবাসী যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের পর কাজ না করে সরকারি সহায়তা বা

বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য জানিয়েছে দূতাবাস।

এই ঘটনায় কাতারে বসবাসরত সকল বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য বিশেষ সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছে।

গ্রিক কোস্টগার্ডের তথ্যমতে, অতিরিক্ত যাত্রী বহন ও ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় থাকা একাধিক নৌকা থেকে এসব অভিবাসনপ্রত্যাশীকে

বাংলাদেশের সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তার দায়িত্ব আমাদের। এ নিয়ে ভারতের কিছু বলার দরকার নেই বলে মন্তব্য করেছেন তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা নাহিদ ইসলাম। বিবিসি হিন্দিকে দেয়া সাক্ষাৎকারে...
-1151126.jpg)