যুদ্ধের মধ্যেও ফুটবল বিশ্বকাপ খেলবে ইরান
সিটিজেন ডেস্ক

যুদ্ধের মধ্যেও ফুটবল বিশ্বকাপ খেলবে ইরান
সিটিজেন ডেস্ক
প্রকাশ : ০৯ মে ২০২৬, ১৮: ১৯

ইরানের জাতীয় ফুটবল দল। ছবি: সংগৃহীত
ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের চলমান সংঘাতের মধ্যেই ২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপে অংশগ্রহণের ঘোষণা দিয়েছে ইরান। তবে একইসঙ্গে যৌথ আয়োজক যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোর কাছে নিজেদের নিরাপত্তা ও মর্যাদা-সংশ্লিষ্ট একাধিক শর্ত মেনে নেওয়ার দাবিও জানিয়েছে দেশটির ফুটবল ফেডারেশন।
ইরানের ফুটবল ফেডারেশন (এফএফআইআরআই) এক বিবৃতিতে জানায়, পুরুষ জাতীয় ফুটবল দল আগামী ১১ জুন থেকে ১৯ জুলাই পর্যন্ত অনুষ্ঠিতব্য বিশ্বকাপে অবশ্যই অংশ নেবে। তবে বর্তমান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে আয়োজক দেশগুলোর কাছ থেকে বিশেষ নিশ্চয়তা ও সহযোগিতা প্রত্যাশা করছে তেহরান।
ফেডারেশনের ভাষ্য, ‘আমরা অবশ্যই ২০২৬ বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ করব। তবে আয়োজকদের আমাদের উদ্বেগ ও শর্তগুলো গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করতে হবে। আমরা আমাদের বিশ্বাস, সংস্কৃতি ও জাতীয় অবস্থান থেকে একচুলও সরে না গিয়েই এই টুর্নামেন্টে অংশ নেব।’
মূলত গত মাসে ফিফা কংগ্রেস উপলক্ষে ইরান কানাডায় প্রবেশ করতে না পারার ঘটনার পর থেকেই বিষয়টি নতুন মাত্রা পায়। ইরানের ফুটবল ফেডারেশনের সভাপতি মেহদি তাজকে কানাডায় ঢুকতে দেয়নি দেশটির কর্তৃপক্ষ। অভিযোগ করা হয়, ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)-এর সঙ্গে তার সম্পর্ক রয়েছে। কানাডা ২০২৪ সালে আইআরজিসিকে আনুষ্ঠানিকভাবে ‘সন্ত্রাসী সংগঠন’ হিসেবে তালিকাভুক্ত করে।
এরপর থেকেই বিশ্বকাপে ইরানের অংশগ্রহণ নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়। বিশেষ করে ফেব্রুয়ারিতে ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর আন্তর্জাতিক ক্রীড়াঙ্গনেও বিষয়টি নিয়ে নানা জল্পনা ছড়িয়ে পড়ে।
শুক্রবার (৮ মে) রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এফএফআইআরআই সভাপতি মেহদি তাজ জানান, বিশ্বকাপে অংশ নেওয়ার জন্য ইরান ১০টি শর্ত দিয়েছে এবং আয়োজক দেশগুলোর কাছ থেকে স্পষ্ট আশ্বাস প্রত্যাশা করছে।
ইরানের দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে—দলীয় সদস্যদের জন্য নির্বিঘ্ন ভিসা প্রদান, জাতীয় পতাকা ও জাতীয় সঙ্গীতের প্রতি সম্মান নিশ্চিত করা এবং টুর্নামেন্ট চলাকালে কোনো ধরনের রাজনৈতিক আচরণ বা বৈষম্যমূলক পদক্ষেপ না নেওয়া। পাশাপাশি বিমানবন্দর, হোটেল এবং স্টেডিয়ামে যাতায়াতের পথে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবিও জানিয়েছে তেহরান।
বিশ্লেষকদের মতে, বিশ্বকাপকে কেন্দ্র করে ইরানের এই অবস্থান শুধু ক্রীড়া ইস্যু নয়; বরং চলমান ভূরাজনৈতিক উত্তেজনার মধ্যেও নিজেদের সার্বভৌম মর্যাদা ও রাজনৈতিক অবস্থান তুলে ধরার একটি কৌশলগত বার্তা।
সূত্র: আল জাজিরা

ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের চলমান সংঘাতের মধ্যেই ২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপে অংশগ্রহণের ঘোষণা দিয়েছে ইরান। তবে একইসঙ্গে যৌথ আয়োজক যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোর কাছে নিজেদের নিরাপত্তা ও মর্যাদা-সংশ্লিষ্ট একাধিক শর্ত মেনে নেওয়ার দাবিও জানিয়েছে দেশটির ফুটবল ফেডারেশন।
ইরানের ফুটবল ফেডারেশন (এফএফআইআরআই) এক বিবৃতিতে জানায়, পুরুষ জাতীয় ফুটবল দল আগামী ১১ জুন থেকে ১৯ জুলাই পর্যন্ত অনুষ্ঠিতব্য বিশ্বকাপে অবশ্যই অংশ নেবে। তবে বর্তমান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে আয়োজক দেশগুলোর কাছ থেকে বিশেষ নিশ্চয়তা ও সহযোগিতা প্রত্যাশা করছে তেহরান।
ফেডারেশনের ভাষ্য, ‘আমরা অবশ্যই ২০২৬ বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ করব। তবে আয়োজকদের আমাদের উদ্বেগ ও শর্তগুলো গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করতে হবে। আমরা আমাদের বিশ্বাস, সংস্কৃতি ও জাতীয় অবস্থান থেকে একচুলও সরে না গিয়েই এই টুর্নামেন্টে অংশ নেব।’
মূলত গত মাসে ফিফা কংগ্রেস উপলক্ষে ইরান কানাডায় প্রবেশ করতে না পারার ঘটনার পর থেকেই বিষয়টি নতুন মাত্রা পায়। ইরানের ফুটবল ফেডারেশনের সভাপতি মেহদি তাজকে কানাডায় ঢুকতে দেয়নি দেশটির কর্তৃপক্ষ। অভিযোগ করা হয়, ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)-এর সঙ্গে তার সম্পর্ক রয়েছে। কানাডা ২০২৪ সালে আইআরজিসিকে আনুষ্ঠানিকভাবে ‘সন্ত্রাসী সংগঠন’ হিসেবে তালিকাভুক্ত করে।
এরপর থেকেই বিশ্বকাপে ইরানের অংশগ্রহণ নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়। বিশেষ করে ফেব্রুয়ারিতে ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর আন্তর্জাতিক ক্রীড়াঙ্গনেও বিষয়টি নিয়ে নানা জল্পনা ছড়িয়ে পড়ে।
শুক্রবার (৮ মে) রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এফএফআইআরআই সভাপতি মেহদি তাজ জানান, বিশ্বকাপে অংশ নেওয়ার জন্য ইরান ১০টি শর্ত দিয়েছে এবং আয়োজক দেশগুলোর কাছ থেকে স্পষ্ট আশ্বাস প্রত্যাশা করছে।
ইরানের দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে—দলীয় সদস্যদের জন্য নির্বিঘ্ন ভিসা প্রদান, জাতীয় পতাকা ও জাতীয় সঙ্গীতের প্রতি সম্মান নিশ্চিত করা এবং টুর্নামেন্ট চলাকালে কোনো ধরনের রাজনৈতিক আচরণ বা বৈষম্যমূলক পদক্ষেপ না নেওয়া। পাশাপাশি বিমানবন্দর, হোটেল এবং স্টেডিয়ামে যাতায়াতের পথে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবিও জানিয়েছে তেহরান।
বিশ্লেষকদের মতে, বিশ্বকাপকে কেন্দ্র করে ইরানের এই অবস্থান শুধু ক্রীড়া ইস্যু নয়; বরং চলমান ভূরাজনৈতিক উত্তেজনার মধ্যেও নিজেদের সার্বভৌম মর্যাদা ও রাজনৈতিক অবস্থান তুলে ধরার একটি কৌশলগত বার্তা।
সূত্র: আল জাজিরা

