শান্তি আলোচনায় অনিশ্চয়তা, বাড়ছে তেলের দাম
সিটিজেন ডেস্ক

শান্তি আলোচনায় অনিশ্চয়তা, বাড়ছে তেলের দাম
সিটিজেন ডেস্ক
প্রকাশ : ২০ এপ্রিল ২০২৬, ১৬: ৫৩

ছবি: সংগৃহীত
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সম্ভাব্য শান্তি আলোচনা নিয়ে পরস্পরবিরোধী অবস্থানের প্রেক্ষাপটে আন্তর্জাতিক তেলের বাজারে আবারও অস্থিরতা বেড়েছে। বৈশ্বিক মানদণ্ডে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ৭ শতাংশের বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে।
সোমবার (২০ এপ্রিল) আন্তর্জাতিক সময় ২টা ৫ মিনিটে প্রতি ব্যারেল তেলের দাম দাঁড়ায় ৯৪ দশমিক ৬৯ ডলার, যা আগের শুক্রবারের (১৭ এপ্রিল) প্রায় ৯০ দশমিক ৪০ ডলারের তুলনায় ৪ দশমিক ২৯ ডলার বেশি।
বিশেষজ্ঞদের মতে, হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজে হামলা এবং ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে নতুন করে আলোচনা শুরু নিয়ে বিপরীতমুখী বার্তাই মূলত বাজারে এই অস্থিরতার কারণ। তবে এশিয়ায় তেলের দাম শুরুতে তীব্রভাবে বাড়লেও পরে কিছুটা স্থিতিশীল হয়।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের একটি ইরানি পণ্যবাহী জাহাজ জব্দ করার ঘোষণার পরই বাজারে নতুন করে মূল্যবৃদ্ধির চাপ তৈরি হয়।
এর আগে, ইউনাইটেড কিংডম মেরিটাইম ট্রেড অপারেশনস (ইউকেএমটিও) জানায়, হরমুজ প্রণালি অতিক্রমের সময় দুটি জাহাজ হামলার শিকার হয়েছে। তাদের তথ্য অনুযায়ী, ইরানি গানবোট একটি তেলবাহী ট্যাংকারে গুলি চালায় এবং একটি ‘অজ্ঞাত গোলা’ একটি কনটেইনার জাহাজে আঘাত হানে।
পরিস্থিতি আরও জটিল করে তোলে তেহরানের অবস্থান পরিবর্তন। শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) প্রণালিটিকে সম্পূর্ণ উন্মুক্ত ঘোষণা করার পর, ২৪ ঘণ্টারও কম সময়ের মধ্যে ইরান আবারও চলমান মার্কিন অবরোধের কথা উল্লেখ করে অবস্থান বদলে ফেলে।
রবিবার (১৬ এপ্রিল) ডোনাল্ড ট্রাম্প জানান, দ্বিতীয় দফা যুদ্ধবিরতি আলোচনার জন্য একটি মার্কিন প্রতিনিধিদল পাকিস্তান সফর করবে। তবে পরে ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম (ইরনা) জানায়, যুক্তরাষ্ট্রের অতিরিক্ত দাবি ও অবাস্তব প্রত্যাশার কারণে তেহরান ওই আলোচনায় অংশ নেবে না।
বর্তমান দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বুধবার শেষ হওয়ার কথা রয়েছে, যদি না উভয় পক্ষ মেয়াদ বাড়াতে সম্মত হয়। চলতি মাসের শুরুতে ইসলামাবাদে অনুষ্ঠিত প্রথম দফার আলোচনা কোনো সমঝোতা ছাড়াই শেষ হয়েছিল।
এদিকে, ইরানের কার্যত প্রণালি বন্ধ করে দেওয়ার ফলে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহে চাপ তৈরি হয়েছে। উল্লেখ্য, এই প্রণালি দিয়ে বিশ্বের মোট তেল ও প্রাকৃতিক গ্যাসের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ পরিবহন হয়। ইউকেএমটিওর তথ্য অনুযায়ী, শনিবার ১৯টি জাহাজ প্রণালিটি অতিক্রম করেছে, যা আগের দিনের তুলনায় বেশি হলেও দৈনিক গড় ১৩৮টির তুলনায় অনেক কম।
