মার্কিন অবরোধ এড়িয়ে ইরানকে ড্রোন সরঞ্জাম দিচ্ছে রাশিয়া
সিটিজেন ডেস্ক

মার্কিন অবরোধ এড়িয়ে ইরানকে ড্রোন সরঞ্জাম দিচ্ছে রাশিয়া
সিটিজেন ডেস্ক
প্রকাশ : ১০ মে ২০২৬, ০৩: ০২

ক্লজ: সিটিজেন গ্রাফিক্স
বিশ্বরাজনীতির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জলপথ হরমুজ প্রণালিতে যুক্তরাষ্ট্রের কঠোর নৌ-অবরোধের তোয়াক্কা না করেই রাশিয়ার সহায়তায় সামরিক সক্ষমতা পুনর্গঠন করছে ইরান। সরাসরি সীমান্ত না থাকলেও কাস্পিয়ান সাগরকে গোপন করিডোর হিসেবে ব্যবহার করে ড্রোন ও এর প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম তেহরানে পাঠাচ্ছে মস্কো। শনিবার (৯ মে) মার্কিন সংবাদমাধ্যম নিউইয়র্ক টাইমসের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।
মার্কিন কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, দীর্ঘদিন ধরে অবহেলিত এই বিশাল হ্রদটি এখন মস্কো ও তেহরানের মধ্যে প্রকাশ্য ও গোপন বাণিজ্যের অন্যতম প্রধান করিডোরে পরিণত হয়েছে।
সূত্রমতে, গত মাসে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ বোমাবর্ষণে ইরানের সামরিক শক্তির ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছিল, বিশেষ করে দেশটির প্রায় ৬০ শতাংশ ড্রোনই ধ্বংস হয়ে যায়। বর্তমান সরবরাহ ব্যবস্থা অব্যাহত থাকলে ইরান খুব দ্রুতই তাদের এ ড্রোন মজুত পুনরায় পূর্ণ করতে সক্ষম হবে। কাস্পিয়ান সাগরকে অনেকটা সেতুর মতো ব্যবহার করছে দুই দেশ, যেখানে দীর্ঘ উপকূলরেখা থাকায় তৃতীয় কোনো পক্ষের হস্তক্ষেপ ছাড়াই অবাধে পণ্য পরিবহন করা সম্ভব হচ্ছে। মূলত হরমুজ প্রণালি দিয়ে যে পণ্যগুলো যাওয়ার কথা ছিল, তার একটি বড় অংশ এখন এ রুটেই যাতায়াত করছে। এর মধ্যে শুধু সামরিক সরঞ্জামই নয়, বরং শস্য, পশুখাদ্য ও সূর্যমুখী তেলের মতো নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যও রয়েছে।
প্যারিসের সায়েন্সেস পো-এর অধ্যাপক ও বিশেষজ্ঞ নিকোল গ্রাজেউস্কির মতে, নিষেধাজ্ঞা এড়ানো এবং সামরিক সরঞ্জাম হস্তান্তরের জন্য কাস্পিয়ান সাগরের চেয়ে আদর্শ জায়গা আর হতে পারে না। অন্যদিকে, মার্কিন থিংক ট্যাঙ্ক হাডসন ইনস্টিটিউটের সিনিয়র ফেলো লুক কফি একে মার্কিন নীতিনির্ধারকদের জন্য একটি ভূ-রাজনৈতিক ব্ল্যাক হোল বা কৃষ্ণগহ্বর হিসেবে বর্ণনা করেছেন। তার মতে, কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হওয়া সত্ত্বেও ওয়াশিংটনের কাছে এ অঞ্চলটির যেন কোনো অস্তিত্বই নেই। এই সুযোগটি কাজে লাগিয়েই ইরান তাদের সামরিক ও অর্থনৈতিক প্রতিরক্ষা দেওয়াল মজবুত করে চলেছে।
সূত্র: দ্য নিউইয়র্ক টাইমস

