ন্যাটোর আদলে সামরিক জোট গঠনে পাকিস্তানে তোড়জোড়
সিটিজেন ডেস্ক

ন্যাটোর আদলে সামরিক জোট গঠনে পাকিস্তানে তোড়জোড়
সিটিজেন ডেস্ক
প্রকাশ : ১৫ মে ২০২৬, ১৮: ৩১

ন্যাটোর আদলে মুসলিম দেশগুলোর একটি শক্তিশালী সামরিক জোট গঠনে ব্যাপক তোড়জোড় শুরু করেছে পাকিস্তান। ছবি: সংগৃহীত
ন্যাটোর আদলে মুসলিম দেশগুলোর একটি শক্তিশালী সামরিক জোট গঠনে ব্যাপক তোড়জোড় শুরু করেছে পাকিস্তান। এ নিয়ে বেশ কিছুদিন ধরেই কূটনৈতিক তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছে দেশটি।
‘ইসলামিক ন্যাটো’ নামে আলোচিত এই সম্ভাব্য জোটের ভিত্তি হিসেবে দেখা হচ্ছে পাকিস্তান ও সৌদি আরবের মধ্যে স্বাক্ষরিত কৌশলগত পারস্পরিক প্রতিরক্ষা চুক্তিকে।
২০২৫ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ এবং সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের উপস্থিতিতে ‘স্ট্র্যাটেজিক মিউচ্যুয়াল ডিফেন্স এগ্রিমেন্ট’ (এসডিএমএ) স্বাক্ষরিত হয়।
বিশ্লেষকদের মতে, এই চুক্তি শুধু সামরিক সহযোগিতার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়; বরং মধ্যপ্রাচ্য ও দক্ষিণ এশিয়ার নিরাপত্তা বাস্তবতায় এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত বার্তা বহন করছে।
চুক্তির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো- কোনো একটি সদস্য রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে হামলাকে উভয় দেশের বিরুদ্ধে আগ্রাসন হিসেবে বিবেচনা করা হবে। অর্থাৎ যেকোনো বাহ্যিক আক্রমণের জবাবে যৌথ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার আওতায় একসঙ্গে প্রতিক্রিয়া জানানো হবে।
সম্প্রতি পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা আসিফ এক টেলিভিশন সাক্ষাৎকারে জানান, সৌদি আরব ও পাকিস্তানের বিদ্যমান প্রতিরক্ষা কাঠামোর সঙ্গে তুরস্ক ও কাতারকে যুক্ত করার আলোচনা চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, তুরস্ক ও কাতার আনুষ্ঠানিকভাবে যুক্ত হলে এই জোট মধ্যপ্রাচ্য থেকে দক্ষিণ এশিয়া পর্যন্ত বিস্তৃত একটি শক্তিশালী আঞ্চলিক বলয়ে পরিণত হতে পারে। এতে সদস্য দেশগুলোর মধ্যে সামরিক সমন্বয়, অভিন্ন নিরাপত্তা কৌশল এবং যৌথ প্রতিরক্ষা সক্ষমতা আরও জোরদার হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