উত্তেজনা প্রশমনের সম্ভাবনা ক্ষীণ হলেও এশিয়ার শেয়ারবাজারগুলোতে ইতিবাচক প্রবণতা দেখা গেছে। জাপানের নিক্কেই ২২৫ সূচক ১ শতাংশের বেশি বেড়েছে। দক্ষিণ কোরিয়ার কোস্পি সূচক প্রায় ১ দশমিক ৩ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। পাশাপাশি হংকংয়ের হ্যাং সেং সূচক প্রায় ০.৫ শতাংশ এবং চীনের সাংহাইয়ের এসএসই কম্পোজিট সূচক ০.৪ শতাংশের বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সম্ভাব্য শান্তি আলোচনা নিয়ে পরস্পরবিরোধী অবস্থানের প্রেক্ষাপটে আন্তর্জাতিক তেলের বাজারে আবারও অস্থিরতা বেড়েছে। বৈশ্বিক মানদণ্ডে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ৭ শতাংশের বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে।
সোমবার (২০ এপ্রিল) আন্তর্জাতিক সময় ২টা ৫ মিনিটে প্রতি ব্যারেল তেলের দাম দাঁড়ায় ৯৪ দশমিক ৬৯ ডলার, যা আগের শুক্রবারের (১৭ এপ্রিল) প্রায় ৯০ দশমিক ৪০ ডলারের তুলনায় ৪ দশমিক ২৯ ডলার বেশি।
বিশেষজ্ঞদের মতে, হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজে হামলা এবং ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে নতুন করে আলোচনা শুরু নিয়ে বিপরীতমুখী বার্তাই মূলত বাজারে এই অস্থিরতার কারণ। তবে এশিয়ায় তেলের দাম শুরুতে তীব্রভাবে বাড়লেও পরে কিছুটা স্থিতিশীল হয়।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের একটি ইরানি পণ্যবাহী জাহাজ জব্দ করার ঘোষণার পরই বাজারে নতুন করে মূল্যবৃদ্ধির চাপ তৈরি হয়।
এর আগে, ইউনাইটেড কিংডম মেরিটাইম ট্রেড অপারেশনস (ইউকেএমটিও) জানায়, হরমুজ প্রণালি অতিক্রমের সময় দুটি জাহাজ হামলার শিকার হয়েছে। তাদের তথ্য অনুযায়ী, ইরানি গানবোট একটি তেলবাহী ট্যাংকারে গুলি চালায় এবং একটি ‘অজ্ঞাত গোলা’ একটি কনটেইনার জাহাজে আঘাত হানে।
পরিস্থিতি আরও জটিল করে তোলে তেহরানের অবস্থান পরিবর্তন। শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) প্রণালিটিকে সম্পূর্ণ উন্মুক্ত ঘোষণা করার পর, ২৪ ঘণ্টারও কম সময়ের মধ্যে ইরান আবারও চলমান মার্কিন অবরোধের কথা উল্লেখ করে অবস্থান বদলে ফেলে।
রবিবার (১৬ এপ্রিল) ডোনাল্ড ট্রাম্প জানান, দ্বিতীয় দফা যুদ্ধবিরতি আলোচনার জন্য একটি মার্কিন প্রতিনিধিদল পাকিস্তান সফর করবে। তবে পরে ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম (ইরনা) জানায়, যুক্তরাষ্ট্রের অতিরিক্ত দাবি ও অবাস্তব প্রত্যাশার কারণে তেহরান ওই আলোচনায় অংশ নেবে না।
বর্তমান দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বুধবার শেষ হওয়ার কথা রয়েছে, যদি না উভয় পক্ষ মেয়াদ বাড়াতে সম্মত হয়। চলতি মাসের শুরুতে ইসলামাবাদে অনুষ্ঠিত প্রথম দফার আলোচনা কোনো সমঝোতা ছাড়াই শেষ হয়েছিল।
এদিকে, ইরানের কার্যত প্রণালি বন্ধ করে দেওয়ার ফলে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহে চাপ তৈরি হয়েছে। উল্লেখ্য, এই প্রণালি দিয়ে বিশ্বের মোট তেল ও প্রাকৃতিক গ্যাসের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ পরিবহন হয়। ইউকেএমটিওর তথ্য অনুযায়ী, শনিবার ১৯টি জাহাজ প্রণালিটি অতিক্রম করেছে, যা আগের দিনের তুলনায় বেশি হলেও দৈনিক গড় ১৩৮টির তুলনায় অনেক কম।
উত্তেজনা প্রশমনের সম্ভাবনা ক্ষীণ হলেও এশিয়ার শেয়ারবাজারগুলোতে ইতিবাচক প্রবণতা দেখা গেছে। জাপানের নিক্কেই ২২৫ সূচক ১ শতাংশের বেশি বেড়েছে। দক্ষিণ কোরিয়ার কোস্পি সূচক প্রায় ১ দশমিক ৩ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। পাশাপাশি হংকংয়ের হ্যাং সেং সূচক প্রায় ০.৫ শতাংশ এবং চীনের সাংহাইয়ের এসএসই কম্পোজিট সূচক ০.৪ শতাংশের বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে।

শান্তি আলোচনায় অনিশ্চয়তা, বাড়ছে তেলের দাম
