এক্সপ্লেইনার
হিজবুল্লাহকে নিরস্ত্র করা কেন সম্ভব নয়
সিটিজেন ডেস্ক

হিজবুল্লাহকে নিরস্ত্র করা কেন সম্ভব নয়
সিটিজেন ডেস্ক
প্রকাশ : ০৯ মে ২০২৬, ১৭: ৪৮

লেবাননের সশস্ত্র গোষ্ঠি হিজবুল্লাহ। ছবি: সংগৃহীত
ইসরায়েল ও লেবাননের মধ্যকার সম্ভাব্য শান্তি আলোচনা নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষক রানিয়া খালেক। তার মতে, বর্তমান আলোচনায় বাস্তবসম্মত অগ্রগতির চেয়ে রাজনৈতিক প্রদর্শনীর উপাদানই বেশি দেখা যাচ্ছে এবং হিজবুল্লাহকে নিরস্ত্র করা কার্যত সম্ভব নয়।
বৈরুত থেকে আল জাজিরাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে রানিয়া খালেক বলেন, ‘আলোচনার সারবস্তুতে তেমন নতুন কিছু নেই।’
তার মতে, ইসরায়েলি সরকারও বুঝতে পারছে যে লেবাননের সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহকে সামরিকভাবে নিরস্ত্র করা সম্ভব নয়।
তিনি বলেন, ‘ইসরায়েল লেবাননের অবকাঠামো ধ্বংস করতে পারে, ব্যাপক হামলা চালাতে পারে, কিন্তু হিজবুল্লাহকে পুরোপুরি নিরস্ত্র করা তাদের পক্ষে সম্ভব নয়। এমনকি ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর পক্ষেও তা বাস্তবসম্মত নয়।’
খালেকের দাবি, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এই আলোচনাকে কূটনৈতিক সাফল্য হিসেবে তুলে ধরতে আগ্রহী।
তার ভাষায়, ট্রাম্প মূলত এমন একটি রাজনৈতিক মুহূর্ত তৈরি করতে চাইছেন, যেখানে তিনি নিজেকে ‘লেবানন ও ইসরায়েলের মধ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠাকারী প্রথম মার্কিন প্রেসিডেন্ট’ হিসেবে উপস্থাপন করতে পারবেন।
তবে তিনি মনে করেন, বাস্তব পরিস্থিতি এত সহজ নয়। কারণ দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলের সামরিক উপস্থিতি, নিয়মিত বিমান হামলা এবং সীমান্ত এলাকায় উত্তেজনা অব্যাহত থাকলে কোনো শান্তি চুক্তিই কার্যকর হবে না।
খালেক বলেন, ‘যতদিন ইসরায়েল লেবাননের বিভিন্ন এলাকায় দখল, বোমা হামলা এবং জনশূন্য করার নীতি চালিয়ে যাবে, ততদিন প্রতিরোধও অব্যাহত থাকবে। হিজবুল্লাহ থাকুক বা না থাকুক, নতুন কোনো গোষ্ঠী গড়ে উঠবে এবং তারা নিজেদের জনগণ ও ভূখণ্ড রক্ষার দাবি তুলে অস্ত্র হাতে নেবে।’
বিশ্লেষকদের মতে, মধ্যপ্রাচ্যের এই সংঘাত শুধু দুই দেশের সীমান্ত সমস্যা নয়; বরং এটি আঞ্চলিক নিরাপত্তা, ইরান-যুক্তরাষ্ট্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা এবং ইসরায়েলের নিরাপত্তানীতির সঙ্গে গভীরভাবে জড়িত। ফলে রাজনৈতিক আলোচনা চললেও স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠার পথ এখনো অত্যন্ত জটিল ও অনিশ্চিত।
সূত্র: আল জাজিরা

