হরমুজ প্রণালিতে ব্যর্থ হয়ে ‘মুখরক্ষার’ চেষ্টায় ট্রাম্প
সিটিজেন ডেস্ক

হরমুজ প্রণালিতে ব্যর্থ হয়ে ‘মুখরক্ষার’ চেষ্টায় ট্রাম্প
সিটিজেন ডেস্ক
প্রকাশ : ০৭ মে ২০২৬, ১৯: ৪২

ছবি: সিটিজেন গ্রাফিক্স
মধ্যপ্রাচ্যের কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ হরমুজ প্রণালিতে নিজেদের প্রভাব বজায় রাখতে ব্যর্থ হওয়ার পর এখন আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে মুখ রক্ষার উপায় খুঁজছে যুক্তরাষ্ট্র। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তেহরানের সেন্টার ফর স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজের জ্যেষ্ঠ বিশ্লেষক আলি আকবর দারেইনি এমন চাঞ্চল্যকর দাবি করেছেন।
তার মতে, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলপ্রয়োগের মাধ্যমে এ রুটটি পুনরায় উন্মুক্ত করতে চেয়েছিলেন, কিন্তু পরিস্থিতি এখন তার প্রতিকূলে চলে গেছে। দারেইনি মনে করেন, ট্রাম্প তার আসন্ন চীন সফরের আগে একটি বড় কূটনৈতিক বা সামরিক সাফল্য অর্জন করতে চেয়েছিলেন, যা শেষ পর্যন্ত সম্ভব হয়নি। মূলত ওয়াশিংটনের ওপর ইসরায়েলপন্থী লবিগুলোর ব্যাপক প্রভাব ছিল এবং তারা ট্রাম্পকে ধারণা দিয়েছিল, সামরিক চাপ দিলে ইরান দ্রুত আত্মসমর্পণ করবে। তবে বাস্তব চিত্র সম্পূর্ণ ভিন্ন। তেহরান নতি স্বীকার না করায় এখন মার্কিন প্রশাসন অভ্যন্তরীণ জনমতের কাছে নিজেদের ভাবমূর্তি উদ্ধারে একটি সম্মানজনক সমঝোতার পথ হাতড়ে বেড়াচ্ছে।
এ বিশ্লেষকের মতে, নিকট ভবিষ্যতে দুই দেশের মধ্যে কোনো বড় ধরনের সমঝোতার সম্ভাবনা খুবই কম। কারণ ইরান লাখো বছরেও সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে আপস করবে না বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছে। এদিকে হরমুজ প্রণালির অচলাবস্থা কেবল আঞ্চলিক নয়, বরং বৈশ্বিক অর্থনীতিতেও গভীর উৎকণ্ঠার সৃষ্টি করছে। বিশ্বের মোট তেল রপ্তানির প্রায় ২০ শতাংশ এ জলপথ দিয়ে পরিবাহিত হয়, ফলে এখানে সামরিক উত্তেজনা মানেই আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি সরবরাহ ও মূল্য পরিস্থিতিতে বড় ধরনের অস্থিরতা।
বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন নৌবাহিনীর ব্যাপক উপস্থিতি ও নানামুখী অভিযান সত্ত্বেও পরিস্থিতির কোনো দৃশ্যমান উন্নতি হয়নি, যা হোয়াইট হাউসের বর্তমান সমরকৌশলকে গভীর প্রশ্নের মুখে ফেলেছে। পর্যবেক্ষকদের মতে, তেহরান তাদের আঞ্চলিক মিত্রদের নিয়ে কঠোর অবস্থানে অটল থাকায় এবং নিরাপত্তা রক্ষায় ‘সব ধরনের পদক্ষেপ’ নেওয়ার হুঁশিয়ারি দেওয়ায় ওয়াশিংটনের ওপর চাপ উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পাচ্ছে। এই সংকট শেষ পর্যন্ত আলোচনার টেবিলে মিলবে নাকি কোনো ভয়াবহ সামরিক সংঘাতের রূপ নেবে, তা নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে এখন চরম উদ্বেগ বিরাজ করছে।
সূত্র: আল জাজিরা

