ওমান প্রবাসী ৪ ভাইয়ের মৃত্যু বিষাক্ত গ্যাসে: পুলিশ
সিটিজেন ডেস্ক

ওমান প্রবাসী ৪ ভাইয়ের মৃত্যু বিষাক্ত গ্যাসে: পুলিশ
সিটিজেন ডেস্ক
প্রকাশ : ১৬ মে ২০২৬, ১৮: ১২

নিহত চার সহোদর। ছবি: সংগৃহীত
ওমানে চার বাংলাদেশি প্রবাসী ভাইয়ের মর্মান্তিক মৃত্যুর ঘটনায় তদন্ত শুরু করেছে দেশটির আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। রয়্যাল ওমান পুলিশের বরাত দিয়ে স্থানীয় সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, চালু থাকা গাড়ির এসি ব্যবস্থার নির্গমন পথ থেকে ছড়িয়ে পড়া বিষাক্ত কার্বন মনোক্সাইড গ্যাসে শ্বাসরুদ্ধ হয়ে তাদের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনার পর দেশটির পুলিশ আবদ্ধ যানবাহনের ভেতরে ঘুমানো থেকে বিরত থাকতে সবার প্রতি সতর্কবার্তা জারি করেছে।
চট্টগ্রাম সমিতি ওমানের নেতাদের তথ্য অনুযায়ী, গত বুধবার সন্ধ্যায় চার ভাই ওমানের বারকা এলাকা থেকে মুলাদ্দাহর উদ্দেশে রওনা হন। পথে রাত আটটার পর তাদের একজন এক আত্মীয়কে ভয়েস মেসেজ পাঠিয়ে অসুস্থতার কথা জানান। তিনি বলেন, তারা গাড়ি থেকে বের হওয়ার মতো অবস্থায় নেই। একই সঙ্গে নিজেদের অবস্থানও পাঠান। ওই বার্তায় তিনি উল্লেখ করেন, তাদের নাক-মুখ দিয়ে ফেনা বের হচ্ছে এবং শ্বাস নিতে কষ্ট হচ্ছে। পরে তারা মায়ের সঙ্গেও ফোনে কথা বলে দোয়া চান।
এর কিছু সময় পর একটি ক্লিনিকের সামনে পার্ক করা গাড়ির ভেতরে চারজনকে অচেতন অবস্থায় দেখতে পান স্থানীয় লোকজন। পরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে গাড়ির দরজা খুলে তাদের মরদেহ উদ্ধার করে। নিহত চার ভাই হলেন রাশেদুল ইসলাম, শাহেদুল ইসলাম, সিরাজুল ইসলাম ও শহিদুল ইসলাম।
স্বজনেরা জানিয়েছেন, আগামী মঙ্গলবার বিকালে একই ফ্লাইটে চার ভাইয়ের মরদেহ দেশে পৌঁছানোর কথা রয়েছে। বাংলাদেশ দূতাবাস, নিহতদের পরিবার এবং চট্টগ্রাম সমিতি ওমানের যৌথ উদ্যোগে মরদেহ দেশে পাঠানোর আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করা হয়েছে।
এদিকে ঘটনার তিন দিন পেরিয়ে গেলেও চার ভাইয়ের মা খাদিজা বেগমকে এখনো জানানো হয়নি তার সন্তানদের মৃত্যুর খবর। তিনি শুধু জানেন, তার ছেলেরা অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি আছেন। পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন, মৃত্যুসংবাদ শোনার পর থেকেই তিনি ভেঙে পড়ছেন এবং অসুস্থ হয়ে পড়ছেন। এমন অবস্থায় এই শোক তিনি সহ্য করতে পারবেন না আশঙ্কায় সত্যটি গোপন রাখা হয়েছে।
যাতে প্রতিবেশী বা আত্মীয়স্বজন কেউ ভুল করেও তাকে বিষয়টি জানাতে না পারেন, সে জন্য বাড়ির ফটকে তালা দিয়ে রেখেছেন পরিবারের একমাত্র জীবিত ছেলে মোহাম্মদ এনাম। ৩২ বছর বয়সী এনাম চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়ায় মায়ের সঙ্গেই বসবাস করেন।
