ব্রিটিশের শাসনের প্রতীক খাকিতে ফিরতে চায় না পুলিশ

ব্রিটিশের শাসনের প্রতীক খাকিতে ফিরতে চায় না পুলিশ
আয়নাল হোসেন

ব্রিটিশ ভারতে শাসন, দমন ও কর্তৃত্বের প্রতীক ‘খাকি’ রং। এই খাকি রংয়ের পোশাকে ফিরতে চায় না পুলিশ। পুলিশের প্যান্টের রং খাকি হবে সরকারের এই সিদ্ধান্তে মাঠ থেকে শুরু করে উর্ধ্বতন কর্মকর্তা পর্যায়ে বিভিন্ন স্তরে সৃষ্টি হয়েছে অসন্তোষ। পুলিশের বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে এ তথ্য জানা গেছে।
ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) একজন কর্মকর্তা সিটিজেন জার্নালকে বলেন, আমরা ব্রিটিশ শাসকদের প্রতীকে ফিরতে চাই না। এসব পোশাক আশপাশের কোনো দেশে এখন আর ব্যবহার হচ্ছে না। তরিঘরি করে পোশাক পরিবর্তনের পক্ষে আমরা নেই। এজন্য গবেষণা করে সবার মতামতের ভিত্তিতেই পুলিশের পোশাক পরিবর্তন হওয়ার দাবি করেন এই কর্মকর্তা।
জানতে চাইলে সুশাসনের জন্য নাগরিকের (সুজন) সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদার সিটিজেন জার্নালকে বলেন, সবার মতামতের ভিত্তিতে পুলিশের পোশাক পরিবর্তন হওয়া উচিত। তবে পোশাক যেটাই নির্ধারণ করুক কোনো না কোনো বিষয়ে কারো না কারো অমত থাকবে।
মাঠ পর্যায়ের একজন পুলিশ পরিদর্শক সিটিজেন জার্নালকে বলেন, শুধু পোশাক পরিবর্তন করলেই হবে না। পুলিশের মনোবল ঠিক করতে হবে। পোশাক কোনো বিষয় নয়। তবে ব্রিটিশ শাসনের প্রতীক যে খাকি পোশাকে বহম করছে সেটি এড়িয়ে চলাই ভালো।
এর আগে, সোমবার (৪ মে) বলপ্রয়োগে বাস্তুচ্যুত মিয়ানমার নাগরিকদের সমন্বয়, ব্যবস্থাপনা ও আইনশৃঙ্খলা সম্পর্কিত জাতীয় কমিটির প্রথম সভা শেষে পুলিশের পোশাক পরিবর্তনের সিদ্ধান্তের কথা জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমদ।
তিনি বলেন,মহানগর ও সারাদেশের পুলিশের আগের যে পোশাক সেটি বহাল থাকবে। তবে প্যান্ট রং হবে খাকি।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সারাদেশে বিদ্যমান যে পুলিশের পোশাক আছে সেটা নিয়ে কেউ সন্তুষ্ট নয়। সেজন্য পুলিশ বাহিনীর আবেদনের প্রেক্ষিতে বিষয়টা বিবেচনা করেছি। এই পোশাক পেতে পুলিশের কিছু সময় লাগবে। মহানগর পুলিশের হালকা জলপাই বা লাইট অলিভ রঙের শার্টের সঙ্গে থাকবে খাকি প্যান্টে। আর জেলা পুলিশসহ অন্য পুলিশ সদস্যরা গাঢ় নীল শার্টের সঙ্গে পাবে খাকি প্যান্ট।
২০০৪ সালে বিএনপি নেতৃত্বাধীন চার দলীয় সরকারের আমলে পুলিশের খাকি পোশাকে পরিবর্তন আসে। সেই সময় মহানগর পুলিশের ইউনিফরমে ছিল গাঢ় নীল শার্টের সঙ্গে খাকি প্যান্ট। অন্য পুলিশ ইউনিটের সদস্যরা খাকি শার্ট ও খাকি প্যান্টের ইউনিফরম পরতেন।
জানা গেছে, পুলিশের পোশাক পরিবর্তনের পেছনে ইতোমধ্যে ৭৬ কোটি টাকা খরচ হয়েছে। হঠাৎ করে আবার পোশাকের পরিবর্তন করতে গেলে সেখানে বিরাট অংকের একটি অর্থের প্রয়োজন হবে।