মধ্যপ্রাচ্যের কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ হরমুজ প্রণালিতে নিজেদের প্রভাব বজায় রাখতে ব্যর্থ হওয়ার পর এখন আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে মুখ রক্ষার উপায় খুঁজছে যুক্তরাষ্ট্র। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তেহরানের সেন্টার ফর স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজের জ্যেষ্ঠ বিশ্লেষক আলি আকবর দারেইনি এমন চাঞ্চল্যকর দাবি করেছেন।
তার মতে, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলপ্রয়োগের মাধ্যমে এ রুটটি পুনরায় উন্মুক্ত করতে চেয়েছিলেন, কিন্তু পরিস্থিতি এখন তার প্রতিকূলে চলে গেছে। দারেইনি মনে করেন, ট্রাম্প তার আসন্ন চীন সফরের আগে একটি বড় কূটনৈতিক বা সামরিক সাফল্য অর্জন করতে চেয়েছিলেন, যা শেষ পর্যন্ত সম্ভব হয়নি। মূলত ওয়াশিংটনের ওপর ইসরায়েলপন্থী লবিগুলোর ব্যাপক প্রভাব ছিল এবং তারা ট্রাম্পকে ধারণা দিয়েছিল, সামরিক চাপ দিলে ইরান দ্রুত আত্মসমর্পণ করবে। তবে বাস্তব চিত্র সম্পূর্ণ ভিন্ন। তেহরান নতি স্বীকার না করায় এখন মার্কিন প্রশাসন অভ্যন্তরীণ জনমতের কাছে নিজেদের ভাবমূর্তি উদ্ধারে একটি সম্মানজনক সমঝোতার পথ হাতড়ে বেড়াচ্ছে।
এ বিশ্লেষকের মতে, নিকট ভবিষ্যতে দুই দেশের মধ্যে কোনো বড় ধরনের সমঝোতার সম্ভাবনা খুবই কম। কারণ ইরান লাখো বছরেও সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে আপস করবে না বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছে। এদিকে হরমুজ প্রণালির অচলাবস্থা কেবল আঞ্চলিক নয়, বরং বৈশ্বিক অর্থনীতিতেও গভীর উৎকণ্ঠার সৃষ্টি করছে। বিশ্বের মোট তেল রপ্তানির প্রায় ২০ শতাংশ এ জলপথ দিয়ে পরিবাহিত হয়, ফলে এখানে সামরিক উত্তেজনা মানেই আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি সরবরাহ ও মূল্য পরিস্থিতিতে বড় ধরনের অস্থিরতা।
বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন নৌবাহিনীর ব্যাপক উপস্থিতি ও নানামুখী অভিযান সত্ত্বেও পরিস্থিতির কোনো দৃশ্যমান উন্নতি হয়নি, যা হোয়াইট হাউসের বর্তমান সমরকৌশলকে গভীর প্রশ্নের মুখে ফেলেছে। পর্যবেক্ষকদের মতে, তেহরান তাদের আঞ্চলিক মিত্রদের নিয়ে কঠোর অবস্থানে অটল থাকায় এবং নিরাপত্তা রক্ষায় ‘সব ধরনের পদক্ষেপ’ নেওয়ার হুঁশিয়ারি দেওয়ায় ওয়াশিংটনের ওপর চাপ উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পাচ্ছে। এই সংকট শেষ পর্যন্ত আলোচনার টেবিলে মিলবে নাকি কোনো ভয়াবহ সামরিক সংঘাতের রূপ নেবে, তা নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে এখন চরম উদ্বেগ বিরাজ করছে।
সূত্র: আল জাজিরা

হরমুজ প্রণালিতে ব্যর্থ হয়ে ‘মুখরক্ষার’ চেষ্টায় ট্রাম্প
সিটিজেন ডেস্ক
প্রকাশ : ০৭ মে ২০২৬, ১৯: ৪২