বিশ্বরাজনীতির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জলপথ হরমুজ প্রণালিতে যুক্তরাষ্ট্রের কঠোর নৌ-অবরোধের তোয়াক্কা না করেই রাশিয়ার সহায়তায় সামরিক সক্ষমতা পুনর্গঠন করছে ইরান। সরাসরি সীমান্ত না থাকলেও কাস্পিয়ান সাগরকে গোপন করিডোর হিসেবে ব্যবহার করে ড্রোন ও এর প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম তেহরানে পাঠাচ্ছে মস্কো। শনিবার (৯ মে) মার্কিন সংবাদমাধ্যম নিউইয়র্ক টাইমসের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।
মার্কিন কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, দীর্ঘদিন ধরে অবহেলিত এই বিশাল হ্রদটি এখন মস্কো ও তেহরানের মধ্যে প্রকাশ্য ও গোপন বাণিজ্যের অন্যতম প্রধান করিডোরে পরিণত হয়েছে।
সূত্রমতে, গত মাসে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ বোমাবর্ষণে ইরানের সামরিক শক্তির ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছিল, বিশেষ করে দেশটির প্রায় ৬০ শতাংশ ড্রোনই ধ্বংস হয়ে যায়। বর্তমান সরবরাহ ব্যবস্থা অব্যাহত থাকলে ইরান খুব দ্রুতই তাদের এ ড্রোন মজুত পুনরায় পূর্ণ করতে সক্ষম হবে। কাস্পিয়ান সাগরকে অনেকটা সেতুর মতো ব্যবহার করছে দুই দেশ, যেখানে দীর্ঘ উপকূলরেখা থাকায় তৃতীয় কোনো পক্ষের হস্তক্ষেপ ছাড়াই অবাধে পণ্য পরিবহন করা সম্ভব হচ্ছে। মূলত হরমুজ প্রণালি দিয়ে যে পণ্যগুলো যাওয়ার কথা ছিল, তার একটি বড় অংশ এখন এ রুটেই যাতায়াত করছে। এর মধ্যে শুধু সামরিক সরঞ্জামই নয়, বরং শস্য, পশুখাদ্য ও সূর্যমুখী তেলের মতো নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যও রয়েছে।
প্যারিসের সায়েন্সেস পো-এর অধ্যাপক ও বিশেষজ্ঞ নিকোল গ্রাজেউস্কির মতে, নিষেধাজ্ঞা এড়ানো এবং সামরিক সরঞ্জাম হস্তান্তরের জন্য কাস্পিয়ান সাগরের চেয়ে আদর্শ জায়গা আর হতে পারে না। অন্যদিকে, মার্কিন থিংক ট্যাঙ্ক হাডসন ইনস্টিটিউটের সিনিয়র ফেলো লুক কফি একে মার্কিন নীতিনির্ধারকদের জন্য একটি ভূ-রাজনৈতিক ব্ল্যাক হোল বা কৃষ্ণগহ্বর হিসেবে বর্ণনা করেছেন। তার মতে, কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হওয়া সত্ত্বেও ওয়াশিংটনের কাছে এ অঞ্চলটির যেন কোনো অস্তিত্বই নেই। এই সুযোগটি কাজে লাগিয়েই ইরান তাদের সামরিক ও অর্থনৈতিক প্রতিরক্ষা দেওয়াল মজবুত করে চলেছে।
সূত্র: দ্য নিউইয়র্ক টাইমস

মার্কিন অবরোধ এড়িয়ে ইরানকে ড্রোন সরঞ্জাম দিচ্ছে রাশিয়া
সিটিজেন ডেস্ক
প্রকাশ : ১০ মে ২০২৬, ০৩: ০২

ক্লজ: সিটিজেন গ্রাফিক্স
বিশ্বরাজনীতির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জলপথ হরমুজ প্রণালিতে যুক্তরাষ্ট্রের কঠোর নৌ-অবরোধের তোয়াক্কা না করেই রাশিয়ার সহায়তায় সামরিক সক্ষমতা পুনর্গঠন করছে ইরান। সরাসরি সীমান্ত না থাকলেও কাস্পিয়ান সাগরকে গোপন করিডোর হিসেবে ব্যবহার করে ড্রোন ও এর প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম তেহরানে পাঠাচ্ছে মস্কো। শনিবার (৯ মে) মার্কিন সংবাদমাধ্যম নিউইয়র্ক টাইমসের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।
মার্কিন কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, দীর্ঘদিন ধরে অবহেলিত এই বিশাল হ্রদটি এখন মস্কো ও তেহরানের মধ্যে প্রকাশ্য ও গোপন বাণিজ্যের অন্যতম প্রধান করিডোরে পরিণত হয়েছে।
সূত্রমতে, গত মাসে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ বোমাবর্ষণে ইরানের সামরিক শক্তির ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছিল, বিশেষ করে দেশটির প্রায় ৬০ শতাংশ ড্রোনই ধ্বংস হয়ে যায়। বর্তমান সরবরাহ ব্যবস্থা অব্যাহত থাকলে ইরান খুব দ্রুতই তাদের এ ড্রোন মজুত পুনরায় পূর্ণ করতে সক্ষম হবে। কাস্পিয়ান সাগরকে অনেকটা সেতুর মতো ব্যবহার করছে দুই দেশ, যেখানে দীর্ঘ উপকূলরেখা থাকায় তৃতীয় কোনো পক্ষের হস্তক্ষেপ ছাড়াই অবাধে পণ্য পরিবহন করা সম্ভব হচ্ছে। মূলত হরমুজ প্রণালি দিয়ে যে পণ্যগুলো যাওয়ার কথা ছিল, তার একটি বড় অংশ এখন এ রুটেই যাতায়াত করছে। এর মধ্যে শুধু সামরিক সরঞ্জামই নয়, বরং শস্য, পশুখাদ্য ও সূর্যমুখী তেলের মতো নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যও রয়েছে।
প্যারিসের সায়েন্সেস পো-এর অধ্যাপক ও বিশেষজ্ঞ নিকোল গ্রাজেউস্কির মতে, নিষেধাজ্ঞা এড়ানো এবং সামরিক সরঞ্জাম হস্তান্তরের জন্য কাস্পিয়ান সাগরের চেয়ে আদর্শ জায়গা আর হতে পারে না। অন্যদিকে, মার্কিন থিংক ট্যাঙ্ক হাডসন ইনস্টিটিউটের সিনিয়র ফেলো লুক কফি একে মার্কিন নীতিনির্ধারকদের জন্য একটি ভূ-রাজনৈতিক ব্ল্যাক হোল বা কৃষ্ণগহ্বর হিসেবে বর্ণনা করেছেন। তার মতে, কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হওয়া সত্ত্বেও ওয়াশিংটনের কাছে এ অঞ্চলটির যেন কোনো অস্তিত্বই নেই। এই সুযোগটি কাজে লাগিয়েই ইরান তাদের সামরিক ও অর্থনৈতিক প্রতিরক্ষা দেওয়াল মজবুত করে চলেছে।
সূত্র: দ্য নিউইয়র্ক টাইমস
/এমএকে/

ইরান যুদ্ধে নতুন মোড়, ড্রোন দিচ্ছে রাশিয়া


