আস্থা অর্জনে যুক্তরাষ্ট্রকে ৫ শর্ত ইরানের

আস্থা অর্জনে যুক্তরাষ্ট্রকে ৫ শর্ত ইরানের
সিটিজেন ডেস্ক

পরমাণু ও হরমুজ প্রণালি ইস্যুতে বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ইরানের তীব্র উত্তেজনা চলছে। এমতাবস্থায় আলোচনার টেবিলে ফিরতে আস্থা-অর্জনে যুক্তরাষ্ট্রের জন্য পাঁচটি শর্ত নির্ধারণ করেছে ইরান। এই শর্ত পূরণ করা না হলে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে দ্বিতীয় দফা আলোচনায় বসবে না তেহরান।
ঘনিষ্ঠ সূত্রের বরাত দিয়ে মঙ্গলবার (১২ মে) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে ফার্স নিউজ এজেন্সি।
সূত্রটি জানায়, ওয়াশিংটনের সঙ্গে নতুন কোনো আলোচনা শুরু করার জন্য এসব শর্তকে ‘ন্যূনতম গ্যারান্টি’ হিসেবে বিবেচনা করছে ইরান।
ইরানের দেওয়া শর্তগুলো হলো–
- সব ফ্রন্টে যুদ্ধ বন্ধ করা (বিশেষ করে লেবাননে)
- ইরানের ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার;
- জব্দ করা ইরানি সম্পদ মুক্ত করা
- যুদ্ধের ক্ষতিপূরণ প্রদান ও
- হরমুজ প্রণালির ওপর ইরানের সার্বভৌম অধিকার স্বীকৃতি দেওয়া।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে যৌথ হামলা চালায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। এ হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিসহ একাধিক সিনিয়র কর্মকর্তা নিহত হন। দীর্ঘ ৪০ দিন ধরে হামলা-পাল্টা হামলা শেষে গত ৮ এপ্রিল যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এরপর ১১ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে দুই দেশের প্রতিনিধিদলের মধ্যে শান্তি আলোচনা শুরু হয়। দীর্ঘ ২১ ঘণ্টা ধরে চলা এ আলোচনায় কোনো সমাধান না আসলে ইরানের বন্দরগুলোতে অবরোধ আরোপ করে যুক্তরাষ্ট্র।
ইরানের ওই সূত্রটি জানিয়েছে, যুদ্ধবিরতির পরও আরব সাগর ও ওমান উপসাগরে যুক্তরাষ্ট্রের নৌ অবরোধ অব্যাহত থাকায় যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনার ব্যাপারে তেহরানের অবিশ্বাস আরও বেড়েছে। মধ্যস্থতাকারী দেশ পাকিস্তানের কাছে এমন বার্তা পাঠিয়েছে তেহরান।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দ্বিতীয় দফা আলোচনায় ফেরার জন্য ন্যূনতম আস্থা তৈরির কাঠামোর অংশ হিসেবে এই শর্তগুলো নির্ধারণ করা হয়েছে। এসব শর্ত বাস্তবায়ন ছাড়া নতুন আলোচনা শুরু করা সম্ভব নয়।
সংবাদ সংস্থা ফার্স জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের ১৪ দফা প্রস্তাবের জবাব হিসেবেই ইরান এই পাঁচ শর্ত উপস্থাপন করেছে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাবটিকে সম্পূর্ণ একতরফা বলে জানায় ইরান। দেশটি বলেছে, যুদ্ধের মাধ্যমে অর্জনে ব্যর্থ হওয়া লক্ষ্যগুলো আলোচনার মাধ্যমে আদায়ের চেষ্টা করছে ওয়াশিংটন। এই উদ্দেশ্য নিয়েই এমন প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল।
গত রবিবার যুদ্ধ বন্ধে যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাবের বিপরীতে পাকিস্তানের কাছে এই প্রস্তাব পাঠায় ইরান। তবে ট্রাম্প সেটিকে ‘সম্পূর্ণ অগ্রহণযোগ্য’ বলে প্রত্যাখ্যান করেছেন।
উল্লেখ্য, জেনেভা শহরে আলোচনা চলা অবস্থায় গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে হামলা চালায় মার্কিন-ইসরাইলি যৌথবাহিনী। এতে আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিসহ বেশকিছু শীর্ষ কর্মকর্তা নিহত হয়েছেন।

