মতপার্থক্য থাকলেও ন্যাটোকে টিকিয়ে রাখতে চায় ইউরোপ
সিটিজেন ডেস্ক

মতপার্থক্য থাকলেও ন্যাটোকে টিকিয়ে রাখতে চায় ইউরোপ
সিটিজেন ডেস্ক
প্রকাশ : ০৯ মে ২০২৬, ২২: ১৭

২০২৫ সালের ১৯শে ফেব্রুয়ারি দক্ষিণ-পূর্ব রোমানিয়ার স্মারদান প্রশিক্ষণ এলাকায় ন্যাটো সামরিক বাহিনীর এক বিশেষ প্রদর্শনী। ছবি: সংগৃহীত
ইরানকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় দেশগুলোর মধ্যে কূটনৈতিক টানাপোড়েন ও মতপার্থক্য থাকলেও বাড়লেও ন্যাটো জোটকে অটুট রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন জার্মান চ্যান্সেলর ফ্রিডরিখ মের্জ। তিনি বলেছেন, মতবিরোধ থাকলেও ইউরোপ ভবিষ্যতেও এই সামরিক জোটকে কার্যকর ও সক্রিয় রাখতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের চলমান সামরিক অভিযানে সরাসরি সমর্থন দিতে জার্মানি ও বেশ কয়েকটি ইউরোপীয় দেশ অস্বীকৃতি জানানোয় সাম্প্রতিক সময়ে ওয়াশিংটন ও ইউরোপের মধ্যে দূরত্ব বাড়ার আলোচনা জোরদার হয়েছে।
এই প্রেক্ষাপটে সুইডেনের প্রধানমন্ত্রী উলফ ক্রিস্টারসনের সঙ্গে যৌথ সংবাদ সম্মেলনে মের্জ বলেন, ‘আমরা ভবিষ্যতেও ন্যাটো জোটকে টিকিয়ে রাখতে সত্যিই আগ্রহী।’
তিনি স্বীকার করেন যে পশ্চিমা মিত্রদের মধ্যে কিছু মতপার্থক্য রয়েছে। তবে সেই বিভেদকে জোটের জন্য হুমকি হিসাবে না দেখে যৌথ লক্ষ্য অর্জনের পথে সাময়িক চ্যালেঞ্জ হিসাবে দেখার আহ্বান জানান তিনি।
মের্জ বলেন, ‘আমরা জানি যে কিছু বিষয়ে আমাদের মধ্যে মতবিরোধ রয়েছে। আমরা এটাও জানি যে নানা ধরনের প্রতিবন্ধকতার মুখোমুখি হতে হচ্ছে। কিন্তু আমাদের চূড়ান্ত লক্ষ্য একটাই—এই সংঘাতের অবসান ঘটানো এবং নিশ্চিত করা যে ইরান যেন পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করতে না পারে।’
তার মতে, ইরানের পারমাণবিক সক্ষমতা নিয়ন্ত্রণের প্রশ্নে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের অবস্থান মূলত অভিন্ন। যদিও সেই লক্ষ্য অর্জনের কৌশল ও সামরিক পদ্ধতি নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে ভিন্নমত দেখা যাচ্ছে।
বিশ্লেষকদের মতে, ইউরোপীয় দেশগুলো সরাসরি সামরিক সংঘাতে জড়াতে অনাগ্রহী হলেও তারা কূটনৈতিক চাপ, নিষেধাজ্ঞা এবং আন্তর্জাতিক আলোচনার মাধ্যমে ইরান ইস্যুর সমাধান চায়। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের আরও আক্রমণাত্মক অবস্থান ন্যাটো জোটের অভ্যন্তরে নতুন ধরনের অস্বস্তি তৈরি করেছে।
তবে জার্মান চ্যান্সেলরের বক্তব্য থেকে স্পষ্ট, বর্তমান মতপার্থক্য সত্ত্বেও ইউরোপ এখনই ট্রান্স-আটলান্টিক নিরাপত্তা কাঠামো থেকে সরে আসতে চায় না। বরং তারা ন্যাটোকে ভবিষ্যতের নিরাপত্তা ও কৌশলগত ভারসাম্যের জন্য অপরিহার্য হিসাবেই দেখছে।
সূত্র: আল জাজিরা

ইরানকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় দেশগুলোর মধ্যে কূটনৈতিক টানাপোড়েন ও মতপার্থক্য থাকলেও বাড়লেও ন্যাটো জোটকে অটুট রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন জার্মান চ্যান্সেলর ফ্রিডরিখ মের্জ। তিনি বলেছেন, মতবিরোধ থাকলেও ইউরোপ ভবিষ্যতেও এই সামরিক জোটকে কার্যকর ও সক্রিয় রাখতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের চলমান সামরিক অভিযানে সরাসরি সমর্থন দিতে জার্মানি ও বেশ কয়েকটি ইউরোপীয় দেশ অস্বীকৃতি জানানোয় সাম্প্রতিক সময়ে ওয়াশিংটন ও ইউরোপের মধ্যে দূরত্ব বাড়ার আলোচনা জোরদার হয়েছে।
এই প্রেক্ষাপটে সুইডেনের প্রধানমন্ত্রী উলফ ক্রিস্টারসনের সঙ্গে যৌথ সংবাদ সম্মেলনে মের্জ বলেন, ‘আমরা ভবিষ্যতেও ন্যাটো জোটকে টিকিয়ে রাখতে সত্যিই আগ্রহী।’
তিনি স্বীকার করেন যে পশ্চিমা মিত্রদের মধ্যে কিছু মতপার্থক্য রয়েছে। তবে সেই বিভেদকে জোটের জন্য হুমকি হিসাবে না দেখে যৌথ লক্ষ্য অর্জনের পথে সাময়িক চ্যালেঞ্জ হিসাবে দেখার আহ্বান জানান তিনি।
মের্জ বলেন, ‘আমরা জানি যে কিছু বিষয়ে আমাদের মধ্যে মতবিরোধ রয়েছে। আমরা এটাও জানি যে নানা ধরনের প্রতিবন্ধকতার মুখোমুখি হতে হচ্ছে। কিন্তু আমাদের চূড়ান্ত লক্ষ্য একটাই—এই সংঘাতের অবসান ঘটানো এবং নিশ্চিত করা যে ইরান যেন পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করতে না পারে।’
তার মতে, ইরানের পারমাণবিক সক্ষমতা নিয়ন্ত্রণের প্রশ্নে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের অবস্থান মূলত অভিন্ন। যদিও সেই লক্ষ্য অর্জনের কৌশল ও সামরিক পদ্ধতি নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে ভিন্নমত দেখা যাচ্ছে।
বিশ্লেষকদের মতে, ইউরোপীয় দেশগুলো সরাসরি সামরিক সংঘাতে জড়াতে অনাগ্রহী হলেও তারা কূটনৈতিক চাপ, নিষেধাজ্ঞা এবং আন্তর্জাতিক আলোচনার মাধ্যমে ইরান ইস্যুর সমাধান চায়। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের আরও আক্রমণাত্মক অবস্থান ন্যাটো জোটের অভ্যন্তরে নতুন ধরনের অস্বস্তি তৈরি করেছে।
তবে জার্মান চ্যান্সেলরের বক্তব্য থেকে স্পষ্ট, বর্তমান মতপার্থক্য সত্ত্বেও ইউরোপ এখনই ট্রান্স-আটলান্টিক নিরাপত্তা কাঠামো থেকে সরে আসতে চায় না। বরং তারা ন্যাটোকে ভবিষ্যতের নিরাপত্তা ও কৌশলগত ভারসাম্যের জন্য অপরিহার্য হিসাবেই দেখছে।
সূত্র: আল জাজিরা

মতপার্থক্য থাকলেও ন্যাটোকে টিকিয়ে রাখতে চায় ইউরোপ
সিটিজেন ডেস্ক
প্রকাশ : ০৯ মে ২০২৬, ২২: ১৭

