অবৈধ শুল্কের টাকা ফেরত দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র, চালু হলো 'কেপ' পোর্টাল

অবৈধ শুল্কের টাকা ফেরত দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র, চালু হলো 'কেপ' পোর্টাল
নিজস্ব প্রতিবেদক

দীর্ঘ আইনি লড়াইয়ের পর হার মানতে হলো মার্কিন প্রশাসনকে | দেশটির সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে অবৈধ ঘোষিত বিশাল অঙ্কের শুল্ক ফেরত দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করেছে ট্রাম্প প্রশাসন |
সোমবার (২০ এপ্রিল) থেকে অর্থ ফেরত দেওয়ার জন্য ডিজিটাল রিফান্ড সিস্টেম ‘কেপ’ নামের একটি বিশেষ ডিজিটাল পোর্টাল চালু করা হয়েছে | বিগত সময়ে আন্তর্জাতিক জরুরি অর্থনৈতিক ক্ষমতা আইনের (আইইইপিএ) আওতায় প্রেসিডেন্টের আরোপ করা বিপুল পরিমাণ শুল্ক অবৈধ ঘোষণা করে দেশটির সর্বোচ্চ আদালত | এর ফলে ৩ লাখ ৩০ হাজারেরও বেশি আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান তাদের দেওয়া বাড়তি টাকা ফেরত পাওয়ার পথ খুঁজে পেলো |
অপেক্ষার অবসান, ফেরত আসছে ব্যবসায়ীদের টাকা
ফেব্রুয়ারি মাসে মার্কিন সুপ্রিম কোর্ট এক ঐতিহাসিক রায়ে জানায়, ‘ইন্টারন্যাশনাল ইমার্জেন্সি ইকোনমিক পাওয়ারস অ্যাক্ট’ -এর আওতায় আরোপিত এই বিশাল অঙ্কের শুল্ক ছিল আইনবহির্ভূত | আদালতের সেই রায় মেনে নিয়ে সোমবার থেকে শুরু হয়েছে অর্থ ফেরতের আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম |
মূলত ৩ লাখ ৩০ হাজারেরও বেশি আমদানিকারক, যারা ৫ কোটি ৩০ লাখেরও বেশি চালানের বিপরীতে এই শুল্ক দিয়েছিলেন, তারা এখন সেই টাকা ফিরে পাওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন |
কী এই ‘কেপ’ সিস্টেম
যুক্তরাষ্ট্রের কাস্টমস অ্যান্ড বর্ডার প্রোটেকশন ( সিবিপি) বিভাগ এই রিফান্ড কার্যক্রম পরিচালনার জন্য 'কনসোলিডেটেড অ্যাডমিনিস্ট্রেশন এন্ড প্রসেসিং অফ এন্ট্রিস' বা সংক্ষেপে ( কেপ) নামের একটি ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম চালু করেছে|
প্রথম পর্যায়ের আপাতত ১৬৬ বিলিয়ন ডলারের মধ্যে ১২৭ বিলিয়ন ডলার ফেরত দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে | যেসব চালান সম্প্রতি এসেছে এবং যেগুলোর হিসাব এখনো চূড়ান্ত হয়নি, সেগুলো ‘অটোমেটিক’ প্রসেস করা হবে|
আবেদন মঞ্জুর হওয়ার পর পরবর্তী ৬০ থেকে ৯০ দিনের মধ্যে আমদানিকারকরা তাদের পাওনা হাতে পাবেন বলে আশা করা হচ্ছে|
সতর্কতা
ব্যবসায়ীদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ শর্ত হলো—একবার ‘কেপ ডিক্লারেশন’ জমা দিয়ে দিলে তা আর সংশোধন করা যাবে না | যদি কোনো চালানের তথ্য ভুলবশত বাদ পড়ে যায়, তবে তার জন্য সম্পূর্ণ নতুন করে আবেদন করতে হবে| তাই আবেদন করার সময় সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা |
যদিও আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানগুলো এই বিশাল অঙ্কের অর্থ ফেরত পাচ্ছে, সাধারণ ক্রেতা বা ভোক্তাদের জন্য এখানে সরাসরি কোনো সুখবর নেই |
আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী, কেবল যারা সরাসরি এই শুল্ক পরিশোধ করেছেন (আমদানিকারক ও কোম্পানি), তারাই রিফান্ডের জন্য আবেদন করতে পারবেন| সাধারণ ভোক্তারা এই রিফান্ড দাবি করতে পারবেন না |
কেন এই শুল্ক অবৈধ হলো
আদালত তার পর্যবেক্ষণে জানিয়েছে, আইইইপিএ আইনটি প্রেসিডেন্টকে ঢালাওভাবে নতুন শুল্ক আরোপ করার একক ক্ষমতা দেয় না | এই আইনি সীমাবদ্ধতাকে উপেক্ষা করেই পূর্ববর্তী সময়ে শুল্ক আরোপ করা হয়েছিল, যা এখন মার্কিন অর্থনীতির ইতিহাসে অন্যতম বড় ‘রিফান্ড ইভেন্ট’ হিসেবে চিহ্নিত হতে যাচ্ছে |
এই বিষয়ে বিজিএমইএ সাবেক পরিচালক মহিউদ্দিন রুবেল বলেন, এই বিশাল অর্থ ফেরত প্রক্রিয়া মার্কিন বাজারে পণ্য সরবরাহকারী রপ্তানিকারকদের আত্মবিশ্বাস জোগাবে, বিশেষ করে বাংলাদেশের পোশাক খাতের মতো বড় অংশীদারদের জন্য এটি একটি ইতিবাচক বার্তা হিসেবে দেখা হচ্ছে |

দীর্ঘ আইনি লড়াইয়ের পর হার মানতে হলো মার্কিন প্রশাসনকে | দেশটির সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে অবৈধ ঘোষিত বিশাল অঙ্কের শুল্ক ফেরত দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করেছে ট্রাম্প প্রশাসন |
সোমবার (২০ এপ্রিল) থেকে অর্থ ফেরত দেওয়ার জন্য ডিজিটাল রিফান্ড সিস্টেম ‘কেপ’ নামের একটি বিশেষ ডিজিটাল পোর্টাল চালু করা হয়েছে | বিগত সময়ে আন্তর্জাতিক জরুরি অর্থনৈতিক ক্ষমতা আইনের (আইইইপিএ) আওতায় প্রেসিডেন্টের আরোপ করা বিপুল পরিমাণ শুল্ক অবৈধ ঘোষণা করে দেশটির সর্বোচ্চ আদালত | এর ফলে ৩ লাখ ৩০ হাজারেরও বেশি আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান তাদের দেওয়া বাড়তি টাকা ফেরত পাওয়ার পথ খুঁজে পেলো |
অপেক্ষার অবসান, ফেরত আসছে ব্যবসায়ীদের টাকা
ফেব্রুয়ারি মাসে মার্কিন সুপ্রিম কোর্ট এক ঐতিহাসিক রায়ে জানায়, ‘ইন্টারন্যাশনাল ইমার্জেন্সি ইকোনমিক পাওয়ারস অ্যাক্ট’ -এর আওতায় আরোপিত এই বিশাল অঙ্কের শুল্ক ছিল আইনবহির্ভূত | আদালতের সেই রায় মেনে নিয়ে সোমবার থেকে শুরু হয়েছে অর্থ ফেরতের আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম |
মূলত ৩ লাখ ৩০ হাজারেরও বেশি আমদানিকারক, যারা ৫ কোটি ৩০ লাখেরও বেশি চালানের বিপরীতে এই শুল্ক দিয়েছিলেন, তারা এখন সেই টাকা ফিরে পাওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন |
কী এই ‘কেপ’ সিস্টেম
যুক্তরাষ্ট্রের কাস্টমস অ্যান্ড বর্ডার প্রোটেকশন ( সিবিপি) বিভাগ এই রিফান্ড কার্যক্রম পরিচালনার জন্য 'কনসোলিডেটেড অ্যাডমিনিস্ট্রেশন এন্ড প্রসেসিং অফ এন্ট্রিস' বা সংক্ষেপে ( কেপ) নামের একটি ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম চালু করেছে|
