এক্সপ্লেইনার
ইরান যুদ্ধে কি পিছু হটবে যুক্তরাষ্ট্র
সিটিজেন ডেস্ক

ইরান যুদ্ধে কি পিছু হটবে যুক্তরাষ্ট্র
সিটিজেন ডেস্ক
প্রকাশ : ০৯ মে ২০২৬, ১৮: ৫৫

তেহরানের রাস্তায় বিলবোর্ডে ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি, যেখানে একজন মোটরবাইক আরোহীকে হাত উঁচু করে সমর্থ জানাতে দেখা যাচ্ছে। ছবি: সংগৃহীত
চলতি বছরের ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের শুরু হওয়া যৌথ সামরিক অভিযানের ভবিষ্যৎ নিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে এখন গভীর অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, ইরানের বিরুদ্ধে শুরু হওয়া এই যুদ্ধ শেষ পর্যন্ত এমন এক অবস্থায় পৌঁছাতে পারে, যেখানে ওয়াশিংটনকে কৌশলগত পিছু হটার পথই বেছে নিতে হবে। কারণ সংঘাত দীর্ঘায়িত হলে এর মূল্য শুধু মধ্যপ্রাচ্য নয়, পুরো বিশ্বকেই দিতে হতে পারে ভয়াবহ অর্থনৈতিক ও মানবিক বিপর্যয়ের মাধ্যমে।
বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করছেন, নতুন করে যুদ্ধের মাত্রা বাড়লে উপসাগরীয় অঞ্চলের তেল ও গ্যাস স্থাপনা, সমুদ্রের লবণাক্ত পানি বিশুদ্ধকরণ কেন্দ্র এবং গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি অবকাঠামো বড় ধরনের হামলার লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হতে পারে। এমন পরিস্থিতি তৈরি হলে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা চরমে পৌঁছাবে এবং বিশ্ব অর্থনীতি দীর্ঘমেয়াদি সংকটে পড়তে পারে।
ধারণা করা হচ্ছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের মূল পরিকল্পনা ছিল একটি দ্রুত ও ‘নেতৃত্ব-হরণকারী’ সামরিক আঘাতের মাধ্যমে ইরানের ক্ষমতার কেন্দ্রকে অকার্যকর করে দেওয়া। এই পরিকল্পনা প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এবং মোসাদের পরিচালক ডেভিড বারনিয়া প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কাছে উপস্থাপন করেছিলেন বলে বিভিন্ন কূটনৈতিক সূত্রে জানা গেছে।
পরিকল্পনার কেন্দ্রবিন্দুতে ছিল—সমন্বিত বিমান হামলা ও ক্ষেপণাস্ত্র আক্রমণের মাধ্যমে ইরানের শীর্ষ নেতৃত্ব, ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) এবং দেশটির পারমাণবিক অবকাঠামোকে একযোগে দুর্বল করে দেওয়া।
ওয়াশিংটনের ধারণা ছিল, এতে ইরানি রাষ্ট্রব্যবস্থা ভেঙে পড়বে এবং পরবর্তীতে তেহরানে যুক্তরাষ্ট্র-সমর্থিত একটি তুলনামূলক নমনীয় সরকার প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব হবে।
বিশ্লেষকদের মতে, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প সম্ভবত ভেবেছিলেন ভেনিজুয়েলায় যেভাবে মার্কিন প্রভাব বিস্তার সম্ভব হয়েছিল, ইরানেও একই কৌশল কার্যকর হবে। এই বছরের জানুয়ারিতে ভেনিজুয়েলায় পরিচালিত মার্কিন অভিযানে প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো ক্ষমতাচ্যুত হন। ওই অভিযানে সিআইএ এবং ভেনিজুয়েলার অভ্যন্তরীণ কিছু শক্তির মধ্যে সমন্বয় ছিল বলে আন্তর্জাতিক মহলে আলোচনা রয়েছে। যদিও দেশটির বিদ্যমান ক্ষমতা কাঠামোর বড় অংশ অক্ষত ছিল, তবুও ওয়াশিংটন সেখানে নিজেদের জন্য তুলনামূলক অনুকূল একটি প্রশাসন প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম হয়।
