হামে শিশুমৃত্যু রোধে ‘বাবল সিপ্যাপ’ ব্যবহারের পরামর্শ

হামে শিশুমৃত্যু রোধে ‘বাবল সিপ্যাপ’ ব্যবহারের পরামর্শ
বিশেষ প্রতিনিধি

দেশে সাম্প্রতিক হামের প্রাদুর্ভাব ও নিউমোনিয়াজনিত শিশুমৃত্যু রোধে আন্তর্জাতিক উদরাময় গবেষণা প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ (আইসিডিডিআর,বি) এর পক্ষ থেকে পরিস্থিতি মোকাবিলায় উদ্ভাবনী ও সাশ্রয়ী ‘বাবল সিপ্যাপ’ প্রযুক্তি ব্যবহারের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। যা শিশুদের শ্বাসকষ্টজনিত জটিলতা কমাতে অত্যন্ত কার্যকর।
মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মোঃ সাখাওয়াত হোসেনের সঙ্গে মন্ত্রণালয়ে তার অফিস কক্ষে এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে এই সহায়তার কথা জানানো হয়।
বৈঠকে আইসিডিডিআর,বির নির্বাহী পরিচালক ড. তাহমিদ আহমেদ স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে জানান, বর্তমানে আক্রান্তদের মধ্যে ৬ মাস থেকে ৩ বছর বয়সী শিশুদের ঝুঁকি সবচেয়ে বেশি। হাসপাতালে ভর্তি হওয়া হাম আক্রান্তদের প্রায় ৩০ শতাংশ নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হচ্ছে। এই সংকট উত্তরণে আইসিডিডিআর,বি-র নিজস্ব উদ্ভাবন ‘বাবল সিপ্যাপ’ ব্যবহারের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
বিশ্বখ্যাত চিকিৎসা সাময়িকী ‘দ্য ল্যানসেট’-এ প্রকাশিত আইসিডিডিআর,বি-র গবেষণা অনুযায়ী, এই প্রযুক্তি প্রচলিত মেকানিক্যাল ভেন্টিলেটরের তুলনায় অনেক বেশি সাশ্রয়ী। এর প্রতিটি ইউনিটের নির্মাণ খরচ মাত্র ৩০০ টাকার মতো।
বাংলাদেশ এবং ইথিওপিয়ার গবেষণায় প্রমাণিত যে, এটি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা কর্তৃক সুপারিশকৃত সাধারণ অক্সিজেন পদ্ধতির চেয়ে অনেক বেশি কার্যকরভাবে শিশুর প্রাণ বাঁচাতে সক্ষম।
বৈঠকে আইসিডিডিআর,বি-র নির্বাহী পরিচালক ড. তাহমিদ আহমেদ, সিনিয়র সায়েন্টিস্ট ড. জুবায়ের চিশতী এবং শিশু হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউট-এর পরিচালক অধ্যাপক ডাঃ মোঃ মাহবুবুল হক উপস্থিত ছিলেন। আইসিডিডিআর,বি-র এই প্রস্তাবের প্রেক্ষিতে স্বাস্থ্য মন্ত্রী দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণের নির্দেশ প্রদান করেন।
পরে মঙ্গলবার দুপুরে এই পরিকল্পনা ও উদ্যোগ বাস্তবায়নে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে দেশের ৩০টিরও বেশি সরকারি হাসপাতালের পরিচালক ও বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত বিশেষ সভায় ড. জুবায়ের চিশতী ‘বাবল সিপ্যাপের’ বৈজ্ঞানিক শ্রেষ্ঠত্ব ব্যাখ্যা করেন।
এ সময় অধ্যাপক ডা. মোঃ মাহবুবুল হক এবং অধ্যাপক ডা. মোঃ মুজিবুর রহমান (পরিচালক, আইসিএমএইচ মাতুয়াইল) তাদের নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানে এই প্রযুক্তি ব্যবহারের সফল অভিজ্ঞতা ও জীবন রক্ষাকারী দিকগুলো তুলে ধরেন।
সরকারের এই মহতী উদ্যোগ বাস্তবায়নে আইসিডিডিআর,বি কারিগরি অংশীদার হিসেবে প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ ও সহায়তার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। মন্ত্রীর নির্দেশ অনুযায়ী আগামী বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) থেকে শিশু হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউট-এ অধ্যাপক মাহবুবুল হকের তত্ত্বাবধানে প্রথম পর্যায়ের প্রশিক্ষণ কর্মসূচি শুরু হবে।
স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের যুগ্ম সচিব ড. মুহাম্মদ মুস্তাফিজুর রহমান এবং স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল) ডা. আবু হোসাইন মোঃ মইনুল আহসান এই সামগ্রিক কার্যক্রমের সমন্বয় করবেন।
জনস্বাস্থ্যের সুরক্ষায় এবং শিশুদের জীবন বাঁচাতে আইসিডিডিআর,বি নিরলসভাবে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ও অধ্যাপক মাহবুবুল হক-এর দলের সঙ্গে কাজ করে যাওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছে।

