আন্তর্জাতিক নার্স দিবসে ক্ষমতায়ন ও পদোন্নতির দাবি
সিটিজেন ডেস্ক

আন্তর্জাতিক নার্স দিবসে ক্ষমতায়ন ও পদোন্নতির দাবি
সিটিজেন ডেস্ক
প্রকাশ : ১১ মে ২০২৬, ২১: ১৩

ছবি: সংগৃহীত
আন্তর্জাতিক নার্স দিবসে দেশে নার্সদের ক্ষমতায়ন, নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে অন্তর্ভুক্তি এবং পদোন্নতির সুযোগ নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছে সোসাইটি ফর নার্সেস সেফটি অ্যান্ড রাইটস (এসএনএসআর)। সংগঠনটি বলছে, দীর্ঘদিন ধরে বৈষম্য, জনবল সংকট ও পদোন্নতিবঞ্চনার কারণে দেশের নার্সিং খাত সংকটের মুখে পড়েছে।
আজ মঙ্গলবার (১১ মে) আন্তর্জাতিক নার্স দিবস উপলক্ষে দেওয়া এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব দাবি তুলে ধরা হয়। এবারের দিবসের প্রতিপাদ্য— ‘আমাদের নার্স, আমাদের ভবিষ্যৎ: জীবন রক্ষায় প্রয়োজন নার্সদের ক্ষমতায়ন’।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, করোনা মহামারির পর বিশ্বজুড়ে নার্সদের ভূমিকা নতুনভাবে গুরুত্ব পেয়েছে। রোগীদের সবচেয়ে কাছাকাছি থেকে কাজ করায় স্বাস্থ্যনীতি প্রণয়নে নার্সদের অংশগ্রহণ বাড়ানো জরুরি বলে মনে করছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ও আন্তর্জাতিক নার্সিং কাউন্সিল।
সংগঠনটির দাবি, বাংলাদেশে সরকারি ও বেসরকারি স্বাস্থ্যনীতি নির্ধারণে নার্সদের অংশগ্রহণ প্রায় নেই। অথচ করোনা, ডেঙ্গু ও হামসহ বিভিন্ন সংকটে সম্মুখসারিতে কাজ করেছেন নার্সরা।
এসএনএসআরের এক জরিপের তথ্য তুলে ধরে বলা হয়, দেশের প্রায় ৯৯ শতাংশ নার্স কর্মক্ষেত্রে অবমূল্যায়নের শিকার বলে মনে করেন। ৯৪ শতাংশ নার্স মানসিক চাপে ভুগছেন এবং ৯২ শতাংশ নার্স অতিরিক্ত কাজের চাপের তুলনায় কম বেতনে কাজ করছেন।
সংগঠনটি জানায়, দেশে বর্তমানে নিবন্ধিত নার্স রয়েছেন প্রায় ১ লাখ ২০ হাজার। অথচ প্রয়োজন অন্তত ৪ লাখ ২০ হাজার নার্স। অর্থাৎ প্রায় ৩ লাখ নার্সের ঘাটতি রয়েছে।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, অধিকাংশ সরকারি নার্স চাকরিজীবনে কোনো পদোন্নতি পান না। একজন নার্স যে পদে চাকরিতে যোগ দেন, একই পদে অবসরে যান। পাশাপাশি ৯০ শতাংশ নার্সের আবাসন সুবিধা নেই এবং এখনো ঝুঁকি ভাতা চালু হয়নি।
এসএনএসআরের মহাসচিব সাব্বির মাহমুদ তিহান বলেন, নার্সদের ক্ষমতায়ন নিশ্চিত না হলে দেশের স্বাস্থ্যব্যবস্থা ভবিষ্যতে আরও বড় সংকটে পড়তে পারে। তিনি নার্সদের নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে অন্তর্ভুক্ত করে রোগীবান্ধব স্বাস্থ্যনীতি প্রণয়নের দাবি জানান।

