প্রতিদিন হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ খাচ্ছে রাজধানীর অটোরিকশা
নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রতিদিন হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ খাচ্ছে রাজধানীর অটোরিকশা
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১২ মে ২০২৬, ১৩: ২৪

ছবি: সংগৃহীত
রাজধানীর অলিগলি থেকে প্রধান সড়ক– সর্বত্রই এখন ব্যাটারিচালিত রিকশার দখলে। চালকের লাইসেন্স নেই, নেই কোনো প্রশিক্ষণ বা আইনি নিবন্ধন। তবুও ঢাকার সড়কে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে এই তিন চাকার যান। সংশ্লিষ্টদের হিসাবে, বর্তমানে প্রায় ১০ লাখ ব্যাটারিচালিত রিকশা চলাচল করছে রাজধানীতে। স্থানীয় প্রভাবশালী ব্যক্তি, রাজনৈতিক নেতা ও ব্যবসায়ীদের নিয়ন্ত্রণে থাকা এসব রিকশার কারণে নগরে বাড়ছে বিশৃঙ্খলা, দুর্ঘটনা ও তীব্র যানজট।
জানা গেছে, রাজধানীতে ব্যাটারিচালিত রিকশার গ্যারেজ প্রায় ১৩ হাজার। প্রতিটি গ্যারেজে গড়ে ৭০ থেকে ৮০টি রিকশা রয়েছে। সেই হিসাবে নগরে ব্যাটারিচালিত রিকশার সংখ্যা প্রায় ১০ লাখ। এসব গ্যারেজের আওতায় রয়েছে ৬৫ হাজার ৯৬৪টি চার্জিং স্টেশন।
সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, রাজধানীতে প্রতিদিন প্রায় ১ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ খরচ হচ্ছে শুধু রিকশা চার্জিংয়ে। অথচ ঢাকা পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেডের (ডিপিডিসি) বৈধ চার্জিং স্টেশন রয়েছে মাত্র ২ হাজার ১৪৬টি। বাকি স্টেশনগুলো সম্পূর্ণ অবৈধ। অনেকেই আবাসিক মিটার ও চোরাই সংযোগ ব্যবহার করে রিকশা চার্জ দিচ্ছেন। গ্যারেজ মালিকেরা বিদ্যুৎ বিল ও গ্যারেজ ভাড়ার কথা বলে প্রতিদিন চালকদের কাছ থেকে ৭০ থেকে ১৫০ টাকা পর্যন্ত নিচ্ছেন।
রাজধানীতে চলাচল করা অধিকাংশ ব্যাটারিচালিত রিকশার চালক দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে আসা। প্রশিক্ষণ বা অভিজ্ঞতা ছাড়াই তাদের হাতে রিকশা তুলে দিচ্ছেন গ্যারেজ মালিকেরা।
অভিযোগ রয়েছে, এসব রিকশার মালিক স্থানীয় প্রভাবশালী ব্যক্তি, রাজনৈতিক দলের নেতা ও বিভিন্ন শ্রেণির ব্যবসায়ী। তারা দিনে ৫০০ টাকার বিনিময়ে নিম্ন আয়ের মানুষের হাতে রিকশা তুলে দিচ্ছেন। আবার অনেকে দ্রুত আয়ের আশায় ব্যক্তিগত উদ্যোগেও ব্যাটারিচালিত রিকশা তৈরি করছেন।
তবে রাজধানীতে প্রতিদিন কত ব্যাটারিচালিত রিকশা চলাচল করছে, এর নির্ভরযোগ্য কোনো পরিসংখ্যান নেই সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়, দুই সিটি করপোরেশন বা ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগের কাছে। এমনকী এই খাতে কী পরিমাণ বিদ্যুৎ ব্যবহৃত হচ্ছে বা চুরি হচ্ছে, সেই তথ্যও জানেন না ডিপিডিসির শীর্ষ কর্মকর্তারা।