পরমাণু ও হরমুজ প্রণালি ইস্যুতে বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ইরানের তীব্র উত্তেজনা চলছে। এমতাবস্থায় আলোচনার টেবিলে ফিরতে আস্থা-অর্জনে যুক্তরাষ্ট্রের জন্য পাঁচটি শর্ত নির্ধারণ করেছে ইরান। এই শর্ত পূরণ করা না হলে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে দ্বিতীয় দফা আলোচনায় বসবে না তেহরান।
ঘনিষ্ঠ সূত্রের বরাত দিয়ে মঙ্গলবার (১২ মে) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে ফার্স নিউজ এজেন্সি।
সূত্রটি জানায়, ওয়াশিংটনের সঙ্গে নতুন কোনো আলোচনা শুরু করার জন্য এসব শর্তকে ‘ন্যূনতম গ্যারান্টি’ হিসেবে বিবেচনা করছে ইরান।
ইরানের দেওয়া শর্তগুলো হলো–
- সব ফ্রন্টে যুদ্ধ বন্ধ করা (বিশেষ করে লেবাননে)
- ইরানের ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার;
- জব্দ করা ইরানি সম্পদ মুক্ত করা
- যুদ্ধের ক্ষতিপূরণ প্রদান ও
- হরমুজ প্রণালির ওপর ইরানের সার্বভৌম অধিকার স্বীকৃতি দেওয়া।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে যৌথ হামলা চালায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। এ হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিসহ একাধিক সিনিয়র কর্মকর্তা নিহত হন। দীর্ঘ ৪০ দিন ধরে হামলা-পাল্টা হামলা শেষে গত ৮ এপ্রিল যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এরপর ১১ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে দুই দেশের প্রতিনিধিদলের মধ্যে শান্তি আলোচনা শুরু হয়। দীর্ঘ ২১ ঘণ্টা ধরে চলা এ আলোচনায় কোনো সমাধান না আসলে ইরানের বন্দরগুলোতে অবরোধ আরোপ করে যুক্তরাষ্ট্র।
ইরানের ওই সূত্রটি জানিয়েছে, যুদ্ধবিরতির পরও আরব সাগর ও ওমান উপসাগরে যুক্তরাষ্ট্রের নৌ অবরোধ অব্যাহত থাকায় যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনার ব্যাপারে তেহরানের অবিশ্বাস আরও বেড়েছে। মধ্যস্থতাকারী দেশ পাকিস্তানের কাছে এমন বার্তা পাঠিয়েছে তেহরান।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দ্বিতীয় দফা আলোচনায় ফেরার জন্য ন্যূনতম আস্থা তৈরির কাঠামোর অংশ হিসেবে এই শর্তগুলো নির্ধারণ করা হয়েছে। এসব শর্ত বাস্তবায়ন ছাড়া নতুন আলোচনা শুরু করা সম্ভব নয়।
সংবাদ সংস্থা ফার্স জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের ১৪ দফা প্রস্তাবের জবাব হিসেবেই ইরান এই পাঁচ শর্ত উপস্থাপন করেছে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাবটিকে সম্পূর্ণ একতরফা বলে জানায় ইরান। দেশটি বলেছে, যুদ্ধের মাধ্যমে অর্জনে ব্যর্থ হওয়া লক্ষ্যগুলো আলোচনার মাধ্যমে আদায়ের চেষ্টা করছে ওয়াশিংটন। এই উদ্দেশ্য নিয়েই এমন প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল।
গত রবিবার যুদ্ধ বন্ধে যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাবের বিপরীতে পাকিস্তানের কাছে এই প্রস্তাব পাঠায় ইরান। তবে ট্রাম্প সেটিকে ‘সম্পূর্ণ অগ্রহণযোগ্য’ বলে প্রত্যাখ্যান করেছেন।
উল্লেখ্য, জেনেভা শহরে আলোচনা চলা অবস্থায় গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে হামলা চালায় মার্কিন-ইসরাইলি যৌথবাহিনী। এতে আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিসহ বেশকিছু শীর্ষ কর্মকর্তা নিহত হয়েছেন।

