নাইজেরিয়ায় বিমান বাহিনীর হামলায় নিহত অন্তত ১০০
সিটিজেন ডেস্ক

নাইজেরিয়ায় বিমান বাহিনীর হামলায় নিহত অন্তত ১০০
সিটিজেন ডেস্ক
প্রকাশ : ১২ মে ২০২৬, ১৯: ৪১

ছবি: সংগৃহীত
নাইজেরিয়ার উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় জামফারা রাজ্যের একটি বাজারে দেশটির বিমান বাহিনীর এক অভিযানে নারী ও শিশুসহ অন্তত একশ বেসামরিক নাগরিক প্রাণ হারিয়েছেন এবং কয়েক ডজন মানুষ আহত হয়েছেন। মানবাধিকার সংস্থা অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল মঙ্গলবার (১২ মে) এ ভয়াবহ হামলার তথ্য নিশ্চিত করেছে। সংস্থাটি অবিলম্বে এ হত্যাকাণ্ডের নিরপেক্ষ তদন্ত শুরুর জন্য দেশটির সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের ভাষ্য অনুযায়ী, রবিবার (১০ মে) জামফারার জুরমি জেলার দুর্গম তুমফা বাজারে এ ভয়াবহ বিমান হামলা চালায় নাইজেরীয় সেনাবাহিনী। বর্তমানে আহত কয়েক ডজন মানুষকে জুরমি ও নিকটবর্তী শিনকাফি শহরের বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। নিহতদের মধ্যে একটি বড় অংশই নারী ও শিশু বলে জানিয়েছে অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল।
হামলার বিষয়ে নাইজেরিয়ার সামরিক বাহিনী তাৎক্ষণিকভাবে কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য করতে রাজি হয়নি। তবে অতীতে এ ধরনের বেসামরিক হতাহতের অভিযোগ তারা বরাবরই অস্বীকার করে এসেছে। সেনাবাহিনীর দাবি, তারা কেবল সুনির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে জঙ্গি আস্তানা লক্ষ্য করেই এসব অভিযান পরিচালনা করে। যদিও প্রত্যক্ষদর্শীরা বলছেন ভিন্ন কথা। তারা জানান, রবিবার দুপুরের দিকে ওই এলাকায় একাধিক সামরিক বিমানকে চক্কর দিতে দেখা যায়। এর প্রায় দুই ঘণ্টা পর বিমানগুলো পুনরায় ফিরে এসে জনাকীর্ণ বাজারে অতর্কিত বোমা বর্ষণ শুরু করে।
এ ঘটনার পুনরাবৃত্তি উত্তর নাইজেরিয়ার বাসিন্দাদের মধ্যে গভীর উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। এর আগে গত এপ্রিল মাসে উত্তর-পূর্ব নাইজেরিয়ার জিলি এলাকার একটি সাপ্তাহিক বাজারে একই ধরনের বিমান হামলায় অন্তত ২০০ বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছিলেন, যা বর্তমানে সেনাবাহিনী তদন্ত করছে। দীর্ঘ ১৭ বছর ধরে উত্তর-পূর্বাঞ্চলে ইসলামি বিদ্রোহ এবং উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে সশস্ত্র দস্যু বাহিনীর দমনে লড়াই করছে নাইজেরীয় সেনাবাহিনী।
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল বলেছে, দেশটিতে মানবাধিকার লঙ্ঘনের এসব ঘটনা এখন নিয়মিত বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। সশস্ত্র বিদ্রোহী, দস্যু এবং খোদ সামরিক বাহিনীর এ ত্রিমুখী নৃশংসতার চরম মূল্য দিতে হচ্ছে সাধারণ গ্রামবাসীদের।
সূত্র: রয়টার্স

নাইজেরিয়ার উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় জামফারা রাজ্যের একটি বাজারে দেশটির বিমান বাহিনীর এক অভিযানে নারী ও শিশুসহ অন্তত একশ বেসামরিক নাগরিক প্রাণ হারিয়েছেন এবং কয়েক ডজন মানুষ আহত হয়েছেন। মানবাধিকার সংস্থা অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল মঙ্গলবার (১২ মে) এ ভয়াবহ হামলার তথ্য নিশ্চিত করেছে। সংস্থাটি অবিলম্বে এ হত্যাকাণ্ডের নিরপেক্ষ তদন্ত শুরুর জন্য দেশটির সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের ভাষ্য অনুযায়ী, রবিবার (১০ মে) জামফারার জুরমি জেলার দুর্গম তুমফা বাজারে এ ভয়াবহ বিমান হামলা চালায় নাইজেরীয় সেনাবাহিনী। বর্তমানে আহত কয়েক ডজন মানুষকে জুরমি ও নিকটবর্তী শিনকাফি শহরের বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। নিহতদের মধ্যে একটি বড় অংশই নারী ও শিশু বলে জানিয়েছে অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল।
হামলার বিষয়ে নাইজেরিয়ার সামরিক বাহিনী তাৎক্ষণিকভাবে কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য করতে রাজি হয়নি। তবে অতীতে এ ধরনের বেসামরিক হতাহতের অভিযোগ তারা বরাবরই অস্বীকার করে এসেছে। সেনাবাহিনীর দাবি, তারা কেবল সুনির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে জঙ্গি আস্তানা লক্ষ্য করেই এসব অভিযান পরিচালনা করে। যদিও প্রত্যক্ষদর্শীরা বলছেন ভিন্ন কথা। তারা জানান, রবিবার দুপুরের দিকে ওই এলাকায় একাধিক সামরিক বিমানকে চক্কর দিতে দেখা যায়। এর প্রায় দুই ঘণ্টা পর বিমানগুলো পুনরায় ফিরে এসে জনাকীর্ণ বাজারে অতর্কিত বোমা বর্ষণ শুরু করে।
এ ঘটনার পুনরাবৃত্তি উত্তর নাইজেরিয়ার বাসিন্দাদের মধ্যে গভীর উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। এর আগে গত এপ্রিল মাসে উত্তর-পূর্ব নাইজেরিয়ার জিলি এলাকার একটি সাপ্তাহিক বাজারে একই ধরনের বিমান হামলায় অন্তত ২০০ বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছিলেন, যা বর্তমানে সেনাবাহিনী তদন্ত করছে। দীর্ঘ ১৭ বছর ধরে উত্তর-পূর্বাঞ্চলে ইসলামি বিদ্রোহ এবং উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে সশস্ত্র দস্যু বাহিনীর দমনে লড়াই করছে নাইজেরীয় সেনাবাহিনী।
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল বলেছে, দেশটিতে মানবাধিকার লঙ্ঘনের এসব ঘটনা এখন নিয়মিত বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। সশস্ত্র বিদ্রোহী, দস্যু এবং খোদ সামরিক বাহিনীর এ ত্রিমুখী নৃশংসতার চরম মূল্য দিতে হচ্ছে সাধারণ গ্রামবাসীদের।
সূত্র: রয়টার্স

