সন্তানের সাফল্যে আলোকিত মা মমতাজ বেগম
মানিকগঞ্জ সংবাদদাতা

সন্তানের সাফল্যে আলোকিত মা মমতাজ বেগম
মানিকগঞ্জ সংবাদদাতা
প্রকাশ : ০৯ মে ২০২৬, ২১: ৩৬

মানিকগঞ্জের হরিরামপুর উপজেলার সট্টি গ্রামের ‘রত্নগর্ভা মা’ মমতাজ বেগম। ছবি: সংগৃহীত
একজন আদর্শ মা শুধু সন্তান জন্ম দিয়ে দায়িত্ব শেষ করেন না। সন্তানকে সুশিক্ষা, নৈতিকতা ও মানবিক মূল্যবোধে গড়ে তুলে সমাজ তথা দেশের একজন করে তুলেন। এমনই একজন গর্বিত ও সংগ্রামী ‘রত্নগর্ভা মা’ হলেন মানিকগঞ্জের হরিরামপুর উপজেলার সট্টি গ্রামের মমতাজ বেগম।
শিক্ষক পিতার কন্যা এই মহীয়সী নারী, যার চার সন্তান আজ নিজ নিজ কর্মক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠিত হয়ে দেশের সেবায় নিজেদের ব্যস্ত রেখেছেন। স্বামী আবুল কালাম দেওয়ান দীর্ঘ দুই দশক সৌদি আরবে কর্মরত ছিলেন।
পরিবারের সদস্যদের সূত্রে জানা যায়, সংসারের কর্তা আবুল কালাম দেওয়ান দীর্ঘদিন প্রবাসে কর্মরত থাকায় চার সন্তানের লেখাপড়া, দেখভাল ও লালন-পালন করার পুরো দায়িত্ব এসে পড়ে মায়ের কাঁধে। নানা প্রতিকূলতার মধ্যেও তিনি কখনও সন্তানদের শিক্ষার সঙ্গে আপস করেননি। কঠোর পরিশ্রম, ত্যাগ ও সঠিক দিকনির্দেশনার মাধ্যমে তিনি সন্তানদের সুশিক্ষায় শিক্ষিত করে গড়ে তুলেছেন।
তার বড় মেয়ে আফরোজা জাহান রাষ্ট্রবিজ্ঞানে মাস্টার্স সম্পন্ন করে বর্তমানে সফল ব্যবসায়ী হিসাবে কাজ করছেন। তিনি ‘আল মক্কা এন্টারপ্রাইজ’-এর চেয়ারম্যান হিসাবে দায়িত্ব পালন করছেন। ব্যবসায়িক দক্ষতা ও নেতৃত্বগুণের মাধ্যমে তিনি ইতোমধ্যে নিজস্ব অবস্থান তৈরি করেছেন।
ছোট মেয়ে ফারহানা আক্তার শিক্ষা ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন। তিনি রাজধানীর স্বনামধন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বিএএফ শাহিন কলেজে প্রভাষক হিসাবে কর্মরত রয়েছেন। শিক্ষকতার মাধ্যমে নতুন প্রজন্ম গঠনে অবদান রেখে চলেছেন তিনি।
অন্যদিকে বড় ছেলে মেজর দেওয়ান মোহাম্মদ মোক্তাদির বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে কর্মরত আছেন। দেশ রক্ষার মহান দায়িত্ব পালন করে তিনি পরিবারের পাশাপাশি দেশের জন্যও গৌরব বয়ে আনছেন। তিনি জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে কর্মরত ছিলেন।
স্বামী আবুল কালাম দেওয়ান বলেন, ১৯৮২ সালে সৌদি আরবে গিয়ে দুই বছর পরে চলে আসি। পরে ১৯৯২ সালে আবার জীবিকার তাগিদে সৌদি আরবে চলে যাই। প্রায় প্রতি বছরই দেশে এসেছি সন্তানদের সময় দিতে। ২-৩ মাস থেকে আবার চলে গেছি। আমি আর্থিক জোগান দিলেও সার্বক্ষনিক সংসার পরিচালনা করেছে আমার স্ত্রী; সন্তানদের পড়াশোনাও সে সামলিয়েছে। সদর উপজেলার খাবাশপুর স্কুল থেকে আমার দুই ছেলেই বৃত্তি পায়। পরে ছেলে মেয়েদের লেখাপড়ার জন্য ঢাকায় সেটেল্ড হয়ে যাই। আমার দুই ছেলেই নটরডেম কলেজে পড়াশোনা করেছে।
বড় ছেলের বাংলাদেরশ সেনাবাহিনীর লং কোর্সে কমিশন্ড অফিসার হিসাবে যোগদান, পরবর্তীতে ছোট ছেলের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনার ক্ষেত্রে তার অবদান সবচেয়ে বেশি।
সবচেয়ে ছোট ছেলে দেওয়ান মোহাম্মাদ গোলাম কিবরিয়া ৩৩তম বিসিএস ক্যাডারের কর্মকর্তা। বর্তমানে তিনি জাতীয় রাজস্ব বোর্ডে ডেপুটি কমিশনার হিসাবে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি ২০০৭ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষায় প্রথম স্থান অর্জন করেছিলেন।
