গণপূর্তে প্রকৌশলীদের ব্যয় অনুমোদনের নতুন সীমা নির্ধারণ
গণপূর্তে প্রকৌশলীদের ব্যয় অনুমোদনের নতুন সীমা নির্ধারণ
গণপূর্ত অধিদপ্তরের বিভিন্ন পর্যায়ের প্রকৌশলীদের আর্থিক ক্ষমতা পুনর্বণ্টন করা হয়েছে।


বঙ্গভবন থেকে সার্কিট হাউজ, আদালত থেকে হাসপাতাল সকল স্থানে অফিসের আসববাবপত্র ও ইন্টিরিয়রের জন্য প্রয়োজনীয় সামগ্রী সরবরাহে একচেটিয়ে কাজ পেয়ে আসছে হাতিল ফার্ণিচার।

সচিব রমনা পার্কে নিয়মিত হাঁটেন। তাই উনার চাহিদামতো রাতারাতি তৈরি করা হলো একটি মসজিদ। কিন্তু বিপত্তি বাধে প্রচলিত আইনে। যে প্রকল্পের নাম দিয়ে কয়েক কোটি টাকা খরচ করা হয়েছে সেটি তখনও সরকারের কোনো পর্যায়ে অনুমোদন হয়নি।

রাজধানীর শাহবাগে সুফিয়া কামাল জাতীয় গণগ্রন্থাগার নির্মাণ প্রকল্পে একের পর এক বাড়ানো হচ্ছে ব্যয়। প্রকল্পের শুরুতে যে কাজের প্রাক্কলিত ব্যয় ধরা হয়েছিল ৫২৪ কোটি ২৫ লাখ টাকা, বছর দেড়েকের ব্যবধানে তা বাড়িয়ে করা হয় ৫৬১ কোটি ৩০ লাখ টাকা।

রূপপুর গ্রিনসিটি প্রকল্পে আসবাবপত্র কেনা ও ভবনে তোলার ক্ষেত্রে অস্বাভাবিক ব্যয়ের অভিযোগে অভিযুক্ত গণপূর্ত অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আহমেদ সাজ্জাদ খানকে বাধ্যতামূলক অবসর দিয়েছে সরকার।
গণপূর্ত অধিদপ্তরের বিভিন্ন পর্যায়ের প্রকৌশলীদের আর্থিক ক্ষমতা পুনর্বণ্টন করা হয়েছে।

আজ (১ এপ্রিল) বুধবার গণপূর্ত অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী খালেকুজ্জামান চৌধুরী স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এই আদেশ জারি করা হয়েছে।

দায়িত্ব পালনে অবহেলার অভিযোগে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন (ডিএনসিসি) এর আওতাধীন অঞ্চল-৫ এর ভারপ্রাপ্ত নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মিজানুর রহমানকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।
