মার্কিন গোয়েন্দা প্রতিবেদন
যুদ্ধের কৌশল নির্ধারণে সক্রিয় মোজতবা খামেনি
সিটিজেন ডেস্ক

যুদ্ধের কৌশল নির্ধারণে সক্রিয় মোজতবা খামেনি
সিটিজেন ডেস্ক
প্রকাশ : ০৯ মে ২০২৬, ২১: ৪২

মোজতবা খামেনি। ছবি: সংগৃহীত
প্রকাশ্যে না এলেও ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি দেশটির গুরুত্বপূর্ণ যুদ্ধকৌশল ও কূটনৈতিক অবস্থান নির্ধারণে নেপথ্যে থেকে প্রভাবশালী ভূমিকা রাখছেন বলে জানিয়েছে মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থাগুলো।
একাধিক সূত্রের বরাত দিয়ে মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন এক প্রতিবেদনে দাবি করেছে, ইরানের অভ্যন্তরীণ ক্ষমতা কাঠামো বর্তমানে বিভক্ত থাকলেও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যুদ্ধবিরতি ও সংঘাত নিরসনের আলোচনার কৌশল নির্ধারণে শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে সমন্বয় করছেন মোজতবা। তবে তেহরানের এ জটিল ক্ষমতা বিন্যাসে প্রকৃত সিদ্ধান্ত গ্রহণের একক কর্তৃত্ব কার হাতে, তা নিয়ে এখনো ধোঁয়াশা রয়েছে।
যুদ্ধের শুরুর দিকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলি হামলায় সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিসহ শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তারা নিহত হওয়ার সময় মোজতবা খামেনি নিজেও গুরুতর আহত হয়েছিলেন বলে গোয়েন্দা তথ্যে উঠে এসেছে। এরপর থেকে তার জনসমক্ষে অনুপস্থিতি স্বাস্থ্য ও রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়ে নানা জল্পনার জন্ম দেয়। গোয়েন্দা সূত্রগুলো বলছে, মোজতবা এখনো চিকিৎসাধীন এবং তার মুখ, হাত ও বুকসহ শরীরের এক পাশ গুরুতর দগ্ধ। নিরাপত্তার খাতিরে তিনি বর্তমানে কোনো ইলেকট্রনিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার করছেন না, বরং সরাসরি সাক্ষাৎ বা দূতের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় বার্তা আদান-প্রদান করছেন। যদিও সর্বোচ্চ নেতার দপ্তরের প্রটোকল প্রধান মাজাহের হোসেইনি দাবি করেছেন, মোজতবা খামেনি সম্পূর্ণ সুস্থ আছেন এবং তার আঘাতগুলো সামান্য ছিল যা দ্রুত সেরে উঠছে। এরই মধ্যে ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান তার সঙ্গে দীর্ঘ আড়াই ঘণ্টার একটি বৈঠকের কথা জানিয়েছেন, যা নতুন সর্বোচ্চ নেতার সঙ্গে কোনো শীর্ষ সরকারি কর্মকর্তার প্রথম প্রকাশ্য সাক্ষাতের তথ্য হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
এদিকে মার্কিন গোয়েন্দা মূল্যায়নে বলা হয়েছে, অব্যাহত যুদ্ধ ও হামলায় ইরানের সামরিক সক্ষমতা কিছুটা হ্রাস পেলেও তা পুরোপুরি ধ্বংস হয়নি। দেশটির প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ ব্যবস্থা এখনো সচল রয়েছে। এছাড়া সিআইএ-র এক প্রতিবেদন অনুযায়ী, কঠোর মার্কিন অবরোধের মধ্যেও ইরান অন্তত আরও চার মাস অর্থনৈতিকভাবে টিকে থাকার সক্ষমতা রাখে। তবে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও মনে করেন, ইরানের নেতৃত্ব বর্তমানে খণ্ডিত ও অকার্যকর অবস্থায় রয়েছে, যা যেকোনো চূড়ান্ত সমঝোতা বা যুদ্ধবিরতি আলোচনার পথে বড় অন্তরায়। বিশ্লেষকদের মতে, মোজতবা খামেনিকে নেতৃত্বে বসানো হলেও বর্তমানে দেশটির দৈনন্দিন সামরিক ও প্রশাসনিক কর্মকাণ্ড পরিচালনায় সবচেয়ে সক্রিয় ভূমিকা পালন করছে ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) এবং পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ।
সূত্র: সিএনএন
সূত্র: সিএনএন