তবে ইরানের বাস্তবতা যে সম্পূর্ণ ভিন্ন, তা এখন ক্রমেই স্পষ্ট হয়ে উঠছে। সামরিক সক্ষমতা, আঞ্চলিক প্রভাব এবং জ্বালানি রুট নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে ইরান এমন অবস্থানে রয়েছে, যেখানে সরাসরি সংঘাত দীর্ঘায়িত হলে যুক্তরাষ্ট্রকেও বড় ধরনের মূল্য দিতে হতে পারে। বিশেষ করে হরমুজ প্রণালিকে কেন্দ্র করে যেকোনো অস্থিতিশীলতা বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থাকে ভয়াবহ ঝুঁকির মুখে ফেলতে পারে।
আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকদের একাংশ মনে করছেন, যুদ্ধের প্রাথমিক লক্ষ্য অর্জনে ব্যর্থ হলে ওয়াশিংটন শেষ পর্যন্ত সংঘাত থেকে বেরিয়ে আসার পথ খুঁজতে পারে। কারণ এই যুদ্ধ যত দীর্ঘ হবে, ততই বাড়বে সামরিক ব্যয়, রাজনৈতিক চাপ এবং বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অস্থিরতা। আর সেই চাপের ভার শেষ পর্যন্ত শুধু যুক্তরাষ্ট্র নয়, বহন করতে হবে পুরো বিশ্বকেই।
সূত্র: আল জাজিরা

চলতি বছরের ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের শুরু হওয়া যৌথ সামরিক অভিযানের ভবিষ্যৎ নিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে এখন গভীর অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, ইরানের বিরুদ্ধে শুরু হওয়া এই যুদ্ধ শেষ পর্যন্ত এমন এক অবস্থায় পৌঁছাতে পারে, যেখানে ওয়াশিংটনকে কৌশলগত পিছু হটার পথই বেছে নিতে হবে। কারণ সংঘাত দীর্ঘায়িত হলে এর মূল্য শুধু মধ্যপ্রাচ্য নয়, পুরো বিশ্বকেই দিতে হতে পারে ভয়াবহ অর্থনৈতিক ও মানবিক বিপর্যয়ের মাধ্যমে।
বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করছেন, নতুন করে যুদ্ধের মাত্রা বাড়লে উপসাগরীয় অঞ্চলের তেল ও গ্যাস স্থাপনা, সমুদ্রের লবণাক্ত পানি বিশুদ্ধকরণ কেন্দ্র এবং গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি অবকাঠামো বড় ধরনের হামলার লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হতে পারে। এমন পরিস্থিতি তৈরি হলে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা চরমে পৌঁছাবে এবং বিশ্ব অর্থনীতি দীর্ঘমেয়াদি সংকটে পড়তে পারে।
ধারণা করা হচ্ছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের মূল পরিকল্পনা ছিল একটি দ্রুত ও ‘নেতৃত্ব-হরণকারী’ সামরিক আঘাতের মাধ্যমে ইরানের ক্ষমতার কেন্দ্রকে অকার্যকর করে দেওয়া। এই পরিকল্পনা প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এবং মোসাদের পরিচালক ডেভিড বারনিয়া প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কাছে উপস্থাপন করেছিলেন বলে বিভিন্ন কূটনৈতিক সূত্রে জানা গেছে।
পরিকল্পনার কেন্দ্রবিন্দুতে ছিল—সমন্বিত বিমান হামলা ও ক্ষেপণাস্ত্র আক্রমণের মাধ্যমে ইরানের শীর্ষ নেতৃত্ব, ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) এবং দেশটির পারমাণবিক অবকাঠামোকে একযোগে দুর্বল করে দেওয়া।