দেশে সাম্প্রতিক হামের প্রাদুর্ভাব ও নিউমোনিয়াজনিত শিশুমৃত্যু রোধে আন্তর্জাতিক উদরাময় গবেষণা প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ (আইসিডিডিআর,বি) এর পক্ষ থেকে পরিস্থিতি মোকাবিলায় উদ্ভাবনী ও সাশ্রয়ী ‘বাবল সিপ্যাপ’ প্রযুক্তি ব্যবহারের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। যা শিশুদের শ্বাসকষ্টজনিত জটিলতা কমাতে অত্যন্ত কার্যকর।
মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মোঃ সাখাওয়াত হোসেনের সঙ্গে মন্ত্রণালয়ে তার অফিস কক্ষে এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে এই সহায়তার কথা জানানো হয়।
বৈঠকে আইসিডিডিআর,বির নির্বাহী পরিচালক ড. তাহমিদ আহমেদ স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে জানান, বর্তমানে আক্রান্তদের মধ্যে ৬ মাস থেকে ৩ বছর বয়সী শিশুদের ঝুঁকি সবচেয়ে বেশি। হাসপাতালে ভর্তি হওয়া হাম আক্রান্তদের প্রায় ৩০ শতাংশ নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হচ্ছে। এই সংকট উত্তরণে আইসিডিডিআর,বি-র নিজস্ব উদ্ভাবন ‘বাবল সিপ্যাপ’ ব্যবহারের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
বিশ্বখ্যাত চিকিৎসা সাময়িকী ‘দ্য ল্যানসেট’-এ প্রকাশিত আইসিডিডিআর,বি-র গবেষণা অনুযায়ী, এই প্রযুক্তি প্রচলিত মেকানিক্যাল ভেন্টিলেটরের তুলনায় অনেক বেশি সাশ্রয়ী। এর প্রতিটি ইউনিটের নির্মাণ খরচ মাত্র ৩০০ টাকার মতো।
বাংলাদেশ এবং ইথিওপিয়ার গবেষণায় প্রমাণিত যে, এটি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা কর্তৃক সুপারিশকৃত সাধারণ অক্সিজেন পদ্ধতির চেয়ে অনেক বেশি কার্যকরভাবে শিশুর প্রাণ বাঁচাতে সক্ষম।
বৈঠকে আইসিডিডিআর,বি-র নির্বাহী পরিচালক ড. তাহমিদ আহমেদ, সিনিয়র সায়েন্টিস্ট ড. জুবায়ের চিশতী এবং শিশু হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউট-এর পরিচালক অধ্যাপক ডাঃ মোঃ মাহবুবুল হক উপস্থিত ছিলেন। আইসিডিডিআর,বি-র এই প্রস্তাবের প্রেক্ষিতে স্বাস্থ্য মন্ত্রী দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণের নির্দেশ প্রদান করেন।
পরে মঙ্গলবার দুপুরে এই পরিকল্পনা ও উদ্যোগ বাস্তবায়নে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে দেশের ৩০টিরও বেশি সরকারি হাসপাতালের পরিচালক ও বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত বিশেষ সভায় ড. জুবায়ের চিশতী ‘বাবল সিপ্যাপের’ বৈজ্ঞানিক শ্রেষ্ঠত্ব ব্যাখ্যা করেন।
এ সময় অধ্যাপক ডা. মোঃ মাহবুবুল হক এবং অধ্যাপক ডা. মোঃ মুজিবুর রহমান (পরিচালক, আইসিএমএইচ মাতুয়াইল) তাদের নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানে এই প্রযুক্তি ব্যবহারের সফল অভিজ্ঞতা ও জীবন রক্ষাকারী দিকগুলো তুলে ধরেন।
সরকারের এই মহতী উদ্যোগ বাস্তবায়নে আইসিডিডিআর,বি কারিগরি অংশীদার হিসেবে প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ ও সহায়তার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। মন্ত্রীর নির্দেশ অনুযায়ী আগামী বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) থেকে শিশু হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউট-এ অধ্যাপক মাহবুবুল হকের তত্ত্বাবধানে প্রথম পর্যায়ের প্রশিক্ষণ কর্মসূচি শুরু হবে।
স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের যুগ্ম সচিব ড. মুহাম্মদ মুস্তাফিজুর রহমান এবং স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল) ডা. আবু হোসাইন মোঃ মইনুল আহসান এই সামগ্রিক কার্যক্রমের সমন্বয় করবেন।
জনস্বাস্থ্যের সুরক্ষায় এবং শিশুদের জীবন বাঁচাতে আইসিডিডিআর,বি নিরলসভাবে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ও অধ্যাপক মাহবুবুল হক-এর দলের সঙ্গে কাজ করে যাওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছে।