ছবি: সিটিজেন গ্রাফিক্স
মধ্যপ্রাচ্যের কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ হরমুজ প্রণালিতে নিজেদের প্রভাব বজায় রাখতে ব্যর্থ হওয়ার পর এখন আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে মুখ রক্ষার উপায় খুঁজছে যুক্তরাষ্ট্র। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তেহরানের সেন্টার ফর স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজের জ্যেষ্ঠ বিশ্লেষক আলি আকবর দারেইনি এমন চাঞ্চল্যকর দাবি করেছেন।
তার মতে, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলপ্রয়োগের মাধ্যমে এ রুটটি পুনরায় উন্মুক্ত করতে চেয়েছিলেন, কিন্তু পরিস্থিতি এখন তার প্রতিকূলে চলে গেছে। দারেইনি মনে করেন, ট্রাম্প তার আসন্ন চীন সফরের আগে একটি বড় কূটনৈতিক বা সামরিক সাফল্য অর্জন করতে চেয়েছিলেন, যা শেষ পর্যন্ত সম্ভব হয়নি। মূলত ওয়াশিংটনের ওপর ইসরায়েলপন্থী লবিগুলোর ব্যাপক প্রভাব ছিল এবং তারা ট্রাম্পকে ধারণা দিয়েছিল, সামরিক চাপ দিলে ইরান দ্রুত আত্মসমর্পণ করবে। তবে বাস্তব চিত্র সম্পূর্ণ ভিন্ন। তেহরান নতি স্বীকার না করায় এখন মার্কিন প্রশাসন অভ্যন্তরীণ জনমতের কাছে নিজেদের ভাবমূর্তি উদ্ধারে একটি সম্মানজনক সমঝোতার পথ হাতড়ে বেড়াচ্ছে।
এ বিশ্লেষকের মতে, নিকট ভবিষ্যতে দুই দেশের মধ্যে কোনো বড় ধরনের সমঝোতার সম্ভাবনা খুবই কম। কারণ ইরান লাখো বছরেও সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে আপস করবে না বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছে। এদিকে হরমুজ প্রণালির অচলাবস্থা কেবল আঞ্চলিক নয়, বরং বৈশ্বিক অর্থনীতিতেও গভীর উৎকণ্ঠার সৃষ্টি করছে। বিশ্বের মোট তেল রপ্তানির প্রায় ২০ শতাংশ এ জলপথ দিয়ে পরিবাহিত হয়, ফলে এখানে সামরিক উত্তেজনা মানেই আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি সরবরাহ ও মূল্য পরিস্থিতিতে বড় ধরনের অস্থিরতা।
বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন নৌবাহিনীর ব্যাপক উপস্থিতি ও নানামুখী অভিযান সত্ত্বেও পরিস্থিতির কোনো দৃশ্যমান উন্নতি হয়নি, যা হোয়াইট হাউসের বর্তমান সমরকৌশলকে গভীর প্রশ্নের মুখে ফেলেছে। পর্যবেক্ষকদের মতে, তেহরান তাদের আঞ্চলিক মিত্রদের নিয়ে কঠোর অবস্থানে অটল থাকায় এবং নিরাপত্তা রক্ষায় ‘সব ধরনের পদক্ষেপ’ নেওয়ার হুঁশিয়ারি দেওয়ায় ওয়াশিংটনের ওপর চাপ উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পাচ্ছে। এই সংকট শেষ পর্যন্ত আলোচনার টেবিলে মিলবে নাকি কোনো ভয়াবহ সামরিক সংঘাতের রূপ নেবে, তা নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে এখন চরম উদ্বেগ বিরাজ করছে।
সূত্র: আল জাজিরা
/এমএকে/

ইরানের হামলায় মধ্যপ্রাচ্যে ২২৮ মার্কিন সামরিক স্থাপনা ধ্বংস


