ইসরায়েলবিরোধী ইসলামি জোট গঠনের আহ্বান
সিটিজেন ডেস্ক

ইসরায়েলবিরোধী ইসলামি জোট গঠনের আহ্বান
সিটিজেন ডেস্ক
প্রকাশ : ১৫ মে ২০২৬, ১৮: ২৪

সমাবেশে বক্তব্য দিচ্ছেন পাকিস্তানের জমিয়ত উলেমা-ই-ইসলাম-ফজল (জেইউআই-এফ) প্রধান মাওলানা ফজলুর রহমান। ছবি: সংগৃহীত
ইসরায়েলের ক্রমবর্ধমান আগ্রাসনের প্রেক্ষাপটে মুসলিম দেশগুলোকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে একটি শক্তিশালী ইসলামি জোট গঠনের আহ্বান জানিয়েছেন পাকিস্তানের ধর্মভিত্তিক রাজনৈতিক দল জমিয়ত উলেমা-ই-ইসলাম-ফজল (জেইউআই-এফ) প্রধান মাওলানা ফজলুর রহমান।
তিনি বলেছেন, ইরানের বিরুদ্ধে ইসরায়েলের সাম্প্রতিক পদক্ষেপ কেবল একটি দেশের বিরুদ্ধে সীমাবদ্ধ নয়; ভবিষ্যতে এর প্রভাব পাকিস্তানসহ গোটা আরব ও মুসলিম বিশ্বে ছড়িয়ে পড়তে পারে।
বৃহস্পতিবার (১৪ মে) করাচিতে আয়োজিত ‘ওয়াহদাত-ই-উম্মত’ সম্মেলনে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
ফজলুর রহমান বলেন, বর্তমান বৈশ্বিক ও আঞ্চলিক পরিস্থিতিতে মুসলিম বিশ্বকে বিভক্ত থাকার সুযোগ নেই। ইসলামি দেশগুলোর সরকার ও নেতৃত্বকে এখনই অভিন্ন প্রতিরক্ষা, অর্থনৈতিক এবং রাজনৈতিক কৌশল নির্ধারণে একমত হতে হবে। তার ভাষায়, সম্মিলিত স্বার্থ রক্ষা এবং বহুমাত্রিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় মুসলিম দেশগুলোর জন্য একই প্ল্যাটফর্মে আসা সময়ের দাবি।
তিনি আরও বলেন, পাকিস্তান সরকারের সঙ্গে রাজনৈতিক মতভেদ থাকলেও সৌদি আরবের সঙ্গে হওয়া প্রতিরক্ষা চুক্তিকে তার দল স্বাগত জানিয়েছে। একইসঙ্গে তিনি আশা প্রকাশ করেন, ভবিষ্যতে আরও মুসলিম দেশ এই উদ্যোগের সঙ্গে যুক্ত হবে।
জেইউআই-এফ প্রধান বলেন, ‘ইসরায়েলের আগ্রাসন এখন আর শুধু আল-কুদস বা ফিলিস্তিনের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। এটি আরব অঞ্চল পেরিয়ে ইরান পর্যন্ত পৌঁছে গেছে। মুসলিম বিশ্বকে বুঝতে হবে, ইরান আক্রান্ত হলে সেটি কেবল ইরানের সংকট নয়। ইসরায়েল যদি সেখানে সফল হয়, তাহলে ভবিষ্যতে পাকিস্তানও তাদের লক্ষ্যবস্তু হতে পারে।’
আরব বিশ্বের দেশগুলোর প্রতিও ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, পারস্পরিক মতবিরোধ ভুলে মুসলিম দেশগুলোকে একটি সমন্বিত প্রতিরক্ষা ও অর্থনৈতিক কাঠামোর দিকে এগোতে হবে। তিনি দাবি করেন, ইসলামি জোট গঠনের ধারণা দীর্ঘদিন ধরেই জেইউআই-এফের রাজনৈতিক ইশতেহারের অংশ এবং এখন সেই পরিকল্পনাকে বাস্তব রূপ দেওয়ার উপযুক্ত সময়।