শুক্রবার বিকেলে রাঙ্গুনিয়ার লালানগর বন্দরাজপাড়া মসজিদে গিয়ে নিহতদের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন স্থানীয় সংসদ সদস্য হুম্মাম কাদের চৌধুরী। এ সময় তিনি চার ভাইয়ের মরদেহ দ্রুত দেশে আনার উদ্যোগ নেওয়ার আশ্বাস দেন এবং শোকাহত পরিবারের পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন।
তার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. নাজমুল হাসান, স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মী এবং এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।
এদিকে চার ভাইকে পাশাপাশি দাফনের জন্য কবরস্থানে জায়গা নির্ধারণ করা হয়েছে। নিহতদের খালাতো ভাই এমরান হোসেন বলেন, প্রবাসী ভাইদের উপার্জনে পরিবারটি ধীরে ধীরে স্বচ্ছলতার মুখ দেখছিল। কিন্তু একসঙ্গে চার ভাইয়ের মৃত্যুতে পরিবারটির সব স্বপ্ন ভেঙে গেছে।
চট্টগ্রাম সমিতি ওমানের সভাপতি মোহাম্মদ ইয়াসিন চৌধুরী জানান, মরদেহ দেশে পাঠানোর প্রক্রিয়ার প্রায় ৮০ শতাংশ কাজ ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে। আশা করা হচ্ছে, মঙ্গলবার বিকেলে ওমান থেকে বাংলাদেশগামী একটি ফ্লাইটে চার ভাইয়ের মরদেহ একসঙ্গে দেশে পাঠানো হবে।
তিনি আরও বলেন, মরদেহ দেশে পাঠানোর ব্যয় বহন করবে নিহতদের পরিবার ও চট্টগ্রাম সমিতি ওমান। যেহেতু এটি সড়ক দুর্ঘটনা নয়, তাই এ ঘটনায় ওমান সরকার কোনো আর্থিক সহায়তা দেবে না। নিহত চারজনের বয়স ছিল ২৫ থেকে ৩৫ বছরের মধ্যে।
এই ঘটনার পর রয়্যাল ওমান পুলিশ জনসাধারণকে সতর্ক করে জানিয়েছে, আবদ্ধ অবস্থায় কোনো যানবাহনের ভেতরে ঘুমানো অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। বিশেষ করে গাড়ি চালু থাকলে বিষাক্ত কার্বন মনোক্সাইড গ্যাস জমে শ্বাসরোধের মতো প্রাণঘাতী পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে।

ওমানে চার বাংলাদেশি প্রবাসী ভাইয়ের মর্মান্তিক মৃত্যুর ঘটনায় তদন্ত শুরু করেছে দেশটির আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। রয়্যাল ওমান পুলিশের বরাত দিয়ে স্থানীয় সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, চালু থাকা গাড়ির এসি ব্যবস্থার নির্গমন পথ থেকে ছড়িয়ে পড়া বিষাক্ত কার্বন মনোক্সাইড গ্যাসে শ্বাসরুদ্ধ হয়ে তাদের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনার পর দেশটির পুলিশ আবদ্ধ যানবাহনের ভেতরে ঘুমানো থেকে বিরত থাকতে সবার প্রতি সতর্কবার্তা জারি করেছে।
