কাউকে ফাঁসিকাষ্ঠে ঝুলিয়ে আমার লাভ নাই: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

কাউকে ফাঁসিকাষ্ঠে ঝুলিয়ে আমার লাভ নাই: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
বিশেষ প্রতিনিধি

আমাকে আমার মানুষকে বাঁচাতে হবে। আমার শিশুদেরকে বাঁচাতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার সাখাওয়াত হোসেন বকুল। তিনি বলেছেন, বর্তমান নিয়ে কাজ করছি। অতীত নিয়ে আমি ঘাটাঘাটি করতে চাই না। কাউকে ফাঁসিকাষ্ঠে ঝুঁলিয়ে আমার কোনো লাভ নেই।
শনিবার (৪ মার্চ) দুপুরে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত সংবাদ ব্রিফিংয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী এ কথা বলেন।
দেশব্যাপী হামে আক্রান্ত হয়ে শিশুর মৃত্যু এবং টিকা কার্যক্রম নিয়ে প্রশ্নের মুখে পড়েছে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। বিগত সরকারের আমলে টিকা কার্যক্রম ঝিমিয়ে পড়ায় বর্তমানে এর নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে। তবে সরকার দ্রুততার সঙ্গে হামের টিকা দেওয়ার ব্যবস্থা করেছে। আগামীকাল রবিবার (৫ মার্চ) থেকে দেশের অধিক ঝুঁকিপূর্ণ ৩০টি জেলায় হামের টিকা দেওয়া শুরু হবে।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, দেশের ৩০টি ঝুঁকিপূর্ণ জেলায় আগামীকাল রবিবার (৫ এপ্রিল) ৬ মাস থেকে ৫৯ মাস বয়সী শিশুদের হামের টিকা দেওয়া শুরু হচ্ছে। পর্যায়ক্রমে এই টিকা সারা দেশে দেওয়া হবে। যেসব শিশুকে অসুস্থ অবস্থায় টিকা দেওয়া হবে, তাদের হামের টিকার পাশাপাশি ভিটামিন এ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে। তবে যারা সুস্থ তাদের ভিটামিন এ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে না।
স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের এক লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে পরামর্শক্রমে জাতীয় টিকাদান বিষয়ক কারিগরি পরামর্শক কমিটি জরুরি হাম-রুবেলা টিকাদান কার্যক্রম গ্রহণের সুপারিশ করেছে। এই কার্যক্রম একটি সমন্বিত প্রতিরোধ পরিকল্পনার অংশ। এর লক্ষ্য দ্রুত সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণ করা এবং ঝুঁকিতে থাকা শিশুদের সুরক্ষা নিশ্চিত করা।
আগামীকাল সকাল ৯টায় দেশের ৫টি স্থানে জরুরি টিকাদান কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন হবে। স্বাস্থ্যমন্ত্রী নবাবগঞ্জে এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কক্সবাজারে এই কার্যক্রমের উদ্বোধন করবেন। এছাড়া স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী পাবনা সদরে, বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা ঝালকাঠির নলছিটিতে এবং স্বাস্থ্য সচিব গাজীপুরে উদ্বোধন করবেন।
৫ বছরের কম বয়সী সব শিশুকে নির্ধারিত টিকাদান কেন্দ্রে নিয়ে আসার জন্য অভিভাবকদের অনুরোধ জানানো হয়েছে। তবে যেসব শিশুর জ্বর আছে বা বর্তমানে অসুস্থ, তাদেরকে এই সময় টিকা দেওয়া হবে না। তারা সম্পূর্ণ সুস্থ হওয়ার পর টিকা নেবে।