প্রকাশ্যে না এলেও ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি দেশটির গুরুত্বপূর্ণ যুদ্ধকৌশল ও কূটনৈতিক অবস্থান নির্ধারণে নেপথ্যে থেকে প্রভাবশালী ভূমিকা রাখছেন বলে জানিয়েছে মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থাগুলো।
একাধিক সূত্রের বরাত দিয়ে মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন এক প্রতিবেদনে দাবি করেছে, ইরানের অভ্যন্তরীণ ক্ষমতা কাঠামো বর্তমানে বিভক্ত থাকলেও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যুদ্ধবিরতি ও সংঘাত নিরসনের আলোচনার কৌশল নির্ধারণে শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে সমন্বয় করছেন মোজতবা। তবে তেহরানের এ জটিল ক্ষমতা বিন্যাসে প্রকৃত সিদ্ধান্ত গ্রহণের একক কর্তৃত্ব কার হাতে, তা নিয়ে এখনো ধোঁয়াশা রয়েছে।
যুদ্ধের শুরুর দিকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলি হামলায় সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিসহ শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তারা নিহত হওয়ার সময় মোজতবা খামেনি নিজেও গুরুতর আহত হয়েছিলেন বলে গোয়েন্দা তথ্যে উঠে এসেছে। এরপর থেকে তার জনসমক্ষে অনুপস্থিতি স্বাস্থ্য ও রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়ে নানা জল্পনার জন্ম দেয়। গোয়েন্দা সূত্রগুলো বলছে, মোজতবা এখনো চিকিৎসাধীন এবং তার মুখ, হাত ও বুকসহ শরীরের এক পাশ গুরুতর দগ্ধ। নিরাপত্তার খাতিরে তিনি বর্তমানে কোনো ইলেকট্রনিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার করছেন না, বরং সরাসরি সাক্ষাৎ বা দূতের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় বার্তা আদান-প্রদান করছেন। যদিও সর্বোচ্চ নেতার দপ্তরের প্রটোকল প্রধান মাজাহের হোসেইনি দাবি করেছেন, মোজতবা খামেনি সম্পূর্ণ সুস্থ আছেন এবং তার আঘাতগুলো সামান্য ছিল যা দ্রুত সেরে উঠছে। এরই মধ্যে ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান তার সঙ্গে দীর্ঘ আড়াই ঘণ্টার একটি বৈঠকের কথা জানিয়েছেন, যা নতুন সর্বোচ্চ নেতার সঙ্গে কোনো শীর্ষ সরকারি কর্মকর্তার প্রথম প্রকাশ্য সাক্ষাতের তথ্য হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
এদিকে মার্কিন গোয়েন্দা মূল্যায়নে বলা হয়েছে, অব্যাহত যুদ্ধ ও হামলায় ইরানের সামরিক সক্ষমতা কিছুটা হ্রাস পেলেও তা পুরোপুরি ধ্বংস হয়নি। দেশটির প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ ব্যবস্থা এখনো সচল রয়েছে। এছাড়া সিআইএ-র এক প্রতিবেদন অনুযায়ী, কঠোর মার্কিন অবরোধের মধ্যেও ইরান অন্তত আরও চার মাস অর্থনৈতিকভাবে টিকে থাকার সক্ষমতা রাখে। তবে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও মনে করেন, ইরানের নেতৃত্ব বর্তমানে খণ্ডিত ও অকার্যকর অবস্থায় রয়েছে, যা যেকোনো চূড়ান্ত সমঝোতা বা যুদ্ধবিরতি আলোচনার পথে বড় অন্তরায়। বিশ্লেষকদের মতে, মোজতবা খামেনিকে নেতৃত্বে বসানো হলেও বর্তমানে দেশটির দৈনন্দিন সামরিক ও প্রশাসনিক কর্মকাণ্ড পরিচালনায় সবচেয়ে সক্রিয় ভূমিকা পালন করছে ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) এবং পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ।
সূত্র: সিএনএন
সূত্র: সিএনএন

যুদ্ধের কৌশল নির্ধারণে সক্রিয় মোজতবা খামেনি
সিটিজেন ডেস্ক
প্রকাশ : ০৯ মে ২০২৬, ২১: ৪২

