এক্সপ্লেইনার
যুক্তরাষ্ট্রের নতুন প্রস্তাবে ইরানের রাজি হওয়া নিয়ে সংশয়
সিটিজেন ডেস্ক

যুক্তরাষ্ট্রের নতুন প্রস্তাবে ইরানের রাজি হওয়া নিয়ে সংশয়
সিটিজেন ডেস্ক
প্রকাশ : ০৭ মে ২০২৬, ২২: ৪৭

ছবি: সংগৃহীত
দীর্ঘস্থায়ী উত্তেজনা কাটিয়ে ইরানের সঙ্গে সম্ভাব্য যুদ্ধ বন্ধের লক্ষ্যে ওয়াশিংটনের দেওয়া একটি নতুন শান্তি প্রস্তাব গভীর মনোযোগের সঙ্গে পর্যালোচনা করছে তেহরান। দুই দেশের মধ্যে চলমান সংঘাত নিরসনে এটি একটি বড় পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হলেও বিশ্লেষকদের মতে, পারমাণবিক কর্মসূচি ও কৌশলগত হরমুজ প্রণালী নিয়ে বিদ্যমান মৌলিক মতভেদগুলো এখনো একটি টেকসই সমাধানের পথে বড় অন্তরায় হয়ে দাঁড়িয়েছে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বুধবার (৬ মে) হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে দুই পক্ষের মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টার আলোচনাকে খুব ভালো হিসেবে অভিহিত করেছেন এবং একটি চুক্তিতে পৌঁছানোর বিষয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন। উল্লেখ্য, এর আগের দিনই তিনি হরমুজ প্রণালি পুনরায় সচল করার লক্ষ্যে পরিচালিত বিতর্কিত সামরিক অভিযান প্রজেক্ট ফ্রিডম স্থগিত করার ঘোষণা দেন।
মার্কিন সংবাদমাধ্যমগুলোর সূত্র অনুযায়ী, উভয় পক্ষ বর্তমানে একটি ১৪ দফার সমঝোতা স্মারকের খুব কাছাকাছি অবস্থান করছে। এ প্রস্তাবের মূল শর্ত হিসেবে ইরানকে অন্তত ১২ বছরের জন্য ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ কার্যক্রম সম্পূর্ণ বন্ধ রাখার এবং পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি না করার আনুষ্ঠানিক প্রতিশ্রুতি দিতে হতে পারে। এর বিনিময়ে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ওপর থেকে নির্দিষ্ট কিছু অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার, বিদেশে আটকে থাকা কয়েক বিলিয়ন ডলারের ইরানি সম্পদ অবমুক্ত করা এবং ৩০ দিনের মধ্যে হরমুজ প্রণালি দিয়ে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক করে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। তবে এ প্রাথমিক খসড়ায় ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি, আঞ্চলিক সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর প্রতি সমর্থন এবং বর্তমানে মজুত থাকা উচ্চমাত্রার সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের ভবিষ্যতের মতো সংবেদনশীল ও বিতর্কিত বিষয়গুলো স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়নি।
এদিকে তেহরান এখনো এ প্রস্তাবের ওপর কোনো আনুষ্ঠানিক জবাব না দিলেও দেশটির অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে এটি নিয়ে ব্যাপক সংশয় দেখা দিয়েছে। ইরানি পার্লামেন্ট সদস্য ইবরাহিম রেজায়ি এ প্রস্তাবকে বাস্তবতা বর্জিত মার্কিন স্বেচ্ছাচারী তালিকা হিসেবে আখ্যা দিয়ে কঠোর সমালোচনা করেছেন। ইরান সরকারের পক্ষ থেকে ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে, তারা এ মুহূর্তে পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে দীর্ঘমেয়াদী আলোচনার চেয়ে যুদ্ধ বন্ধ করা, নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার এবং হরমুজ প্রণালি পুনরায় সচল করাকেই সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ পুরোপুরি বন্ধ করার শর্তে ইরানের রাজি হওয়ার সম্ভাবনা ক্ষীণ, কারণ তেহরান একে তাদের জাতীয় সার্বভৌম অধিকার হিসেবে বিবেচনা করে।
