শিরোনাম

রমনা পার্কের সৌন্দর্য বৃদ্ধির নির্দেশ গণপূর্ত মন্ত্রীর

সিটিজেন ডেস্ক
রমনা পার্কের সৌন্দর্য বৃদ্ধির নির্দেশ গণপূর্ত মন্ত্রীর
আকস্মিকভাবে রমনা পার্ক পরিদর্শন করেন গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী জাকারিয়া তাহের। ছবি: গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সৌাজন্যে

রমনা পার্কের পরিচ্ছন্নতা, অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও সৌন্দর্য বৃদ্ধিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী জাকারিয়া তাহের।

বুধবার (৩ জুন) বিকালে আকস্মিকভাবে রমনা পার্ক পরিদর্শনকালে তিনি এ নির্দেশনা দেন বলে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী জাকারিয়া তাহের রমনা পার্কের চলাচলের রাস্তা, ওয়াকওয়ে, লেক এবং ওয়াশ ব্লকের অবস্থা পর্যবেক্ষণ করেন।
গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী জাকারিয়া তাহের রমনা পার্কের চলাচলের রাস্তা, ওয়াকওয়ে, লেক এবং ওয়াশ ব্লকের অবস্থা পর্যবেক্ষণ করেন। ছবি: গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সৌজন্যে

পরিদর্শনের সময় মন্ত্রী পার্কের বিভিন্ন অংশ ঘুরে দেখেন। তিনি চলাচলের রাস্তা, ওয়াকওয়ে, লেক এবং ওয়াশ ব্লকের অবস্থা পর্যবেক্ষণ করেন। পাশাপাশি পার্কের সার্বিক পরিবেশ, পরিচ্ছন্নতা ও ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কাছ থেকে তথ্য নেন।

এ সময় তিনি রমনা পার্কের পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা আরও জোরদার করার নির্দেশ দেন। একইসঙ্গে লেকের উন্নয়ন, প্রয়োজনীয় স্থানে সড়ক বাতি স্থাপন এবং পার্কের সৌন্দর্যবর্ধনে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে গণপূর্ত অধিদপ্তরের সংশ্লিষ্ট বিভাগকে নির্দেশনা দেন।

পরিদর্শনের সময় মন্ত্রী পার্কের বিভিন্ন অংশ ঘুরে দেখেন।
পরিদর্শনের সময় মন্ত্রী পার্কের বিভিন্ন অংশ ঘুরে দেখেন। ছবি: গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সৌজন্যে

মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানান, রাজধানীর পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষা এবং নাগরিকদের জন্য একটি স্বাস্থ্যকর বিনোদনকেন্দ্র হিসেবে রমনা পার্কের গুরুত্ব বিবেচনায় এর রক্ষণাবেক্ষণ ও উন্নয়ন কার্যক্রম নিয়মিতভাবে পরিচালিত হচ্ছে।

পরিদর্শনকালে অতিরিক্ত সচিব মো. সারোয়ার আলম, গণপূর্ত অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী মো. খালেকুজ্জামান চৌধুরী, উপসচিব মোহাম্মদ শের মাহবুব মুরাদ এবং গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আবুল কালাম আজাদ উপস্থিত ছিলেন।

ঢাকার প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত রমনা পার্ক রাজধানীবাসীর অন্যতম জনপ্রিয় উন্মুক্ত বিনোদন ও হাঁটার স্থান। প্রায় ৬৮ একর জায়গাজুড়ে বিস্তৃত এই পার্কে রয়েছে সবুজ বৃক্ষরাজি, লেক, ওয়াকওয়ে এবং উন্মুক্ত পরিবেশ। প্রতিদিন হাজারো মানুষ শরীরচর্চা, অবসরযাপন ও প্রাকৃতিক পরিবেশ উপভোগের জন্য এখানে আসেন।

/এমআর/