ট্রাম্পের ‘প্রজেক্ট ফ্রিডমে’ যোগ দেওয়া নিয়ে দ্বিধায় দক্ষিণ কোরিয়া
সিটিজেন ডেস্ক

ট্রাম্পের ‘প্রজেক্ট ফ্রিডমে’ যোগ দেওয়া নিয়ে দ্বিধায় দক্ষিণ কোরিয়া
সিটিজেন ডেস্ক
প্রকাশ : ০৫ মে ২০২৬, ১৭: ১০

চীন সাগরে দক্ষিণ কোরিয়ার সামরিক মহড়া। ছবি: সংগৃহীত
হরমুজ প্রণালিকে ঘিরে বাড়তে থাকা উত্তেজনার মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাবিত ‘প্রজেক্ট ফ্রিডম’-এ যোগ দেওয়া নিয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছায়নি দক্ষিণ কোরিয়া। সাম্প্রতিক এক জাহাজ দুর্ঘটনার পর বিষয়টি নিয়ে সিউল আরও সতর্ক অবস্থান নিয়েছে।
দক্ষিণ কোরিয়া সরকার জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালিতে মার্কিন নেতৃত্বাধীন সামরিক মিশনে অংশগ্রহণের বিষয়টি তারা অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে পর্যালোচনা করছে। এ ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক আইন, বৈশ্বিক নৌপথের নিরাপত্তা, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে দীর্ঘদিনের মিত্রতা এবং কোরীয় উপদ্বীপের বর্তমান নিরাপত্তা পরিস্থিতি—এসব বিষয় বিবেচনায় রাখা হচ্ছে।
দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানায়, হরমুজ প্রণালিতে নৌ চলাচল স্বাভাবিক রাখতে তারা ইতোমধ্যে যুক্তরাজ্য ও ফ্রান্সের নেতৃত্বে অন্যান্য অংশীদার দেশের সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে। তবে সরাসরি যুদ্ধজাহাজ পাঠানোকে শেষ বিকল্প হিসেবে দেখা হচ্ছে। কারণ, হরমুজ প্রণালি বর্তমানে কার্যত একটি সক্রিয় সংঘাতপূর্ণ এলাকা, যেখানে সামরিক সম্পৃক্ততার জন্য জাতীয় সংসদের অনুমোদন প্রয়োজন।
সব মিলিয়ে সিউলের অবস্থান হলো—পরিস্থিতি জটিল হওয়ায় তারা এখনই কোনো স্পষ্ট প্রতিশ্রুতি দিতে চাইছে না, আবার সরাসরি অংশগ্রহণে অস্বীকৃতিও জানাচ্ছে না।
এদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় একটি দক্ষিণ কোরীয় জাহাজ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তবে এ বিষয়ে দক্ষিণ কোরিয়ার সরকারি বক্তব্য তুলনামূলকভাবে সংযত। তারা শুধু একটি বিস্ফোরণের ঘটনা নিশ্চিত করেছে এবং জানিয়েছে, জাহাজটির ইঞ্জিন কক্ষের বাম দিক থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছিল। আগুন লাগার প্রকৃত কারণ এখনো তদন্তাধীন রয়েছে।
সূত্র: আল জাজিরা