ডিপিডিসির কিছু কর্মকর্তা অবৈধ সংযোগ দিয়ে আর্থিক সুবিধা নিচ্ছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। ফলে বিভিন্ন এলাকায় অবৈধ চার্জিং স্টেশন গড়ে উঠলেও দৃশ্যমান কোনো অভিযান পরিচালনা করা হয় না।
মানিকনগর, মুগদা, মান্ডা ও ধলপুর এলাকায় রয়েছে প্রায় ১ হাজার রিকশা গ্যারেজ। যাত্রাবাড়ী, কুতুবখালী, ছনটেক, শেখদী, কাজলার পাড়, বিবির বাগিচা, গোয়ালবাড়ী মোড়, মাতুয়াইল, রায়েরবাগ, পলাশপুর, সিটিধারা, শ্যামপুর ও জুরাইন এলাকায় গ্যারেজের সংখ্যা ১২শর বেশি।
চকবাজার, কামরাঙ্গীরচর, হাজারীবাগ, লালবাগ ও শহীদনগর এলাকায় রয়েছে আরও ৮শর বেশি গ্যারেজ। মিরপুরের রূপনগর, দুয়ারিপাড়া, বাউনিয়াবাঁধ, কালশী, বাইশটেকি ও কাফরুল এলাকাতেও ১ হাজারের বেশি গ্যারেজ গড়ে উঠেছে।
তেজগাঁও শিল্প এলাকার বিএসটিআই মূল সড়কের দুই পাশের ফুটপাতজুড়ে গড়ে উঠেছে কয়েকশ রিকশার গ্যারেজ। স্থানীয়দের অভিযোগ, দিনে বাণিজ্যিক মিটার ব্যবহার করা হলেও রাতে সেখানে চোরাই বিদ্যুৎ ব্যবহার করা হয়।
মানিকনগরের একটি গ্যারেজের মালিক মেহেদি বলেন, সড়কে অন্য যানবাহন যেভাবে চলছে, ব্যাটারিচালিত রিকশাও সেভাবে চলতে দেওয়া উচিত। প্রয়োজনে সরকার আমাদের নীতিমালা করে দিক।
এদিকে পুলিশ বলছে, অবৈধ ব্যাটারিচালিত রিকশার বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। বিশেষ করে প্রধান সড়কে উঠতে বাধা দেওয়া, ডাম্পিং করা, সিট জব্দ করা এবং অবৈধ বিদ্যুতের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার মতো পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।
ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান জানিয়েছেন, সড়কে শৃঙ্খলা ফেরাতে বৃহস্পতিবার (১৪ মে) ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন, ডিএমপি ও ট্রাফিক বিভাগের কর্মকর্তাদের নিয়ে বৈঠকে বসবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

রাজধানীর অলিগলি থেকে প্রধান সড়ক– সর্বত্রই এখন ব্যাটারিচালিত রিকশার দখলে। চালকের লাইসেন্স নেই, নেই কোনো প্রশিক্ষণ বা আইনি নিবন্ধন। তবুও ঢাকার সড়কে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে এই তিন চাকার যান। সংশ্লিষ্টদের হিসাবে, বর্তমানে প্রায় ১০ লাখ ব্যাটারিচালিত রিকশা চলাচল করছে রাজধানীতে। স্থানীয় প্রভাবশালী ব্যক্তি, রাজনৈতিক নেতা ও ব্যবসায়ীদের নিয়ন্ত্রণে থাকা এসব রিকশার কারণে নগরে বাড়ছে বিশৃঙ্খলা, দুর্ঘটনা ও তীব্র যানজট।
জানা গেছে, রাজধানীতে ব্যাটারিচালিত রিকশার গ্যারেজ প্রায় ১৩ হাজার। প্রতিটি গ্যারেজে গড়ে ৭০ থেকে ৮০টি রিকশা রয়েছে। সেই হিসাবে নগরে ব্যাটারিচালিত রিকশার সংখ্যা প্রায় ১০ লাখ। এসব গ্যারেজের আওতায় রয়েছে ৬৫ হাজার ৯৬৪টি চার্জিং স্টেশন।
সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, রাজধানীতে প্রতিদিন প্রায় ১ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ খরচ হচ্ছে শুধু রিকশা চার্জিংয়ে। অথচ ঢাকা পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেডের (ডিপিডিসি) বৈধ চার্জিং স্টেশন রয়েছে মাত্র ২ হাজার ১৪৬টি। বাকি স্টেশনগুলো সম্পূর্ণ অবৈধ। অনেকেই আবাসিক মিটার ও চোরাই সংযোগ ব্যবহার করে রিকশা চার্জ দিচ্ছেন। গ্যারেজ মালিকেরা বিদ্যুৎ বিল ও গ্যারেজ ভাড়ার কথা বলে প্রতিদিন চালকদের কাছ থেকে ৭০ থেকে ১৫০ টাকা পর্যন্ত নিচ্ছেন।
রাজধানীতে চলাচল করা অধিকাংশ ব্যাটারিচালিত রিকশার চালক দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে আসা। প্রশিক্ষণ বা অভিজ্ঞতা ছাড়াই তাদের হাতে রিকশা তুলে দিচ্ছেন গ্যারেজ মালিকেরা।
অভিযোগ রয়েছে, এসব রিকশার মালিক স্থানীয় প্রভাবশালী ব্যক্তি, রাজনৈতিক দলের নেতা ও বিভিন্ন শ্রেণির ব্যবসায়ী। তারা দিনে ৫০০ টাকার বিনিময়ে নিম্ন আয়ের মানুষের হাতে রিকশা তুলে দিচ্ছেন। আবার অনেকে দ্রুত আয়ের আশায় ব্যক্তিগত উদ্যোগেও ব্যাটারিচালিত রিকশা তৈরি করছেন।
তবে রাজধানীতে প্রতিদিন কত ব্যাটারিচালিত রিকশা চলাচল করছে, এর নির্ভরযোগ্য কোনো পরিসংখ্যান নেই সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়, দুই সিটি করপোরেশন বা ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগের কাছে। এমনকী এই খাতে কী পরিমাণ বিদ্যুৎ ব্যবহৃত হচ্ছে বা চুরি হচ্ছে, সেই তথ্যও জানেন না ডিপিডিসির শীর্ষ কর্মকর্তারা।
ডিপিডিসির কিছু কর্মকর্তা অবৈধ সংযোগ দিয়ে আর্থিক সুবিধা নিচ্ছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। ফলে বিভিন্ন এলাকায় অবৈধ চার্জিং স্টেশন গড়ে উঠলেও দৃশ্যমান কোনো অভিযান পরিচালনা করা হয় না।
মানিকনগর, মুগদা, মান্ডা ও ধলপুর এলাকায় রয়েছে প্রায় ১ হাজার রিকশা গ্যারেজ। যাত্রাবাড়ী, কুতুবখালী, ছনটেক, শেখদী, কাজলার পাড়, বিবির বাগিচা, গোয়ালবাড়ী মোড়, মাতুয়াইল, রায়েরবাগ, পলাশপুর, সিটিধারা, শ্যামপুর ও জুরাইন এলাকায় গ্যারেজের সংখ্যা ১২শর বেশি।
চকবাজার, কামরাঙ্গীরচর, হাজারীবাগ, লালবাগ ও শহীদনগর এলাকায় রয়েছে আরও ৮শর বেশি গ্যারেজ। মিরপুরের রূপনগর, দুয়ারিপাড়া, বাউনিয়াবাঁধ, কালশী, বাইশটেকি ও কাফরুল এলাকাতেও ১ হাজারের বেশি গ্যারেজ গড়ে উঠেছে।
তেজগাঁও শিল্প এলাকার বিএসটিআই মূল সড়কের দুই পাশের ফুটপাতজুড়ে গড়ে উঠেছে কয়েকশ রিকশার গ্যারেজ। স্থানীয়দের অভিযোগ, দিনে বাণিজ্যিক মিটার ব্যবহার করা হলেও রাতে সেখানে চোরাই বিদ্যুৎ ব্যবহার করা হয়।