সাপ্তাহিক ছুটির দিনে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সদস্যরা খাকি রংয়ের পোশাক পরে। এছাড়া পুলিশের বিভিন্ন অনুষ্ঠানেও খাকি রংয়ের পোশাক এখনও ব্যবহার হচ্ছে। তবে দক্ষিণ এশিয়াসহ অনেক দেশে ঐতিহাসিক, মানসিক ও সামাজিকসহ নানা কারণে পুলিশের খাকি পোশাক নিয়ে কিছু মানুষের নেতিবাচক অনুভূতি তৈরি হয়েছে।
রঙের মনস্তত্ত্বে খাকি একটি মাটিরঙা, কঠোর ও আনুষ্ঠানিক অনুভূতি তৈরি করে। অনেককে এই রং জেরা, গ্রেপ্তার, লাঠিচার্জ ও ক্ষমতার প্রদর্শন–এসব অভিজ্ঞতার কথা মনে করিয়ে দেয়। কোনো দেশের পুলিশ যদি জনগণের সঙ্গে খারাপ আচরণ, দুর্নীতি বা হয়রানির অভিযোগে সমালোচিত হয়, তখন মানুষের ক্ষোভ পোশাকের রঙের সঙ্গেও মিলে যায়। তখন ‘খাকি’ শুধু একটি রং থাকে না, বরং একটি প্রতিষ্ঠানের প্রতীক হিসেবে গণ্য হয়।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, খাকি রংয়ের কিছু সুবিধাও রয়েছে। এটি ময়লা হলে বোঝা যায় না, মাঠপর্যায়ে ব্যবহার উপযোগী, গরমকালে তুলনামূলক আরামদায়ক, শৃঙ্খলাবোধের অনুভূতি দেয়। এ কারণে অনেক দেশেই পুলিশ বাহিনীতে খাকি রং ব্যবহার হতো।

ব্রিটিশ ভারতে শাসন, দমন ও কর্তৃত্বের প্রতীক ‘খাকি’ রং। এই খাকি রংয়ের পোশাকে ফিরতে চায় না পুলিশ। পুলিশের প্যান্টের রং খাকি হবে সরকারের এই সিদ্ধান্তে মাঠ থেকে শুরু করে উর্ধ্বতন কর্মকর্তা পর্যায়ে বিভিন্ন স্তরে সৃষ্টি হয়েছে অসন্তোষ। পুলিশের বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে এ তথ্য জানা গেছে।
ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) একজন কর্মকর্তা সিটিজেন জার্নালকে বলেন, আমরা ব্রিটিশ শাসকদের প্রতীকে ফিরতে চাই না। এসব পোশাক আশপাশের কোনো দেশে এখন আর ব্যবহার হচ্ছে না। তরিঘরি করে পোশাক পরিবর্তনের পক্ষে আমরা নেই। এজন্য গবেষণা করে সবার মতামতের ভিত্তিতেই পুলিশের পোশাক পরিবর্তন হওয়ার দাবি করেন এই কর্মকর্তা।
জানতে চাইলে সুশাসনের জন্য নাগরিকের (সুজন) সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদার সিটিজেন জার্নালকে বলেন, সবার মতামতের ভিত্তিতে পুলিশের পোশাক পরিবর্তন হওয়া উচিত। তবে পোশাক যেটাই নির্ধারণ করুক কোনো না কোনো বিষয়ে কারো না কারো অমত থাকবে।
মাঠ পর্যায়ের একজন পুলিশ পরিদর্শক সিটিজেন জার্নালকে বলেন, শুধু পোশাক পরিবর্তন করলেই হবে না। পুলিশের মনোবল ঠিক করতে হবে। পোশাক কোনো বিষয় নয়। তবে ব্রিটিশ শাসনের প্রতীক যে খাকি পোশাকে বহম করছে সেটি এড়িয়ে চলাই ভালো।
এর আগে, সোমবার (৪ মে) বলপ্রয়োগে বাস্তুচ্যুত মিয়ানমার নাগরিকদের সমন্বয়, ব্যবস্থাপনা ও আইনশৃঙ্খলা সম্পর্কিত জাতীয় কমিটির প্রথম সভা শেষে পুলিশের পোশাক পরিবর্তনের সিদ্ধান্তের কথা জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমদ।
