জবিতে বাসের উপর ভেঙ্গে পড়ল বিশাল গাছ

জবিতে বাসের উপর ভেঙ্গে পড়ল বিশাল গাছ
জবি প্রতিনিধি

টানা ভারি বর্ষণের কারণে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালযয়ে (জবি) দাঁড়িয়ে থাকা একটি বাসের ওপর বিশাল কৃষ্ণচূড়া গাছ উপড়ে পড়ে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। তবে ঘটনার সময় বাসে কোনো যাত্রী না থাকায় বড় ধরনের দুর্ঘটনা এড়ানো গেছে।
রবিবার (১২ জুলাই) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারসংলগ্ন রফিক ভবনের সামনে এ ঘটনা ঘটে। হঠাৎ বিকট শব্দে গাছটি উপড়ে পড়লে আশপাশে থাকা শিক্ষার্থীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, গত রাত থেকে টানা বৃষ্টির কারণে গাছটির গোড়ার মাটি নরম হয়ে শিকড় দুর্বল হয়ে পড়ে। রোববার বৃষ্টি ও দমকা হাওয়ার মধ্যে একপর্যায়ে পুরোনো কৃষ্ণচূড়া গাছটি উপড়ে পাশেই পার্কিং করে রাখা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদ্মা বাসের ওপর আছড়ে পড়ে।
গাছের বিশাল কাণ্ড ও ভারী ডালপালার আঘাতে বাসটির ছাদ, জানালাসহ বিভিন্ন অংশ দুমড়ে-মুচড়ে যায়। ঘটনার সময় বাসটিতে কোনো শিক্ষার্থী, শিক্ষক বা কর্মকর্তা-কর্মচারী ছিলেন না। তবে স্থানটি ক্যাম্পাসের ব্যস্ততম চলাচলের পথ হওয়ায় বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা ছিল বলে জানিয়েছেন প্রত্যক্ষদর্শীরা।
ঘটনার সময় সেখানে উপস্থিত এক শিক্ষার্থী রকিব হাসান বলেন, ‘গত রাত থেকে টানা বৃষ্টির কারণে গাছটির গোড়ার মাটি আলগা হয়ে গিয়েছিল। হঠাৎ বিকট শব্দে গাছটি বাসের ওপর পড়ে যায়। তখন আশপাশ দিয়ে অনেক শিক্ষার্থী চলাচল করছিলেন। সৌভাগ্যবশত বাসে বা গাছের নিচে কেউ ছিলেন না। না হলে ভয়াবহ দুর্ঘটনা ঘটতে পারত।’
ঘটনার পর উপড়ে পড়া গাছ ও ক্ষতিগ্রস্ত বাস দেখতে ঘটনাস্থলে ভিড় করেন শিক্ষার্থীরা। এ ঘটনায় ক্যাম্পাসে কিছু সময়ের জন্য আতঙ্কের সৃষ্টি হয়। পাশাপাশি টানা বর্ষণের মধ্যে ক্যাম্পাসে থাকা পুরোনো ও ঝুঁকিপূর্ণ গাছগুলো দ্রুত শনাক্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান শিক্ষার্থীরা।
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক নাসিরুদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘গাছটি ভেঙে পড়ার সময় বাসের ভেতরে বা আশপাশে কোনো শিক্ষার্থী না থাকায় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটেনি। তবে গাছের আঘাতে বাসটি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। আমরা বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখছি।’
তিনি আরও বলেন, ‘ভবিষ্যতে এ ধরনের দুর্ঘটনা এড়াতে ক্যাম্পাসের ঝুঁকিপূর্ণ গাছগুলো চিহ্নিত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