পুরো সংকটের কেন্দ্রবিন্দুতে থাকা হরমুজ প্রণালি ইস্যুটি এখনো সমাধানের বড় বাধা হিসেবে কাজ করছে। বিশ্বের মোট জ্বালানি সরবরাহের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ এ জলপথ দিয়ে পরিবাহিত হয়, যেখানে ইরান বর্তমানে তাদের নিয়ন্ত্রণ আরও জোরালো করার পাশাপাশি নতুন আইনি বিধি-নিষেধ আরোপের চেষ্টা করছে। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্র ও তার আঞ্চলিক মিত্ররা কোনো ধরনের শর্ত ছাড়াই আন্তর্জাতিক নৌপথটি উন্মুক্ত রাখার পক্ষে অনড়। দুই পক্ষের এ বিপরীতমুখী অবস্থানের কারণে একটি চূড়ান্ত চুক্তিতে পৌঁছানো কঠিন হলেও কূটনৈতিক সূত্রগুলো বলছে, একটি সংক্ষিপ্ত সমঝোতা স্মারকের মাধ্যমে যুদ্ধাবস্থার আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি টানার বিষয়ে দুই দেশ এখন আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে অনেক বেশি ইতিবাচক অবস্থানে রয়েছে।
সূত্র: আল জাজিরা

দীর্ঘস্থায়ী উত্তেজনা কাটিয়ে ইরানের সঙ্গে সম্ভাব্য যুদ্ধ বন্ধের লক্ষ্যে ওয়াশিংটনের দেওয়া একটি নতুন শান্তি প্রস্তাব গভীর মনোযোগের সঙ্গে পর্যালোচনা করছে তেহরান। দুই দেশের মধ্যে চলমান সংঘাত নিরসনে এটি একটি বড় পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হলেও বিশ্লেষকদের মতে, পারমাণবিক কর্মসূচি ও কৌশলগত হরমুজ প্রণালী নিয়ে বিদ্যমান মৌলিক মতভেদগুলো এখনো একটি টেকসই সমাধানের পথে বড় অন্তরায় হয়ে দাঁড়িয়েছে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বুধবার (৬ মে) হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে দুই পক্ষের মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টার আলোচনাকে খুব ভালো হিসেবে অভিহিত করেছেন এবং একটি চুক্তিতে পৌঁছানোর বিষয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন। উল্লেখ্য, এর আগের দিনই তিনি হরমুজ প্রণালি পুনরায় সচল করার লক্ষ্যে পরিচালিত বিতর্কিত সামরিক অভিযান প্রজেক্ট ফ্রিডম স্থগিত করার ঘোষণা দেন।
মার্কিন সংবাদমাধ্যমগুলোর সূত্র অনুযায়ী, উভয় পক্ষ বর্তমানে একটি ১৪ দফার সমঝোতা স্মারকের খুব কাছাকাছি অবস্থান করছে। এ প্রস্তাবের মূল শর্ত হিসেবে ইরানকে অন্তত ১২ বছরের জন্য ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ কার্যক্রম সম্পূর্ণ বন্ধ রাখার এবং পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি না করার আনুষ্ঠানিক প্রতিশ্রুতি দিতে হতে পারে। এর বিনিময়ে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ওপর থেকে নির্দিষ্ট কিছু অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার, বিদেশে আটকে থাকা কয়েক বিলিয়ন ডলারের ইরানি সম্পদ অবমুক্ত করা এবং ৩০ দিনের মধ্যে হরমুজ প্রণালি দিয়ে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক করে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। তবে এ প্রাথমিক খসড়ায় ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি, আঞ্চলিক সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর প্রতি সমর্থন এবং বর্তমানে মজুত থাকা উচ্চমাত্রার সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের ভবিষ্যতের মতো সংবেদনশীল ও বিতর্কিত বিষয়গুলো স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়নি।