তিনি বলেন,মহানগর ও সারাদেশের পুলিশের আগের যে পোশাক সেটি বহাল থাকবে। তবে প্যান্ট রং হবে খাকি।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সারাদেশে বিদ্যমান যে পুলিশের পোশাক আছে সেটা নিয়ে কেউ সন্তুষ্ট নয়। সেজন্য পুলিশ বাহিনীর আবেদনের প্রেক্ষিতে বিষয়টা বিবেচনা করেছি। এই পোশাক পেতে পুলিশের কিছু সময় লাগবে। মহানগর পুলিশের হালকা জলপাই বা লাইট অলিভ রঙের শার্টের সঙ্গে থাকবে খাকি প্যান্টে। আর জেলা পুলিশসহ অন্য পুলিশ সদস্যরা গাঢ় নীল শার্টের সঙ্গে পাবে খাকি প্যান্ট।
২০০৪ সালে বিএনপি নেতৃত্বাধীন চার দলীয় সরকারের আমলে পুলিশের খাকি পোশাকে পরিবর্তন আসে। সেই সময় মহানগর পুলিশের ইউনিফরমে ছিল গাঢ় নীল শার্টের সঙ্গে খাকি প্যান্ট। অন্য পুলিশ ইউনিটের সদস্যরা খাকি শার্ট ও খাকি প্যান্টের ইউনিফরম পরতেন।
জানা গেছে, পুলিশের পোশাক পরিবর্তনের পেছনে ইতোমধ্যে ৭৬ কোটি টাকা খরচ হয়েছে। হঠাৎ করে আবার পোশাকের পরিবর্তন করতে গেলে সেখানে বিরাট অংকের একটি অর্থের প্রয়োজন হবে।
সাপ্তাহিক ছুটির দিনে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সদস্যরা খাকি রংয়ের পোশাক পরে। এছাড়া পুলিশের বিভিন্ন অনুষ্ঠানেও খাকি রংয়ের পোশাক এখনও ব্যবহার হচ্ছে। তবে দক্ষিণ এশিয়াসহ অনেক দেশে ঐতিহাসিক, মানসিক ও সামাজিকসহ নানা কারণে পুলিশের খাকি পোশাক নিয়ে কিছু মানুষের নেতিবাচক অনুভূতি তৈরি হয়েছে।
রঙের মনস্তত্ত্বে খাকি একটি মাটিরঙা, কঠোর ও আনুষ্ঠানিক অনুভূতি তৈরি করে। অনেককে এই রং জেরা, গ্রেপ্তার, লাঠিচার্জ ও ক্ষমতার প্রদর্শন–এসব অভিজ্ঞতার কথা মনে করিয়ে দেয়। কোনো দেশের পুলিশ যদি জনগণের সঙ্গে খারাপ আচরণ, দুর্নীতি বা হয়রানির অভিযোগে সমালোচিত হয়, তখন মানুষের ক্ষোভ পোশাকের রঙের সঙ্গেও মিলে যায়। তখন ‘খাকি’ শুধু একটি রং থাকে না, বরং একটি প্রতিষ্ঠানের প্রতীক হিসেবে গণ্য হয়।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, খাকি রংয়ের কিছু সুবিধাও রয়েছে। এটি ময়লা হলে বোঝা যায় না, মাঠপর্যায়ে ব্যবহার উপযোগী, গরমকালে তুলনামূলক আরামদায়ক, শৃঙ্খলাবোধের অনুভূতি দেয়। এ কারণে অনেক দেশেই পুলিশ বাহিনীতে খাকি রং ব্যবহার হতো।

ব্রিটিশের শাসনের প্রতীক খাকিতে ফিরতে চায় না পুলিশ
আয়নাল হোসেন

ব্রিটিশ ভারতে শাসন, দমন ও কর্তৃত্বের প্রতীক ‘খাকি’ রং। এই খাকি রংয়ের পোশাকে ফিরতে চায় না পুলিশ। পুলিশের প্যান্টের রং খাকি হবে সরকারের এই সিদ্ধান্তে মাঠ থেকে শুরু করে উর্ধ্বতন কর্মকর্তা পর্যায়ে বিভিন্ন স্তরে সৃষ্টি হয়েছে অসন্তোষ। পুলিশের বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে এ তথ্য জানা গেছে।
ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) একজন কর্মকর্তা সিটিজেন জার্নালকে বলেন, আমরা ব্রিটিশ শাসকদের প্রতীকে ফিরতে চাই না। এসব পোশাক আশপাশের কোনো দেশে এখন আর ব্যবহার হচ্ছে না। তরিঘরি করে পোশাক পরিবর্তনের পক্ষে আমরা নেই। এজন্য গবেষণা করে সবার মতামতের ভিত্তিতেই পুলিশের পোশাক পরিবর্তন হওয়ার দাবি করেন এই কর্মকর্তা।
জানতে চাইলে সুশাসনের জন্য নাগরিকের (সুজন) সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদার সিটিজেন জার্নালকে বলেন, সবার মতামতের ভিত্তিতে পুলিশের পোশাক পরিবর্তন হওয়া উচিত। তবে পোশাক যেটাই নির্ধারণ করুক কোনো না কোনো বিষয়ে কারো না কারো অমত থাকবে।