আস্থা অর্জনে যুক্তরাষ্ট্রকে ৫ শর্ত ইরানের
সিটিজেন ডেস্ক

পরমাণু ও হরমুজ প্রণালি ইস্যুতে বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ইরানের তীব্র উত্তেজনা চলছে। এমতাবস্থায় আলোচনার টেবিলে ফিরতে আস্থা-অর্জনে যুক্তরাষ্ট্রের জন্য পাঁচটি শর্ত নির্ধারণ করেছে ইরান। এই শর্ত পূরণ করা না হলে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে দ্বিতীয় দফা আলোচনায় বসবে না তেহরান।
ঘনিষ্ঠ সূত্রের বরাত দিয়ে মঙ্গলবার (১২ মে) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে ফার্স নিউজ এজেন্সি।
সূত্রটি জানায়, ওয়াশিংটনের সঙ্গে নতুন কোনো আলোচনা শুরু করার জন্য এসব শর্তকে ‘ন্যূনতম গ্যারান্টি’ হিসেবে বিবেচনা করছে ইরান।
ইরানের দেওয়া শর্তগুলো হলো–
- সব ফ্রন্টে যুদ্ধ বন্ধ করা (বিশেষ করে লেবাননে)
- ইরানের ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার;
- জব্দ করা ইরানি সম্পদ মুক্ত করা
- যুদ্ধের ক্ষতিপূরণ প্রদান ও
- হরমুজ প্রণালির ওপর ইরানের সার্বভৌম অধিকার স্বীকৃতি দেওয়া।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে যৌথ হামলা চালায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। এ হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিসহ একাধিক সিনিয়র কর্মকর্তা নিহত হন। দীর্ঘ ৪০ দিন ধরে হামলা-পাল্টা হামলা শেষে গত ৮ এপ্রিল যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এরপর ১১ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে দুই দেশের প্রতিনিধিদলের মধ্যে শান্তি আলোচনা শুরু হয়। দীর্ঘ ২১ ঘণ্টা ধরে চলা এ আলোচনায় কোনো সমাধান না আসলে ইরানের বন্দরগুলোতে অবরোধ আরোপ করে যুক্তরাষ্ট্র।
ইরানের ওই সূত্রটি জানিয়েছে, যুদ্ধবিরতির পরও আরব সাগর ও ওমান উপসাগরে যুক্তরাষ্ট্রের নৌ অবরোধ অব্যাহত থাকায় যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনার ব্যাপারে তেহরানের অবিশ্বাস আরও বেড়েছে। মধ্যস্থতাকারী দেশ পাকিস্তানের কাছে এমন বার্তা পাঠিয়েছে তেহরান।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দ্বিতীয় দফা আলোচনায় ফেরার জন্য ন্যূনতম আস্থা তৈরির কাঠামোর অংশ হিসেবে এই শর্তগুলো নির্ধারণ করা হয়েছে। এসব শর্ত বাস্তবায়ন ছাড়া নতুন আলোচনা শুরু করা সম্ভব নয়।
সংবাদ সংস্থা ফার্স জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের ১৪ দফা প্রস্তাবের জবাব হিসেবেই ইরান এই পাঁচ শর্ত উপস্থাপন করেছে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাবটিকে সম্পূর্ণ একতরফা বলে জানায় ইরান। দেশটি বলেছে, যুদ্ধের মাধ্যমে অর্জনে ব্যর্থ হওয়া লক্ষ্যগুলো আলোচনার মাধ্যমে আদায়ের চেষ্টা করছে ওয়াশিংটন। এই উদ্দেশ্য নিয়েই এমন প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল।
গত রবিবার যুদ্ধ বন্ধে যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাবের বিপরীতে পাকিস্তানের কাছে এই প্রস্তাব পাঠায় ইরান। তবে ট্রাম্প সেটিকে ‘সম্পূর্ণ অগ্রহণযোগ্য’ বলে প্রত্যাখ্যান করেছেন।
উল্লেখ্য, জেনেভা শহরে আলোচনা চলা অবস্থায় গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে হামলা চালায় মার্কিন-ইসরাইলি যৌথবাহিনী। এতে আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিসহ বেশকিছু শীর্ষ কর্মকর্তা নিহত হয়েছেন।

ইরানে নতুন অভিযান অপারেশন স্লেজহ্যামারের পরিকল্পনা যুক্তরাষ্ট্রের


