‘১ লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ দেবে সরকার’
‘১ লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ দেবে সরকার’
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, স্বাস্থ্য খাতে জনবল সংকট দূর করতে সরকার নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে এবং ধাপে ধাপে নিয়োগ কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হবে।


প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘শহর ও গ্রামের বৈষম্য দূর করার লক্ষে বর্তমান সরকার কাজ করে যাচ্ছে। যার অংশ হিসেবে দেশের জেলা-উপজেলাভিত্তিক হাসপাতালগুলোর চিকিৎসাসেবা উন্নত করা হবে। সবার প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ দেওয়া হবে। যাদের ৮০ ভাগই নারী কর্মী।’

সারাদেশে ২০ এপ্রিল থেকে শিশুদের হামের টিকা ও ভিটামিন এ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে। ইতোমধ্যে হামের বিস্তার রোধে আমরা সক্ষম হয়েছি এবং মৃত্যু হারও কমে গেছে। আশা করছি, দুই সপ্তাহের মধ্যে হাম নিয়ন্ত্রণে চলে আসবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বকুল।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মোহাম্মদ সাখাওয়াত হোসেন বলেন, আমরা এখন পর্যন্ত হাম-রুবেলা রোগটিকে সফলভাবে নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়েছি। এখন লক্ষ্য প্রতিটি শিশুকে এই টিকার আওতায় আনা।

আগামী ২০ এপ্রিল থেকে সারা দেশে হামের টিকা কার্যক্রম শুরু হবে।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, স্বাস্থ্য খাতে জনবল সংকট দূর করতে সরকার নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে এবং ধাপে ধাপে নিয়োগ কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হবে।

দেশে হামের পরিস্থিতি মোকাবেলায় হাসপাতালগুলোতে আইসোলেশন ও আইসিইউ সুবিধা প্রস্তুত রয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। সোমবার জাতীয় সংসদে জরুরি জন-গুরুত্বসম্পন্ন বিষয়ে মনোযোগ আকর্ষণ নোটিশের জবাবে তিনি বলেন, হামে আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসার জন্য প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি রাখা হয়েছে।

হামে আক্রান্ত ৮২ শতাংশই পাঁচ বছরের কম বয়সী শিশু। তাই আমরা বর্তমানে ৬ মাস থেকে ৫৯ মাস বয়সী দেশের সব শিশুকে টিকার আওতায় আনার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছি বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো.সাখাওয়াত হোসেন।

আমাকে আমার মানুষকে বাঁচাতে হবে। আমার শিশুদেরকে বাঁচাতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার সাখাওয়াত হোসেন বকুল। তিনি বলেছেন, বর্তমান নিয়ে কাজ করছি। অতীত নিয়ে আমি ঘাটাঘাটি করতে চাই না। কাউকে ফাঁসি কাষ্ঠে ঝুঁলিয়ে আমার কোনো লাভ নেই।

হাম বজ্রপাতের মতো এসেছে, আমাদের কোনো প্রস্তুতি ছিল না। তবে অল্প সময়ের মধ্যে হাম মোকাবিলায় পুরোপুরি প্রস্তুত সরকার– এমন মন্তব্য করেছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বকুল।

বুধবার (১ এপ্রিল) সচিবালয়ে এক বৈঠক শেষে স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে দেশের ৩০টিরও বেশি সরকারি হাসপাতালের পরিচালক ও বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত বিশেষ সভায় ড. জুবায়ের চিশতী ‘বাবল সিপ্যাপের’ বৈজ্ঞানিক শ্রেষ্ঠত্ব ব্যাখ্যা করেন।

২০২০ সালে করোনা ভাইরাসের মরণ ছোবলে যখন মানুষ দিশাহারা, তখন সেই দুর্যোগকেই আয়ের উৎস বানিয়েছিলেন স্বাস্থ্য খাতের প্রভাবশালী একদল অসাধু কর্মকর্তা ও ব্যবসায়ী। মাস্ক থেকে শুরু করে হাসপাতালের বেড, এমনকী মোবাইল অ্যাপ তৈরির নামেও চলেছে দুর্নীতির মহোৎসব।

রবিবার (২৯ মার্চ) জাতীয় সংসদে গাইবান্ধা-৪ আসনের সরকারদলীয় সংসদ সদস্য মোহাম্মদ শামীম কায়সারের ‘গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা হাসপাতালকে ১০০ শয্যায় উন্নীতকরণ’ সংক্রান্ত এক নোটিশের জবাবে স্বাস্থ্যমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

আজ শনিবার (২৮ মার্চ) রাজধানীর শাহবাগে আবু সাঈদ ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সেন্টারে সোসাইটি অব সার্জনস আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

চিকিৎসকদের উদ্দেশে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, জাতির সেবার জন্য আপনাদের সহযোগিতা চাই, আমার জন্য নয়। দেশের চিকিৎসা খাতকে এগিয়ে নিতে সবার সহযোগিতা চাই।

রাজধানীর আসাদগেট থেকে শ্যামলী রিং রোড এলাকার সব ক্লিনিক আগামী সাত দিনের মধ্যে পরিদর্শন করা হবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।

জাতীয় অর্থপেডিক্স ও পুনবার্সন প্রতিষ্ঠান–পঙ্গু হাসপাতালের দালাল ছিলেন দুলাল মিয়া। সেই দালাল নিজেই গড়ে তোলেন রাজধানীর শ্যামলীতে অবস্থিত ‘ডক্টর্স কেয়ার হসপিটাল’। সেখানে নেই কোনো চিকিৎসক অথচ চলছিল রোগীর অস্ত্রোপচার। অস্ত্রোপচারে অংশ নেন অষ্টম শ্রেণী পাশ করা এক কর্মচারি।

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার সাখাওয়াত হোসেন বকুল বলেছেন, স্বাস্থ্যসেবা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে নানা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। প্রতিটি মূহুর্তে আমরা জনসেবায় নিয়োজিত আছি। স্বাস্থ্যখাতের যে কোনো সমস্যা সমাধানের প্রস্তুতি সরকারের রয়েছে।

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বকুল বলেছেন, আগামী ৩ মাসের মধ্যে হেলথ কার্ড বিতরণ করা হবে। এটি একটি বিজ্ঞান সম্মত ডিজিটাল কার্ড, আপনি কোথায় কোন ডাক্তার দেখিয়েছেন তার সমস্ত রেকর্ড থাকবে।

দেশের প্রতিটি মানুষের জন্য সহজলভ্য ও মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে সরকার কাজ করছে বলে মন্তব্য করেছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বকুল।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, স্বাস্থ্যখাতে উন্নতি করতে হলে বেসরকারি খাতে লক্ষ্য রাখতে হবে। আপনাদের (প্রাইভেট হসপিটাল, ক্লিনিক অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক অ্যাসোসিয়েশন) সবার সহযোগিতায় আমরা স্বাস্থ্য সেবা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে চাই।

চিকিৎসকদের অনুপস্থিত থাকার বিষয়ে জানতে চাইলে হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা আবদুল্লাহ আল মামুন বলেন, ২১ জন চিকিৎসকের মধ্যে ৫ জন দেরি করে হাসপাতালে এসেছেন আর ২ জন অনুপস্থিত।