আমাকে আমার মানুষকে বাঁচাতে হবে। আমার শিশুদেরকে বাঁচাতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার সাখাওয়াত হোসেন বকুল। তিনি বলেছেন, বর্তমান নিয়ে কাজ করছি। অতীত নিয়ে আমি ঘাটাঘাটি করতে চাই না। কাউকে ফাঁসিকাষ্ঠে ঝুঁলিয়ে আমার কোনো লাভ নেই।
শনিবার (৪ মার্চ) দুপুরে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত সংবাদ ব্রিফিংয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী এ কথা বলেন।
দেশব্যাপী হামে আক্রান্ত হয়ে শিশুর মৃত্যু এবং টিকা কার্যক্রম নিয়ে প্রশ্নের মুখে পড়েছে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। বিগত সরকারের আমলে টিকা কার্যক্রম ঝিমিয়ে পড়ায় বর্তমানে এর নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে। তবে সরকার দ্রুততার সঙ্গে হামের টিকা দেওয়ার ব্যবস্থা করেছে। আগামীকাল রবিবার (৫ মার্চ) থেকে দেশের অধিক ঝুঁকিপূর্ণ ৩০টি জেলায় হামের টিকা দেওয়া শুরু হবে।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, দেশের ৩০টি ঝুঁকিপূর্ণ জেলায় আগামীকাল রবিবার (৫ এপ্রিল) ৬ মাস থেকে ৫৯ মাস বয়সী শিশুদের হামের টিকা দেওয়া শুরু হচ্ছে। পর্যায়ক্রমে এই টিকা সারা দেশে দেওয়া হবে। যেসব শিশুকে অসুস্থ অবস্থায় টিকা দেওয়া হবে, তাদের হামের টিকার পাশাপাশি ভিটামিন এ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে। তবে যারা সুস্থ তাদের ভিটামিন এ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে না।
স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের এক লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে পরামর্শক্রমে জাতীয় টিকাদান বিষয়ক কারিগরি পরামর্শক কমিটি জরুরি হাম-রুবেলা টিকাদান কার্যক্রম গ্রহণের সুপারিশ করেছে। এই কার্যক্রম একটি সমন্বিত প্রতিরোধ পরিকল্পনার অংশ। এর লক্ষ্য দ্রুত সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণ করা এবং ঝুঁকিতে থাকা শিশুদের সুরক্ষা নিশ্চিত করা।
আগামীকাল সকাল ৯টায় দেশের ৫টি স্থানে জরুরি টিকাদান কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন হবে। স্বাস্থ্যমন্ত্রী নবাবগঞ্জে এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কক্সবাজারে এই কার্যক্রমের উদ্বোধন করবেন। এছাড়া স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী পাবনা সদরে, বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা ঝালকাঠির নলছিটিতে এবং স্বাস্থ্য সচিব গাজীপুরে উদ্বোধন করবেন।
৫ বছরের কম বয়সী সব শিশুকে নির্ধারিত টিকাদান কেন্দ্রে নিয়ে আসার জন্য অভিভাবকদের অনুরোধ জানানো হয়েছে। তবে যেসব শিশুর জ্বর আছে বা বর্তমানে অসুস্থ, তাদেরকে এই সময় টিকা দেওয়া হবে না। তারা সম্পূর্ণ সুস্থ হওয়ার পর টিকা নেবে।

কাউকে ফাঁসিকাষ্ঠে ঝুলিয়ে আমার লাভ নাই: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
বিশেষ প্রতিনিধি

আমাকে আমার মানুষকে বাঁচাতে হবে। আমার শিশুদেরকে বাঁচাতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার সাখাওয়াত হোসেন বকুল। তিনি বলেছেন, বর্তমান নিয়ে কাজ করছি। অতীত নিয়ে আমি ঘাটাঘাটি করতে চাই না। কাউকে ফাঁসিকাষ্ঠে ঝুঁলিয়ে আমার কোনো লাভ নেই।
শনিবার (৪ মার্চ) দুপুরে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত সংবাদ ব্রিফিংয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী এ কথা বলেন।
দেশব্যাপী হামে আক্রান্ত হয়ে শিশুর মৃত্যু এবং টিকা কার্যক্রম নিয়ে প্রশ্নের মুখে পড়েছে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। বিগত সরকারের আমলে টিকা কার্যক্রম ঝিমিয়ে পড়ায় বর্তমানে এর নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে। তবে সরকার দ্রুততার সঙ্গে হামের টিকা দেওয়ার ব্যবস্থা করেছে। আগামীকাল রবিবার (৫ মার্চ) থেকে দেশের অধিক ঝুঁকিপূর্ণ ৩০টি জেলায় হামের টিকা দেওয়া শুরু হবে।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, দেশের ৩০টি ঝুঁকিপূর্ণ জেলায় আগামীকাল রবিবার (৫ এপ্রিল) ৬ মাস থেকে ৫৯ মাস বয়সী শিশুদের হামের টিকা দেওয়া শুরু হচ্ছে। পর্যায়ক্রমে এই টিকা সারা দেশে দেওয়া হবে। যেসব শিশুকে অসুস্থ অবস্থায় টিকা দেওয়া হবে, তাদের হামের টিকার পাশাপাশি ভিটামিন এ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে। তবে যারা সুস্থ তাদের ভিটামিন এ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে না।
স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের এক লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে পরামর্শক্রমে জাতীয় টিকাদান বিষয়ক কারিগরি পরামর্শক কমিটি জরুরি হাম-রুবেলা টিকাদান কার্যক্রম গ্রহণের সুপারিশ করেছে। এই কার্যক্রম একটি সমন্বিত প্রতিরোধ পরিকল্পনার অংশ। এর লক্ষ্য দ্রুত সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণ করা এবং ঝুঁকিতে থাকা শিশুদের সুরক্ষা নিশ্চিত করা।
আগামীকাল সকাল ৯টায় দেশের ৫টি স্থানে জরুরি টিকাদান কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন হবে। স্বাস্থ্যমন্ত্রী নবাবগঞ্জে এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কক্সবাজারে এই কার্যক্রমের উদ্বোধন করবেন। এছাড়া স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী পাবনা সদরে, বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা ঝালকাঠির নলছিটিতে এবং স্বাস্থ্য সচিব গাজীপুরে উদ্বোধন করবেন।
৫ বছরের কম বয়সী সব শিশুকে নির্ধারিত টিকাদান কেন্দ্রে নিয়ে আসার জন্য অভিভাবকদের অনুরোধ জানানো হয়েছে। তবে যেসব শিশুর জ্বর আছে বা বর্তমানে অসুস্থ, তাদেরকে এই সময় টিকা দেওয়া হবে না। তারা সম্পূর্ণ সুস্থ হওয়ার পর টিকা নেবে।