ইসরায়েল ও লেবাননের মধ্যকার সম্ভাব্য শান্তি আলোচনা নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষক রানিয়া খালেক। তার মতে, বর্তমান আলোচনায় বাস্তবসম্মত অগ্রগতির চেয়ে রাজনৈতিক প্রদর্শনীর উপাদানই বেশি দেখা যাচ্ছে এবং হিজবুল্লাহকে নিরস্ত্র করা কার্যত সম্ভব নয়।
বৈরুত থেকে আল জাজিরাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে রানিয়া খালেক বলেন, ‘আলোচনার সারবস্তুতে তেমন নতুন কিছু নেই।’
তার মতে, ইসরায়েলি সরকারও বুঝতে পারছে যে লেবাননের সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহকে সামরিকভাবে নিরস্ত্র করা সম্ভব নয়।
তিনি বলেন, ‘ইসরায়েল লেবাননের অবকাঠামো ধ্বংস করতে পারে, ব্যাপক হামলা চালাতে পারে, কিন্তু হিজবুল্লাহকে পুরোপুরি নিরস্ত্র করা তাদের পক্ষে সম্ভব নয়। এমনকি ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর পক্ষেও তা বাস্তবসম্মত নয়।’
খালেকের দাবি, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এই আলোচনাকে কূটনৈতিক সাফল্য হিসেবে তুলে ধরতে আগ্রহী।
তার ভাষায়, ট্রাম্প মূলত এমন একটি রাজনৈতিক মুহূর্ত তৈরি করতে চাইছেন, যেখানে তিনি নিজেকে ‘লেবানন ও ইসরায়েলের মধ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠাকারী প্রথম মার্কিন প্রেসিডেন্ট’ হিসেবে উপস্থাপন করতে পারবেন।
তবে তিনি মনে করেন, বাস্তব পরিস্থিতি এত সহজ নয়। কারণ দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলের সামরিক উপস্থিতি, নিয়মিত বিমান হামলা এবং সীমান্ত এলাকায় উত্তেজনা অব্যাহত থাকলে কোনো শান্তি চুক্তিই কার্যকর হবে না।
খালেক বলেন, ‘যতদিন ইসরায়েল লেবাননের বিভিন্ন এলাকায় দখল, বোমা হামলা এবং জনশূন্য করার নীতি চালিয়ে যাবে, ততদিন প্রতিরোধও অব্যাহত থাকবে। হিজবুল্লাহ থাকুক বা না থাকুক, নতুন কোনো গোষ্ঠী গড়ে উঠবে এবং তারা নিজেদের জনগণ ও ভূখণ্ড রক্ষার দাবি তুলে অস্ত্র হাতে নেবে।’
বিশ্লেষকদের মতে, মধ্যপ্রাচ্যের এই সংঘাত শুধু দুই দেশের সীমান্ত সমস্যা নয়; বরং এটি আঞ্চলিক নিরাপত্তা, ইরান-যুক্তরাষ্ট্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা এবং ইসরায়েলের নিরাপত্তানীতির সঙ্গে গভীরভাবে জড়িত। ফলে রাজনৈতিক আলোচনা চললেও স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠার পথ এখনো অত্যন্ত জটিল ও অনিশ্চিত।
সূত্র: আল জাজিরা

হিজবুল্লাহকে নিরস্ত্র করা কেন সম্ভব নয়
সিটিজেন ডেস্ক
প্রকাশ : ০৯ মে ২০২৬, ১৭: ৪৮

লেবাননের সশস্ত্র গোষ্ঠি হিজবুল্লাহ। ছবি: সংগৃহীত
ইসরায়েল ও লেবাননের মধ্যকার সম্ভাব্য শান্তি আলোচনা নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষক রানিয়া খালেক। তার মতে, বর্তমান আলোচনায় বাস্তবসম্মত অগ্রগতির চেয়ে রাজনৈতিক প্রদর্শনীর উপাদানই বেশি দেখা যাচ্ছে এবং হিজবুল্লাহকে নিরস্ত্র করা কার্যত সম্ভব নয়।
বৈরুত থেকে আল জাজিরাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে রানিয়া খালেক বলেন, ‘আলোচনার সারবস্তুতে তেমন নতুন কিছু নেই।’
তার মতে, ইসরায়েলি সরকারও বুঝতে পারছে যে লেবাননের সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহকে সামরিকভাবে নিরস্ত্র করা সম্ভব নয়।
তিনি বলেন, ‘ইসরায়েল লেবাননের অবকাঠামো ধ্বংস করতে পারে, ব্যাপক হামলা চালাতে পারে, কিন্তু হিজবুল্লাহকে পুরোপুরি নিরস্ত্র করা তাদের পক্ষে সম্ভব নয়। এমনকি ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর পক্ষেও তা বাস্তবসম্মত নয়।’
খালেকের দাবি, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এই আলোচনাকে কূটনৈতিক সাফল্য হিসেবে তুলে ধরতে আগ্রহী।
তার ভাষায়, ট্রাম্প মূলত এমন একটি রাজনৈতিক মুহূর্ত তৈরি করতে চাইছেন, যেখানে তিনি নিজেকে ‘লেবানন ও ইসরায়েলের মধ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠাকারী প্রথম মার্কিন প্রেসিডেন্ট’ হিসেবে উপস্থাপন করতে পারবেন।
তবে তিনি মনে করেন, বাস্তব পরিস্থিতি এত সহজ নয়। কারণ দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলের সামরিক উপস্থিতি, নিয়মিত বিমান হামলা এবং সীমান্ত এলাকায় উত্তেজনা অব্যাহত থাকলে কোনো শান্তি চুক্তিই কার্যকর হবে না।
খালেক বলেন, ‘যতদিন ইসরায়েল লেবাননের বিভিন্ন এলাকায় দখল, বোমা হামলা এবং জনশূন্য করার নীতি চালিয়ে যাবে, ততদিন প্রতিরোধও অব্যাহত থাকবে। হিজবুল্লাহ থাকুক বা না থাকুক, নতুন কোনো গোষ্ঠী গড়ে উঠবে এবং তারা নিজেদের জনগণ ও ভূখণ্ড রক্ষার দাবি তুলে অস্ত্র হাতে নেবে।’
বিশ্লেষকদের মতে, মধ্যপ্রাচ্যের এই সংঘাত শুধু দুই দেশের সীমান্ত সমস্যা নয়; বরং এটি আঞ্চলিক নিরাপত্তা, ইরান-যুক্তরাষ্ট্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা এবং ইসরায়েলের নিরাপত্তানীতির সঙ্গে গভীরভাবে জড়িত। ফলে রাজনৈতিক আলোচনা চললেও স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠার পথ এখনো অত্যন্ত জটিল ও অনিশ্চিত।
সূত্র: আল জাজিরা
/এমআর/