প্রথম পর্যায়ের আপাতত ১৬৬ বিলিয়ন ডলারের মধ্যে ১২৭ বিলিয়ন ডলার ফেরত দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে | যেসব চালান সম্প্রতি এসেছে এবং যেগুলোর হিসাব এখনো চূড়ান্ত হয়নি, সেগুলো ‘অটোমেটিক’ প্রসেস করা হবে|
আবেদন মঞ্জুর হওয়ার পর পরবর্তী ৬০ থেকে ৯০ দিনের মধ্যে আমদানিকারকরা তাদের পাওনা হাতে পাবেন বলে আশা করা হচ্ছে|
সতর্কতা
ব্যবসায়ীদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ শর্ত হলো—একবার ‘কেপ ডিক্লারেশন’ জমা দিয়ে দিলে তা আর সংশোধন করা যাবে না | যদি কোনো চালানের তথ্য ভুলবশত বাদ পড়ে যায়, তবে তার জন্য সম্পূর্ণ নতুন করে আবেদন করতে হবে| তাই আবেদন করার সময় সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা |
যদিও আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানগুলো এই বিশাল অঙ্কের অর্থ ফেরত পাচ্ছে, সাধারণ ক্রেতা বা ভোক্তাদের জন্য এখানে সরাসরি কোনো সুখবর নেই |
আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী, কেবল যারা সরাসরি এই শুল্ক পরিশোধ করেছেন (আমদানিকারক ও কোম্পানি), তারাই রিফান্ডের জন্য আবেদন করতে পারবেন| সাধারণ ভোক্তারা এই রিফান্ড দাবি করতে পারবেন না |
কেন এই শুল্ক অবৈধ হলো
আদালত তার পর্যবেক্ষণে জানিয়েছে, আইইইপিএ আইনটি প্রেসিডেন্টকে ঢালাওভাবে নতুন শুল্ক আরোপ করার একক ক্ষমতা দেয় না | এই আইনি সীমাবদ্ধতাকে উপেক্ষা করেই পূর্ববর্তী সময়ে শুল্ক আরোপ করা হয়েছিল, যা এখন মার্কিন অর্থনীতির ইতিহাসে অন্যতম বড় ‘রিফান্ড ইভেন্ট’ হিসেবে চিহ্নিত হতে যাচ্ছে |
এই বিষয়ে বিজিএমইএ সাবেক পরিচালক মহিউদ্দিন রুবেল বলেন, এই বিশাল অর্থ ফেরত প্রক্রিয়া মার্কিন বাজারে পণ্য সরবরাহকারী রপ্তানিকারকদের আত্মবিশ্বাস জোগাবে, বিশেষ করে বাংলাদেশের পোশাক খাতের মতো বড় অংশীদারদের জন্য এটি একটি ইতিবাচক বার্তা হিসেবে দেখা হচ্ছে |

অবৈধ শুল্কের টাকা ফেরত দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র, চালু হলো 'কেপ' পোর্টাল
নিজস্ব প্রতিবেদক

দীর্ঘ আইনি লড়াইয়ের পর হার মানতে হলো মার্কিন প্রশাসনকে | দেশটির সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে অবৈধ ঘোষিত বিশাল অঙ্কের শুল্ক ফেরত দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করেছে ট্রাম্প প্রশাসন |
সোমবার (২০ এপ্রিল) থেকে অর্থ ফেরত দেওয়ার জন্য ডিজিটাল রিফান্ড সিস্টেম ‘কেপ’ নামের একটি বিশেষ ডিজিটাল পোর্টাল চালু করা হয়েছে | বিগত সময়ে আন্তর্জাতিক জরুরি অর্থনৈতিক ক্ষমতা আইনের (আইইইপিএ) আওতায় প্রেসিডেন্টের আরোপ করা বিপুল পরিমাণ শুল্ক অবৈধ ঘোষণা করে দেশটির সর্বোচ্চ আদালত | এর ফলে ৩ লাখ ৩০ হাজারেরও বেশি আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান তাদের দেওয়া বাড়তি টাকা ফেরত পাওয়ার পথ খুঁজে পেলো |