ন্যাটোর আদলে মুসলিম দেশগুলোর একটি শক্তিশালী সামরিক জোট গঠনে ব্যাপক তোড়জোড় শুরু করেছে পাকিস্তান। এ নিয়ে বেশ কিছুদিন ধরেই কূটনৈতিক তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছে দেশটি।
‘ইসলামিক ন্যাটো’ নামে আলোচিত এই সম্ভাব্য জোটের ভিত্তি হিসেবে দেখা হচ্ছে পাকিস্তান ও সৌদি আরবের মধ্যে স্বাক্ষরিত কৌশলগত পারস্পরিক প্রতিরক্ষা চুক্তিকে।
২০২৫ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ এবং সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের উপস্থিতিতে ‘স্ট্র্যাটেজিক মিউচ্যুয়াল ডিফেন্স এগ্রিমেন্ট’ (এসডিএমএ) স্বাক্ষরিত হয়।
বিশ্লেষকদের মতে, এই চুক্তি শুধু সামরিক সহযোগিতার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়; বরং মধ্যপ্রাচ্য ও দক্ষিণ এশিয়ার নিরাপত্তা বাস্তবতায় এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত বার্তা বহন করছে।
চুক্তির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো- কোনো একটি সদস্য রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে হামলাকে উভয় দেশের বিরুদ্ধে আগ্রাসন হিসেবে বিবেচনা করা হবে। অর্থাৎ যেকোনো বাহ্যিক আক্রমণের জবাবে যৌথ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার আওতায় একসঙ্গে প্রতিক্রিয়া জানানো হবে।
সম্প্রতি পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা আসিফ এক টেলিভিশন সাক্ষাৎকারে জানান, সৌদি আরব ও পাকিস্তানের বিদ্যমান প্রতিরক্ষা কাঠামোর সঙ্গে তুরস্ক ও কাতারকে যুক্ত করার আলোচনা চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, তুরস্ক ও কাতার আনুষ্ঠানিকভাবে যুক্ত হলে এই জোট মধ্যপ্রাচ্য থেকে দক্ষিণ এশিয়া পর্যন্ত বিস্তৃত একটি শক্তিশালী আঞ্চলিক বলয়ে পরিণত হতে পারে। এতে সদস্য দেশগুলোর মধ্যে সামরিক সমন্বয়, অভিন্ন নিরাপত্তা কৌশল এবং যৌথ প্রতিরক্ষা সক্ষমতা আরও জোরদার হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

ন্যাটোর আদলে সামরিক জোট গঠনে পাকিস্তানে তোড়জোড়
সিটিজেন ডেস্ক
প্রকাশ : ১৫ মে ২০২৬, ১৮: ৩১

ন্যাটোর আদলে মুসলিম দেশগুলোর একটি শক্তিশালী সামরিক জোট গঠনে ব্যাপক তোড়জোড় শুরু করেছে পাকিস্তান। ছবি: সংগৃহীত
ন্যাটোর আদলে মুসলিম দেশগুলোর একটি শক্তিশালী সামরিক জোট গঠনে ব্যাপক তোড়জোড় শুরু করেছে পাকিস্তান। এ নিয়ে বেশ কিছুদিন ধরেই কূটনৈতিক তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছে দেশটি।
‘ইসলামিক ন্যাটো’ নামে আলোচিত এই সম্ভাব্য জোটের ভিত্তি হিসেবে দেখা হচ্ছে পাকিস্তান ও সৌদি আরবের মধ্যে স্বাক্ষরিত কৌশলগত পারস্পরিক প্রতিরক্ষা চুক্তিকে।
২০২৫ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ এবং সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের উপস্থিতিতে ‘স্ট্র্যাটেজিক মিউচ্যুয়াল ডিফেন্স এগ্রিমেন্ট’ (এসডিএমএ) স্বাক্ষরিত হয়।
বিশ্লেষকদের মতে, এই চুক্তি শুধু সামরিক সহযোগিতার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়; বরং মধ্যপ্রাচ্য ও দক্ষিণ এশিয়ার নিরাপত্তা বাস্তবতায় এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত বার্তা বহন করছে।
চুক্তির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো- কোনো একটি সদস্য রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে হামলাকে উভয় দেশের বিরুদ্ধে আগ্রাসন হিসেবে বিবেচনা করা হবে। অর্থাৎ যেকোনো বাহ্যিক আক্রমণের জবাবে যৌথ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার আওতায় একসঙ্গে প্রতিক্রিয়া জানানো হবে।
সম্প্রতি পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা আসিফ এক টেলিভিশন সাক্ষাৎকারে জানান, সৌদি আরব ও পাকিস্তানের বিদ্যমান প্রতিরক্ষা কাঠামোর সঙ্গে তুরস্ক ও কাতারকে যুক্ত করার আলোচনা চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, তুরস্ক ও কাতার আনুষ্ঠানিকভাবে যুক্ত হলে এই জোট মধ্যপ্রাচ্য থেকে দক্ষিণ এশিয়া পর্যন্ত বিস্তৃত একটি শক্তিশালী আঞ্চলিক বলয়ে পরিণত হতে পারে। এতে সদস্য দেশগুলোর মধ্যে সামরিক সমন্বয়, অভিন্ন নিরাপত্তা কৌশল এবং যৌথ প্রতিরক্ষা সক্ষমতা আরও জোরদার হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
/এমআর/