টানা ভারি বর্ষণের কারণে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালযয়ে (জবি) দাঁড়িয়ে থাকা একটি বাসের ওপর বিশাল কৃষ্ণচূড়া গাছ উপড়ে পড়ে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। তবে ঘটনার সময় বাসে কোনো যাত্রী না থাকায় বড় ধরনের দুর্ঘটনা এড়ানো গেছে।
রবিবার (১২ জুলাই) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারসংলগ্ন রফিক ভবনের সামনে এ ঘটনা ঘটে। হঠাৎ বিকট শব্দে গাছটি উপড়ে পড়লে আশপাশে থাকা শিক্ষার্থীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, গত রাত থেকে টানা বৃষ্টির কারণে গাছটির গোড়ার মাটি নরম হয়ে শিকড় দুর্বল হয়ে পড়ে। রোববার বৃষ্টি ও দমকা হাওয়ার মধ্যে একপর্যায়ে পুরোনো কৃষ্ণচূড়া গাছটি উপড়ে পাশেই পার্কিং করে রাখা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদ্মা বাসের ওপর আছড়ে পড়ে।
গাছের বিশাল কাণ্ড ও ভারী ডালপালার আঘাতে বাসটির ছাদ, জানালাসহ বিভিন্ন অংশ দুমড়ে-মুচড়ে যায়। ঘটনার সময় বাসটিতে কোনো শিক্ষার্থী, শিক্ষক বা কর্মকর্তা-কর্মচারী ছিলেন না। তবে স্থানটি ক্যাম্পাসের ব্যস্ততম চলাচলের পথ হওয়ায় বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা ছিল বলে জানিয়েছেন প্রত্যক্ষদর্শীরা।
ঘটনার সময় সেখানে উপস্থিত এক শিক্ষার্থী রকিব হাসান বলেন, ‘গত রাত থেকে টানা বৃষ্টির কারণে গাছটির গোড়ার মাটি আলগা হয়ে গিয়েছিল। হঠাৎ বিকট শব্দে গাছটি বাসের ওপর পড়ে যায়। তখন আশপাশ দিয়ে অনেক শিক্ষার্থী চলাচল করছিলেন। সৌভাগ্যবশত বাসে বা গাছের নিচে কেউ ছিলেন না। না হলে ভয়াবহ দুর্ঘটনা ঘটতে পারত।’
ঘটনার পর উপড়ে পড়া গাছ ও ক্ষতিগ্রস্ত বাস দেখতে ঘটনাস্থলে ভিড় করেন শিক্ষার্থীরা। এ ঘটনায় ক্যাম্পাসে কিছু সময়ের জন্য আতঙ্কের সৃষ্টি হয়। পাশাপাশি টানা বর্ষণের মধ্যে ক্যাম্পাসে থাকা পুরোনো ও ঝুঁকিপূর্ণ গাছগুলো দ্রুত শনাক্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান শিক্ষার্থীরা।
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক নাসিরুদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘গাছটি ভেঙে পড়ার সময় বাসের ভেতরে বা আশপাশে কোনো শিক্ষার্থী না থাকায় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটেনি। তবে গাছের আঘাতে বাসটি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। আমরা বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখছি।’
তিনি আরও বলেন, ‘ভবিষ্যতে এ ধরনের দুর্ঘটনা এড়াতে ক্যাম্পাসের ঝুঁকিপূর্ণ গাছগুলো চিহ্নিত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

জবিতে বাসের উপর ভেঙ্গে পড়ল বিশাল গাছ
জবি প্রতিনিধি

টানা ভারি বর্ষণের কারণে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালযয়ে (জবি) দাঁড়িয়ে থাকা একটি বাসের ওপর বিশাল কৃষ্ণচূড়া গাছ উপড়ে পড়ে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। তবে ঘটনার সময় বাসে কোনো যাত্রী না থাকায় বড় ধরনের দুর্ঘটনা এড়ানো গেছে।
রবিবার (১২ জুলাই) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারসংলগ্ন রফিক ভবনের সামনে এ ঘটনা ঘটে। হঠাৎ বিকট শব্দে গাছটি উপড়ে পড়লে আশপাশে থাকা শিক্ষার্থীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, গত রাত থেকে টানা বৃষ্টির কারণে গাছটির গোড়ার মাটি নরম হয়ে শিকড় দুর্বল হয়ে পড়ে। রোববার বৃষ্টি ও দমকা হাওয়ার মধ্যে একপর্যায়ে পুরোনো কৃষ্ণচূড়া গাছটি উপড়ে পাশেই পার্কিং করে রাখা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদ্মা বাসের ওপর আছড়ে পড়ে।
গাছের বিশাল কাণ্ড ও ভারী ডালপালার আঘাতে বাসটির ছাদ, জানালাসহ বিভিন্ন অংশ দুমড়ে-মুচড়ে যায়। ঘটনার সময় বাসটিতে কোনো শিক্ষার্থী, শিক্ষক বা কর্মকর্তা-কর্মচারী ছিলেন না। তবে স্থানটি ক্যাম্পাসের ব্যস্ততম চলাচলের পথ হওয়ায় বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা ছিল বলে জানিয়েছেন প্রত্যক্ষদর্শীরা।
ঘটনার সময় সেখানে উপস্থিত এক শিক্ষার্থী রকিব হাসান বলেন, ‘গত রাত থেকে টানা বৃষ্টির কারণে গাছটির গোড়ার মাটি আলগা হয়ে গিয়েছিল। হঠাৎ বিকট শব্দে গাছটি বাসের ওপর পড়ে যায়। তখন আশপাশ দিয়ে অনেক শিক্ষার্থী চলাচল করছিলেন। সৌভাগ্যবশত বাসে বা গাছের নিচে কেউ ছিলেন না। না হলে ভয়াবহ দুর্ঘটনা ঘটতে পারত।’
ঘটনার পর উপড়ে পড়া গাছ ও ক্ষতিগ্রস্ত বাস দেখতে ঘটনাস্থলে ভিড় করেন শিক্ষার্থীরা। এ ঘটনায় ক্যাম্পাসে কিছু সময়ের জন্য আতঙ্কের সৃষ্টি হয়। পাশাপাশি টানা বর্ষণের মধ্যে ক্যাম্পাসে থাকা পুরোনো ও ঝুঁকিপূর্ণ গাছগুলো দ্রুত শনাক্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান শিক্ষার্থীরা।
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক নাসিরুদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘গাছটি ভেঙে পড়ার সময় বাসের ভেতরে বা আশপাশে কোনো শিক্ষার্থী না থাকায় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটেনি। তবে গাছের আঘাতে বাসটি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। আমরা বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখছি।’
তিনি আরও বলেন, ‘ভবিষ্যতে এ ধরনের দুর্ঘটনা এড়াতে ক্যাম্পাসের ঝুঁকিপূর্ণ গাছগুলো চিহ্নিত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’




