ইরানের সঙ্গে চুক্তিতে তাড়াহুড়ো করবে না যুক্তরাষ্ট্র: ট্রাম্প

ইরানের সঙ্গে চুক্তিতে তাড়াহুড়ো করবে না যুক্তরাষ্ট্র: ট্রাম্প
সিটিজেন ডেস্ক

ইরানের সঙ্গে সম্ভাব্য চূড়ান্ত চুক্তি সম্পাদনে মার্কিন প্রশাসন কোনো ধরনের তাড়াহুড়ো করবে না বলে জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। রবিবার (২৪ মে) নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ অবস্থান ব্যক্ত করেন। ট্রাম্প জানিয়েছেন, চুক্তিটি পুরোপুরি সম্পন্ন, প্রত্যয়িত এবং স্বাক্ষরিত না হওয়া পর্যন্ত ইরানের ওপর ওয়াশিংটনের আরোপিত নৌ অবরোধ পূর্ণ শক্তিতে বহাল থাকবে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, শনিবারের (২৩ মে) তুলনায় রবিবারের পোস্টে মার্কিন প্রেসিডেন্টের বক্তব্য ছিল বেশ সংযত। এর আগ এক পোস্টে তিনি দাবি করেছিলেন, ইরানের সঙ্গে চুক্তি মোটামুটি চূড়ান্ত হয়ে গেছে। তবে নতুন পোস্টে ট্রাম্প ২০১৫ সালে ৬ বিশ্বশক্তির সঙ্গে ইরানের করা ঐতিহাসিক পারমাণবিক চুক্তির তীব্র সমালোচনা করেন। ওই চুক্তিকে ‘যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসের অন্যতম নিকৃষ্ট চুক্তি’ এবং ‘ইরানের পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির সরাসরি পথ’ হিসেবে অভিহিত করেন তিনি। মার্কিন প্রেসিডেন্ট দাবি করেন, বর্তমানে তার প্রশাসনের আলোচনাটি ঠিক এর বিপরীত পথে এবং অত্যন্ত সুশৃঙ্খল ও গঠনমূলক উপায়ে এগিয়ে চলেছে।
ডোনাল্ড ট্রাম্প তার প্রতিনিধিদের তাড়াহুড়ো না করার নির্দেশ দিয়ে লিখেছেন, সময় এখন যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে রয়েছে। কোনো ধরনের ভুল এড়াতে উভয় পক্ষকেই পর্যাপ্ত সময় নিয়ে নিখুঁতভাবে কাজটি সম্পন্ন করার আহ্বান জানান তিনি। তবে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যকার বর্তমান সম্পর্ক আগের চেয়ে ‘পেশাদার এবং ফলপ্রসূ’ হয়ে উঠছে বলে মন্তব্য করলেও ইরানকে চূড়ান্ত সতর্কবার্তা দিতে ভুলেননি ট্রাম্প। তিনি পুনর্ব্যক্ত করেছেন, ইরান কোনোভাবেই পারমাণবিক অস্ত্র বা বোমা তৈরি কিংবা সংগ্রহ করতে পারবে না।
বার্তার শেষভাগে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোকে তাদের সমর্থন ও সহযোগিতার জন্য ধন্যবাদ জানান মার্কিন প্রেসিডেন্ট। একই সঙ্গে আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার স্বার্থে একটি নতুন প্রস্তাব তুলে ধরে তিনি বলেন, মধ্যপ্রাচ্যের যে দেশগুলো এখনো ‘আব্রাহাম চুক্তি’তে যোগ দেয়নি, তাদের দ্রুত এতে অন্তর্ভুক্ত হওয়া উচিত। এমনকি ইরানও চাইলে এতে যোগ দিতে পারে। উল্লেখ্য, ২৮ ফেব্রুয়ারি মার্কিন-ইসরায়েলি যৌথ হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতাসহ শীর্ষ কর্মকর্তাদের মৃত্যুর পর মধ্যপ্রাচ্যে চরম উত্তেজনা তৈরি হয়। এর জবাবে ইরানও পাল্টা আঘাত হেনে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দিয়েছিল। পরবর্তীতে পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় ৮ এপ্রিল একটি যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়, যার মেয়াদ সম্প্রতি অনির্দিষ্টকালের জন্য বৃদ্ধি করেছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প।
সূত্র: আল জাজিরা