মানিকনগরের একটি গ্যারেজের মালিক মেহেদি বলেন, সড়কে অন্য যানবাহন যেভাবে চলছে, ব্যাটারিচালিত রিকশাও সেভাবে চলতে দেওয়া উচিত। প্রয়োজনে সরকার আমাদের নীতিমালা করে দিক।
এদিকে পুলিশ বলছে, অবৈধ ব্যাটারিচালিত রিকশার বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। বিশেষ করে প্রধান সড়কে উঠতে বাধা দেওয়া, ডাম্পিং করা, সিট জব্দ করা এবং অবৈধ বিদ্যুতের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার মতো পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।
ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান জানিয়েছেন, সড়কে শৃঙ্খলা ফেরাতে বৃহস্পতিবার (১৪ মে) ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন, ডিএমপি ও ট্রাফিক বিভাগের কর্মকর্তাদের নিয়ে বৈঠকে বসবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

প্রতিদিন হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ খাচ্ছে রাজধানীর অটোরিকশা
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১২ মে ২০২৬, ১৩: ২৪

ছবি: সংগৃহীত
রাজধানীর অলিগলি থেকে প্রধান সড়ক– সর্বত্রই এখন ব্যাটারিচালিত রিকশার দখলে। চালকের লাইসেন্স নেই, নেই কোনো প্রশিক্ষণ বা আইনি নিবন্ধন। তবুও ঢাকার সড়কে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে এই তিন চাকার যান। সংশ্লিষ্টদের হিসাবে, বর্তমানে প্রায় ১০ লাখ ব্যাটারিচালিত রিকশা চলাচল করছে রাজধানীতে। স্থানীয় প্রভাবশালী ব্যক্তি, রাজনৈতিক নেতা ও ব্যবসায়ীদের নিয়ন্ত্রণে থাকা এসব রিকশার কারণে নগরে বাড়ছে বিশৃঙ্খলা, দুর্ঘটনা ও তীব্র যানজট।
জানা গেছে, রাজধানীতে ব্যাটারিচালিত রিকশার গ্যারেজ প্রায় ১৩ হাজার। প্রতিটি গ্যারেজে গড়ে ৭০ থেকে ৮০টি রিকশা রয়েছে। সেই হিসাবে নগরে ব্যাটারিচালিত রিকশার সংখ্যা প্রায় ১০ লাখ। এসব গ্যারেজের আওতায় রয়েছে ৬৫ হাজার ৯৬৪টি চার্জিং স্টেশন।
সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, রাজধানীতে প্রতিদিন প্রায় ১ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ খরচ হচ্ছে শুধু রিকশা চার্জিংয়ে। অথচ ঢাকা পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেডের (ডিপিডিসি) বৈধ চার্জিং স্টেশন রয়েছে মাত্র ২ হাজার ১৪৬টি। বাকি স্টেশনগুলো সম্পূর্ণ অবৈধ। অনেকেই আবাসিক মিটার ও চোরাই সংযোগ ব্যবহার করে রিকশা চার্জ দিচ্ছেন। গ্যারেজ মালিকেরা বিদ্যুৎ বিল ও গ্যারেজ ভাড়ার কথা বলে প্রতিদিন চালকদের কাছ থেকে ৭০ থেকে ১৫০ টাকা পর্যন্ত নিচ্ছেন।
রাজধানীতে চলাচল করা অধিকাংশ ব্যাটারিচালিত রিকশার চালক দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে আসা। প্রশিক্ষণ বা অভিজ্ঞতা ছাড়াই তাদের হাতে রিকশা তুলে দিচ্ছেন গ্যারেজ মালিকেরা।