আন্তর্জাতিক নার্স দিবসে দেশে নার্সদের ক্ষমতায়ন, নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে অন্তর্ভুক্তি এবং পদোন্নতির সুযোগ নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছে সোসাইটি ফর নার্সেস সেফটি অ্যান্ড রাইটস (এসএনএসআর)। সংগঠনটি বলছে, দীর্ঘদিন ধরে বৈষম্য, জনবল সংকট ও পদোন্নতিবঞ্চনার কারণে দেশের নার্সিং খাত সংকটের মুখে পড়েছে।
আজ মঙ্গলবার (১১ মে) আন্তর্জাতিক নার্স দিবস উপলক্ষে দেওয়া এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব দাবি তুলে ধরা হয়। এবারের দিবসের প্রতিপাদ্য— ‘আমাদের নার্স, আমাদের ভবিষ্যৎ: জীবন রক্ষায় প্রয়োজন নার্সদের ক্ষমতায়ন’।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, করোনা মহামারির পর বিশ্বজুড়ে নার্সদের ভূমিকা নতুনভাবে গুরুত্ব পেয়েছে। রোগীদের সবচেয়ে কাছাকাছি থেকে কাজ করায় স্বাস্থ্যনীতি প্রণয়নে নার্সদের অংশগ্রহণ বাড়ানো জরুরি বলে মনে করছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ও আন্তর্জাতিক নার্সিং কাউন্সিল।
সংগঠনটির দাবি, বাংলাদেশে সরকারি ও বেসরকারি স্বাস্থ্যনীতি নির্ধারণে নার্সদের অংশগ্রহণ প্রায় নেই। অথচ করোনা, ডেঙ্গু ও হামসহ বিভিন্ন সংকটে সম্মুখসারিতে কাজ করেছেন নার্সরা।
এসএনএসআরের এক জরিপের তথ্য তুলে ধরে বলা হয়, দেশের প্রায় ৯৯ শতাংশ নার্স কর্মক্ষেত্রে অবমূল্যায়নের শিকার বলে মনে করেন। ৯৪ শতাংশ নার্স মানসিক চাপে ভুগছেন এবং ৯২ শতাংশ নার্স অতিরিক্ত কাজের চাপের তুলনায় কম বেতনে কাজ করছেন।
সংগঠনটি জানায়, দেশে বর্তমানে নিবন্ধিত নার্স রয়েছেন প্রায় ১ লাখ ২০ হাজার। অথচ প্রয়োজন অন্তত ৪ লাখ ২০ হাজার নার্স। অর্থাৎ প্রায় ৩ লাখ নার্সের ঘাটতি রয়েছে।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, অধিকাংশ সরকারি নার্স চাকরিজীবনে কোনো পদোন্নতি পান না। একজন নার্স যে পদে চাকরিতে যোগ দেন, একই পদে অবসরে যান। পাশাপাশি ৯০ শতাংশ নার্সের আবাসন সুবিধা নেই এবং এখনো ঝুঁকি ভাতা চালু হয়নি।
এসএনএসআরের মহাসচিব সাব্বির মাহমুদ তিহান বলেন, নার্সদের ক্ষমতায়ন নিশ্চিত না হলে দেশের স্বাস্থ্যব্যবস্থা ভবিষ্যতে আরও বড় সংকটে পড়তে পারে। তিনি নার্সদের নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে অন্তর্ভুক্ত করে রোগীবান্ধব স্বাস্থ্যনীতি প্রণয়নের দাবি জানান।

আন্তর্জাতিক নার্স দিবসে ক্ষমতায়ন ও পদোন্নতির দাবি
সিটিজেন ডেস্ক
প্রকাশ : ১১ মে ২০২৬, ২১: ১৩

ছবি: সংগৃহীত
আন্তর্জাতিক নার্স দিবসে দেশে নার্সদের ক্ষমতায়ন, নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে অন্তর্ভুক্তি এবং পদোন্নতির সুযোগ নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছে সোসাইটি ফর নার্সেস সেফটি অ্যান্ড রাইটস (এসএনএসআর)। সংগঠনটি বলছে, দীর্ঘদিন ধরে বৈষম্য, জনবল সংকট ও পদোন্নতিবঞ্চনার কারণে দেশের নার্সিং খাত সংকটের মুখে পড়েছে।
আজ মঙ্গলবার (১১ মে) আন্তর্জাতিক নার্স দিবস উপলক্ষে দেওয়া এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব দাবি তুলে ধরা হয়। এবারের দিবসের প্রতিপাদ্য— ‘আমাদের নার্স, আমাদের ভবিষ্যৎ: জীবন রক্ষায় প্রয়োজন নার্সদের ক্ষমতায়ন’।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, করোনা মহামারির পর বিশ্বজুড়ে নার্সদের ভূমিকা নতুনভাবে গুরুত্ব পেয়েছে। রোগীদের সবচেয়ে কাছাকাছি থেকে কাজ করায় স্বাস্থ্যনীতি প্রণয়নে নার্সদের অংশগ্রহণ বাড়ানো জরুরি বলে মনে করছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ও আন্তর্জাতিক নার্সিং কাউন্সিল।
সংগঠনটির দাবি, বাংলাদেশে সরকারি ও বেসরকারি স্বাস্থ্যনীতি নির্ধারণে নার্সদের অংশগ্রহণ প্রায় নেই। অথচ করোনা, ডেঙ্গু ও হামসহ বিভিন্ন সংকটে সম্মুখসারিতে কাজ করেছেন নার্সরা।
এসএনএসআরের এক জরিপের তথ্য তুলে ধরে বলা হয়, দেশের প্রায় ৯৯ শতাংশ নার্স কর্মক্ষেত্রে অবমূল্যায়নের শিকার বলে মনে করেন। ৯৪ শতাংশ নার্স মানসিক চাপে ভুগছেন এবং ৯২ শতাংশ নার্স অতিরিক্ত কাজের চাপের তুলনায় কম বেতনে কাজ করছেন।
সংগঠনটি জানায়, দেশে বর্তমানে নিবন্ধিত নার্স রয়েছেন প্রায় ১ লাখ ২০ হাজার। অথচ প্রয়োজন অন্তত ৪ লাখ ২০ হাজার নার্স। অর্থাৎ প্রায় ৩ লাখ নার্সের ঘাটতি রয়েছে।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, অধিকাংশ সরকারি নার্স চাকরিজীবনে কোনো পদোন্নতি পান না। একজন নার্স যে পদে চাকরিতে যোগ দেন, একই পদে অবসরে যান। পাশাপাশি ৯০ শতাংশ নার্সের আবাসন সুবিধা নেই এবং এখনো ঝুঁকি ভাতা চালু হয়নি।
এসএনএসআরের মহাসচিব সাব্বির মাহমুদ তিহান বলেন, নার্সদের ক্ষমতায়ন নিশ্চিত না হলে দেশের স্বাস্থ্যব্যবস্থা ভবিষ্যতে আরও বড় সংকটে পড়তে পারে। তিনি নার্সদের নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে অন্তর্ভুক্ত করে রোগীবান্ধব স্বাস্থ্যনীতি প্রণয়নের দাবি জানান।
/এমআর/




