৫২৪ কোটি টাকা থেকে বেড়ে ৬২০ কোটিতে জাতীয় গণগ্রন্থাগার প্রকল্প

৫২৪ কোটি টাকা থেকে বেড়ে ৬২০ কোটিতে জাতীয় গণগ্রন্থাগার প্রকল্প
সেলিনা আক্তার

রাজধানীর শাহবাগে সুফিয়া কামাল জাতীয় গণগ্রন্থাগার নির্মাণ প্রকল্পে একের পর এক বাড়ানো হচ্ছে ব্যয়। প্রকল্পের শুরুতে যে কাজের প্রাক্কলিত ব্যয় ধরা হয়েছিল ৫২৪ কোটি ২৫ লাখ টাকা, বছর দেড়েকের ব্যবধানে তা বাড়িয়ে করা হয় ৫৬১ কোটি ৩০ লাখ টাকা। তবে সেখানেই থেমে থাকেনি ব্যয় বৃদ্ধির ধারা। এবার অকাঠামো নির্মাণ ও ইলেক্ট্রো-মেকানিক্যাল খাতে আরও কমবেশি শত কোটি টাকা বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলোর অভিযোগ, ভেরিয়েশনের নামে ধারাবাহিকভাবে ব্যয় বাড়িয়ে প্রকল্প সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলী, ঠিকাদার ও পরামর্শক প্রতিষ্ঠান ডিকন কিউ ডিজাইনের মধ্যে অর্থ ভাগাভাগির সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে। সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন এ প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে গণপূর্ত অধিদপ্তর।
সূত্র জানায়, জাতীয় গণগ্রন্থাগার নির্মাণ প্রকল্পটি অনুমোদন পায় ২০২১ সালের মে মাসে। তখন প্রকল্পের প্রাক্কলিত ব্যয় নির্ধারণ করা হয়েছিল ৫২৪ কোটি ২৫ লাখ টাকা। পরে ২০২২-২৩ অর্থবছরে প্রথম দফায় ব্যয় বাড়িয়ে করা হয় ৫৬১ কোটি ৩০ লাখ টাকা। বর্তমানে দ্বিতীয় সংশোধনী প্রস্তাবে পূর্ত কাজেই আরও প্রায় ৬০ কোটি টাকা ব্যয় বাড়িয়ে মোট ব্যয় ৬২০ কোটি ৮৮ লাখ টাকায় উন্নীত করার প্রক্রিয়া চলছে। একই সঙ্গে ইলেক্ট্রো-মেকানিক্যাল খাতেও আরও ৪০ থেকে ৫০ কোটি টাকা বাড়ানোর প্রস্তাব রয়েছে।
এদিকে ব্যয় বৃদ্ধির পাশাপাশি দীর্ঘ হচ্ছে প্রকল্পের মেয়াদও। ২০২১ সালে শুরু হওয়া এ প্রকল্পের কাজ শেষ হওয়ার কথা ছিল ২০২৪ সালে। কিন্তু এখন সেই সময়সীমা বাড়িয়ে নেওয়া হয়েছে ২০২৭ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত।
জানা গেছে, প্রকল্পের নির্মাণকাজ চলমান থাকায় জাতীয় গণগ্রন্থাগারের পাঠ কার্যক্রমও স্থানান্তর করতে হয়েছে। বর্তমানে রমনা এলাকার আইইবি ভবনের ১২ তলায় সীমিত পরিসরে গ্রন্থাগারের সেবা চালু রাখা হয়েছে। সেখানে ভাড়া বাবদ প্রতি মাসে সরকারের গুনতে হচ্ছে প্রায় ১৬ লাখ টাকা। পাশাপাশি হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালনার জন্য অতিরিক্ত ৬ লাখ টাকার বেশি খরচ হচ্ছে। সব মিলিয়ে স্থায়ী ভবন না থাকায় প্রতি মাসে ২২ লাখ টাকারও বেশি অতিরিক্ত ব্যয় বহন করতে হচ্ছে সরকারকে।
এসব বিষয়ে প্রকল্পের কাজের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট গণপূর্ত অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী (ইএ/এম-৪) নিয়াজ মো. তানভীরের সঙ্গে মুঠোফোনে বেশ কয়েকবার কল করা হলেও তিনি ধরেননি। পরে তার ব্যক্তিগত হোয়াটসঅ্যাপ নম্বরে এ বিষয়ে জানতে খুদেবার্তা পাঠানো হলেও তিনি কোনো সাড়া দেননি।
অন্যদিকে, এ বিষয়ে প্রকল্পটির অকাঠামো নির্মাণের কাজে যুক্ত নির্বাহী প্রকৌশলী (বিভাগ-৪) মাসুদ রানার সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি সিটিজেন জার্নালকে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করার পরামর্শ দিয়ে বিষয়টি এড়িয়ে যান।