অপেক্ষার অবসান, ফেরত আসছে ব্যবসায়ীদের টাকা
ফেব্রুয়ারি মাসে মার্কিন সুপ্রিম কোর্ট এক ঐতিহাসিক রায়ে জানায়, ‘ইন্টারন্যাশনাল ইমার্জেন্সি ইকোনমিক পাওয়ারস অ্যাক্ট’ -এর আওতায় আরোপিত এই বিশাল অঙ্কের শুল্ক ছিল আইনবহির্ভূত | আদালতের সেই রায় মেনে নিয়ে সোমবার থেকে শুরু হয়েছে অর্থ ফেরতের আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম |
মূলত ৩ লাখ ৩০ হাজারেরও বেশি আমদানিকারক, যারা ৫ কোটি ৩০ লাখেরও বেশি চালানের বিপরীতে এই শুল্ক দিয়েছিলেন, তারা এখন সেই টাকা ফিরে পাওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন |
কী এই ‘কেপ’ সিস্টেম
যুক্তরাষ্ট্রের কাস্টমস অ্যান্ড বর্ডার প্রোটেকশন ( সিবিপি) বিভাগ এই রিফান্ড কার্যক্রম পরিচালনার জন্য 'কনসোলিডেটেড অ্যাডমিনিস্ট্রেশন এন্ড প্রসেসিং অফ এন্ট্রিস' বা সংক্ষেপে ( কেপ) নামের একটি ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম চালু করেছে|
প্রথম পর্যায়ের আপাতত ১৬৬ বিলিয়ন ডলারের মধ্যে ১২৭ বিলিয়ন ডলার ফেরত দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে | যেসব চালান সম্প্রতি এসেছে এবং যেগুলোর হিসাব এখনো চূড়ান্ত হয়নি, সেগুলো ‘অটোমেটিক’ প্রসেস করা হবে|
আবেদন মঞ্জুর হওয়ার পর পরবর্তী ৬০ থেকে ৯০ দিনের মধ্যে আমদানিকারকরা তাদের পাওনা হাতে পাবেন বলে আশা করা হচ্ছে|
সতর্কতা
ব্যবসায়ীদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ শর্ত হলো—একবার ‘কেপ ডিক্লারেশন’ জমা দিয়ে দিলে তা আর সংশোধন করা যাবে না | যদি কোনো চালানের তথ্য ভুলবশত বাদ পড়ে যায়, তবে তার জন্য সম্পূর্ণ নতুন করে আবেদন করতে হবে| তাই আবেদন করার সময় সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা |
যদিও আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানগুলো এই বিশাল অঙ্কের অর্থ ফেরত পাচ্ছে, সাধারণ ক্রেতা বা ভোক্তাদের জন্য এখানে সরাসরি কোনো সুখবর নেই |
আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী, কেবল যারা সরাসরি এই শুল্ক পরিশোধ করেছেন (আমদানিকারক ও কোম্পানি), তারাই রিফান্ডের জন্য আবেদন করতে পারবেন| সাধারণ ভোক্তারা এই রিফান্ড দাবি করতে পারবেন না |
কেন এই শুল্ক অবৈধ হলো
আদালত তার পর্যবেক্ষণে জানিয়েছে, আইইইপিএ আইনটি প্রেসিডেন্টকে ঢালাওভাবে নতুন শুল্ক আরোপ করার একক ক্ষমতা দেয় না | এই আইনি সীমাবদ্ধতাকে উপেক্ষা করেই পূর্ববর্তী সময়ে শুল্ক আরোপ করা হয়েছিল, যা এখন মার্কিন অর্থনীতির ইতিহাসে অন্যতম বড় ‘রিফান্ড ইভেন্ট’ হিসেবে চিহ্নিত হতে যাচ্ছে |
এই বিষয়ে বিজিএমইএ সাবেক পরিচালক মহিউদ্দিন রুবেল বলেন, এই বিশাল অর্থ ফেরত প্রক্রিয়া মার্কিন বাজারে পণ্য সরবরাহকারী রপ্তানিকারকদের আত্মবিশ্বাস জোগাবে, বিশেষ করে বাংলাদেশের পোশাক খাতের মতো বড় অংশীদারদের জন্য এটি একটি ইতিবাচক বার্তা হিসেবে দেখা হচ্ছে |