পরিবারের এই সর্বকনিষ্ঠ সদস্য জানান, সন্তানদের পড়াশোনা ও নৈতিক শিক্ষার বিষয়ে মা সবসময় অত্যন্ত কঠোর ও সচেতন ছিলেন। তিনি সন্তানদের শুধু ভালো ফলাফলের জন্য নয়, সৎ ও মানবিক মানুষ হিসাবে গড়ে তোলার দিকেও বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছেন।
স্থানীয়রা জানান, বর্তমান সময়ে যখন সামাজিক অবক্ষয় ও মূল্যবোধের সংকট দেখা যাচ্ছে, তখন এমন একজন মায়ের জীবন সংগ্রাম ও সন্তান গড়ে তোলার গল্প অন্যদের জন্য বড় অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে।
তাদের মতে, একজন রত্নগর্ভা মা শুধু একটি পরিবারের নয়, পুরো সমাজের সম্পদ। কারণ তার সুশিক্ষিত ও সফল সন্তানরা দেশ ও সমাজের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।
সন্তানদের সাফল্যে আজ তিনি শুধু পরিবারের গর্ব নন, পুরো এলাকার জন্যও এক অনুকরণীয় উদাহরণ। তার জীবন সংগ্রাম, ত্যাগ ও সন্তানদের সাফল্যের গল্প ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য প্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে বলে মনে করেন তারা।

একজন আদর্শ মা শুধু সন্তান জন্ম দিয়ে দায়িত্ব শেষ করেন না। সন্তানকে সুশিক্ষা, নৈতিকতা ও মানবিক মূল্যবোধে গড়ে তুলে সমাজ তথা দেশের একজন করে তুলেন। এমনই একজন গর্বিত ও সংগ্রামী ‘রত্নগর্ভা মা’ হলেন মানিকগঞ্জের হরিরামপুর উপজেলার সট্টি গ্রামের মমতাজ বেগম।
শিক্ষক পিতার কন্যা এই মহীয়সী নারী, যার চার সন্তান আজ নিজ নিজ কর্মক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠিত হয়ে দেশের সেবায় নিজেদের ব্যস্ত রেখেছেন। স্বামী আবুল কালাম দেওয়ান দীর্ঘ দুই দশক সৌদি আরবে কর্মরত ছিলেন।
পরিবারের সদস্যদের সূত্রে জানা যায়, সংসারের কর্তা আবুল কালাম দেওয়ান দীর্ঘদিন প্রবাসে কর্মরত থাকায় চার সন্তানের লেখাপড়া, দেখভাল ও লালন-পালন করার পুরো দায়িত্ব এসে পড়ে মায়ের কাঁধে। নানা প্রতিকূলতার মধ্যেও তিনি কখনও সন্তানদের শিক্ষার সঙ্গে আপস করেননি। কঠোর পরিশ্রম, ত্যাগ ও সঠিক দিকনির্দেশনার মাধ্যমে তিনি সন্তানদের সুশিক্ষায় শিক্ষিত করে গড়ে তুলেছেন।
তার বড় মেয়ে আফরোজা জাহান রাষ্ট্রবিজ্ঞানে মাস্টার্স সম্পন্ন করে বর্তমানে সফল ব্যবসায়ী হিসাবে কাজ করছেন। তিনি ‘আল মক্কা এন্টারপ্রাইজ’-এর চেয়ারম্যান হিসাবে দায়িত্ব পালন করছেন। ব্যবসায়িক দক্ষতা ও নেতৃত্বগুণের মাধ্যমে তিনি ইতোমধ্যে নিজস্ব অবস্থান তৈরি করেছেন।
ছোট মেয়ে ফারহানা আক্তার শিক্ষা ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন। তিনি রাজধানীর স্বনামধন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বিএএফ শাহিন কলেজে প্রভাষক হিসাবে কর্মরত রয়েছেন। শিক্ষকতার মাধ্যমে নতুন প্রজন্ম গঠনে অবদান রেখে চলেছেন তিনি।
অন্যদিকে বড় ছেলে মেজর দেওয়ান মোহাম্মদ মোক্তাদির বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে কর্মরত আছেন। দেশ রক্ষার মহান দায়িত্ব পালন করে তিনি পরিবারের পাশাপাশি দেশের জন্যও গৌরব বয়ে আনছেন। তিনি জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে কর্মরত ছিলেন।