মাঠ পর্যায়ের একজন পুলিশ পরিদর্শক সিটিজেন জার্নালকে বলেন, শুধু পোশাক পরিবর্তন করলেই হবে না। পুলিশের মনোবল ঠিক করতে হবে। পোশাক কোনো বিষয় নয়। তবে ব্রিটিশ শাসনের প্রতীক যে খাকি পোশাকে বহম করছে সেটি এড়িয়ে চলাই ভালো।
এর আগে, সোমবার (৪ মে) বলপ্রয়োগে বাস্তুচ্যুত মিয়ানমার নাগরিকদের সমন্বয়, ব্যবস্থাপনা ও আইনশৃঙ্খলা সম্পর্কিত জাতীয় কমিটির প্রথম সভা শেষে পুলিশের পোশাক পরিবর্তনের সিদ্ধান্তের কথা জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমদ।
তিনি বলেন,মহানগর ও সারাদেশের পুলিশের আগের যে পোশাক সেটি বহাল থাকবে। তবে প্যান্ট রং হবে খাকি।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সারাদেশে বিদ্যমান যে পুলিশের পোশাক আছে সেটা নিয়ে কেউ সন্তুষ্ট নয়। সেজন্য পুলিশ বাহিনীর আবেদনের প্রেক্ষিতে বিষয়টা বিবেচনা করেছি। এই পোশাক পেতে পুলিশের কিছু সময় লাগবে। মহানগর পুলিশের হালকা জলপাই বা লাইট অলিভ রঙের শার্টের সঙ্গে থাকবে খাকি প্যান্টে। আর জেলা পুলিশসহ অন্য পুলিশ সদস্যরা গাঢ় নীল শার্টের সঙ্গে পাবে খাকি প্যান্ট।
২০০৪ সালে বিএনপি নেতৃত্বাধীন চার দলীয় সরকারের আমলে পুলিশের খাকি পোশাকে পরিবর্তন আসে। সেই সময় মহানগর পুলিশের ইউনিফরমে ছিল গাঢ় নীল শার্টের সঙ্গে খাকি প্যান্ট। অন্য পুলিশ ইউনিটের সদস্যরা খাকি শার্ট ও খাকি প্যান্টের ইউনিফরম পরতেন।
জানা গেছে, পুলিশের পোশাক পরিবর্তনের পেছনে ইতোমধ্যে ৭৬ কোটি টাকা খরচ হয়েছে। হঠাৎ করে আবার পোশাকের পরিবর্তন করতে গেলে সেখানে বিরাট অংকের একটি অর্থের প্রয়োজন হবে।
সাপ্তাহিক ছুটির দিনে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সদস্যরা খাকি রংয়ের পোশাক পরে। এছাড়া পুলিশের বিভিন্ন অনুষ্ঠানেও খাকি রংয়ের পোশাক এখনও ব্যবহার হচ্ছে। তবে দক্ষিণ এশিয়াসহ অনেক দেশে ঐতিহাসিক, মানসিক ও সামাজিকসহ নানা কারণে পুলিশের খাকি পোশাক নিয়ে কিছু মানুষের নেতিবাচক অনুভূতি তৈরি হয়েছে।
রঙের মনস্তত্ত্বে খাকি একটি মাটিরঙা, কঠোর ও আনুষ্ঠানিক অনুভূতি তৈরি করে। অনেককে এই রং জেরা, গ্রেপ্তার, লাঠিচার্জ ও ক্ষমতার প্রদর্শন–এসব অভিজ্ঞতার কথা মনে করিয়ে দেয়। কোনো দেশের পুলিশ যদি জনগণের সঙ্গে খারাপ আচরণ, দুর্নীতি বা হয়রানির অভিযোগে সমালোচিত হয়, তখন মানুষের ক্ষোভ পোশাকের রঙের সঙ্গেও মিলে যায়। তখন ‘খাকি’ শুধু একটি রং থাকে না, বরং একটি প্রতিষ্ঠানের প্রতীক হিসেবে গণ্য হয়।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, খাকি রংয়ের কিছু সুবিধাও রয়েছে। এটি ময়লা হলে বোঝা যায় না, মাঠপর্যায়ে ব্যবহার উপযোগী, গরমকালে তুলনামূলক আরামদায়ক, শৃঙ্খলাবোধের অনুভূতি দেয়। এ কারণে অনেক দেশেই পুলিশ বাহিনীতে খাকি রং ব্যবহার হতো।

চট্টগ্রামের পুলিশ সুপার হলেন ডিসি মাসুদ