ওয়াশিংটনের ধারণা ছিল, এতে ইরানি রাষ্ট্রব্যবস্থা ভেঙে পড়বে এবং পরবর্তীতে তেহরানে যুক্তরাষ্ট্র-সমর্থিত একটি তুলনামূলক নমনীয় সরকার প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব হবে।
বিশ্লেষকদের মতে, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প সম্ভবত ভেবেছিলেন ভেনিজুয়েলায় যেভাবে মার্কিন প্রভাব বিস্তার সম্ভব হয়েছিল, ইরানেও একই কৌশল কার্যকর হবে। এই বছরের জানুয়ারিতে ভেনিজুয়েলায় পরিচালিত মার্কিন অভিযানে প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো ক্ষমতাচ্যুত হন। ওই অভিযানে সিআইএ এবং ভেনিজুয়েলার অভ্যন্তরীণ কিছু শক্তির মধ্যে সমন্বয় ছিল বলে আন্তর্জাতিক মহলে আলোচনা রয়েছে। যদিও দেশটির বিদ্যমান ক্ষমতা কাঠামোর বড় অংশ অক্ষত ছিল, তবুও ওয়াশিংটন সেখানে নিজেদের জন্য তুলনামূলক অনুকূল একটি প্রশাসন প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম হয়।
তবে ইরানের বাস্তবতা যে সম্পূর্ণ ভিন্ন, তা এখন ক্রমেই স্পষ্ট হয়ে উঠছে। সামরিক সক্ষমতা, আঞ্চলিক প্রভাব এবং জ্বালানি রুট নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে ইরান এমন অবস্থানে রয়েছে, যেখানে সরাসরি সংঘাত দীর্ঘায়িত হলে যুক্তরাষ্ট্রকেও বড় ধরনের মূল্য দিতে হতে পারে। বিশেষ করে হরমুজ প্রণালিকে কেন্দ্র করে যেকোনো অস্থিতিশীলতা বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থাকে ভয়াবহ ঝুঁকির মুখে ফেলতে পারে।
আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকদের একাংশ মনে করছেন, যুদ্ধের প্রাথমিক লক্ষ্য অর্জনে ব্যর্থ হলে ওয়াশিংটন শেষ পর্যন্ত সংঘাত থেকে বেরিয়ে আসার পথ খুঁজতে পারে। কারণ এই যুদ্ধ যত দীর্ঘ হবে, ততই বাড়বে সামরিক ব্যয়, রাজনৈতিক চাপ এবং বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অস্থিরতা। আর সেই চাপের ভার শেষ পর্যন্ত শুধু যুক্তরাষ্ট্র নয়, বহন করতে হবে পুরো বিশ্বকেই।
সূত্র: আল জাজিরা

ইরান যুদ্ধে কি পিছু হটবে যুক্তরাষ্ট্র
সিটিজেন ডেস্ক
প্রকাশ : ০৯ মে ২০২৬, ১৮: ৫৫

তেহরানের রাস্তায় বিলবোর্ডে ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি, যেখানে একজন মোটরবাইক আরোহীকে হাত উঁচু করে সমর্থ জানাতে দেখা যাচ্ছে। ছবি: সংগৃহীত
চলতি বছরের ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের শুরু হওয়া যৌথ সামরিক অভিযানের ভবিষ্যৎ নিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে এখন গভীর অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, ইরানের বিরুদ্ধে শুরু হওয়া এই যুদ্ধ শেষ পর্যন্ত এমন এক অবস্থায় পৌঁছাতে পারে, যেখানে ওয়াশিংটনকে কৌশলগত পিছু হটার পথই বেছে নিতে হবে। কারণ সংঘাত দীর্ঘায়িত হলে এর মূল্য শুধু মধ্যপ্রাচ্য নয়, পুরো বিশ্বকেই দিতে হতে পারে ভয়াবহ অর্থনৈতিক ও মানবিক বিপর্যয়ের মাধ্যমে।
বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করছেন, নতুন করে যুদ্ধের মাত্রা বাড়লে উপসাগরীয় অঞ্চলের তেল ও গ্যাস স্থাপনা, সমুদ্রের লবণাক্ত পানি বিশুদ্ধকরণ কেন্দ্র এবং গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি অবকাঠামো বড় ধরনের হামলার লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হতে পারে। এমন পরিস্থিতি তৈরি হলে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা চরমে পৌঁছাবে এবং বিশ্ব অর্থনীতি দীর্ঘমেয়াদি সংকটে পড়তে পারে।
ধারণা করা হচ্ছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের মূল পরিকল্পনা ছিল একটি দ্রুত ও ‘নেতৃত্ব-হরণকারী’ সামরিক আঘাতের মাধ্যমে ইরানের ক্ষমতার কেন্দ্রকে অকার্যকর করে দেওয়া। এই পরিকল্পনা প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এবং মোসাদের পরিচালক ডেভিড বারনিয়া প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কাছে উপস্থাপন করেছিলেন বলে বিভিন্ন কূটনৈতিক সূত্রে জানা গেছে।
পরিকল্পনার কেন্দ্রবিন্দুতে ছিল—সমন্বিত বিমান হামলা ও ক্ষেপণাস্ত্র আক্রমণের মাধ্যমে ইরানের শীর্ষ নেতৃত্ব, ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) এবং দেশটির পারমাণবিক অবকাঠামোকে একযোগে দুর্বল করে দেওয়া।
ওয়াশিংটনের ধারণা ছিল, এতে ইরানি রাষ্ট্রব্যবস্থা ভেঙে পড়বে এবং পরবর্তীতে তেহরানে যুক্তরাষ্ট্র-সমর্থিত একটি তুলনামূলক নমনীয় সরকার প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব হবে।
বিশ্লেষকদের মতে, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প সম্ভবত ভেবেছিলেন ভেনিজুয়েলায় যেভাবে মার্কিন প্রভাব বিস্তার সম্ভব হয়েছিল, ইরানেও একই কৌশল কার্যকর হবে। এই বছরের জানুয়ারিতে ভেনিজুয়েলায় পরিচালিত মার্কিন অভিযানে প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো ক্ষমতাচ্যুত হন। ওই অভিযানে সিআইএ এবং ভেনিজুয়েলার অভ্যন্তরীণ কিছু শক্তির মধ্যে সমন্বয় ছিল বলে আন্তর্জাতিক মহলে আলোচনা রয়েছে। যদিও দেশটির বিদ্যমান ক্ষমতা কাঠামোর বড় অংশ অক্ষত ছিল, তবুও ওয়াশিংটন সেখানে নিজেদের জন্য তুলনামূলক অনুকূল একটি প্রশাসন প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম হয়।
তবে ইরানের বাস্তবতা যে সম্পূর্ণ ভিন্ন, তা এখন ক্রমেই স্পষ্ট হয়ে উঠছে। সামরিক সক্ষমতা, আঞ্চলিক প্রভাব এবং জ্বালানি রুট নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে ইরান এমন অবস্থানে রয়েছে, যেখানে সরাসরি সংঘাত দীর্ঘায়িত হলে যুক্তরাষ্ট্রকেও বড় ধরনের মূল্য দিতে হতে পারে। বিশেষ করে হরমুজ প্রণালিকে কেন্দ্র করে যেকোনো অস্থিতিশীলতা বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থাকে ভয়াবহ ঝুঁকির মুখে ফেলতে পারে।
আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকদের একাংশ মনে করছেন, যুদ্ধের প্রাথমিক লক্ষ্য অর্জনে ব্যর্থ হলে ওয়াশিংটন শেষ পর্যন্ত সংঘাত থেকে বেরিয়ে আসার পথ খুঁজতে পারে। কারণ এই যুদ্ধ যত দীর্ঘ হবে, ততই বাড়বে সামরিক ব্যয়, রাজনৈতিক চাপ এবং বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অস্থিরতা। আর সেই চাপের ভার শেষ পর্যন্ত শুধু যুক্তরাষ্ট্র নয়, বহন করতে হবে পুরো বিশ্বকেই।
সূত্র: আল জাজিরা
/এমআর/