রাজধানীর শাহবাগে সুফিয়া কামাল জাতীয় গণগ্রন্থাগার নির্মাণ প্রকল্পে একের পর এক বাড়ানো হচ্ছে ব্যয়। প্রকল্পের শুরুতে যে কাজের প্রাক্কলিত ব্যয় ধরা হয়েছিল ৫২৪ কোটি ২৫ লাখ টাকা, বছর দেড়েকের ব্যবধানে তা বাড়িয়ে করা হয় ৫৬১ কোটি ৩০ লাখ টাকা। তবে সেখানেই থেমে থাকেনি ব্যয় বৃদ্ধির ধারা। এবার অকাঠামো নির্মাণ ও ইলেক্ট্রো-মেকানিক্যাল খাতে আরও কমবেশি শত কোটি টাকা বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলোর অভিযোগ, ভেরিয়েশনের নামে ধারাবাহিকভাবে ব্যয় বাড়িয়ে প্রকল্প সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলী, ঠিকাদার ও পরামর্শক প্রতিষ্ঠান ডিকন কিউ ডিজাইনের মধ্যে অর্থ ভাগাভাগির সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে। সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন এ প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে গণপূর্ত অধিদপ্তর।
সূত্র জানায়, জাতীয় গণগ্রন্থাগার নির্মাণ প্রকল্পটি অনুমোদন পায় ২০২১ সালের মে মাসে। তখন প্রকল্পের প্রাক্কলিত ব্যয় নির্ধারণ করা হয়েছিল ৫২৪ কোটি ২৫ লাখ টাকা। পরে ২০২২-২৩ অর্থবছরে প্রথম দফায় ব্যয় বাড়িয়ে করা হয় ৫৬১ কোটি ৩০ লাখ টাকা। বর্তমানে দ্বিতীয় সংশোধনী প্রস্তাবে পূর্ত কাজেই আরও প্রায় ৬০ কোটি টাকা ব্যয় বাড়িয়ে মোট ব্যয় ৬২০ কোটি ৮৮ লাখ টাকায় উন্নীত করার প্রক্রিয়া চলছে। একই সঙ্গে ইলেক্ট্রো-মেকানিক্যাল খাতেও আরও ৪০ থেকে ৫০ কোটি টাকা বাড়ানোর প্রস্তাব রয়েছে।
এদিকে ব্যয় বৃদ্ধির পাশাপাশি দীর্ঘ হচ্ছে প্রকল্পের মেয়াদও। ২০২১ সালে শুরু হওয়া এ প্রকল্পের কাজ শেষ হওয়ার কথা ছিল ২০২৪ সালে। কিন্তু এখন সেই সময়সীমা বাড়িয়ে নেওয়া হয়েছে ২০২৭ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত।
জানা গেছে, প্রকল্পের নির্মাণকাজ চলমান থাকায় জাতীয় গণগ্রন্থাগারের পাঠ কার্যক্রমও স্থানান্তর করতে হয়েছে। বর্তমানে রমনা এলাকার আইইবি ভবনের ১২ তলায় সীমিত পরিসরে গ্রন্থাগারের সেবা চালু রাখা হয়েছে। সেখানে ভাড়া বাবদ প্রতি মাসে সরকারের গুনতে হচ্ছে প্রায় ১৬ লাখ টাকা। পাশাপাশি হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালনার জন্য অতিরিক্ত ৬ লাখ টাকার বেশি খরচ হচ্ছে। সব মিলিয়ে স্থায়ী ভবন না থাকায় প্রতি মাসে ২২ লাখ টাকারও বেশি অতিরিক্ত ব্যয় বহন করতে হচ্ছে সরকারকে।
এসব বিষয়ে প্রকল্পের কাজের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট গণপূর্ত অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী (ইএ/এম-৪) নিয়াজ মো. তানভীরের সঙ্গে মুঠোফোনে বেশ কয়েকবার কল করা হলেও তিনি ধরেননি। পরে তার ব্যক্তিগত হোয়াটসঅ্যাপ নম্বরে এ বিষয়ে জানতে খুদেবার্তা পাঠানো হলেও তিনি কোনো সাড়া দেননি।
অন্যদিকে, এ বিষয়ে প্রকল্পটির অকাঠামো নির্মাণের কাজে যুক্ত নির্বাহী প্রকৌশলী (বিভাগ-৪) মাসুদ রানার সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি সিটিজেন জার্নালকে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করার পরামর্শ দিয়ে বিষয়টি এড়িয়ে যান।

