খামেনি হত্যার প্রতিবাদে করাচিতে মার্কিন কনস্যুলেটে বিক্ষোভ, নিহত ৯

খামেনি হত্যার প্রতিবাদে করাচিতে মার্কিন কনস্যুলেটে বিক্ষোভ, নিহত ৯
সিটিজেন ডেস্ক

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি হত্যার প্রতিবাদে পাকিস্তানের করাচিতে মার্কিন কনস্যুলেটের সামনে বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সংঘর্ষ হয়। এতে অন্তত নয়জন নিহত হয়েছেন। রবিবার (১ মার্চ) এ ঘটনা ঘটে ।
করাচির সিভিল হাসপাতালের ট্রমা সেন্টারের নির্বাহী পরিচালক নিহতের তথ্য নিশ্চিত করেছেন। পাকিস্তানি সংবাদপত্র ডন এ তথ্য জানায়।
প্রতিবেদনে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলায় খামেনি নিহত হওয়ার ঘটনার প্রতিবাদে করাচিতে বিক্ষোভের ডাক দেওয়া হয়। বিক্ষোভকারীরা মার্কিন কনস্যুলেটের দিকে অগ্রসর হলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে তাদের সংঘর্ষ হয়।
করাচির মাই কোলাচি সড়কে অবস্থিত মার্কিন কনস্যুলেট করাচির আশপাশের এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে নিরাপত্তা বাহিনী কাঁদানে গ্যাস ও লাঠিচার্জ করে বলে স্থানীয় সূত্র জানিয়েছে।

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি হত্যার প্রতিবাদে পাকিস্তানের করাচিতে মার্কিন কনস্যুলেটের সামনে বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সংঘর্ষ হয়। এতে অন্তত নয়জন নিহত হয়েছেন। রবিবার (১ মার্চ) এ ঘটনা ঘটে ।
করাচির সিভিল হাসপাতালের ট্রমা সেন্টারের নির্বাহী পরিচালক নিহতের তথ্য নিশ্চিত করেছেন। পাকিস্তানি সংবাদপত্র ডন এ তথ্য জানায়।
প্রতিবেদনে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলায় খামেনি নিহত হওয়ার ঘটনার প্রতিবাদে করাচিতে বিক্ষোভের ডাক দেওয়া হয়। বিক্ষোভকারীরা মার্কিন কনস্যুলেটের দিকে অগ্রসর হলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে তাদের সংঘর্ষ হয়।
করাচির মাই কোলাচি সড়কে অবস্থিত মার্কিন কনস্যুলেট করাচির আশপাশের এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে নিরাপত্তা বাহিনী কাঁদানে গ্যাস ও লাঠিচার্জ করে বলে স্থানীয় সূত্র জানিয়েছে।

খামেনি হত্যার প্রতিবাদে করাচিতে মার্কিন কনস্যুলেটে বিক্ষোভ, নিহত ৯
সিটিজেন ডেস্ক

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি হত্যার প্রতিবাদে পাকিস্তানের করাচিতে মার্কিন কনস্যুলেটের সামনে বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সংঘর্ষ হয়। এতে অন্তত নয়জন নিহত হয়েছেন। রবিবার (১ মার্চ) এ ঘটনা ঘটে ।
করাচির সিভিল হাসপাতালের ট্রমা সেন্টারের নির্বাহী পরিচালক নিহতের তথ্য নিশ্চিত করেছেন। পাকিস্তানি সংবাদপত্র ডন এ তথ্য জানায়।
প্রতিবেদনে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলায় খামেনি নিহত হওয়ার ঘটনার প্রতিবাদে করাচিতে বিক্ষোভের ডাক দেওয়া হয়। বিক্ষোভকারীরা মার্কিন কনস্যুলেটের দিকে অগ্রসর হলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে তাদের সংঘর্ষ হয়।
করাচির মাই কোলাচি সড়কে অবস্থিত মার্কিন কনস্যুলেট করাচির আশপাশের এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে নিরাপত্তা বাহিনী কাঁদানে গ্যাস ও লাঠিচার্জ করে বলে স্থানীয় সূত্র জানিয়েছে।