সিটিজেন ডেস্ক
প্রকাশ : ২০ এপ্রিল ২০২৬, ১৬: ৫৩

ছবি: সংগৃহীত
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সম্ভাব্য শান্তি আলোচনা নিয়ে পরস্পরবিরোধী অবস্থানের প্রেক্ষাপটে আন্তর্জাতিক তেলের বাজারে আবারও অস্থিরতা বেড়েছে। বৈশ্বিক মানদণ্ডে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ৭ শতাংশের বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে।
সোমবার (২০ এপ্রিল) আন্তর্জাতিক সময় ২টা ৫ মিনিটে প্রতি ব্যারেল তেলের দাম দাঁড়ায় ৯৪ দশমিক ৬৯ ডলার, যা আগের শুক্রবারের (১৭ এপ্রিল) প্রায় ৯০ দশমিক ৪০ ডলারের তুলনায় ৪ দশমিক ২৯ ডলার বেশি।
বিশেষজ্ঞদের মতে, হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজে হামলা এবং ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে নতুন করে আলোচনা শুরু নিয়ে বিপরীতমুখী বার্তাই মূলত বাজারে এই অস্থিরতার কারণ। তবে এশিয়ায় তেলের দাম শুরুতে তীব্রভাবে বাড়লেও পরে কিছুটা স্থিতিশীল হয়।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের একটি ইরানি পণ্যবাহী জাহাজ জব্দ করার ঘোষণার পরই বাজারে নতুন করে মূল্যবৃদ্ধির চাপ তৈরি হয়।
এর আগে, ইউনাইটেড কিংডম মেরিটাইম ট্রেড অপারেশনস (ইউকেএমটিও) জানায়, হরমুজ প্রণালি অতিক্রমের সময় দুটি জাহাজ হামলার শিকার হয়েছে। তাদের তথ্য অনুযায়ী, ইরানি গানবোট একটি তেলবাহী ট্যাংকারে গুলি চালায় এবং একটি ‘অজ্ঞাত গোলা’ একটি কনটেইনার জাহাজে আঘাত হানে।
পরিস্থিতি আরও জটিল করে তোলে তেহরানের অবস্থান পরিবর্তন। শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) প্রণালিটিকে সম্পূর্ণ উন্মুক্ত ঘোষণা করার পর, ২৪ ঘণ্টারও কম সময়ের মধ্যে ইরান আবারও চলমান মার্কিন অবরোধের কথা উল্লেখ করে অবস্থান বদলে ফেলে।
রবিবার (১৬ এপ্রিল) ডোনাল্ড ট্রাম্প জানান, দ্বিতীয় দফা যুদ্ধবিরতি আলোচনার জন্য একটি মার্কিন প্রতিনিধিদল পাকিস্তান সফর করবে। তবে পরে ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম (ইরনা) জানায়, যুক্তরাষ্ট্রের অতিরিক্ত দাবি ও অবাস্তব প্রত্যাশার কারণে তেহরান ওই আলোচনায় অংশ নেবে না।
বর্তমান দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বুধবার শেষ হওয়ার কথা রয়েছে, যদি না উভয় পক্ষ মেয়াদ বাড়াতে সম্মত হয়। চলতি মাসের শুরুতে ইসলামাবাদে অনুষ্ঠিত প্রথম দফার আলোচনা কোনো সমঝোতা ছাড়াই শেষ হয়েছিল।
এদিকে, ইরানের কার্যত প্রণালি বন্ধ করে দেওয়ার ফলে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহে চাপ তৈরি হয়েছে। উল্লেখ্য, এই প্রণালি দিয়ে বিশ্বের মোট তেল ও প্রাকৃতিক গ্যাসের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ পরিবহন হয়। ইউকেএমটিওর তথ্য অনুযায়ী, শনিবার ১৯টি জাহাজ প্রণালিটি অতিক্রম করেছে, যা আগের দিনের তুলনায় বেশি হলেও দৈনিক গড় ১৩৮টির তুলনায় অনেক কম।
উত্তেজনা প্রশমনের সম্ভাবনা ক্ষীণ হলেও এশিয়ার শেয়ারবাজারগুলোতে ইতিবাচক প্রবণতা দেখা গেছে। জাপানের নিক্কেই ২২৫ সূচক ১ শতাংশের বেশি বেড়েছে। দক্ষিণ কোরিয়ার কোস্পি সূচক প্রায় ১ দশমিক ৩ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। পাশাপাশি হংকংয়ের হ্যাং সেং সূচক প্রায় ০.৫ শতাংশ এবং চীনের সাংহাইয়ের এসএসই কম্পোজিট সূচক ০.৪ শতাংশের বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে।
/এমআর/