ইরানের সঙ্গে সম্ভাব্য চূড়ান্ত চুক্তি সম্পাদনে মার্কিন প্রশাসন কোনো ধরনের তাড়াহুড়ো করবে না বলে জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। রবিবার (২৪ মে) নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ অবস্থান ব্যক্ত করেন। ট্রাম্প জানিয়েছেন, চুক্তিটি পুরোপুরি সম্পন্ন, প্রত্যয়িত এবং স্বাক্ষরিত না হওয়া পর্যন্ত ইরানের ওপর ওয়াশিংটনের আরোপিত নৌ অবরোধ পূর্ণ শক্তিতে বহাল থাকবে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, শনিবারের (২৩ মে) তুলনায় রবিবারের পোস্টে মার্কিন প্রেসিডেন্টের বক্তব্য ছিল বেশ সংযত। এর আগ এক পোস্টে তিনি দাবি করেছিলেন, ইরানের সঙ্গে চুক্তি মোটামুটি চূড়ান্ত হয়ে গেছে। তবে নতুন পোস্টে ট্রাম্প ২০১৫ সালে ৬ বিশ্বশক্তির সঙ্গে ইরানের করা ঐতিহাসিক পারমাণবিক চুক্তির তীব্র সমালোচনা করেন। ওই চুক্তিকে ‘যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসের অন্যতম নিকৃষ্ট চুক্তি’ এবং ‘ইরানের পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির সরাসরি পথ’ হিসেবে অভিহিত করেন তিনি। মার্কিন প্রেসিডেন্ট দাবি করেন, বর্তমানে তার প্রশাসনের আলোচনাটি ঠিক এর বিপরীত পথে এবং অত্যন্ত সুশৃঙ্খল ও গঠনমূলক উপায়ে এগিয়ে চলেছে।
ডোনাল্ড ট্রাম্প তার প্রতিনিধিদের তাড়াহুড়ো না করার নির্দেশ দিয়ে লিখেছেন, সময় এখন যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে রয়েছে। কোনো ধরনের ভুল এড়াতে উভয় পক্ষকেই পর্যাপ্ত সময় নিয়ে নিখুঁতভাবে কাজটি সম্পন্ন করার আহ্বান জানান তিনি। তবে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যকার বর্তমান সম্পর্ক আগের চেয়ে ‘পেশাদার এবং ফলপ্রসূ’ হয়ে উঠছে বলে মন্তব্য করলেও ইরানকে চূড়ান্ত সতর্কবার্তা দিতে ভুলেননি ট্রাম্প। তিনি পুনর্ব্যক্ত করেছেন, ইরান কোনোভাবেই পারমাণবিক অস্ত্র বা বোমা তৈরি কিংবা সংগ্রহ করতে পারবে না।
বার্তার শেষভাগে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোকে তাদের সমর্থন ও সহযোগিতার জন্য ধন্যবাদ জানান মার্কিন প্রেসিডেন্ট। একই সঙ্গে আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার স্বার্থে একটি নতুন প্রস্তাব তুলে ধরে তিনি বলেন, মধ্যপ্রাচ্যের যে দেশগুলো এখনো ‘আব্রাহাম চুক্তি’তে যোগ দেয়নি, তাদের দ্রুত এতে অন্তর্ভুক্ত হওয়া উচিত। এমনকি ইরানও চাইলে এতে যোগ দিতে পারে। উল্লেখ্য, ২৮ ফেব্রুয়ারি মার্কিন-ইসরায়েলি যৌথ হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতাসহ শীর্ষ কর্মকর্তাদের মৃত্যুর পর মধ্যপ্রাচ্যে চরম উত্তেজনা তৈরি হয়। এর জবাবে ইরানও পাল্টা আঘাত হেনে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দিয়েছিল। পরবর্তীতে পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় ৮ এপ্রিল একটি যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়, যার মেয়াদ সম্প্রতি অনির্দিষ্টকালের জন্য বৃদ্ধি করেছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প।
সূত্র: আল জাজিরা