চট্টগ্রাম সমিতি ওমানের নেতাদের তথ্য অনুযায়ী, গত বুধবার সন্ধ্যায় চার ভাই ওমানের বারকা এলাকা থেকে মুলাদ্দাহর উদ্দেশে রওনা হন। পথে রাত আটটার পর তাদের একজন এক আত্মীয়কে ভয়েস মেসেজ পাঠিয়ে অসুস্থতার কথা জানান। তিনি বলেন, তারা গাড়ি থেকে বের হওয়ার মতো অবস্থায় নেই। একই সঙ্গে নিজেদের অবস্থানও পাঠান। ওই বার্তায় তিনি উল্লেখ করেন, তাদের নাক-মুখ দিয়ে ফেনা বের হচ্ছে এবং শ্বাস নিতে কষ্ট হচ্ছে। পরে তারা মায়ের সঙ্গেও ফোনে কথা বলে দোয়া চান।
এর কিছু সময় পর একটি ক্লিনিকের সামনে পার্ক করা গাড়ির ভেতরে চারজনকে অচেতন অবস্থায় দেখতে পান স্থানীয় লোকজন। পরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে গাড়ির দরজা খুলে তাদের মরদেহ উদ্ধার করে। নিহত চার ভাই হলেন রাশেদুল ইসলাম, শাহেদুল ইসলাম, সিরাজুল ইসলাম ও শহিদুল ইসলাম।
স্বজনেরা জানিয়েছেন, আগামী মঙ্গলবার বিকালে একই ফ্লাইটে চার ভাইয়ের মরদেহ দেশে পৌঁছানোর কথা রয়েছে। বাংলাদেশ দূতাবাস, নিহতদের পরিবার এবং চট্টগ্রাম সমিতি ওমানের যৌথ উদ্যোগে মরদেহ দেশে পাঠানোর আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করা হয়েছে।
এদিকে ঘটনার তিন দিন পেরিয়ে গেলেও চার ভাইয়ের মা খাদিজা বেগমকে এখনো জানানো হয়নি তার সন্তানদের মৃত্যুর খবর। তিনি শুধু জানেন, তার ছেলেরা অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি আছেন। পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন, মৃত্যুসংবাদ শোনার পর থেকেই তিনি ভেঙে পড়ছেন এবং অসুস্থ হয়ে পড়ছেন। এমন অবস্থায় এই শোক তিনি সহ্য করতে পারবেন না আশঙ্কায় সত্যটি গোপন রাখা হয়েছে।
যাতে প্রতিবেশী বা আত্মীয়স্বজন কেউ ভুল করেও তাকে বিষয়টি জানাতে না পারেন, সে জন্য বাড়ির ফটকে তালা দিয়ে রেখেছেন পরিবারের একমাত্র জীবিত ছেলে মোহাম্মদ এনাম। ৩২ বছর বয়সী এনাম চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়ায় মায়ের সঙ্গেই বসবাস করেন।
শুক্রবার বিকেলে রাঙ্গুনিয়ার লালানগর বন্দরাজপাড়া মসজিদে গিয়ে নিহতদের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন স্থানীয় সংসদ সদস্য হুম্মাম কাদের চৌধুরী। এ সময় তিনি চার ভাইয়ের মরদেহ দ্রুত দেশে আনার উদ্যোগ নেওয়ার আশ্বাস দেন এবং শোকাহত পরিবারের পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন।
তার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. নাজমুল হাসান, স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মী এবং এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।
এদিকে চার ভাইকে পাশাপাশি দাফনের জন্য কবরস্থানে জায়গা নির্ধারণ করা হয়েছে। নিহতদের খালাতো ভাই এমরান হোসেন বলেন, প্রবাসী ভাইদের উপার্জনে পরিবারটি ধীরে ধীরে স্বচ্ছলতার মুখ দেখছিল। কিন্তু একসঙ্গে চার ভাইয়ের মৃত্যুতে পরিবারটির সব স্বপ্ন ভেঙে গেছে।
