রয়টার্সের বিশেষ প্রতিবেদন
মার্কিন প্রেসিডেন্টের বহরে যুক্ত হচ্ছে কাতারের বিমান
সিটিজেন ডেস্ক

মার্কিন প্রেসিডেন্টের বহরে যুক্ত হচ্ছে কাতারের বিমান
সিটিজেন ডেস্ক
প্রকাশ : ০৭ মে ২০২৬, ২০: ৫৪

ছবি: রয়টার্স
মার্কিন প্রেসিডেন্টের বিশেষ বিমানবহর এয়ার ফোর্স ওয়ানে নতুনত্ব আনতে এক বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। কাতার থেকে উপহার হিসেবে পাওয়া একটি বিলাসবহুল বোয়িং ৭৪৭ উড়োজাহাজকে প্রেসিডেন্টের ব্যবহারের উপযোগী করে নতুনভাবে সাজিয়ে তোলা হচ্ছে। মার্কিন বিমানবাহিনীর লক্ষ্য হচ্ছে, আগামী ৪ জুলাই যুক্তরাষ্ট্রের ২৫০তম স্বাধীনতা দিবসের ঐতিহাসিক মূহূর্তেই এ উড়োজাহাজটিকে আনুষ্ঠানিকভাবে বহরে অন্তর্ভুক্ত করা। একজন মার্কিন কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্ট সূত্র এই খবরের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
২০২৫ সালে হোয়াইট হাউস কাতারের পক্ষ থেকে এই দামি উপহারটি গ্রহণ করে এবং এরপরই উড়োজাহাজটিকে দ্রুততম সময়ের মধ্যে আন্তর্জাতিক মানদণ্ডে উন্নীত করে প্রেসিডেন্টের ব্যবহারের জন্য প্রস্তুত করার নির্দেশ দেওয়া হয়। এ বিশাল কর্মযজ্ঞের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে এল-থ্রি-হ্যারিস নামক প্রতিষ্ঠানকে। যদি প্রতিষ্ঠানটি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সংস্কার কাজ শেষ করতে পারে, তবে স্বাধীনতা দিবসের আগেই ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রেসিডেন্ট হিসেবে ব্যবহারের জন্য একটি অত্যাধুনিক এয়ার ফোর্স ওয়ান হাতে পাবেন। সংশ্লিষ্ট সূত্রটি আরও ইঙ্গিত দিয়েছে, এল-থ্রি-হ্যারিস ১৪ জুন ডোনাল্ড ট্রাম্পের জন্মদিনে উপহার হিসেবে এ উড়োজাহাজটি হস্তান্তরের জন্য আপ্রাণ চেষ্টা চালাচ্ছে।
তবে কাতারের দেওয়া বিলাসবহুল উপহার গ্রহণ করা নিয়ে শুরু থেকেই ডেমোক্র্যাট শিবির ও বিভিন্ন রাজনৈতিক মহলে বিতর্কের ঝড় উঠেছে। সমালোচকদের মতে, এটি সরাসরি স্বার্থের সংঘাত তৈরি করতে পারে। তারা আশঙ্কা করছেন, এ বিশাল উপহারের বিনিময়ে কাতার ভবিষ্যতে মার্কিন প্রশাসনের কাছ থেকে বাড়তি কোনো অনৈতিক সুবিধা নেওয়ার চেষ্টা করতে পারে, যা দেশের গুরুত্বপূর্ণ নীতিনির্ধারণী প্রক্রিয়াকে প্রভাবিত করবে। ডোনাল্ড ট্রাম্প অবশ্য অত্যন্ত দৃঢ়তার সাথে এসব সমালোচনা প্রত্যাখ্যান করেছেন। তিনি সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, ৪০ কোটি ডলার মূল্যের এ বিশাল উড়োজাহাজ উপহার হিসেবে পাওয়ার পর তা ফিরিয়ে দেওয়াটা হতো চরম বোকামি।