স্বামী আবুল কালাম দেওয়ান বলেন, ১৯৮২ সালে সৌদি আরবে গিয়ে দুই বছর পরে চলে আসি। পরে ১৯৯২ সালে আবার জীবিকার তাগিদে সৌদি আরবে চলে যাই। প্রায় প্রতি বছরই দেশে এসেছি সন্তানদের সময় দিতে। ২-৩ মাস থেকে আবার চলে গেছি। আমি আর্থিক জোগান দিলেও সার্বক্ষনিক সংসার পরিচালনা করেছে আমার স্ত্রী; সন্তানদের পড়াশোনাও সে সামলিয়েছে। সদর উপজেলার খাবাশপুর স্কুল থেকে আমার দুই ছেলেই বৃত্তি পায়। পরে ছেলে মেয়েদের লেখাপড়ার জন্য ঢাকায় সেটেল্ড হয়ে যাই। আমার দুই ছেলেই নটরডেম কলেজে পড়াশোনা করেছে।
বড় ছেলের বাংলাদেরশ সেনাবাহিনীর লং কোর্সে কমিশন্ড অফিসার হিসাবে যোগদান, পরবর্তীতে ছোট ছেলের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনার ক্ষেত্রে তার অবদান সবচেয়ে বেশি।
সবচেয়ে ছোট ছেলে দেওয়ান মোহাম্মাদ গোলাম কিবরিয়া ৩৩তম বিসিএস ক্যাডারের কর্মকর্তা। বর্তমানে তিনি জাতীয় রাজস্ব বোর্ডে ডেপুটি কমিশনার হিসাবে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি ২০০৭ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষায় প্রথম স্থান অর্জন করেছিলেন।
পরিবারের এই সর্বকনিষ্ঠ সদস্য জানান, সন্তানদের পড়াশোনা ও নৈতিক শিক্ষার বিষয়ে মা সবসময় অত্যন্ত কঠোর ও সচেতন ছিলেন। তিনি সন্তানদের শুধু ভালো ফলাফলের জন্য নয়, সৎ ও মানবিক মানুষ হিসাবে গড়ে তোলার দিকেও বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছেন।
স্থানীয়রা জানান, বর্তমান সময়ে যখন সামাজিক অবক্ষয় ও মূল্যবোধের সংকট দেখা যাচ্ছে, তখন এমন একজন মায়ের জীবন সংগ্রাম ও সন্তান গড়ে তোলার গল্প অন্যদের জন্য বড় অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে।
তাদের মতে, একজন রত্নগর্ভা মা শুধু একটি পরিবারের নয়, পুরো সমাজের সম্পদ। কারণ তার সুশিক্ষিত ও সফল সন্তানরা দেশ ও সমাজের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।
সন্তানদের সাফল্যে আজ তিনি শুধু পরিবারের গর্ব নন, পুরো এলাকার জন্যও এক অনুকরণীয় উদাহরণ। তার জীবন সংগ্রাম, ত্যাগ ও সন্তানদের সাফল্যের গল্প ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য প্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে বলে মনে করেন তারা।

সন্তানের সাফল্যে আলোকিত মা মমতাজ বেগম
মানিকগঞ্জ সংবাদদাতা
প্রকাশ : ০৯ মে ২০২৬, ২১: ৩৬

মানিকগঞ্জের হরিরামপুর উপজেলার সট্টি গ্রামের ‘রত্নগর্ভা মা’ মমতাজ বেগম। ছবি: সংগৃহীত
একজন আদর্শ মা শুধু সন্তান জন্ম দিয়ে দায়িত্ব শেষ করেন না। সন্তানকে সুশিক্ষা, নৈতিকতা ও মানবিক মূল্যবোধে গড়ে তুলে সমাজ তথা দেশের একজন করে তুলেন। এমনই একজন গর্বিত ও সংগ্রামী ‘রত্নগর্ভা মা’ হলেন মানিকগঞ্জের হরিরামপুর উপজেলার সট্টি গ্রামের মমতাজ বেগম।
শিক্ষক পিতার কন্যা এই মহীয়সী নারী, যার চার সন্তান আজ নিজ নিজ কর্মক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠিত হয়ে দেশের সেবায় নিজেদের ব্যস্ত রেখেছেন। স্বামী আবুল কালাম দেওয়ান দীর্ঘ দুই দশক সৌদি আরবে কর্মরত ছিলেন।
পরিবারের সদস্যদের সূত্রে জানা যায়, সংসারের কর্তা আবুল কালাম দেওয়ান দীর্ঘদিন প্রবাসে কর্মরত থাকায় চার সন্তানের লেখাপড়া, দেখভাল ও লালন-পালন করার পুরো দায়িত্ব এসে পড়ে মায়ের কাঁধে। নানা প্রতিকূলতার মধ্যেও তিনি কখনও সন্তানদের শিক্ষার সঙ্গে আপস করেননি। কঠোর পরিশ্রম, ত্যাগ ও সঠিক দিকনির্দেশনার মাধ্যমে তিনি সন্তানদের সুশিক্ষায় শিক্ষিত করে গড়ে তুলেছেন।