ইরানের সঙ্গে চুক্তিতে তাড়াহুড়ো করবে না যুক্তরাষ্ট্র: ট্রাম্প
সিটিজেন ডেস্ক

ইরানের সঙ্গে সম্ভাব্য চূড়ান্ত চুক্তি সম্পাদনে মার্কিন প্রশাসন কোনো ধরনের তাড়াহুড়ো করবে না বলে জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। রবিবার (২৪ মে) নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ অবস্থান ব্যক্ত করেন। ট্রাম্প জানিয়েছেন, চুক্তিটি পুরোপুরি সম্পন্ন, প্রত্যয়িত এবং স্বাক্ষরিত না হওয়া পর্যন্ত ইরানের ওপর ওয়াশিংটনের আরোপিত নৌ অবরোধ পূর্ণ শক্তিতে বহাল থাকবে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, শনিবারের (২৩ মে) তুলনায় রবিবারের পোস্টে মার্কিন প্রেসিডেন্টের বক্তব্য ছিল বেশ সংযত। এর আগ এক পোস্টে তিনি দাবি করেছিলেন, ইরানের সঙ্গে চুক্তি মোটামুটি চূড়ান্ত হয়ে গেছে। তবে নতুন পোস্টে ট্রাম্প ২০১৫ সালে ৬ বিশ্বশক্তির সঙ্গে ইরানের করা ঐতিহাসিক পারমাণবিক চুক্তির তীব্র সমালোচনা করেন। ওই চুক্তিকে ‘যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসের অন্যতম নিকৃষ্ট চুক্তি’ এবং ‘ইরানের পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির সরাসরি পথ’ হিসেবে অভিহিত করেন তিনি। মার্কিন প্রেসিডেন্ট দাবি করেন, বর্তমানে তার প্রশাসনের আলোচনাটি ঠিক এর বিপরীত পথে এবং অত্যন্ত সুশৃঙ্খল ও গঠনমূলক উপায়ে এগিয়ে চলেছে।
ডোনাল্ড ট্রাম্প তার প্রতিনিধিদের তাড়াহুড়ো না করার নির্দেশ দিয়ে লিখেছেন, সময় এখন যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে রয়েছে। কোনো ধরনের ভুল এড়াতে উভয় পক্ষকেই পর্যাপ্ত সময় নিয়ে নিখুঁতভাবে কাজটি সম্পন্ন করার আহ্বান জানান তিনি। তবে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যকার বর্তমান সম্পর্ক আগের চেয়ে ‘পেশাদার এবং ফলপ্রসূ’ হয়ে উঠছে বলে মন্তব্য করলেও ইরানকে চূড়ান্ত সতর্কবার্তা দিতে ভুলেননি ট্রাম্প। তিনি পুনর্ব্যক্ত করেছেন, ইরান কোনোভাবেই পারমাণবিক অস্ত্র বা বোমা তৈরি কিংবা সংগ্রহ করতে পারবে না।
বার্তার শেষভাগে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোকে তাদের সমর্থন ও সহযোগিতার জন্য ধন্যবাদ জানান মার্কিন প্রেসিডেন্ট। একই সঙ্গে আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার স্বার্থে একটি নতুন প্রস্তাব তুলে ধরে তিনি বলেন, মধ্যপ্রাচ্যের যে দেশগুলো এখনো ‘আব্রাহাম চুক্তি’তে যোগ দেয়নি, তাদের দ্রুত এতে অন্তর্ভুক্ত হওয়া উচিত। এমনকি ইরানও চাইলে এতে যোগ দিতে পারে। উল্লেখ্য, ২৮ ফেব্রুয়ারি মার্কিন-ইসরায়েলি যৌথ হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতাসহ শীর্ষ কর্মকর্তাদের মৃত্যুর পর মধ্যপ্রাচ্যে চরম উত্তেজনা তৈরি হয়। এর জবাবে ইরানও পাল্টা আঘাত হেনে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দিয়েছিল। পরবর্তীতে পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় ৮ এপ্রিল একটি যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়, যার মেয়াদ সম্প্রতি অনির্দিষ্টকালের জন্য বৃদ্ধি করেছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প।
সূত্র: আল জাজিরা

ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সমঝোতা চুক্তির সম্ভাব্য খসড়ায় যা থাকছে