বর্তমানে মার্কিন প্রেসিডেন্টের যাতায়াতের জন্য এয়ার ফোর্স ওয়ান বহরে দুটি বিশেষায়িত বোয়িং ৭৪৭-২০০বি বিমান রয়েছে। নিয়ম অনুযায়ী, প্রেসিডেন্ট বিমানবাহিনীর যে বিমানেই আরোহণ করেন, সেটিকে এয়ার ফোর্স ওয়ান হিসেবে অভিহিত করা হয়। নতুন উড়োজাহাজটিকে প্রেসিডেন্টের উপযুক্ত করতে বর্তমানে ব্যাপক নিরাপত্তা ও প্রযুক্তিগত পরিবর্তন আনা হচ্ছে। এর মধ্যে অন্যতম হলো উন্নতমানের যোগাযোগব্যবস্থা, যাতে কোনো ধরনের সিগন্যাল হ্যাকিং বা আড়িপাতা সম্ভব না হয়। সেই সঙ্গে যুক্ত করা হচ্ছে অত্যাধুনিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরোধব্যবস্থা এবং জরুরি পরিস্থিতিতে আকাশ থেকেই পুরো দেশ ও সরকার পরিচালনার জন্য সব ধরনের ডিজিটাল সক্ষমতা।
মার্কিন বিমানবাহিনীর এক মুখপাত্রের দেওয়া তথ্যমতে, উড়োজাহাজটির মূল সংস্কার কাজ এবং পরীক্ষামূলক উড্ডয়ন ইতিমধ্যে সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। বর্তমানে এটি চূড়ান্ত পর্যায়ে রং করার কাজ চলছে। সবকিছু যদি নির্ধারিত পরিকল্পনা অনুযায়ী এগোয়, তবে গ্রীষ্মের মাঝামাঝি সময়েই নতুন এ বোয়িং ৭৪৭ উড়োজাহাজটি এয়ার ফোর্স ওয়ান বহরে নিজের স্থান করে নেবে।
সূত্র: রয়টার্স

মার্কিন প্রেসিডেন্টের বিশেষ বিমানবহর এয়ার ফোর্স ওয়ানে নতুনত্ব আনতে এক বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। কাতার থেকে উপহার হিসেবে পাওয়া একটি বিলাসবহুল বোয়িং ৭৪৭ উড়োজাহাজকে প্রেসিডেন্টের ব্যবহারের উপযোগী করে নতুনভাবে সাজিয়ে তোলা হচ্ছে। মার্কিন বিমানবাহিনীর লক্ষ্য হচ্ছে, আগামী ৪ জুলাই যুক্তরাষ্ট্রের ২৫০তম স্বাধীনতা দিবসের ঐতিহাসিক মূহূর্তেই এ উড়োজাহাজটিকে আনুষ্ঠানিকভাবে বহরে অন্তর্ভুক্ত করা। একজন মার্কিন কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্ট সূত্র এই খবরের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
২০২৫ সালে হোয়াইট হাউস কাতারের পক্ষ থেকে এই দামি উপহারটি গ্রহণ করে এবং এরপরই উড়োজাহাজটিকে দ্রুততম সময়ের মধ্যে আন্তর্জাতিক মানদণ্ডে উন্নীত করে প্রেসিডেন্টের ব্যবহারের জন্য প্রস্তুত করার নির্দেশ দেওয়া হয়। এ বিশাল কর্মযজ্ঞের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে এল-থ্রি-হ্যারিস নামক প্রতিষ্ঠানকে। যদি প্রতিষ্ঠানটি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সংস্কার কাজ শেষ করতে পারে, তবে স্বাধীনতা দিবসের আগেই ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রেসিডেন্ট হিসেবে ব্যবহারের জন্য একটি অত্যাধুনিক এয়ার ফোর্স ওয়ান হাতে পাবেন। সংশ্লিষ্ট সূত্রটি আরও ইঙ্গিত দিয়েছে, এল-থ্রি-হ্যারিস ১৪ জুন ডোনাল্ড ট্রাম্পের জন্মদিনে উপহার হিসেবে এ উড়োজাহাজটি হস্তান্তরের জন্য আপ্রাণ চেষ্টা চালাচ্ছে।