এদিকে তেহরান এখনো এ প্রস্তাবের ওপর কোনো আনুষ্ঠানিক জবাব না দিলেও দেশটির অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে এটি নিয়ে ব্যাপক সংশয় দেখা দিয়েছে। ইরানি পার্লামেন্ট সদস্য ইবরাহিম রেজায়ি এ প্রস্তাবকে বাস্তবতা বর্জিত মার্কিন স্বেচ্ছাচারী তালিকা হিসেবে আখ্যা দিয়ে কঠোর সমালোচনা করেছেন। ইরান সরকারের পক্ষ থেকে ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে, তারা এ মুহূর্তে পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে দীর্ঘমেয়াদী আলোচনার চেয়ে যুদ্ধ বন্ধ করা, নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার এবং হরমুজ প্রণালি পুনরায় সচল করাকেই সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ পুরোপুরি বন্ধ করার শর্তে ইরানের রাজি হওয়ার সম্ভাবনা ক্ষীণ, কারণ তেহরান একে তাদের জাতীয় সার্বভৌম অধিকার হিসেবে বিবেচনা করে।
পুরো সংকটের কেন্দ্রবিন্দুতে থাকা হরমুজ প্রণালি ইস্যুটি এখনো সমাধানের বড় বাধা হিসেবে কাজ করছে। বিশ্বের মোট জ্বালানি সরবরাহের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ এ জলপথ দিয়ে পরিবাহিত হয়, যেখানে ইরান বর্তমানে তাদের নিয়ন্ত্রণ আরও জোরালো করার পাশাপাশি নতুন আইনি বিধি-নিষেধ আরোপের চেষ্টা করছে। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্র ও তার আঞ্চলিক মিত্ররা কোনো ধরনের শর্ত ছাড়াই আন্তর্জাতিক নৌপথটি উন্মুক্ত রাখার পক্ষে অনড়। দুই পক্ষের এ বিপরীতমুখী অবস্থানের কারণে একটি চূড়ান্ত চুক্তিতে পৌঁছানো কঠিন হলেও কূটনৈতিক সূত্রগুলো বলছে, একটি সংক্ষিপ্ত সমঝোতা স্মারকের মাধ্যমে যুদ্ধাবস্থার আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি টানার বিষয়ে দুই দেশ এখন আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে অনেক বেশি ইতিবাচক অবস্থানে রয়েছে।
সূত্র: আল জাজিরা

যুক্তরাষ্ট্রের নতুন প্রস্তাবে ইরানের রাজি হওয়া নিয়ে সংশয়
সিটিজেন ডেস্ক
প্রকাশ : ০৭ মে ২০২৬, ২২: ৪৭

ছবি: সংগৃহীত
দীর্ঘস্থায়ী উত্তেজনা কাটিয়ে ইরানের সঙ্গে সম্ভাব্য যুদ্ধ বন্ধের লক্ষ্যে ওয়াশিংটনের দেওয়া একটি নতুন শান্তি প্রস্তাব গভীর মনোযোগের সঙ্গে পর্যালোচনা করছে তেহরান। দুই দেশের মধ্যে চলমান সংঘাত নিরসনে এটি একটি বড় পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হলেও বিশ্লেষকদের মতে, পারমাণবিক কর্মসূচি ও কৌশলগত হরমুজ প্রণালী নিয়ে বিদ্যমান মৌলিক মতভেদগুলো এখনো একটি টেকসই সমাধানের পথে বড় অন্তরায় হয়ে দাঁড়িয়েছে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বুধবার (৬ মে) হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে দুই পক্ষের মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টার আলোচনাকে খুব ভালো হিসেবে অভিহিত করেছেন এবং একটি চুক্তিতে পৌঁছানোর বিষয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন। উল্লেখ্য, এর আগের দিনই তিনি হরমুজ প্রণালি পুনরায় সচল করার লক্ষ্যে পরিচালিত বিতর্কিত সামরিক অভিযান প্রজেক্ট ফ্রিডম স্থগিত করার ঘোষণা দেন।