তার বড় মেয়ে আফরোজা জাহান রাষ্ট্রবিজ্ঞানে মাস্টার্স সম্পন্ন করে বর্তমানে সফল ব্যবসায়ী হিসাবে কাজ করছেন। তিনি ‘আল মক্কা এন্টারপ্রাইজ’-এর চেয়ারম্যান হিসাবে দায়িত্ব পালন করছেন। ব্যবসায়িক দক্ষতা ও নেতৃত্বগুণের মাধ্যমে তিনি ইতোমধ্যে নিজস্ব অবস্থান তৈরি করেছেন।
ছোট মেয়ে ফারহানা আক্তার শিক্ষা ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন। তিনি রাজধানীর স্বনামধন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বিএএফ শাহিন কলেজে প্রভাষক হিসাবে কর্মরত রয়েছেন। শিক্ষকতার মাধ্যমে নতুন প্রজন্ম গঠনে অবদান রেখে চলেছেন তিনি।
অন্যদিকে বড় ছেলে মেজর দেওয়ান মোহাম্মদ মোক্তাদির বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে কর্মরত আছেন। দেশ রক্ষার মহান দায়িত্ব পালন করে তিনি পরিবারের পাশাপাশি দেশের জন্যও গৌরব বয়ে আনছেন। তিনি জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে কর্মরত ছিলেন।
স্বামী আবুল কালাম দেওয়ান বলেন, ১৯৮২ সালে সৌদি আরবে গিয়ে দুই বছর পরে চলে আসি। পরে ১৯৯২ সালে আবার জীবিকার তাগিদে সৌদি আরবে চলে যাই। প্রায় প্রতি বছরই দেশে এসেছি সন্তানদের সময় দিতে। ২-৩ মাস থেকে আবার চলে গেছি। আমি আর্থিক জোগান দিলেও সার্বক্ষনিক সংসার পরিচালনা করেছে আমার স্ত্রী; সন্তানদের পড়াশোনাও সে সামলিয়েছে। সদর উপজেলার খাবাশপুর স্কুল থেকে আমার দুই ছেলেই বৃত্তি পায়। পরে ছেলে মেয়েদের লেখাপড়ার জন্য ঢাকায় সেটেল্ড হয়ে যাই। আমার দুই ছেলেই নটরডেম কলেজে পড়াশোনা করেছে।
বড় ছেলের বাংলাদেরশ সেনাবাহিনীর লং কোর্সে কমিশন্ড অফিসার হিসাবে যোগদান, পরবর্তীতে ছোট ছেলের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনার ক্ষেত্রে তার অবদান সবচেয়ে বেশি।
সবচেয়ে ছোট ছেলে দেওয়ান মোহাম্মাদ গোলাম কিবরিয়া ৩৩তম বিসিএস ক্যাডারের কর্মকর্তা। বর্তমানে তিনি জাতীয় রাজস্ব বোর্ডে ডেপুটি কমিশনার হিসাবে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি ২০০৭ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষায় প্রথম স্থান অর্জন করেছিলেন।
পরিবারের এই সর্বকনিষ্ঠ সদস্য জানান, সন্তানদের পড়াশোনা ও নৈতিক শিক্ষার বিষয়ে মা সবসময় অত্যন্ত কঠোর ও সচেতন ছিলেন। তিনি সন্তানদের শুধু ভালো ফলাফলের জন্য নয়, সৎ ও মানবিক মানুষ হিসাবে গড়ে তোলার দিকেও বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছেন।
স্থানীয়রা জানান, বর্তমান সময়ে যখন সামাজিক অবক্ষয় ও মূল্যবোধের সংকট দেখা যাচ্ছে, তখন এমন একজন মায়ের জীবন সংগ্রাম ও সন্তান গড়ে তোলার গল্প অন্যদের জন্য বড় অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে।
তাদের মতে, একজন রত্নগর্ভা মা শুধু একটি পরিবারের নয়, পুরো সমাজের সম্পদ। কারণ তার সুশিক্ষিত ও সফল সন্তানরা দেশ ও সমাজের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।
সন্তানদের সাফল্যে আজ তিনি শুধু পরিবারের গর্ব নন, পুরো এলাকার জন্যও এক অনুকরণীয় উদাহরণ। তার জীবন সংগ্রাম, ত্যাগ ও সন্তানদের সাফল্যের গল্প ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য প্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে বলে মনে করেন তারা।
/এমআর/