অভিযোগ রয়েছে, এসব রিকশার মালিক স্থানীয় প্রভাবশালী ব্যক্তি, রাজনৈতিক দলের নেতা ও বিভিন্ন শ্রেণির ব্যবসায়ী। তারা দিনে ৫০০ টাকার বিনিময়ে নিম্ন আয়ের মানুষের হাতে রিকশা তুলে দিচ্ছেন। আবার অনেকে দ্রুত আয়ের আশায় ব্যক্তিগত উদ্যোগেও ব্যাটারিচালিত রিকশা তৈরি করছেন।
তবে রাজধানীতে প্রতিদিন কত ব্যাটারিচালিত রিকশা চলাচল করছে, এর নির্ভরযোগ্য কোনো পরিসংখ্যান নেই সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়, দুই সিটি করপোরেশন বা ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগের কাছে। এমনকী এই খাতে কী পরিমাণ বিদ্যুৎ ব্যবহৃত হচ্ছে বা চুরি হচ্ছে, সেই তথ্যও জানেন না ডিপিডিসির শীর্ষ কর্মকর্তারা।
ডিপিডিসির কিছু কর্মকর্তা অবৈধ সংযোগ দিয়ে আর্থিক সুবিধা নিচ্ছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। ফলে বিভিন্ন এলাকায় অবৈধ চার্জিং স্টেশন গড়ে উঠলেও দৃশ্যমান কোনো অভিযান পরিচালনা করা হয় না।
মানিকনগর, মুগদা, মান্ডা ও ধলপুর এলাকায় রয়েছে প্রায় ১ হাজার রিকশা গ্যারেজ। যাত্রাবাড়ী, কুতুবখালী, ছনটেক, শেখদী, কাজলার পাড়, বিবির বাগিচা, গোয়ালবাড়ী মোড়, মাতুয়াইল, রায়েরবাগ, পলাশপুর, সিটিধারা, শ্যামপুর ও জুরাইন এলাকায় গ্যারেজের সংখ্যা ১২শর বেশি।
চকবাজার, কামরাঙ্গীরচর, হাজারীবাগ, লালবাগ ও শহীদনগর এলাকায় রয়েছে আরও ৮শর বেশি গ্যারেজ। মিরপুরের রূপনগর, দুয়ারিপাড়া, বাউনিয়াবাঁধ, কালশী, বাইশটেকি ও কাফরুল এলাকাতেও ১ হাজারের বেশি গ্যারেজ গড়ে উঠেছে।
তেজগাঁও শিল্প এলাকার বিএসটিআই মূল সড়কের দুই পাশের ফুটপাতজুড়ে গড়ে উঠেছে কয়েকশ রিকশার গ্যারেজ। স্থানীয়দের অভিযোগ, দিনে বাণিজ্যিক মিটার ব্যবহার করা হলেও রাতে সেখানে চোরাই বিদ্যুৎ ব্যবহার করা হয়।
মানিকনগরের একটি গ্যারেজের মালিক মেহেদি বলেন, সড়কে অন্য যানবাহন যেভাবে চলছে, ব্যাটারিচালিত রিকশাও সেভাবে চলতে দেওয়া উচিত। প্রয়োজনে সরকার আমাদের নীতিমালা করে দিক।
এদিকে পুলিশ বলছে, অবৈধ ব্যাটারিচালিত রিকশার বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। বিশেষ করে প্রধান সড়কে উঠতে বাধা দেওয়া, ডাম্পিং করা, সিট জব্দ করা এবং অবৈধ বিদ্যুতের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার মতো পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।
ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান জানিয়েছেন, সড়কে শৃঙ্খলা ফেরাতে বৃহস্পতিবার (১৪ মে) ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন, ডিএমপি ও ট্রাফিক বিভাগের কর্মকর্তাদের নিয়ে বৈঠকে বসবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
/এফসি/

সড়ক অবরোধ করেছে অটোরিকশা চালকেরা