২০২৫ সালের ১৯শে ফেব্রুয়ারি দক্ষিণ-পূর্ব রোমানিয়ার স্মারদান প্রশিক্ষণ এলাকায় ন্যাটো সামরিক বাহিনীর এক বিশেষ প্রদর্শনী। ছবি: সংগৃহীত
ইরানকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় দেশগুলোর মধ্যে কূটনৈতিক টানাপোড়েন ও মতপার্থক্য থাকলেও বাড়লেও ন্যাটো জোটকে অটুট রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন জার্মান চ্যান্সেলর ফ্রিডরিখ মের্জ। তিনি বলেছেন, মতবিরোধ থাকলেও ইউরোপ ভবিষ্যতেও এই সামরিক জোটকে কার্যকর ও সক্রিয় রাখতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের চলমান সামরিক অভিযানে সরাসরি সমর্থন দিতে জার্মানি ও বেশ কয়েকটি ইউরোপীয় দেশ অস্বীকৃতি জানানোয় সাম্প্রতিক সময়ে ওয়াশিংটন ও ইউরোপের মধ্যে দূরত্ব বাড়ার আলোচনা জোরদার হয়েছে।
এই প্রেক্ষাপটে সুইডেনের প্রধানমন্ত্রী উলফ ক্রিস্টারসনের সঙ্গে যৌথ সংবাদ সম্মেলনে মের্জ বলেন, ‘আমরা ভবিষ্যতেও ন্যাটো জোটকে টিকিয়ে রাখতে সত্যিই আগ্রহী।’
তিনি স্বীকার করেন যে পশ্চিমা মিত্রদের মধ্যে কিছু মতপার্থক্য রয়েছে। তবে সেই বিভেদকে জোটের জন্য হুমকি হিসাবে না দেখে যৌথ লক্ষ্য অর্জনের পথে সাময়িক চ্যালেঞ্জ হিসাবে দেখার আহ্বান জানান তিনি।
মের্জ বলেন, ‘আমরা জানি যে কিছু বিষয়ে আমাদের মধ্যে মতবিরোধ রয়েছে। আমরা এটাও জানি যে নানা ধরনের প্রতিবন্ধকতার মুখোমুখি হতে হচ্ছে। কিন্তু আমাদের চূড়ান্ত লক্ষ্য একটাই—এই সংঘাতের অবসান ঘটানো এবং নিশ্চিত করা যে ইরান যেন পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করতে না পারে।’
তার মতে, ইরানের পারমাণবিক সক্ষমতা নিয়ন্ত্রণের প্রশ্নে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের অবস্থান মূলত অভিন্ন। যদিও সেই লক্ষ্য অর্জনের কৌশল ও সামরিক পদ্ধতি নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে ভিন্নমত দেখা যাচ্ছে।
বিশ্লেষকদের মতে, ইউরোপীয় দেশগুলো সরাসরি সামরিক সংঘাতে জড়াতে অনাগ্রহী হলেও তারা কূটনৈতিক চাপ, নিষেধাজ্ঞা এবং আন্তর্জাতিক আলোচনার মাধ্যমে ইরান ইস্যুর সমাধান চায়। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের আরও আক্রমণাত্মক অবস্থান ন্যাটো জোটের অভ্যন্তরে নতুন ধরনের অস্বস্তি তৈরি করেছে।
তবে জার্মান চ্যান্সেলরের বক্তব্য থেকে স্পষ্ট, বর্তমান মতপার্থক্য সত্ত্বেও ইউরোপ এখনই ট্রান্স-আটলান্টিক নিরাপত্তা কাঠামো থেকে সরে আসতে চায় না। বরং তারা ন্যাটোকে ভবিষ্যতের নিরাপত্তা ও কৌশলগত ভারসাম্যের জন্য অপরিহার্য হিসাবেই দেখছে।
সূত্র: আল জাজিরা
/এমআর/