হরমুজ প্রণালিকে ঘিরে বাড়তে থাকা উত্তেজনার মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাবিত ‘প্রজেক্ট ফ্রিডম’-এ যোগ দেওয়া নিয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছায়নি দক্ষিণ কোরিয়া। সাম্প্রতিক এক জাহাজ দুর্ঘটনার পর বিষয়টি নিয়ে সিউল আরও সতর্ক অবস্থান নিয়েছে।
দক্ষিণ কোরিয়া সরকার জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালিতে মার্কিন নেতৃত্বাধীন সামরিক মিশনে অংশগ্রহণের বিষয়টি তারা অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে পর্যালোচনা করছে। এ ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক আইন, বৈশ্বিক নৌপথের নিরাপত্তা, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে দীর্ঘদিনের মিত্রতা এবং কোরীয় উপদ্বীপের বর্তমান নিরাপত্তা পরিস্থিতি—এসব বিষয় বিবেচনায় রাখা হচ্ছে।
দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানায়, হরমুজ প্রণালিতে নৌ চলাচল স্বাভাবিক রাখতে তারা ইতোমধ্যে যুক্তরাজ্য ও ফ্রান্সের নেতৃত্বে অন্যান্য অংশীদার দেশের সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে। তবে সরাসরি যুদ্ধজাহাজ পাঠানোকে শেষ বিকল্প হিসেবে দেখা হচ্ছে। কারণ, হরমুজ প্রণালি বর্তমানে কার্যত একটি সক্রিয় সংঘাতপূর্ণ এলাকা, যেখানে সামরিক সম্পৃক্ততার জন্য জাতীয় সংসদের অনুমোদন প্রয়োজন।
সব মিলিয়ে সিউলের অবস্থান হলো—পরিস্থিতি জটিল হওয়ায় তারা এখনই কোনো স্পষ্ট প্রতিশ্রুতি দিতে চাইছে না, আবার সরাসরি অংশগ্রহণে অস্বীকৃতিও জানাচ্ছে না।
এদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় একটি দক্ষিণ কোরীয় জাহাজ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তবে এ বিষয়ে দক্ষিণ কোরিয়ার সরকারি বক্তব্য তুলনামূলকভাবে সংযত। তারা শুধু একটি বিস্ফোরণের ঘটনা নিশ্চিত করেছে এবং জানিয়েছে, জাহাজটির ইঞ্জিন কক্ষের বাম দিক থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছিল। আগুন লাগার প্রকৃত কারণ এখনো তদন্তাধীন রয়েছে।
সূত্র: আল জাজিরা

ট্রাম্পের ‘প্রজেক্ট ফ্রিডমে’ যোগ দেওয়া নিয়ে দ্বিধায় দক্ষিণ কোরিয়া
সিটিজেন ডেস্ক
প্রকাশ : ০৫ মে ২০২৬, ১৭: ১০

চীন সাগরে দক্ষিণ কোরিয়ার সামরিক মহড়া। ছবি: সংগৃহীত
হরমুজ প্রণালিকে ঘিরে বাড়তে থাকা উত্তেজনার মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাবিত ‘প্রজেক্ট ফ্রিডম’-এ যোগ দেওয়া নিয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছায়নি দক্ষিণ কোরিয়া। সাম্প্রতিক এক জাহাজ দুর্ঘটনার পর বিষয়টি নিয়ে সিউল আরও সতর্ক অবস্থান নিয়েছে।
দক্ষিণ কোরিয়া সরকার জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালিতে মার্কিন নেতৃত্বাধীন সামরিক মিশনে অংশগ্রহণের বিষয়টি তারা অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে পর্যালোচনা করছে। এ ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক আইন, বৈশ্বিক নৌপথের নিরাপত্তা, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে দীর্ঘদিনের মিত্রতা এবং কোরীয় উপদ্বীপের বর্তমান নিরাপত্তা পরিস্থিতি—এসব বিষয় বিবেচনায় রাখা হচ্ছে।
দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানায়, হরমুজ প্রণালিতে নৌ চলাচল স্বাভাবিক রাখতে তারা ইতোমধ্যে যুক্তরাজ্য ও ফ্রান্সের নেতৃত্বে অন্যান্য অংশীদার দেশের সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে। তবে সরাসরি যুদ্ধজাহাজ পাঠানোকে শেষ বিকল্প হিসেবে দেখা হচ্ছে। কারণ, হরমুজ প্রণালি বর্তমানে কার্যত একটি সক্রিয় সংঘাতপূর্ণ এলাকা, যেখানে সামরিক সম্পৃক্ততার জন্য জাতীয় সংসদের অনুমোদন প্রয়োজন।
সব মিলিয়ে সিউলের অবস্থান হলো—পরিস্থিতি জটিল হওয়ায় তারা এখনই কোনো স্পষ্ট প্রতিশ্রুতি দিতে চাইছে না, আবার সরাসরি অংশগ্রহণে অস্বীকৃতিও জানাচ্ছে না।
এদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় একটি দক্ষিণ কোরীয় জাহাজ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তবে এ বিষয়ে দক্ষিণ কোরিয়ার সরকারি বক্তব্য তুলনামূলকভাবে সংযত। তারা শুধু একটি বিস্ফোরণের ঘটনা নিশ্চিত করেছে এবং জানিয়েছে, জাহাজটির ইঞ্জিন কক্ষের বাম দিক থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছিল। আগুন লাগার প্রকৃত কারণ এখনো তদন্তাধীন রয়েছে।
সূত্র: আল জাজিরা
/এমআর/




