ইরান যুদ্ধ নিয়ে কংগ্রেসের মুখোমুখি হেগসেথ
সিটিজেন ডেস্ক

ইরান যুদ্ধ নিয়ে কংগ্রেসের মুখোমুখি হেগসেথ
সিটিজেন ডেস্ক
প্রকাশ : ১২ মে ২০২৬, ১৯: ৩৫

পেন্টাগন প্রধান হেগসেথ (বামে) এবং জেনারেল ড্যান কেইন। ছবি: আল জাজিরা
যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ও পেন্টাগন প্রধান পিট হেগসেথ ইরানে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল যৌথ সামরিক অভিযানের বিষয়ে কংগ্রেসের নতুন দফা জিজ্ঞাসাবাদের মুখোমুখি হচ্ছেন। শুধু ডেমোক্র্যাট নয়, ক্ষমতাসীন রিপাবলিকান দলের কিছু আইনপ্রণেতাও এই সংঘাতের দীর্ঘায়িত হওয়া এবং কংগ্রেসের আনুষ্ঠানিক অনুমোদন ছাড়া সামরিক সম্পৃক্ততা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।
মার্কিন কংগ্রেসের প্রতিরক্ষা ব্যয় তদারকিকারী হাউস ও সিনেটের প্রভাবশালী উপকমিটিগুলো ট্রাম্প প্রশাসনের প্রস্তাবিত ২০২৭ সালের সামরিক বাজেট নিয়ে ধারাবাহিক শুনানি করছে। প্রস্তাবিত বাজেটে প্রায় ১ দশমিক ৫ ট্রিলিয়ন ডলার বরাদ্দ চাওয়া হয়েছে, যা যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে অন্যতম বড় প্রতিরক্ষা ব্যয় পরিকল্পনা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
তবে বিশ্লেষকদের ধারণা, বাজেট আলোচনার পাশাপাশি শুনানিতে ইরান যুদ্ধের বাস্তব পরিস্থিতি এবং এর রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক প্রভাবও গুরুত্ব পাবে। বিশেষ করে জ্বালানির উচ্চমূল্য ও দীর্ঘস্থায়ী সামরিক উত্তেজনা আগামী মধ্যবর্তী কংগ্রেস নির্বাচনকে সামনে রেখে রিপাবলিকানদের জন্য বাড়তি চাপ তৈরি করছে।
শুনানিতে হেগসেথের সঙ্গে জয়েন্ট চিফস অব স্টাফের চেয়ারম্যান জেনারেল ড্যান কেইন উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে। তারা প্রস্তাবিত প্রতিরক্ষা বাজেটের বিভিন্ন দিক তুলে ধরবেন এবং অতিরিক্ত ড্রোন, যুদ্ধজাহাজ ও ইন্টারসেপ্টর ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থার প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেবেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।
মার্কিন কর্মকর্তাদের মতে, ইরানকে ঘিরে চলমান সংঘাতের কারণে এসব সামরিক সরঞ্জামের মজুদ উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে, যা নতুন করে প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বাড়ানোর প্রশ্ন সামনে নিয়ে এসেছে।
সূত্র: আল জাজিরা

যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ও পেন্টাগন প্রধান পিট হেগসেথ ইরানে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল যৌথ সামরিক অভিযানের বিষয়ে কংগ্রেসের নতুন দফা জিজ্ঞাসাবাদের মুখোমুখি হচ্ছেন। শুধু ডেমোক্র্যাট নয়, ক্ষমতাসীন রিপাবলিকান দলের কিছু আইনপ্রণেতাও এই সংঘাতের দীর্ঘায়িত হওয়া এবং কংগ্রেসের আনুষ্ঠানিক অনুমোদন ছাড়া সামরিক সম্পৃক্ততা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।
মার্কিন কংগ্রেসের প্রতিরক্ষা ব্যয় তদারকিকারী হাউস ও সিনেটের প্রভাবশালী উপকমিটিগুলো ট্রাম্প প্রশাসনের প্রস্তাবিত ২০২৭ সালের সামরিক বাজেট নিয়ে ধারাবাহিক শুনানি করছে। প্রস্তাবিত বাজেটে প্রায় ১ দশমিক ৫ ট্রিলিয়ন ডলার বরাদ্দ চাওয়া হয়েছে, যা যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে অন্যতম বড় প্রতিরক্ষা ব্যয় পরিকল্পনা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
তবে বিশ্লেষকদের ধারণা, বাজেট আলোচনার পাশাপাশি শুনানিতে ইরান যুদ্ধের বাস্তব পরিস্থিতি এবং এর রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক প্রভাবও গুরুত্ব পাবে। বিশেষ করে জ্বালানির উচ্চমূল্য ও দীর্ঘস্থায়ী সামরিক উত্তেজনা আগামী মধ্যবর্তী কংগ্রেস নির্বাচনকে সামনে রেখে রিপাবলিকানদের জন্য বাড়তি চাপ তৈরি করছে।
শুনানিতে হেগসেথের সঙ্গে জয়েন্ট চিফস অব স্টাফের চেয়ারম্যান জেনারেল ড্যান কেইন উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে। তারা প্রস্তাবিত প্রতিরক্ষা বাজেটের বিভিন্ন দিক তুলে ধরবেন এবং অতিরিক্ত ড্রোন, যুদ্ধজাহাজ ও ইন্টারসেপ্টর ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থার প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেবেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।
মার্কিন কর্মকর্তাদের মতে, ইরানকে ঘিরে চলমান সংঘাতের কারণে এসব সামরিক সরঞ্জামের মজুদ উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে, যা নতুন করে প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বাড়ানোর প্রশ্ন সামনে নিয়ে এসেছে।
সূত্র: আল জাজিরা

ইরান যুদ্ধ নিয়ে কংগ্রেসের মুখোমুখি হেগসেথ
সিটিজেন ডেস্ক
প্রকাশ : ১২ মে ২০২৬, ১৯: ৩৫

পেন্টাগন প্রধান হেগসেথ (বামে) এবং জেনারেল ড্যান কেইন। ছবি: আল জাজিরা
যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ও পেন্টাগন প্রধান পিট হেগসেথ ইরানে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল যৌথ সামরিক অভিযানের বিষয়ে কংগ্রেসের নতুন দফা জিজ্ঞাসাবাদের মুখোমুখি হচ্ছেন। শুধু ডেমোক্র্যাট নয়, ক্ষমতাসীন রিপাবলিকান দলের কিছু আইনপ্রণেতাও এই সংঘাতের দীর্ঘায়িত হওয়া এবং কংগ্রেসের আনুষ্ঠানিক অনুমোদন ছাড়া সামরিক সম্পৃক্ততা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।
মার্কিন কংগ্রেসের প্রতিরক্ষা ব্যয় তদারকিকারী হাউস ও সিনেটের প্রভাবশালী উপকমিটিগুলো ট্রাম্প প্রশাসনের প্রস্তাবিত ২০২৭ সালের সামরিক বাজেট নিয়ে ধারাবাহিক শুনানি করছে। প্রস্তাবিত বাজেটে প্রায় ১ দশমিক ৫ ট্রিলিয়ন ডলার বরাদ্দ চাওয়া হয়েছে, যা যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে অন্যতম বড় প্রতিরক্ষা ব্যয় পরিকল্পনা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
তবে বিশ্লেষকদের ধারণা, বাজেট আলোচনার পাশাপাশি শুনানিতে ইরান যুদ্ধের বাস্তব পরিস্থিতি এবং এর রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক প্রভাবও গুরুত্ব পাবে। বিশেষ করে জ্বালানির উচ্চমূল্য ও দীর্ঘস্থায়ী সামরিক উত্তেজনা আগামী মধ্যবর্তী কংগ্রেস নির্বাচনকে সামনে রেখে রিপাবলিকানদের জন্য বাড়তি চাপ তৈরি করছে।
শুনানিতে হেগসেথের সঙ্গে জয়েন্ট চিফস অব স্টাফের চেয়ারম্যান জেনারেল ড্যান কেইন উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে। তারা প্রস্তাবিত প্রতিরক্ষা বাজেটের বিভিন্ন দিক তুলে ধরবেন এবং অতিরিক্ত ড্রোন, যুদ্ধজাহাজ ও ইন্টারসেপ্টর ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থার প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেবেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।
মার্কিন কর্মকর্তাদের মতে, ইরানকে ঘিরে চলমান সংঘাতের কারণে এসব সামরিক সরঞ্জামের মজুদ উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে, যা নতুন করে প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বাড়ানোর প্রশ্ন সামনে নিয়ে এসেছে।
সূত্র: আল জাজিরা
/এমআর/