মোজতবা খামেনি। ছবি: সংগৃহীত
প্রকাশ্যে না এলেও ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি দেশটির গুরুত্বপূর্ণ যুদ্ধকৌশল ও কূটনৈতিক অবস্থান নির্ধারণে নেপথ্যে থেকে প্রভাবশালী ভূমিকা রাখছেন বলে জানিয়েছে মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থাগুলো।
একাধিক সূত্রের বরাত দিয়ে মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন এক প্রতিবেদনে দাবি করেছে, ইরানের অভ্যন্তরীণ ক্ষমতা কাঠামো বর্তমানে বিভক্ত থাকলেও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যুদ্ধবিরতি ও সংঘাত নিরসনের আলোচনার কৌশল নির্ধারণে শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে সমন্বয় করছেন মোজতবা। তবে তেহরানের এ জটিল ক্ষমতা বিন্যাসে প্রকৃত সিদ্ধান্ত গ্রহণের একক কর্তৃত্ব কার হাতে, তা নিয়ে এখনো ধোঁয়াশা রয়েছে।
যুদ্ধের শুরুর দিকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলি হামলায় সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিসহ শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তারা নিহত হওয়ার সময় মোজতবা খামেনি নিজেও গুরুতর আহত হয়েছিলেন বলে গোয়েন্দা তথ্যে উঠে এসেছে। এরপর থেকে তার জনসমক্ষে অনুপস্থিতি স্বাস্থ্য ও রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়ে নানা জল্পনার জন্ম দেয়। গোয়েন্দা সূত্রগুলো বলছে, মোজতবা এখনো চিকিৎসাধীন এবং তার মুখ, হাত ও বুকসহ শরীরের এক পাশ গুরুতর দগ্ধ। নিরাপত্তার খাতিরে তিনি বর্তমানে কোনো ইলেকট্রনিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার করছেন না, বরং সরাসরি সাক্ষাৎ বা দূতের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় বার্তা আদান-প্রদান করছেন। যদিও সর্বোচ্চ নেতার দপ্তরের প্রটোকল প্রধান মাজাহের হোসেইনি দাবি করেছেন, মোজতবা খামেনি সম্পূর্ণ সুস্থ আছেন এবং তার আঘাতগুলো সামান্য ছিল যা দ্রুত সেরে উঠছে। এরই মধ্যে ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান তার সঙ্গে দীর্ঘ আড়াই ঘণ্টার একটি বৈঠকের কথা জানিয়েছেন, যা নতুন সর্বোচ্চ নেতার সঙ্গে কোনো শীর্ষ সরকারি কর্মকর্তার প্রথম প্রকাশ্য সাক্ষাতের তথ্য হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
এদিকে মার্কিন গোয়েন্দা মূল্যায়নে বলা হয়েছে, অব্যাহত যুদ্ধ ও হামলায় ইরানের সামরিক সক্ষমতা কিছুটা হ্রাস পেলেও তা পুরোপুরি ধ্বংস হয়নি। দেশটির প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ ব্যবস্থা এখনো সচল রয়েছে। এছাড়া সিআইএ-র এক প্রতিবেদন অনুযায়ী, কঠোর মার্কিন অবরোধের মধ্যেও ইরান অন্তত আরও চার মাস অর্থনৈতিকভাবে টিকে থাকার সক্ষমতা রাখে। তবে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও মনে করেন, ইরানের নেতৃত্ব বর্তমানে খণ্ডিত ও অকার্যকর অবস্থায় রয়েছে, যা যেকোনো চূড়ান্ত সমঝোতা বা যুদ্ধবিরতি আলোচনার পথে বড় অন্তরায়। বিশ্লেষকদের মতে, মোজতবা খামেনিকে নেতৃত্বে বসানো হলেও বর্তমানে দেশটির দৈনন্দিন সামরিক ও প্রশাসনিক কর্মকাণ্ড পরিচালনায় সবচেয়ে সক্রিয় ভূমিকা পালন করছে ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) এবং পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ।
সূত্র: সিএনএন
সূত্র: সিএনএন
/এমএকে/

পরমাণু ও মিসাইল ইরানের জাতীয় সম্পদ: মোজতবা খামেনি
মোজতবা খামেনির প্রশংসায় পেজেশকিয়ান