নাইজেরিয়ায় বিমান বাহিনীর হামলায় নিহত অন্তত ১০০
সিটিজেন ডেস্ক
প্রকাশ : ১২ মে ২০২৬, ১৯: ৪১

ছবি: সংগৃহীত
নাইজেরিয়ার উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় জামফারা রাজ্যের একটি বাজারে দেশটির বিমান বাহিনীর এক অভিযানে নারী ও শিশুসহ অন্তত একশ বেসামরিক নাগরিক প্রাণ হারিয়েছেন এবং কয়েক ডজন মানুষ আহত হয়েছেন। মানবাধিকার সংস্থা অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল মঙ্গলবার (১২ মে) এ ভয়াবহ হামলার তথ্য নিশ্চিত করেছে। সংস্থাটি অবিলম্বে এ হত্যাকাণ্ডের নিরপেক্ষ তদন্ত শুরুর জন্য দেশটির সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের ভাষ্য অনুযায়ী, রবিবার (১০ মে) জামফারার জুরমি জেলার দুর্গম তুমফা বাজারে এ ভয়াবহ বিমান হামলা চালায় নাইজেরীয় সেনাবাহিনী। বর্তমানে আহত কয়েক ডজন মানুষকে জুরমি ও নিকটবর্তী শিনকাফি শহরের বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। নিহতদের মধ্যে একটি বড় অংশই নারী ও শিশু বলে জানিয়েছে অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল।
হামলার বিষয়ে নাইজেরিয়ার সামরিক বাহিনী তাৎক্ষণিকভাবে কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য করতে রাজি হয়নি। তবে অতীতে এ ধরনের বেসামরিক হতাহতের অভিযোগ তারা বরাবরই অস্বীকার করে এসেছে। সেনাবাহিনীর দাবি, তারা কেবল সুনির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে জঙ্গি আস্তানা লক্ষ্য করেই এসব অভিযান পরিচালনা করে। যদিও প্রত্যক্ষদর্শীরা বলছেন ভিন্ন কথা। তারা জানান, রবিবার দুপুরের দিকে ওই এলাকায় একাধিক সামরিক বিমানকে চক্কর দিতে দেখা যায়। এর প্রায় দুই ঘণ্টা পর বিমানগুলো পুনরায় ফিরে এসে জনাকীর্ণ বাজারে অতর্কিত বোমা বর্ষণ শুরু করে।
এ ঘটনার পুনরাবৃত্তি উত্তর নাইজেরিয়ার বাসিন্দাদের মধ্যে গভীর উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। এর আগে গত এপ্রিল মাসে উত্তর-পূর্ব নাইজেরিয়ার জিলি এলাকার একটি সাপ্তাহিক বাজারে একই ধরনের বিমান হামলায় অন্তত ২০০ বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছিলেন, যা বর্তমানে সেনাবাহিনী তদন্ত করছে। দীর্ঘ ১৭ বছর ধরে উত্তর-পূর্বাঞ্চলে ইসলামি বিদ্রোহ এবং উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে সশস্ত্র দস্যু বাহিনীর দমনে লড়াই করছে নাইজেরীয় সেনাবাহিনী।
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল বলেছে, দেশটিতে মানবাধিকার লঙ্ঘনের এসব ঘটনা এখন নিয়মিত বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। সশস্ত্র বিদ্রোহী, দস্যু এবং খোদ সামরিক বাহিনীর এ ত্রিমুখী নৃশংসতার চরম মূল্য দিতে হচ্ছে সাধারণ গ্রামবাসীদের।
সূত্র: রয়টার্স
/এমএকে/

নাইজেরিয়ায় দুর্বৃত্তদের গুলিতে ২১ জন নিহত
নাইজেরিয়ায় সশস্ত্র হামলায় নিহত ৫০