৫২৪ কোটি টাকা থেকে বেড়ে ৬২০ কোটিতে জাতীয় গণগ্রন্থাগার প্রকল্প
সেলিনা আক্তার

রাজধানীর শাহবাগে সুফিয়া কামাল জাতীয় গণগ্রন্থাগার নির্মাণ প্রকল্পে একের পর এক বাড়ানো হচ্ছে ব্যয়। প্রকল্পের শুরুতে যে কাজের প্রাক্কলিত ব্যয় ধরা হয়েছিল ৫২৪ কোটি ২৫ লাখ টাকা, বছর দেড়েকের ব্যবধানে তা বাড়িয়ে করা হয় ৫৬১ কোটি ৩০ লাখ টাকা। তবে সেখানেই থেমে থাকেনি ব্যয় বৃদ্ধির ধারা। এবার অকাঠামো নির্মাণ ও ইলেক্ট্রো-মেকানিক্যাল খাতে আরও কমবেশি শত কোটি টাকা বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলোর অভিযোগ, ভেরিয়েশনের নামে ধারাবাহিকভাবে ব্যয় বাড়িয়ে প্রকল্প সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলী, ঠিকাদার ও পরামর্শক প্রতিষ্ঠান ডিকন কিউ ডিজাইনের মধ্যে অর্থ ভাগাভাগির সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে। সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন এ প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে গণপূর্ত অধিদপ্তর।
সূত্র জানায়, জাতীয় গণগ্রন্থাগার নির্মাণ প্রকল্পটি অনুমোদন পায় ২০২১ সালের মে মাসে। তখন প্রকল্পের প্রাক্কলিত ব্যয় নির্ধারণ করা হয়েছিল ৫২৪ কোটি ২৫ লাখ টাকা। পরে ২০২২-২৩ অর্থবছরে প্রথম দফায় ব্যয় বাড়িয়ে করা হয় ৫৬১ কোটি ৩০ লাখ টাকা। বর্তমানে দ্বিতীয় সংশোধনী প্রস্তাবে পূর্ত কাজেই আরও প্রায় ৬০ কোটি টাকা ব্যয় বাড়িয়ে মোট ব্যয় ৬২০ কোটি ৮৮ লাখ টাকায় উন্নীত করার প্রক্রিয়া চলছে। একই সঙ্গে ইলেক্ট্রো-মেকানিক্যাল খাতেও আরও ৪০ থেকে ৫০ কোটি টাকা বাড়ানোর প্রস্তাব রয়েছে।
এদিকে ব্যয় বৃদ্ধির পাশাপাশি দীর্ঘ হচ্ছে প্রকল্পের মেয়াদও। ২০২১ সালে শুরু হওয়া এ প্রকল্পের কাজ শেষ হওয়ার কথা ছিল ২০২৪ সালে। কিন্তু এখন সেই সময়সীমা বাড়িয়ে নেওয়া হয়েছে ২০২৭ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত।
জানা গেছে, প্রকল্পের নির্মাণকাজ চলমান থাকায় জাতীয় গণগ্রন্থাগারের পাঠ কার্যক্রমও স্থানান্তর করতে হয়েছে। বর্তমানে রমনা এলাকার আইইবি ভবনের ১২ তলায় সীমিত পরিসরে গ্রন্থাগারের সেবা চালু রাখা হয়েছে। সেখানে ভাড়া বাবদ প্রতি মাসে সরকারের গুনতে হচ্ছে প্রায় ১৬ লাখ টাকা। পাশাপাশি হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালনার জন্য অতিরিক্ত ৬ লাখ টাকার বেশি খরচ হচ্ছে। সব মিলিয়ে স্থায়ী ভবন না থাকায় প্রতি মাসে ২২ লাখ টাকারও বেশি অতিরিক্ত ব্যয় বহন করতে হচ্ছে সরকারকে।
এসব বিষয়ে প্রকল্পের কাজের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট গণপূর্ত অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী (ইএ/এম-৪) নিয়াজ মো. তানভীরের সঙ্গে মুঠোফোনে বেশ কয়েকবার কল করা হলেও তিনি ধরেননি। পরে তার ব্যক্তিগত হোয়াটসঅ্যাপ নম্বরে এ বিষয়ে জানতে খুদেবার্তা পাঠানো হলেও তিনি কোনো সাড়া দেননি।
অন্যদিকে, এ বিষয়ে প্রকল্পটির অকাঠামো নির্মাণের কাজে যুক্ত নির্বাহী প্রকৌশলী (বিভাগ-৪) মাসুদ রানার সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি সিটিজেন জার্নালকে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করার পরামর্শ দিয়ে বিষয়টি এড়িয়ে যান।

নকশা অনুমোদনে রাজউকে ‘কমিটি ফাঁদ’
বেরোবিতে ৮ হাজার শিক্ষার্থীর সেবায় ৪ চিকিৎসক
দুদকের জালে রাজউকের অর্ধশত কোটিপতি কর্মচারী