মার্কিন সংবাদমাধ্যমগুলোর সূত্র অনুযায়ী, উভয় পক্ষ বর্তমানে একটি ১৪ দফার সমঝোতা স্মারকের খুব কাছাকাছি অবস্থান করছে। এ প্রস্তাবের মূল শর্ত হিসেবে ইরানকে অন্তত ১২ বছরের জন্য ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ কার্যক্রম সম্পূর্ণ বন্ধ রাখার এবং পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি না করার আনুষ্ঠানিক প্রতিশ্রুতি দিতে হতে পারে। এর বিনিময়ে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ওপর থেকে নির্দিষ্ট কিছু অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার, বিদেশে আটকে থাকা কয়েক বিলিয়ন ডলারের ইরানি সম্পদ অবমুক্ত করা এবং ৩০ দিনের মধ্যে হরমুজ প্রণালি দিয়ে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক করে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। তবে এ প্রাথমিক খসড়ায় ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি, আঞ্চলিক সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর প্রতি সমর্থন এবং বর্তমানে মজুত থাকা উচ্চমাত্রার সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের ভবিষ্যতের মতো সংবেদনশীল ও বিতর্কিত বিষয়গুলো স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়নি।
এদিকে তেহরান এখনো এ প্রস্তাবের ওপর কোনো আনুষ্ঠানিক জবাব না দিলেও দেশটির অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে এটি নিয়ে ব্যাপক সংশয় দেখা দিয়েছে। ইরানি পার্লামেন্ট সদস্য ইবরাহিম রেজায়ি এ প্রস্তাবকে বাস্তবতা বর্জিত মার্কিন স্বেচ্ছাচারী তালিকা হিসেবে আখ্যা দিয়ে কঠোর সমালোচনা করেছেন। ইরান সরকারের পক্ষ থেকে ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে, তারা এ মুহূর্তে পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে দীর্ঘমেয়াদী আলোচনার চেয়ে যুদ্ধ বন্ধ করা, নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার এবং হরমুজ প্রণালি পুনরায় সচল করাকেই সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ পুরোপুরি বন্ধ করার শর্তে ইরানের রাজি হওয়ার সম্ভাবনা ক্ষীণ, কারণ তেহরান একে তাদের জাতীয় সার্বভৌম অধিকার হিসেবে বিবেচনা করে।
পুরো সংকটের কেন্দ্রবিন্দুতে থাকা হরমুজ প্রণালি ইস্যুটি এখনো সমাধানের বড় বাধা হিসেবে কাজ করছে। বিশ্বের মোট জ্বালানি সরবরাহের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ এ জলপথ দিয়ে পরিবাহিত হয়, যেখানে ইরান বর্তমানে তাদের নিয়ন্ত্রণ আরও জোরালো করার পাশাপাশি নতুন আইনি বিধি-নিষেধ আরোপের চেষ্টা করছে। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্র ও তার আঞ্চলিক মিত্ররা কোনো ধরনের শর্ত ছাড়াই আন্তর্জাতিক নৌপথটি উন্মুক্ত রাখার পক্ষে অনড়। দুই পক্ষের এ বিপরীতমুখী অবস্থানের কারণে একটি চূড়ান্ত চুক্তিতে পৌঁছানো কঠিন হলেও কূটনৈতিক সূত্রগুলো বলছে, একটি সংক্ষিপ্ত সমঝোতা স্মারকের মাধ্যমে যুদ্ধাবস্থার আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি টানার বিষয়ে দুই দেশ এখন আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে অনেক বেশি ইতিবাচক অবস্থানে রয়েছে।
সূত্র: আল জাজিরা
/এমএকে/

আকাশপথ ব্যবহারে সৌদি-কাতারের না, স্থগিত ট্রাম্পের ‘প্রজেক্ট ফ্রিডম’
হরমুজ প্রণালিতে ব্যর্থ হয়ে ‘মুখরক্ষার’ চেষ্টায় ট্রাম্প