তবে কাতারের দেওয়া বিলাসবহুল উপহার গ্রহণ করা নিয়ে শুরু থেকেই ডেমোক্র্যাট শিবির ও বিভিন্ন রাজনৈতিক মহলে বিতর্কের ঝড় উঠেছে। সমালোচকদের মতে, এটি সরাসরি স্বার্থের সংঘাত তৈরি করতে পারে। তারা আশঙ্কা করছেন, এ বিশাল উপহারের বিনিময়ে কাতার ভবিষ্যতে মার্কিন প্রশাসনের কাছ থেকে বাড়তি কোনো অনৈতিক সুবিধা নেওয়ার চেষ্টা করতে পারে, যা দেশের গুরুত্বপূর্ণ নীতিনির্ধারণী প্রক্রিয়াকে প্রভাবিত করবে। ডোনাল্ড ট্রাম্প অবশ্য অত্যন্ত দৃঢ়তার সাথে এসব সমালোচনা প্রত্যাখ্যান করেছেন। তিনি সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, ৪০ কোটি ডলার মূল্যের এ বিশাল উড়োজাহাজ উপহার হিসেবে পাওয়ার পর তা ফিরিয়ে দেওয়াটা হতো চরম বোকামি।
বর্তমানে মার্কিন প্রেসিডেন্টের যাতায়াতের জন্য এয়ার ফোর্স ওয়ান বহরে দুটি বিশেষায়িত বোয়িং ৭৪৭-২০০বি বিমান রয়েছে। নিয়ম অনুযায়ী, প্রেসিডেন্ট বিমানবাহিনীর যে বিমানেই আরোহণ করেন, সেটিকে এয়ার ফোর্স ওয়ান হিসেবে অভিহিত করা হয়। নতুন উড়োজাহাজটিকে প্রেসিডেন্টের উপযুক্ত করতে বর্তমানে ব্যাপক নিরাপত্তা ও প্রযুক্তিগত পরিবর্তন আনা হচ্ছে। এর মধ্যে অন্যতম হলো উন্নতমানের যোগাযোগব্যবস্থা, যাতে কোনো ধরনের সিগন্যাল হ্যাকিং বা আড়িপাতা সম্ভব না হয়। সেই সঙ্গে যুক্ত করা হচ্ছে অত্যাধুনিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরোধব্যবস্থা এবং জরুরি পরিস্থিতিতে আকাশ থেকেই পুরো দেশ ও সরকার পরিচালনার জন্য সব ধরনের ডিজিটাল সক্ষমতা।
মার্কিন বিমানবাহিনীর এক মুখপাত্রের দেওয়া তথ্যমতে, উড়োজাহাজটির মূল সংস্কার কাজ এবং পরীক্ষামূলক উড্ডয়ন ইতিমধ্যে সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। বর্তমানে এটি চূড়ান্ত পর্যায়ে রং করার কাজ চলছে। সবকিছু যদি নির্ধারিত পরিকল্পনা অনুযায়ী এগোয়, তবে গ্রীষ্মের মাঝামাঝি সময়েই নতুন এ বোয়িং ৭৪৭ উড়োজাহাজটি এয়ার ফোর্স ওয়ান বহরে নিজের স্থান করে নেবে।
সূত্র: রয়টার্স

মার্কিন প্রেসিডেন্টের বহরে যুক্ত হচ্ছে কাতারের বিমান
সিটিজেন ডেস্ক
প্রকাশ : ০৭ মে ২০২৬, ২০: ৫৪

ছবি: রয়টার্স
মার্কিন প্রেসিডেন্টের বিশেষ বিমানবহর এয়ার ফোর্স ওয়ানে নতুনত্ব আনতে এক বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। কাতার থেকে উপহার হিসেবে পাওয়া একটি বিলাসবহুল বোয়িং ৭৪৭ উড়োজাহাজকে প্রেসিডেন্টের ব্যবহারের উপযোগী করে নতুনভাবে সাজিয়ে তোলা হচ্ছে। মার্কিন বিমানবাহিনীর লক্ষ্য হচ্ছে, আগামী ৪ জুলাই যুক্তরাষ্ট্রের ২৫০তম স্বাধীনতা দিবসের ঐতিহাসিক মূহূর্তেই এ উড়োজাহাজটিকে আনুষ্ঠানিকভাবে বহরে অন্তর্ভুক্ত করা। একজন মার্কিন কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্ট সূত্র এই খবরের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