চট্টগ্রাম সমিতি ওমানের সভাপতি মোহাম্মদ ইয়াসিন চৌধুরী জানান, মরদেহ দেশে পাঠানোর প্রক্রিয়ার প্রায় ৮০ শতাংশ কাজ ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে। আশা করা হচ্ছে, মঙ্গলবার বিকেলে ওমান থেকে বাংলাদেশগামী একটি ফ্লাইটে চার ভাইয়ের মরদেহ একসঙ্গে দেশে পাঠানো হবে।
তিনি আরও বলেন, মরদেহ দেশে পাঠানোর ব্যয় বহন করবে নিহতদের পরিবার ও চট্টগ্রাম সমিতি ওমান। যেহেতু এটি সড়ক দুর্ঘটনা নয়, তাই এ ঘটনায় ওমান সরকার কোনো আর্থিক সহায়তা দেবে না। নিহত চারজনের বয়স ছিল ২৫ থেকে ৩৫ বছরের মধ্যে।
এই ঘটনার পর রয়্যাল ওমান পুলিশ জনসাধারণকে সতর্ক করে জানিয়েছে, আবদ্ধ অবস্থায় কোনো যানবাহনের ভেতরে ঘুমানো অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। বিশেষ করে গাড়ি চালু থাকলে বিষাক্ত কার্বন মনোক্সাইড গ্যাস জমে শ্বাসরোধের মতো প্রাণঘাতী পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে।

ওমান প্রবাসী ৪ ভাইয়ের মৃত্যু বিষাক্ত গ্যাসে: পুলিশ
সিটিজেন ডেস্ক
প্রকাশ : ১৬ মে ২০২৬, ১৮: ১২

নিহত চার সহোদর। ছবি: সংগৃহীত
ওমানে চার বাংলাদেশি প্রবাসী ভাইয়ের মর্মান্তিক মৃত্যুর ঘটনায় তদন্ত শুরু করেছে দেশটির আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। রয়্যাল ওমান পুলিশের বরাত দিয়ে স্থানীয় সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, চালু থাকা গাড়ির এসি ব্যবস্থার নির্গমন পথ থেকে ছড়িয়ে পড়া বিষাক্ত কার্বন মনোক্সাইড গ্যাসে শ্বাসরুদ্ধ হয়ে তাদের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনার পর দেশটির পুলিশ আবদ্ধ যানবাহনের ভেতরে ঘুমানো থেকে বিরত থাকতে সবার প্রতি সতর্কবার্তা জারি করেছে।
চট্টগ্রাম সমিতি ওমানের নেতাদের তথ্য অনুযায়ী, গত বুধবার সন্ধ্যায় চার ভাই ওমানের বারকা এলাকা থেকে মুলাদ্দাহর উদ্দেশে রওনা হন। পথে রাত আটটার পর তাদের একজন এক আত্মীয়কে ভয়েস মেসেজ পাঠিয়ে অসুস্থতার কথা জানান। তিনি বলেন, তারা গাড়ি থেকে বের হওয়ার মতো অবস্থায় নেই। একই সঙ্গে নিজেদের অবস্থানও পাঠান। ওই বার্তায় তিনি উল্লেখ করেন, তাদের নাক-মুখ দিয়ে ফেনা বের হচ্ছে এবং শ্বাস নিতে কষ্ট হচ্ছে। পরে তারা মায়ের সঙ্গেও ফোনে কথা বলে দোয়া চান।
এর কিছু সময় পর একটি ক্লিনিকের সামনে পার্ক করা গাড়ির ভেতরে চারজনকে অচেতন অবস্থায় দেখতে পান স্থানীয় লোকজন। পরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে গাড়ির দরজা খুলে তাদের মরদেহ উদ্ধার করে। নিহত চার ভাই হলেন রাশেদুল ইসলাম, শাহেদুল ইসলাম, সিরাজুল ইসলাম ও শহিদুল ইসলাম।
স্বজনেরা জানিয়েছেন, আগামী মঙ্গলবার বিকালে একই ফ্লাইটে চার ভাইয়ের মরদেহ দেশে পৌঁছানোর কথা রয়েছে। বাংলাদেশ দূতাবাস, নিহতদের পরিবার এবং চট্টগ্রাম সমিতি ওমানের যৌথ উদ্যোগে মরদেহ দেশে পাঠানোর আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করা হয়েছে।