ইসরায়েলের ক্রমবর্ধমান আগ্রাসনের প্রেক্ষাপটে মুসলিম দেশগুলোকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে একটি শক্তিশালী ইসলামি জোট গঠনের আহ্বান জানিয়েছেন পাকিস্তানের ধর্মভিত্তিক রাজনৈতিক দল জমিয়ত উলেমা-ই-ইসলাম-ফজল (জেইউআই-এফ) প্রধান মাওলানা ফজলুর রহমান।
তিনি বলেছেন, ইরানের বিরুদ্ধে ইসরায়েলের সাম্প্রতিক পদক্ষেপ কেবল একটি দেশের বিরুদ্ধে সীমাবদ্ধ নয়; ভবিষ্যতে এর প্রভাব পাকিস্তানসহ গোটা আরব ও মুসলিম বিশ্বে ছড়িয়ে পড়তে পারে।
বৃহস্পতিবার (১৪ মে) করাচিতে আয়োজিত ‘ওয়াহদাত-ই-উম্মত’ সম্মেলনে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
ফজলুর রহমান বলেন, বর্তমান বৈশ্বিক ও আঞ্চলিক পরিস্থিতিতে মুসলিম বিশ্বকে বিভক্ত থাকার সুযোগ নেই। ইসলামি দেশগুলোর সরকার ও নেতৃত্বকে এখনই অভিন্ন প্রতিরক্ষা, অর্থনৈতিক এবং রাজনৈতিক কৌশল নির্ধারণে একমত হতে হবে। তার ভাষায়, সম্মিলিত স্বার্থ রক্ষা এবং বহুমাত্রিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় মুসলিম দেশগুলোর জন্য একই প্ল্যাটফর্মে আসা সময়ের দাবি।
তিনি আরও বলেন, পাকিস্তান সরকারের সঙ্গে রাজনৈতিক মতভেদ থাকলেও সৌদি আরবের সঙ্গে হওয়া প্রতিরক্ষা চুক্তিকে তার দল স্বাগত জানিয়েছে। একইসঙ্গে তিনি আশা প্রকাশ করেন, ভবিষ্যতে আরও মুসলিম দেশ এই উদ্যোগের সঙ্গে যুক্ত হবে।
জেইউআই-এফ প্রধান বলেন, ‘ইসরায়েলের আগ্রাসন এখন আর শুধু আল-কুদস বা ফিলিস্তিনের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। এটি আরব অঞ্চল পেরিয়ে ইরান পর্যন্ত পৌঁছে গেছে। মুসলিম বিশ্বকে বুঝতে হবে, ইরান আক্রান্ত হলে সেটি কেবল ইরানের সংকট নয়। ইসরায়েল যদি সেখানে সফল হয়, তাহলে ভবিষ্যতে পাকিস্তানও তাদের লক্ষ্যবস্তু হতে পারে।’
আরব বিশ্বের দেশগুলোর প্রতিও ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, পারস্পরিক মতবিরোধ ভুলে মুসলিম দেশগুলোকে একটি সমন্বিত প্রতিরক্ষা ও অর্থনৈতিক কাঠামোর দিকে এগোতে হবে। তিনি দাবি করেন, ইসলামি জোট গঠনের ধারণা দীর্ঘদিন ধরেই জেইউআই-এফের রাজনৈতিক ইশতেহারের অংশ এবং এখন সেই পরিকল্পনাকে বাস্তব রূপ দেওয়ার উপযুক্ত সময়।

ইসরায়েলবিরোধী ইসলামি জোট গঠনের আহ্বান
সিটিজেন ডেস্ক
প্রকাশ : ১৫ মে ২০২৬, ১৮: ২৪

সমাবেশে বক্তব্য দিচ্ছেন পাকিস্তানের জমিয়ত উলেমা-ই-ইসলাম-ফজল (জেইউআই-এফ) প্রধান মাওলানা ফজলুর রহমান। ছবি: সংগৃহীত
ইসরায়েলের ক্রমবর্ধমান আগ্রাসনের প্রেক্ষাপটে মুসলিম দেশগুলোকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে একটি শক্তিশালী ইসলামি জোট গঠনের আহ্বান জানিয়েছেন পাকিস্তানের ধর্মভিত্তিক রাজনৈতিক দল জমিয়ত উলেমা-ই-ইসলাম-ফজল (জেইউআই-এফ) প্রধান মাওলানা ফজলুর রহমান।
তিনি বলেছেন, ইরানের বিরুদ্ধে ইসরায়েলের সাম্প্রতিক পদক্ষেপ কেবল একটি দেশের বিরুদ্ধে সীমাবদ্ধ নয়; ভবিষ্যতে এর প্রভাব পাকিস্তানসহ গোটা আরব ও মুসলিম বিশ্বে ছড়িয়ে পড়তে পারে।
বৃহস্পতিবার (১৪ মে) করাচিতে আয়োজিত ‘ওয়াহদাত-ই-উম্মত’ সম্মেলনে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
ফজলুর রহমান বলেন, বর্তমান বৈশ্বিক ও আঞ্চলিক পরিস্থিতিতে মুসলিম বিশ্বকে বিভক্ত থাকার সুযোগ নেই। ইসলামি দেশগুলোর সরকার ও নেতৃত্বকে এখনই অভিন্ন প্রতিরক্ষা, অর্থনৈতিক এবং রাজনৈতিক কৌশল নির্ধারণে একমত হতে হবে। তার ভাষায়, সম্মিলিত স্বার্থ রক্ষা এবং বহুমাত্রিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় মুসলিম দেশগুলোর জন্য একই প্ল্যাটফর্মে আসা সময়ের দাবি।
তিনি আরও বলেন, পাকিস্তান সরকারের সঙ্গে রাজনৈতিক মতভেদ থাকলেও সৌদি আরবের সঙ্গে হওয়া প্রতিরক্ষা চুক্তিকে তার দল স্বাগত জানিয়েছে। একইসঙ্গে তিনি আশা প্রকাশ করেন, ভবিষ্যতে আরও মুসলিম দেশ এই উদ্যোগের সঙ্গে যুক্ত হবে।
জেইউআই-এফ প্রধান বলেন, ‘ইসরায়েলের আগ্রাসন এখন আর শুধু আল-কুদস বা ফিলিস্তিনের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। এটি আরব অঞ্চল পেরিয়ে ইরান পর্যন্ত পৌঁছে গেছে। মুসলিম বিশ্বকে বুঝতে হবে, ইরান আক্রান্ত হলে সেটি কেবল ইরানের সংকট নয়। ইসরায়েল যদি সেখানে সফল হয়, তাহলে ভবিষ্যতে পাকিস্তানও তাদের লক্ষ্যবস্তু হতে পারে।’
আরব বিশ্বের দেশগুলোর প্রতিও ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, পারস্পরিক মতবিরোধ ভুলে মুসলিম দেশগুলোকে একটি সমন্বিত প্রতিরক্ষা ও অর্থনৈতিক কাঠামোর দিকে এগোতে হবে। তিনি দাবি করেন, ইসলামি জোট গঠনের ধারণা দীর্ঘদিন ধরেই জেইউআই-এফের রাজনৈতিক ইশতেহারের অংশ এবং এখন সেই পরিকল্পনাকে বাস্তব রূপ দেওয়ার উপযুক্ত সময়।
/এমআর/