২০২৫ সালে হোয়াইট হাউস কাতারের পক্ষ থেকে এই দামি উপহারটি গ্রহণ করে এবং এরপরই উড়োজাহাজটিকে দ্রুততম সময়ের মধ্যে আন্তর্জাতিক মানদণ্ডে উন্নীত করে প্রেসিডেন্টের ব্যবহারের জন্য প্রস্তুত করার নির্দেশ দেওয়া হয়। এ বিশাল কর্মযজ্ঞের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে এল-থ্রি-হ্যারিস নামক প্রতিষ্ঠানকে। যদি প্রতিষ্ঠানটি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সংস্কার কাজ শেষ করতে পারে, তবে স্বাধীনতা দিবসের আগেই ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রেসিডেন্ট হিসেবে ব্যবহারের জন্য একটি অত্যাধুনিক এয়ার ফোর্স ওয়ান হাতে পাবেন। সংশ্লিষ্ট সূত্রটি আরও ইঙ্গিত দিয়েছে, এল-থ্রি-হ্যারিস ১৪ জুন ডোনাল্ড ট্রাম্পের জন্মদিনে উপহার হিসেবে এ উড়োজাহাজটি হস্তান্তরের জন্য আপ্রাণ চেষ্টা চালাচ্ছে।
তবে কাতারের দেওয়া বিলাসবহুল উপহার গ্রহণ করা নিয়ে শুরু থেকেই ডেমোক্র্যাট শিবির ও বিভিন্ন রাজনৈতিক মহলে বিতর্কের ঝড় উঠেছে। সমালোচকদের মতে, এটি সরাসরি স্বার্থের সংঘাত তৈরি করতে পারে। তারা আশঙ্কা করছেন, এ বিশাল উপহারের বিনিময়ে কাতার ভবিষ্যতে মার্কিন প্রশাসনের কাছ থেকে বাড়তি কোনো অনৈতিক সুবিধা নেওয়ার চেষ্টা করতে পারে, যা দেশের গুরুত্বপূর্ণ নীতিনির্ধারণী প্রক্রিয়াকে প্রভাবিত করবে। ডোনাল্ড ট্রাম্প অবশ্য অত্যন্ত দৃঢ়তার সাথে এসব সমালোচনা প্রত্যাখ্যান করেছেন। তিনি সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, ৪০ কোটি ডলার মূল্যের এ বিশাল উড়োজাহাজ উপহার হিসেবে পাওয়ার পর তা ফিরিয়ে দেওয়াটা হতো চরম বোকামি।
বর্তমানে মার্কিন প্রেসিডেন্টের যাতায়াতের জন্য এয়ার ফোর্স ওয়ান বহরে দুটি বিশেষায়িত বোয়িং ৭৪৭-২০০বি বিমান রয়েছে। নিয়ম অনুযায়ী, প্রেসিডেন্ট বিমানবাহিনীর যে বিমানেই আরোহণ করেন, সেটিকে এয়ার ফোর্স ওয়ান হিসেবে অভিহিত করা হয়। নতুন উড়োজাহাজটিকে প্রেসিডেন্টের উপযুক্ত করতে বর্তমানে ব্যাপক নিরাপত্তা ও প্রযুক্তিগত পরিবর্তন আনা হচ্ছে। এর মধ্যে অন্যতম হলো উন্নতমানের যোগাযোগব্যবস্থা, যাতে কোনো ধরনের সিগন্যাল হ্যাকিং বা আড়িপাতা সম্ভব না হয়। সেই সঙ্গে যুক্ত করা হচ্ছে অত্যাধুনিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরোধব্যবস্থা এবং জরুরি পরিস্থিতিতে আকাশ থেকেই পুরো দেশ ও সরকার পরিচালনার জন্য সব ধরনের ডিজিটাল সক্ষমতা।
মার্কিন বিমানবাহিনীর এক মুখপাত্রের দেওয়া তথ্যমতে, উড়োজাহাজটির মূল সংস্কার কাজ এবং পরীক্ষামূলক উড্ডয়ন ইতিমধ্যে সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। বর্তমানে এটি চূড়ান্ত পর্যায়ে রং করার কাজ চলছে। সবকিছু যদি নির্ধারিত পরিকল্পনা অনুযায়ী এগোয়, তবে গ্রীষ্মের মাঝামাঝি সময়েই নতুন এ বোয়িং ৭৪৭ উড়োজাহাজটি এয়ার ফোর্স ওয়ান বহরে নিজের স্থান করে নেবে।
সূত্র: রয়টার্স
/এমএকে/

হরমুজ প্রণালিতে ব্যর্থ হয়ে ‘মুখরক্ষার’ চেষ্টায় ট্রাম্প