এদিকে ঘটনার তিন দিন পেরিয়ে গেলেও চার ভাইয়ের মা খাদিজা বেগমকে এখনো জানানো হয়নি তার সন্তানদের মৃত্যুর খবর। তিনি শুধু জানেন, তার ছেলেরা অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি আছেন। পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন, মৃত্যুসংবাদ শোনার পর থেকেই তিনি ভেঙে পড়ছেন এবং অসুস্থ হয়ে পড়ছেন। এমন অবস্থায় এই শোক তিনি সহ্য করতে পারবেন না আশঙ্কায় সত্যটি গোপন রাখা হয়েছে।
যাতে প্রতিবেশী বা আত্মীয়স্বজন কেউ ভুল করেও তাকে বিষয়টি জানাতে না পারেন, সে জন্য বাড়ির ফটকে তালা দিয়ে রেখেছেন পরিবারের একমাত্র জীবিত ছেলে মোহাম্মদ এনাম। ৩২ বছর বয়সী এনাম চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়ায় মায়ের সঙ্গেই বসবাস করেন।
শুক্রবার বিকেলে রাঙ্গুনিয়ার লালানগর বন্দরাজপাড়া মসজিদে গিয়ে নিহতদের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন স্থানীয় সংসদ সদস্য হুম্মাম কাদের চৌধুরী। এ সময় তিনি চার ভাইয়ের মরদেহ দ্রুত দেশে আনার উদ্যোগ নেওয়ার আশ্বাস দেন এবং শোকাহত পরিবারের পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন।
তার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. নাজমুল হাসান, স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মী এবং এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।
এদিকে চার ভাইকে পাশাপাশি দাফনের জন্য কবরস্থানে জায়গা নির্ধারণ করা হয়েছে। নিহতদের খালাতো ভাই এমরান হোসেন বলেন, প্রবাসী ভাইদের উপার্জনে পরিবারটি ধীরে ধীরে স্বচ্ছলতার মুখ দেখছিল। কিন্তু একসঙ্গে চার ভাইয়ের মৃত্যুতে পরিবারটির সব স্বপ্ন ভেঙে গেছে।
চট্টগ্রাম সমিতি ওমানের সভাপতি মোহাম্মদ ইয়াসিন চৌধুরী জানান, মরদেহ দেশে পাঠানোর প্রক্রিয়ার প্রায় ৮০ শতাংশ কাজ ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে। আশা করা হচ্ছে, মঙ্গলবার বিকেলে ওমান থেকে বাংলাদেশগামী একটি ফ্লাইটে চার ভাইয়ের মরদেহ একসঙ্গে দেশে পাঠানো হবে।
তিনি আরও বলেন, মরদেহ দেশে পাঠানোর ব্যয় বহন করবে নিহতদের পরিবার ও চট্টগ্রাম সমিতি ওমান। যেহেতু এটি সড়ক দুর্ঘটনা নয়, তাই এ ঘটনায় ওমান সরকার কোনো আর্থিক সহায়তা দেবে না। নিহত চারজনের বয়স ছিল ২৫ থেকে ৩৫ বছরের মধ্যে।
এই ঘটনার পর রয়্যাল ওমান পুলিশ জনসাধারণকে সতর্ক করে জানিয়েছে, আবদ্ধ অবস্থায় কোনো যানবাহনের ভেতরে ঘুমানো অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। বিশেষ করে গাড়ি চালু থাকলে বিষাক্ত কার্বন মনোক্সাইড গ্যাস জমে শ্বাসরোধের মতো প্রাণঘাতী পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে।
/এমআর/