হামে শিশুমৃত্যু রোধে ‘বাবল সিপ্যাপ’ ব্যবহারের পরামর্শ
বিশেষ প্রতিনিধি

দেশে সাম্প্রতিক হামের প্রাদুর্ভাব ও নিউমোনিয়াজনিত শিশুমৃত্যু রোধে আন্তর্জাতিক উদরাময় গবেষণা প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ (আইসিডিডিআর,বি) এর পক্ষ থেকে পরিস্থিতি মোকাবিলায় উদ্ভাবনী ও সাশ্রয়ী ‘বাবল সিপ্যাপ’ প্রযুক্তি ব্যবহারের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। যা শিশুদের শ্বাসকষ্টজনিত জটিলতা কমাতে অত্যন্ত কার্যকর।
মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মোঃ সাখাওয়াত হোসেনের সঙ্গে মন্ত্রণালয়ে তার অফিস কক্ষে এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে এই সহায়তার কথা জানানো হয়।
বৈঠকে আইসিডিডিআর,বির নির্বাহী পরিচালক ড. তাহমিদ আহমেদ স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে জানান, বর্তমানে আক্রান্তদের মধ্যে ৬ মাস থেকে ৩ বছর বয়সী শিশুদের ঝুঁকি সবচেয়ে বেশি। হাসপাতালে ভর্তি হওয়া হাম আক্রান্তদের প্রায় ৩০ শতাংশ নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হচ্ছে। এই সংকট উত্তরণে আইসিডিডিআর,বি-র নিজস্ব উদ্ভাবন ‘বাবল সিপ্যাপ’ ব্যবহারের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
বিশ্বখ্যাত চিকিৎসা সাময়িকী ‘দ্য ল্যানসেট’-এ প্রকাশিত আইসিডিডিআর,বি-র গবেষণা অনুযায়ী, এই প্রযুক্তি প্রচলিত মেকানিক্যাল ভেন্টিলেটরের তুলনায় অনেক বেশি সাশ্রয়ী। এর প্রতিটি ইউনিটের নির্মাণ খরচ মাত্র ৩০০ টাকার মতো।
বাংলাদেশ এবং ইথিওপিয়ার গবেষণায় প্রমাণিত যে, এটি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা কর্তৃক সুপারিশকৃত সাধারণ অক্সিজেন পদ্ধতির চেয়ে অনেক বেশি কার্যকরভাবে শিশুর প্রাণ বাঁচাতে সক্ষম।
বৈঠকে আইসিডিডিআর,বি-র নির্বাহী পরিচালক ড. তাহমিদ আহমেদ, সিনিয়র সায়েন্টিস্ট ড. জুবায়ের চিশতী এবং শিশু হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউট-এর পরিচালক অধ্যাপক ডাঃ মোঃ মাহবুবুল হক উপস্থিত ছিলেন। আইসিডিডিআর,বি-র এই প্রস্তাবের প্রেক্ষিতে স্বাস্থ্য মন্ত্রী দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণের নির্দেশ প্রদান করেন।
পরে মঙ্গলবার দুপুরে এই পরিকল্পনা ও উদ্যোগ বাস্তবায়নে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে দেশের ৩০টিরও বেশি সরকারি হাসপাতালের পরিচালক ও বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত বিশেষ সভায় ড. জুবায়ের চিশতী ‘বাবল সিপ্যাপের’ বৈজ্ঞানিক শ্রেষ্ঠত্ব ব্যাখ্যা করেন।
এ সময় অধ্যাপক ডা. মোঃ মাহবুবুল হক এবং অধ্যাপক ডা. মোঃ মুজিবুর রহমান (পরিচালক, আইসিএমএইচ মাতুয়াইল) তাদের নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানে এই প্রযুক্তি ব্যবহারের সফল অভিজ্ঞতা ও জীবন রক্ষাকারী দিকগুলো তুলে ধরেন।
সরকারের এই মহতী উদ্যোগ বাস্তবায়নে আইসিডিডিআর,বি কারিগরি অংশীদার হিসেবে প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ ও সহায়তার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। মন্ত্রীর নির্দেশ অনুযায়ী আগামী বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) থেকে শিশু হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউট-এ অধ্যাপক মাহবুবুল হকের তত্ত্বাবধানে প্রথম পর্যায়ের প্রশিক্ষণ কর্মসূচি শুরু হবে।
স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের যুগ্ম সচিব ড. মুহাম্মদ মুস্তাফিজুর রহমান এবং স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল) ডা. আবু হোসাইন মোঃ মইনুল আহসান এই সামগ্রিক কার্যক্রমের সমন্বয় করবেন।
জনস্বাস্থ্যের সুরক্ষায় এবং শিশুদের জীবন বাঁচাতে আইসিডিডিআর,বি নিরলসভাবে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ও অধ্যাপক মাহবুবুল হক-এর দলের সঙ্গে কাজ করে যাওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছে।