যুদ্ধের মধ্যেও ফুটবল বিশ্বকাপ খেলবে ইরান
সিটিজেন ডেস্ক
প্রকাশ : ০৯ মে ২০২৬, ১৮: ১৯

ইরানের জাতীয় ফুটবল দল। ছবি: সংগৃহীত
ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের চলমান সংঘাতের মধ্যেই ২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপে অংশগ্রহণের ঘোষণা দিয়েছে ইরান। তবে একইসঙ্গে যৌথ আয়োজক যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোর কাছে নিজেদের নিরাপত্তা ও মর্যাদা-সংশ্লিষ্ট একাধিক শর্ত মেনে নেওয়ার দাবিও জানিয়েছে দেশটির ফুটবল ফেডারেশন।
ইরানের ফুটবল ফেডারেশন (এফএফআইআরআই) এক বিবৃতিতে জানায়, পুরুষ জাতীয় ফুটবল দল আগামী ১১ জুন থেকে ১৯ জুলাই পর্যন্ত অনুষ্ঠিতব্য বিশ্বকাপে অবশ্যই অংশ নেবে। তবে বর্তমান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে আয়োজক দেশগুলোর কাছ থেকে বিশেষ নিশ্চয়তা ও সহযোগিতা প্রত্যাশা করছে তেহরান।
ফেডারেশনের ভাষ্য, ‘আমরা অবশ্যই ২০২৬ বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ করব। তবে আয়োজকদের আমাদের উদ্বেগ ও শর্তগুলো গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করতে হবে। আমরা আমাদের বিশ্বাস, সংস্কৃতি ও জাতীয় অবস্থান থেকে একচুলও সরে না গিয়েই এই টুর্নামেন্টে অংশ নেব।’
মূলত গত মাসে ফিফা কংগ্রেস উপলক্ষে ইরান কানাডায় প্রবেশ করতে না পারার ঘটনার পর থেকেই বিষয়টি নতুন মাত্রা পায়। ইরানের ফুটবল ফেডারেশনের সভাপতি মেহদি তাজকে কানাডায় ঢুকতে দেয়নি দেশটির কর্তৃপক্ষ। অভিযোগ করা হয়, ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)-এর সঙ্গে তার সম্পর্ক রয়েছে। কানাডা ২০২৪ সালে আইআরজিসিকে আনুষ্ঠানিকভাবে ‘সন্ত্রাসী সংগঠন’ হিসেবে তালিকাভুক্ত করে।
এরপর থেকেই বিশ্বকাপে ইরানের অংশগ্রহণ নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়। বিশেষ করে ফেব্রুয়ারিতে ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর আন্তর্জাতিক ক্রীড়াঙ্গনেও বিষয়টি নিয়ে নানা জল্পনা ছড়িয়ে পড়ে।
শুক্রবার (৮ মে) রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এফএফআইআরআই সভাপতি মেহদি তাজ জানান, বিশ্বকাপে অংশ নেওয়ার জন্য ইরান ১০টি শর্ত দিয়েছে এবং আয়োজক দেশগুলোর কাছ থেকে স্পষ্ট আশ্বাস প্রত্যাশা করছে।
ইরানের দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে—দলীয় সদস্যদের জন্য নির্বিঘ্ন ভিসা প্রদান, জাতীয় পতাকা ও জাতীয় সঙ্গীতের প্রতি সম্মান নিশ্চিত করা এবং টুর্নামেন্ট চলাকালে কোনো ধরনের রাজনৈতিক আচরণ বা বৈষম্যমূলক পদক্ষেপ না নেওয়া। পাশাপাশি বিমানবন্দর, হোটেল এবং স্টেডিয়ামে যাতায়াতের পথে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবিও জানিয়েছে তেহরান।
বিশ্লেষকদের মতে, বিশ্বকাপকে কেন্দ্র করে ইরানের এই অবস্থান শুধু ক্রীড়া ইস্যু নয়; বরং চলমান ভূরাজনৈতিক উত্তেজনার মধ্যেও নিজেদের সার্বভৌম মর্যাদা ও রাজনৈতিক অবস্থান তুলে ধরার একটি কৌশলগত বার্তা।
সূত্র: আল জাজিরা
/এমআর/




